তিতাস একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান। বছরে বিপুল অঙ্কের মুনাফা করেও গ্রাহকের, বিশেষ করে আবাসিক গ্রাহকের নিরাপত্তা নিয়ে মাথাব্যথা নেই প্রতিষ্ঠানটির। সম্প্রতি শিল্প-গ্রাহকের সুবিধার্থে নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও ২৮ লাখ আবাসিক গ্রাহকের সুরক্ষায় ৪৬৯ কিলোমিটার সঞ্চালন লাইন পরিবর্তন বা সংস্কারের ব্যাপারে খুব একটা আগ্রহ দেখাচ্ছে না তিতাস।
ঢাকা শহরে এমন কোনো এলাকা খুঁজে পাওয়া যাবে না যেখানে তিতাসের গ্যাস পাইপ লাইনে ছিদ্র নেই। এসব ছিদ্র দিয়ে গ্যাস নির্গত হয়ে বড় বড় দুর্ঘটনা ঘটছে, হচ্ছে প্রাণহানি। উড়ে যাচ্ছে শত শত কোটি টাকার গ্যাস। এসব ছি বাকি অংশ পড়ুন...
তিতাস একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান। বছরে বিপুল অঙ্কের মুনাফা করেও গ্রাহকের, বিশেষ করে আবাসিক গ্রাহকের নিরাপত্তা নিয়ে মাথাব্যথা নেই প্রতিষ্ঠানটির। সম্প্রতি শিল্প-গ্রাহকের সুবিধার্থে নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও ২৮ লাখ আবাসিক গ্রাহকের সুরক্ষায় ৪৬৯ কিলোমিটার সঞ্চালন লাইন পরিবর্তন বা সংস্কারের ব্যাপারে খুব একটা আগ্রহ দেখাচ্ছে না তিতাস।
ঢাকা শহরে এমন কোনো এলাকা খুঁজে পাওয়া যাবে না যেখানে তিতাসের গ্যাস পাইপ লাইনে ছিদ্র নেই। এসব ছিদ্র দিয়ে গ্যাস নির্গত হয়ে বড় বড় দুর্ঘটনা ঘটছে, হচ্ছে প্রাণহানি। উড়ে যাচ্ছে শত শত কোটি টাকার গ্যাস। এসব ছি বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের তিন পার্বত্য জেলায় খুন, সম্ভ্রমহরণ, বাঙালীদের জমি দখল, চাঁদাবাজির মাধ্যমে ত্রাসের রাজ কায়েম করে রেখেছে জেএসএস, ইউপিডিএফসহ নামে বেনামে বেশ কয়েকটি উপজাতি সন্ত্রাসী সংগঠন। যাদের অত্যাচার নির্যাতনে অতিষ্ঠ পার্বত্যাঞ্চলের সাধারণ বাঙালী জনগণ।
এরই মধ্যে পাহাড়ে নতুন করে এক উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠনের আবির্ভাব হয়েছে। কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট(কেএনএফ) নামে পার্বত্য চট্টগ্রামে এক ভয়াবহ সশস্ত্র গোষ্ঠী পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রায় অর্ধেক ভূমি নিয়ে পূর্ণ স্বায়ত্ত্বশাসন ক্ষমতাসহ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কুকি-চিন রাজ্ বাকি অংশ পড়ুন...
প্রধানমন্ত্রী একনেককে নির্দেশনা দিয়ে বলেছেন। বলেছেন-উন্নয়ন প্রকল্পে অহেতুক পরামর্শক যেন নেওয়া না হয়, দেশীয় পরামর্শকদের কাজে লাগাতে হবে।
কিন্তু বাস্তবে উন্নয়ন প্রকল্পে পরামর্শক ব্যয়ের লাগাম টানা হচ্ছে না। বিশেষ করে বৈদেশিক ঋণ বা অনুদান আছে এমন প্রকল্পে পরামর্শক নেওয়াটাই যেন নিয়তি। এরকম সাত প্রকল্পে পরামর্শক ব্যয় ধরা হয়েছে এক হাজার ১৫৯ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। সংশ্লিষ্টরা স্বীকারও করছেন উন্নয়ন সহযোগীদের চাপে বাধ্য হয়েই অনেক ক্ষেত্রে নিতে হচ্ছে পরামর্শক।
এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা সত্ত্বেও দেশে বাকি অংশ পড়ুন...
প্রতি পবিত্র রমাদ্বান শরীফের শুরুতেই কাপড়ের দোকানের সামনে একটা অভিনব ব্যানার লক্ষ্য করা যায়, যেখানে লেখা থাকে- ‘এখানে যাকাতের কাপড় পাওয়া যায়।’ এভাবে আলাদা করে লেখার কারণ জানতে চাইলে দোকানি বলে, ‘যাকাতদাতাদের অধিকাংশই যাকাতের কাপড় কম দামে এবং সংখ্যায় বেশি চায়।’
‘গরিব-অসহায় মানুষ পবিত্র ঈদ উনার আগে নতুন কাপড় পেলে খুবই খুশি হয়। তাই যাকাতদাতারা বেশি মানুষকে খুশি করার জন্য বেশি বেশি কাপড় কিনে। যাকাতদাতারা এখন মূলত নাম কামাইয়ের জন্য যাকাত দেয়। এতে করে যাকাত গ্রহীতারা কত নিম্নমানের কাপড় পেল অথবা এ নিম্নমানের কাপড় সংগ্রহ করতে গি বাকি অংশ পড়ুন...
সারাদিন রোযা রেখে ইফতারী রোযাদারদের জন্য অধীর আগ্রহ এবং খুশির বিষয়। সাধারণভাবে প্রত্যেক রোযাদারই চায় ইফতারীতে একটু ভালো খেতে। তবে ইফতারীতে অধিকাংশ রোযাদারই মুখরোচক ইফতারী পছন্দ করে। কিন্তু দুঃখজনক হলো যে- এসব মুখরোচক খাবারের সবটুকুই মারাত্মকভাবে স্বাস্থ্যনিকর ও ভেজালযুক্ত
ইফতারীতে হরেক রকম রং ব্যবহার করা হয়। ইফতারীর প্রায় সবগুলো সামগ্রী যেমন পেঁয়াজু, ছোলা, আলুর চপ, গোশতের চপ, কাবাব, কাটলেট, তেহারি, হালিম, জিলিপি, বিভিন্ন সিরাপ বা পাউডার দিয়ে ঘরে তৈরি শরবত, বাজারে বিক্রিত প্যাকেটজাত হরেক নামের তথাকথিত আমের বা কমলার রস ইত্ বাকি অংশ পড়ুন...
প্রভাবশালী ব্যক্তি, স্থানীয় নেতা, পাতি নেতা ও পুলিশ- এই তিন চক্রের দখলে রাজধানীর ফুটপাত। সূত্র মতে, রাজধানীর ফুটপাত হকারদের কাছ থেকে মাসে ৩০ কোটিরও বেশি টাকা তোলে লাইনম্যানধারী চাঁদাবাজরা। আর সে হিসেবে প্রতিদিন চাঁদাবাজির মাধ্যমে ১ কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে অসহায় হকারদের কাছ থেকে। অথচ সরকারি ব্যবস্থাপনায় এর সামান্য অংশ টাকা তোলা হলেও বছর শেষে সকল হকারকে পুনর্বাসন সম্ভব। পাশাপাশি সম্ভব ক্ষুদ্র আয়ের মানুষদের মাত্রারিক্ত মূল্যে দ্রব্য সামগ্রী দেয়া। বিশেষ করে রমজানে ও ঈদে এর প্রভাব প্রকট হয়। ঈদকে সামনে রেখে রাজনৈতিক প্রভাবশ বাকি অংশ পড়ুন...
মধু মহাসম্মানিত সুন্নতি একটি খাবার। তাছাড়া বিভিন্ন মিষ্টান্ন ও সুস্বাদু খাবার তৈরিতে মধু ব্যবহার করা হয়। মৌচাক থেকে পাওয়া মোম দিয়ে প্রসাধনী ও মোমবাতিসহ নানা সামগ্রী তৈরি হয়। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও প্রতি বছর মধু সংগ্রহ কিংবা উৎপাদন করে বাংলাদেশের মধু চাষীরা। মধু চাষের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রায় সাড়ে ৪ লাখ কৃষক জড়িত। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মধু চাষের কারণেই আজ এত কৃষকের কর্মসংস্থান হয়েছে, যা ১০ বছর আগেও ছিল না। একসময় গ্রামে কৃষিকাজ করে যাদের সংসার চলত না তারা এখন মধু চাষ করছে। মধু উৎপাদন করে তাদের সংসার ভালো চলছে। দে বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত সময়ে ১৮ হাজার ৪২৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) হিসাব দিয়েছে।
তাদের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ সময়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে শস্য উৎপাদনে ৬ হাজার ৬৭০ কোটি টাকা, যা মোট ক্ষয়ক্ষতির ৩৬ দশমিক ২০ শতাংশ। এরপরেই ক্ষতি হয়েছে নদী ভাঙনে, ৪ হাজার ৯২৩ কোটি টাকা। আর বসত বাড়ি ভেঙে ক্ষতি হয়েছে ৩ হাজার ১৬৮ কোটি টাকা।
‘বাংলাদেশের দুর্যোগ সংশ্লিষ্ট পরিসংখ্যান ২০১৫: প্রেক্ষিত পানিবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ’ শিরোনামে বিব বাকি অংশ পড়ুন...
দেশে ধনী-গরীবের বৈষম্য প্রকট আকার ধারণ করেছে। ধনীরা হচ্ছে আরো ধনী। আর গরীবরা হচ্ছে আরো গরিব। গরীব থেকে উত্তোরণের গতি কমে গেছে। সরকারের মধ্যে থেকেও দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা বিষয়টি স্বীকার করেছে। আয় ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির এই নিষ্পেষণের ফলে খরচের সঙ্গে তাল মেলাতে না পেরে ভাঙছে পরিবার ব্যবস্থা। বন্ধ হচ্ছে সন্তানের পড়ালেখা। বাড়ছে অপরাধ, পুষ্টিহীন মানুষের সংখ্যা, ছিন্নমূল মানুষের সংখ্যা, পারিবারিক কলহে ভাঙছে সংসার।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ খানার আয় ও ব্যয় নির্ধারণ জরিপে দেখা গেছে, দেশের মোট ৩৮.১ বাকি অংশ পড়ুন...
ইউজিসির সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন গবেষণায় উদ্বেগজনক চিত্র বেরিয়ে এসেছে। এতে দেখা যাচ্ছে, ২০২১ সালে ৫০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৬টিতেই এমফিল-পিএইচডিতে কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়নি। মাত্র ১৯ শতাংশ শিক্ষকের পিএইচডি ডিগ্রি আছে। ৫ বছর ধরে এই সংখ্যা কমছে। অর্থাৎ, ২০১৭ সালে পিএইচডিধারী শিক্ষক ছিলেন ৩৪১৬ জন, সেখানে ২০২১ সালে ছিলেন ২৯৪৪ জন। ২০২১ সালে সব বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক ছিলেন ১৫৩৯৩ জন।
প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পরিস্থিতি আরও করুণ। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক আর সহযোগী অধ্যাপকদের বেশিরভাগই ভাড়া করা। সাধারণত উচ্চতর বাকি অংশ পড়ুন...
প্রতি পবিত্র রমাদ্বান শরীফের শুরুতেই কাপড়ের দোকানের সামনে একটা অভিনব ব্যানার লক্ষ্য করা যায়, যেখানে লেখা থাকে- ‘এখানে যাকাতের কাপড় পাওয়া যায়।’ এভাবে আলাদা করে লেখার কারণ জানতে চাইলে দোকানি বলে, ‘যাকাতদাতাদের অধিকাংশই যাকাতের কাপড় কম দামে এবং সংখ্যায় বেশি চায়।’
‘গরিব-অসহায় মানুষ পবিত্র ঈদ উনার আগে নতুন কাপড় পেলে খুবই খুশি হয়। তাই যাকাতদাতারা বেশি মানুষকে খুশি করার জন্য বেশি বেশি কাপড় কিনে। যাকাতদাতারা এখন মূলত নাম কামাইয়ের জন্য যাকাত দেয়। এতে করে যাকাত গ্রহীতারা কত নিম্নমানের কাপড় পেল অথবা এ নিম্নমানের কাপড় সংগ্রহ করতে গ বাকি অংশ পড়ুন...












