সারাদেশে চলছে ভুয়া প্রকল্প ও ভুয়া বিলের ছড়াছড়ি তথা সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে হাজার রকমের দুর্নীতি (৪৪৩)
, ০৬ মুহররমুল হারাম শরীফ, ১৪৪৪ হিজরী সন, ২৬ ছানী, ১৩৯১ শামসী সন , ২৫ জুলাই, ২০২৩ খ্রি:, ১০ শ্রাবণ, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) মন্তব্য কলাম
দুদকের অনুসন্ধান শুরু
বছরে ২ লাখ টাকার পত্রিকা, ওভারটাইমের নামে ১৬২ কোটি টাকা নয়ছয়!
বাংলাদেশ শ্রম আইন অনুযায়ী, দৈনিক ৮ ঘণ্টা, সাপ্তাহিক ৪৮ ঘণ্টা ও মাস হিসেবে গড়ে ১৭৫ ঘণ্টা কর্ম-সময় ধরা হয়। এর বাইরে অতিরিক্ত কাজকে ওভারটাইম বলা হয়। যদিও ওভারটাইমসহ সর্বোচ্চ কাজের সময় সাপ্তাহিক ৬০ ঘণ্টা এবং বছরে সাপ্তাহিক ৫৬ ঘণ্টার বেশি হতে পারবে না। আইন অনুযায়ী, সাধারণ কর্মচারীরা অতিরিক্ত কাজের জন্য মূল বেতনের দ্বিগুণ অর্থ পাবেন। তবে মাস শেষে ওভারটাইম মূল বেতনের বেশি হতে পারবে না।
কিন্তু ঢাকা ওয়াসায় ঘটেছে এর উল্টো ঘটনা। গত তিন বছরে ১৬২ কোটি টাকার বেশি ওভারটাইম হিসেবে খরচ করা হয়েছে। আড়াই হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দেওয়া ওভারটাইম মূল বেতনকেও ছাড়িয়ে যাওয়ার উদাহরণ রয়েছে! কেবল ওভারটাইমই নয়, পত্রিকা বিল, বিভিন্ন অ্যালাউন্স, কম্পিউটার মেইনটেন্যান্স ও সম্মানী ভাতা বাবদ লাখ লাখ টাকা বিল দেখিয়ে আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ওভারটাইমসহ বিভিন্ন খাতে ব্যয়ের নামে সরকারের কোটি কোটি টাকা গচ্ছা দেওয়ার এমন একটি অভিযোগ যাচাই-বাছাই শেষে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে মাঠেও নেমেছে দুদকের বিশেষ টিম।
দুদক সচিব মো. মাহবুব হোসেনের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওয়াসার কয়েকটি অভিযোগের বিষয়ে আমাদের অনুসন্ধান ও তদন্ত চলমান রয়েছে। তবে আপনার উল্লেখ করা ওই অভিযোগের অনুসন্ধানের বিষয়টি আমারা জানা নেই।
ওভারটাইমের সরকারের আর্থিক ক্ষতিসাধনের বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা ওয়াসার ডিএমডি (অর্থ) মো. আখতারুজ্জামান বলেন, আমি এ প্রতিষ্ঠানে নতুন। আপনি যে বছরগুলোর বিষয়ে জানতে চেয়েছেন, সে বিষয়ে আমার কাছে কোনো তথ্য নেই। এ বিষয়ে জানতে আপনি জনসংযোগ দপ্তরে যোগাযোগ করুন।
অন্যদিকে ঢাকা ওয়াসার জনসংযোগ কর্মকর্তা মোস্তফা তারেকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বিষয়টি জেনে জানানোর কথা বলেছেন।
ওভারটাইমের বিষয়ে যা আছে শ্রম আইনে
বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এর নবম অধ্যায়ে শ্রমিকের কর্মঘণ্টা ও ওভারটাইমের বিষয়ে বলা আছে, সাধারণত দৈনিক ৮ ঘণ্টা করে এবং সাপ্তাহিক ৪৮ ঘণ্টা কর্ম সময় ধরা হয়। বিশ্রাম এবং খাবার সময় ব্যতীত যে পরিমাণ সময় শ্রমিকরা তাদের নিয়োগকর্তার অধীনে কাজের জন্য দিয়ে থাকেন সেই সময়কে ‘কর্ম সময়’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়।
শ্রম আইন ২০০৬ অনুসারে, যদি কোনো শ্রমিক দৈনিক ৮ ঘণ্টা এবং সাপ্তাহিক ৪৮ ঘণ্টার বেশি কাজ করেন তাহলে তাকে ওভারটাইম হিসেবে ধরা হয়। ওভারটাইমসহ সর্বোচ্চ কাজের সময় সাপ্তাহিক ৬০ ঘণ্টা এবং বার্ষিক গড়ে ৫৬ ঘণ্টার বেশি হতে পারবে না। এই শর্ত অনুযায়ী সর্বোচ্চ ওভারটাইম দৈনিক ২ ঘণ্টা এবং সাপ্তাহিক ১২ ঘণ্টা হয়ে থাকে। তবে এক বছরে ওভারটাইমের পরিমাণ গড়ে সপ্তাহ প্রতি ৮ ঘণ্টা অতিক্রম করতে পারবে না। শ্রম আইন অনুযায়ী, সাধারণ কর্মচারীরা অতিরিক্ত কাজের জন্য মূল বেতনের দ্বিগুণ অর্থ পাবেন। তবে আবার মাস শেষে ওভারটাইম মূল বেতনের বেশি হতে পারবে না।
অডিট রিপোর্ট ও অভিযোগ কী বলছে
ঢাকা ওয়াসায় বর্তমান কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছেন প্রায় ৫ হাজার। যার মধ্যে স্থায়ী জনবলের সংখ্যা প্রায় আড়াই হাজার। বাকিরা অস্থায়ী (চুক্তিভিত্তিক ও আউটসোর্সিং)। স্থায়ী জনবল নিয়মিত বেতনের পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ টাকা ওভারটাইম হিসেবে নেন।
মন্ত্রণালয়ের অডিট প্রতিবেদন ও দুদকে জমা হওয়া অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯, ২০২০ এবং ২০২১ সালে ওয়াসার অভ্যন্তরীণ অডিট অনুযায়ী তিন বছরে ১৬২ কোটি টাকার বেশি ওভারটাইম হিসেবে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২০১৯ সালে ওভারটাইম বাবদ খরচ হয়েছে ৭৭ কোটি, ২০২০ সালে ৪২ কোটি ও ২০২১ সালে ৪৩ কোটি ২৮ লাখ টাকা। কেবল ওভারটাইমই নয়, ওয়াসার বিভিন্ন কর্মকর্তার রুমে যে পত্রিকা রাখা হয়, তার বিল বাবদও কয়েক লাখ টাকা খরচ দেখানো হয়। অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারীর মূল বেতন থেকেও ওভারটাইমের টাকা বেশি দেখানো হয়েছে। এ ছাড়া আছে বিভিন্ন অ্যালাউন্স, কম্পিউটার মেইনটেন্যান্স ও সম্মানী ভাতা। বিপুল টাকা খরচ করা হয়েছে বিভিন্ন অ্যালাউন্স ও সুযোগ-সুবিধা নেওয়া বাবদও।
ইইডির ভবন নির্মাণ: কাজ না করেই অগ্রিম বিল তুললেন ঠিকাদার
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম) ভবনের অষ্টম থেকে দশম তলার ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণের কাজ শুরু হয় ২০১৯ সালের আগস্টে। দরপত্রের শর্ত অনুযায়ী, দেড় বছরের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এখনো তা হয়নি।
অথচ বিলের সিংহভাগ টাকাই আদায় করে নিয়েছেন ঠিকাদার। এমনকি সর্বশেষ কিস্তিতে নিয়মবহির্ভূতভাবে অগ্রিম বিলও দেওয়া হয়েছে তাকে। এই অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের (ইইডি) আওতাধীন ঢাকা মেট্রো সার্কেল কার্যালয়ে।
ইইডি সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন, নতুন ভবন নির্মাণ, বিদ্যমান ভবনের সম্প্রসারণ ও রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত, সংস্কার এবং আসবাব সরবরাহ করে। এ ছাড়া মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম ও আইসিটি ল্যাব স্থাপন, ইন্টারনেট সংযোগ, আইসিটি সুবিধা দেওয়ার কাজও করে থাকে অধিদপ্তরটি।
সরকারি কাজে ঠিকাদারদের অগ্রিম বিল দেওয়ার বিধান নেই। কাজের অগ্রগতি অনুযায়ী বিল দেওয়া হয়। অর্থাৎ যে পরিমাণ অর্থের কাজ শেষ হয়, সে পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করা হয়। কিন্তু নায়েম ভবনের নির্মাণসহ ইইডির একাধিক কাজের বিল বাবদ অর্থ পরিশোধে কোনো নিয়মকানুনই মানা হয়নি। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ‘অবৈধ যোগসাজশে’ নায়েমের কাজে বিল বাবদ অগ্রিম দেওয়া হয়েছে প্রায় ৪ কোটি টাকা, যা বিধিবহির্ভূত।
অগ্রিম বিলের বিষয়ে জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সহকারী প্রকৌশলী বলেন, নায়েমের ভবন নির্মাণের সঙ্গে জড়িত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে সর্বশেষ কাজের জন্য অগ্রিম ৪ কোটি টাকার বিল পরিশোধ করা হয়েছে। অথচ এই পরিমাণ টাকার কাজ করেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ক্ষেত্রে কোনো নিয়মকানুনই মানা হয়নি। এটা বড় অনিয়ম।
নথিপত্র ঘেঁটে দেখা যায়, নায়েম ভবনের অষ্টম থেকে দশম তলার ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণের কাজ পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স শফিক এন্টারপ্রাইজ। নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৯ সালের ২৭ আগস্ট। এ কাজের ব্যয় ধরা হয় ১১ কোটি ৩৯ লাখ ৮২ হাজার ৯৭৮ টাকা।
নির্মাণকাজ শেষের মেয়াদ ধরা হয় ২০২২ সালের মার্চ পর্যন্ত। কিন্তু এখনো নির্মাণকাজের আশানুরূপ অগ্রগতি হয়নি। অথচ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা কাজের বিল বাবদ পরিশোধ করা হয়েছে।
কোটি টাকার জমি লাখ টাকায় অধিগ্রহণ!
মেহেরপুরে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অধিগ্রহণ হওয়া এবং অধিগ্রহণের প্রক্রিয়ায় থাকা বহু জমির মালিকদের দাবি, তাদের আবাসিক ও বাণিজ্যিক জমি কৃষিজমি দেখিয়ে দাম কয়েক গুণ কম নির্ধারণ করেছেন ভূমি অধিগ্রহণ শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এর প্রতিকার চেয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন এবং মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করলেও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। উল্টো হুমকি ও হয়রানির শিকার হতে হয়েছে।
ভূমি অধিগ্রহণ শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার কারণে ন্যায্য দাম না পেয়ে ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তায় থাকার কথা জানিয়েছেন বহু মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে অনেকে উচ্চ আদালতে গিয়ে অধিগ্রহণ ঠেকানোর চেষ্টা করছেন। এতে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নই আটকে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী যে তন্ত্রের উপর নির্ভর করে, যে প্রশাসনের উপর নির্ভর করে, যে আর্থ-সামাজিক আবহের উপর নির্ভর করে দুর্নীতি বন্ধ করতে চায় তাতে রয়েছে গলদ, অপূর্ণতা ও ভ্রান্তি।
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যমীনে এবং পানিতে যা ফিতনা-ফাসাদ রয়েছে সবই মানুষের হাতের কামাই।” অপরদিকে সবকিছুর সমাধান সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই এই পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে আমি সবকিছু বর্ণনা করেছি।”
অর্থাৎ কেবলমাত্র পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের মধ্যস্থিত হুকুম-আহকাম মুতাবিক চললেই দেশ থেকে দুর্নীতি নির্মূল সম্পূর্ণ সম্ভব। কিন্তু দেশের সরকার তা কবে বুঝবে? জনগণই বা কবে উপলব্ধি করবে? (ইনশাআল্লাহ চলবে)
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
অপসংস্কৃতি রোধ করতে হলে কথিত ফ্যাশন হাউজগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে হবে
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
উগ্র হিন্দুত্ববাদী ভারত এবং পতিত আওয়ামীলীগ চাচ্ছে বাংলাদেশে তথাকথিত জঙ্গী তৎপরতা প্রমাণ করতে।
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মুসলমানকে ‘মুসলমানিত্ব’ বুঝতে হবে। ‘আশহাদু আন্না মুহম্মাদার রসূলুল্লাহ’ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাক্বীক্বীভাবে বলতে হবে ও আমলে আনতে হবে।
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রতি বছর শুধু অসুস্থতার কারণে প্রায় ৬৪ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের শিকার হচ্ছে।
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
প্রধানমন্ত্রী নিজেই ‘মাননীয়’ শব্দ বাদ দেয়া শুরু করেছেন। বাতিল হয়েছে ‘রাষ্ট্রপতির’ সাথে ‘মহামান্য’ শব্দ ব্যবহারও।
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বাংলাদেশের সামরিক ব্যয় গত দশকগুলোতে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বৃদ্ধি মূলত বেতন, স্থায়ী খরচ এবং চলমান পরিচালনায় ব্যবহৃত হয়েছে। তবে সামরিক আধুনিকায়ন, সমরাস্ত্র ক্রয় এবং নতুন প্রযুক্তি সংযোজনের জন্য মোট বাজেটের মাত্র ২-৪ শতাংশ ব্যয় হয়েছে।
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র পরিক্রমায় চললেই সে প্রজ্ঞা পাওয়া সম্ভব ইনশাআল্লাহ
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক বৈদ্যুতিক সংকটকে আরো ঘণীভূত করেছে, দেশকে টাল-মাটাল করেছে আমেরিকান কোম্পানী এক্সিলারেট এনার্জি। তাদের ২০৪০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ এবং বাংলাদেশ থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা লুটতরাজের টেকসই পরিকল্পনা।
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক বৈদ্যুতিক সংকটকে আরো ঘণীভূত করেছে, দেশকে টাল-মাটাল করেছে আমেরিকান কোম্পানী এক্সিলারেট এনার্জি। তাদের ২০৪০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ এবং বাংলাদেশ থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা লুটতরাজের টেকসই পরিকল্পনা।
০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আর ড্রোন সক্ষমতা বাড়াতে বাজেট মাত্র ৫৭০ কোটি টাকা!!!!!!!!!!!!!!
০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আর ড্রোন সক্ষমতা বাড়াতে বাজেট মাত্র ৫৭০ কোটি টাকা!!!!!!!!!!!
০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সরকারের ঋণের পরিমাণ প্রায় ২০ লাখ কোটি টাকা
০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












