সারাদেশে চলছে ভুয়া প্রকল্প ও ভুয়া বিলের ছড়াছড়ি তথা সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে হাজার রকমের দুর্নীতি (৪৪৪)
, ১৬ মুহররমুল হারাম শরীফ, ১৪৪৪ হিজরী সন, ০৫ ছালিছ, ১৩৯১ শামসী সন , ০৪ আগস্ট, ২০২৩ খ্রি:, ২০ শ্রাবণ, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) মন্তব্য কলাম
সমাজসেবা অধিদপ্তরের ‘খাতিরের’ প্রকল্প
করের টাকায় মন্ত্রী-সচিবের মা-বাবার নামে প্রতিষ্ঠান
মা-বাবা, নানা-নানি, দাদা এবং বাড়ির নামে হাসপাতালের মতো স্থাপনা করতে ৯ জন নিয়েছেন ২৮৬ কোটি টাকা।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদের গ্রামে তার মায়ের নামে হাসপাতাল নির্মিত হচ্ছে ৪৪ কোটি টাকা ব্যয়ে। যার ৩৫ কোটি টাকা দিচ্ছে সমাজসেবা অধিদপ্তর। লালমনিরহাটের কালীগঞ্জের তুষভান্ডার ইউনিয়নে।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদের গ্রামে তার মায়ের নামে ‘করিমপুর নূরজাহান-সামসুন্নাহার মা ও শিশু বিশেষায়িত হাসপাতাল’ নির্মিত হচ্ছে ৪৪ কোটি টাকা ব্যয়ে। পাঁচতলা ভবনের এই হাসপাতাল নির্মাণের জন্য ৮০ শতাংশ অর্থ বা ৩৫ কোটি টাকা দিচ্ছে সমাজসেবা অধিদপ্তর, যেটি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান। হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠা করছে মন্ত্রীর মায়ের নামের এনজিও (বেসরকারি সংস্থা) করিমপুর নূরজাহান-সামসুন্নাহার উন্নয়ন সংস্থা। নির্মাণকাজ পেয়েছে মন্ত্রীর ভাইয়ের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
নির্মাণকাজ চলতে থাকা হাসপাতালটির এক কিলোমিটারের মধ্যেই সরকারি উপজেলা হাসপাতাল রয়েছে।
দুর্নীতি প্রতিরোধ নিয়ে কাজ করা সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, মন্ত্রীর অধীন প্রতিষ্ঠানের প্রকল্পের মাধ্যমে মন্ত্রীর মায়ের নামে হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা স্বার্থের সংঘাত। মন্ত্রীরা শপথ নেন এই বলে যে ‘তারা অনুরাগ অথবা বিরাগের বশবর্তী হয়ে কোনো কাজ করবেন না।’ নিজের মায়ের নামে হাসপাতাল প্রতিষ্ঠায় নিজের অধীন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জনগণের অর্থ ব্যয় শপথের বিপরীতমুখী সিদ্ধান্ত।
অবশ্য সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রকল্পের মাধ্যমে শুধু মন্ত্রী নন, আমলারাও নিজের মা-বাবা অথবা স্বজনের নামে হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, প্রশিক্ষণকেন্দ্র ইত্যাদি স্থাপনা করেছেন। সমাজসেবা অধিদপ্তর ২০১৫ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ১৮টি প্রকল্পের (ডায়াবেটিক হাসপাতাল ছাড়া) মাধ্যমে এ ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করেছে অথবা করছে, যার অন্তত ১১টি মন্ত্রী অথবা আমলাদের মা-বাবা অথবা স্বজনের নামে।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অনুদানে হাসপাতাল, প্রশিক্ষণকেন্দ্র বা সমজাতীয় স্থাপনা নির্মাণ ও পরিচালনা করে এনজিও। নিয়ম হলো, শহর এলাকায় প্রকল্প করতে মোট ব্যয়ের ৬০ শতাংশ ও গ্রাম এলাকায় ৮০ শতাংশ অর্থ সরকার দেবে, বাকিটা দেবে এনজিও। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, যেসব এনজিও প্রকল্প পাচ্ছে, সেগুলোর এ ধরনের প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার সক্ষমতা নেই। এনজিওগুলো মূলত নিজেদের স্বজনের নামে মন্ত্রী-সচিবেরা প্রতিষ্ঠা করেছেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে স্থাপনা নির্মিত হলেও সেবাদান কার্যক্রম চালু হচ্ছে না।
মন্ত্রী/সচিব পরিচয় প্রকল্প সরকারের অনুদান
নুরুজ্জামান আহমেদ সমাজকল্যানমন্ত্রী মায়ের নামে ৩৫ কোটি টাকা
সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব সাবেক সচিব মা-বাবা ও দাদার নামে ৯০ কোটি টাকা
কামাল উদ্দিন আহমেদ সাবেক সচিব দাদা ও বাবার নামে ৩৯ কোটি টাকা
জুয়েনা আজিজ সাবেক সচিব নানা-নানির নামে ২০ কোটি টাকা
নূরুল ইসলাম সাবেক সচিব মা-বাবার নামে ২০ কোটি টাকা
আবু সালেহ শেখ জহিরুল হক সাবেক সচিব বাবার নামে ১৯ কোটি টাকা
সাইদা নাইম জাহান সাবেক অতি. সচিব মা-বাবার নামে ২০ কোটি টাকা
খায়রুল আলম সাবেক অতি. সচিব বাবার নামে ২০ কোটি টাকা
স্বপন সাবেক অতি. সচিব মা-বাবার নামে ২২.৫৬ কোটি টাকা
আমলাদের মা-বাবার নামে প্রতিষ্ঠান
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় অথবা সমাজসেবা অধিদপ্তরে শীর্ষ পর্যায়ের দায়িত্ব পালন করা আমলাদের কারও কারও স্বজনের নামে প্রতিষ্ঠান করার প্রকল্প নিয়েছে সমাজসেবা অধিদপ্তর।
সাবেক সমাজকল্যাণসচিব জুয়েনা আজিজের নানা ও নানির নামে নোয়াখালীতে ফেরদৌস-মজিদ প্রতিবন্ধী সেবাকেন্দ্র ও হাসপাতাল প্রতিষ্ঠায় অনুদান দেওয়া হয়েছে ২০ কোটি টাকা (২০১৯)। প্রতিষ্ঠানটির চারতলা ভবন হয়েছে, সেবা এখনো চালু হয়নি। জনবল ও আর্থিক সংকটে তা চালু করা যাচ্ছে না। স্থাপনাটি এখন নোয়াখালী পৌরসভার তত্ত্বাবধানে আছে।
নোয়াখালী পৌরসভার মেয়র সহিদ উল্যাহ্ খান বলেন, হাসপাতালটি পরিচালনায় একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। অনুদান দিয়ে এটি চালাতে হবে।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব সাইদা নাইম জাহানের মা-বাবার নামে নরসিংদীতে ছেতারা-ছফিউল্লাহ কিডনি ও প্রতিবন্ধী সেবাকেন্দ্র স্থাপনে অনুদান দেওয়া হয়েছে ২০ কোটি টাকা (২০১৯)।
সমাজসেবা অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক ও সাবেক অতিরিক্ত সচিব খায়রুল আলমের বাবার নামে কুমিল্লার দেবীদ্বারে হাসপাতাল করার জন্য দেওয়া হয়েছে ২০ কোটি টাকার অনুদান (২০১৭)। প্রকল্প পাওয়া এনজিওটিও তার বাবার নামে-জালালউদ্দিন ফাউন্ডেশন। ৫০ শয্যার হাসপাতালটির অবকাঠামো নির্মাণ শেষ হলেও চালু করা যায়নি। সমাজসেবা অধিদপ্তর সূত্র জানায়, হাসপাতালের জন্য আসবাব ও অ্যাম্বুলেন্স কিনতে জালালউদ্দিন ফাউন্ডেশনের যে টাকা দেওয়ার কথা, তারা তা দিতে পারেনি।
সমাজসেবা অধিদপ্তরে থাকার সময় হাসপাতাল করার আগ্রহ তৈরি হয় জানিয়ে খায়রুল আলম গত ১৮ জুলাই বলেন, ‘ভবন করা সহজ; কিন্তু হাসপাতাল পরিচালনা করা কঠিন। এখন চিন্তায় পড়েছি চিকিৎসক, নার্স কোত্থেকে আসবে। তাদের বেতন কীভাবে দেওয়া হবে।’
সাবেক স্বরাষ্ট্রসচিব ও বর্তমানে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন আহমেদের দাদা আহম্মদ উল্লাহ ও বাবা সালেহ আহমেদের নামে ফেনীর ফুলগাজীতে হাসপাতাল করতে অনুদান দেওয়া হয়েছে ৩৯ কোটি টাকা (২০১৮)। কামাল উদ্দিন আহমেদ গতকাল মঙ্গলবার বলেন, সরকারের উচ্চপর্যায়ে দায়িত্বে থাকার কারণে তিনি সরকারি টাকা পেয়েছেন, তা নয়। তিনি নিয়ম মেনে বরাদ্দ পেয়েছেন। হাসপাতাল করতে নিজেদের জমি দান করেছেন। তিনি বলেন, ‘হাসপাতাল থেকে ব্যবসা করার ইচ্ছা নেই। শুধু মানবিক কারণে হাসপাতাল করছি।’
সাবেক আইনসচিব (প্রয়াত) আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হকের বাবার নামে সিরাজগঞ্জে ফজলুল হক প্রবীণ নিবাস এবং অনগ্রসর কিশোর-কিশোরীদের বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণকেন্দ্র নির্মাণের জন্য নেওয়া হয়েছে ১৯ কোটি টাকা (২০২০)। সাবেক ধর্মসচিব নূরুল ইসলামের মা-বাবার (গোলেজান বেগম ও শামসুদ্দিন আহমেদ) নামে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপনের অনুদান দেওয়া হয়েছে ২০ কোটি টাকা (২০২০)।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শাহদীন মালিক বলেন, স্বার্থের সংঘাত পরিহার করা হলো আমলাতন্ত্রের মূলনীতি। অতীতে আমলারা নিজের এলাকায় কোনো প্রকল্পের কথা চিন্তাই করতেন না। তিনি বলেন, ‘এখন আমরা আমলাতন্ত্র আর জমিদারতন্ত্রের পার্থক্য ভুলে গেছি। এসব কাজ দেখে মনে হয় আমলাতন্ত্র জমিদারতন্ত্র হয়ে গেছে।’
সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রকল্পগুলো দেখভাল করে পরিকল্পনা কমিশনের আর্থসামাজিক শাখা। শাখাটির প্রধান হিসেবে ২০২০ সালের মার্চে দায়িত্ব নেন অতিরিক্ত সচিব স্বপন। তিনি নিজ জেলা মাগুরা সদর উপজেলার শত্রুচিৎপুর ইউনিয়নের পয়ারী গ্রামে বাবা-মায়ের নামে প্রফুল্ল-প্রতিভা প্রবীণ নিবাস, এতিমখানা এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের সাহায্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। এই প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকার দিয়েছে ২২ কোটি ৫৬ লাখ টাকা।
‘সরকারের টাকায় কেন’
মন্ত্রী ও সচিবদের স্বজনদের নামে প্রতিষ্ঠান করতে সরকারের ব্যয় হচ্ছে প্রায় ২৮৬ কোটি টাকা। কিন্তু এসব প্রতিষ্ঠানের বেশির ভাগ শেষ পর্যন্ত চালু হবে কি না, কার্যকর সেবা দিতে পারবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।
আমলাদের মা-বাবার নামে প্রতিষ্ঠান করার জন্য জনগণের করের টাকা নেওয়ার বিষয়ে মতামত জানতে চাওয়া হয়েছিল সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদারের কাছে। তিনি বলেন, সরকারি টাকা নিয়ে মা-বাবার নামে প্রতিষ্ঠান করা অর্থ আত্মসাতের শামিল। সরকারি টাকা কেউ ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করতে পারে না। এটা জনগণের টাকা। জনগণের টাকায় মা-বাবার নামে প্রতিষ্ঠান করা উচিত হয়নি। বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দেখা উচিত।
প্রধানমন্ত্রী যে তন্ত্রের উপর নির্ভর করে, যে প্রশাসনের উপর নির্ভর করে, যে আর্থ-সামাজিক আবহের উপর নির্ভর করে দুর্নীতি বন্ধ করতে চায় তাতে রয়েছে গলদ, অপূর্ণতা ও ভ্রান্তি।
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যমীনে এবং পানিতে যা ফিতনা-ফাসাদ রয়েছে সবই মানুষের হাতের কামাই।” অপরদিকে সবকিছুর সমাধান সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই এই পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে আমি সবকিছু বর্ণনা করেছি।”
অর্থাৎ কেবলমাত্র পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের মধ্যস্থিত হুকুম-আহকাম মুতাবিক চললেই দেশ থেকে দুর্নীতি নির্মূল সম্পূর্ণ সম্ভব। কিন্তু দেশের সরকার তা কবে বুঝবে? জনগণই বা কবে উপলব্ধি করবে? (ইনশাআল্লাহ চলবে)
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গোপনীয় বাণিজ্য চুক্তি: জনগণের অজান্তে জিএমও খাদ্য অর্থাৎ বিষ ও রোগ জীবাণু ঢোকানোর ষড়যন্ত্র
১৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
“সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস” ব্যক্ত করার সরকারকে অবিলম্বে কুরআন শরীফে হারাম ঘোষিত শুকরের গোশত আমদানীর বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
১৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
দেশি আম বাজারে আসার আগেই শুরু হয়েছে কথিত কেমিক্যাল অপপ্রচার : দেশীয় ফলের বিরুদ্ধে বিদেশী দালাল চক্রের এই অপপ্রচার রুখতে হবে।
১২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
‘ইউনিসেফ’ এর ভয়ংকর তৎপরতা। বাংলাদেশের শিশু ও শিক্ষার্থীদের পশ্চিমা দাস বানানোর প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে ইউনিসেফ। (১)
১২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
উচ্চ আদালতে ‘ডেড ল’ বা অকার্যকর ঘোষিত ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি ১৯০০’ পুণঃবহালের অপচেষ্ঠা চলছে। উচ্চ আদালত, সেনাবাহিনী এবং সরকারের উচিত দেশবিরোধী এই চক্রান্ত ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া। (৩)
১১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
৭১ এ তারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিলো ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরোধীতার নামে। তবে তারা ২০২৬- এ আমেরিকার আধিপত্যবাদী বাণিজ্য চুক্তির বিরোধিতায় নামছে না কেন?
১১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মৃত আইন- “পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি-১৯০০”: অখ-তার পথে এক ঔপনিবেশিক কাঁটা
১০ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার বরকতে- দেশের বুকে স্থলে, নদীতে, পাহাড়ে, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে, বঙ্গোপসাগরে রয়েছে বিপুল পরিমাণ মহামূল্যবান ইউরেনিয়াম। বাংলাদেশের ইউরেনিয়াম অনেক বেশী গুণগত মান সম্পন্ন ভারতসহ দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রের কারণেই তা উত্তোলন হচ্ছে না। হিন্দুস্থান টাইমস ও কুখ্যাত প্রথম আলো তথা ভারত আমেরিকার কুচক্রীরা একযোগে ষড়যন্ত্র করছে। জনগণকে জনসচেতন হতে হবে ইনশাআল্লাহ। (৩য় পর্ব)
০৯ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
প্রধানমন্ত্রীকে সাবধান থাকতে হবে- তার মন্ত্রী বা উপদেষ্টাদের দ্বারা যেনো দেশের ভাবমর্যাদা নষ্ট না হয়! বি.এন.পি ক্ষমতায় আসলেই দেশ, সন্ত্রাসবাদের ঝুকিতে পড়ে এই ধরণের প্রচারণার জন্য তথ্য উপদেষ্টার, ‘দেশে সন্ত্রাসবাদ আছে’- এই মিথ্যা উক্তিই কী যথেষ্ট নয়?
০৯ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আত্মঘাতী ঋণের কঠিন শর্তের বেড়াজালে আটকে যাচ্ছে সরকার। দেশবাসী কেনো নির্বিকার?
০৮ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পূর্ব তিমুর কেনো মুসলমানদের হারানো ভূমি? পূর্ব তিমুরের ঘটনা কী শিক্ষা দেয়। উপজাতিরা কেনো খ্রীস্টান হয়? উপজাতিরা কেনো মুসলমান হয় না? কেনো কঠিন হয়রানির মুখোমুখি হয়। স্বাধীন জুমল্যান্ড তথা খ্রীস্টান রাজ্য বানানোর বিপরীতে ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানকে গর্জে উঠতে হবে ইনশাআল্লাহ।
০৭ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ইউনুসের দেশদ্রোহীতার বয়ান : এক সাংবাদিকের জবানবন্দি (৩)
০৬ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












