জমি-ভিটে বেচে জীবনের মায়া ত্যাগ করে ভূ-মধ্যসাগর পারি দিয়ে যে দেশের লোক বিদেশে যায় এমনী অনেকেও মারাও যায়;
সেই দেশেই বহুগুণ বেতনে বিদেশী তথা বৈধ ও অবৈধ ভারতীয় নাগরিক কাজ করে কিভাবে? ভারতে টাকা পাচার করে কেমনে?
দেশী ও প্রবাসী শ্রমিক উভয়েই শুধু অবহেলিত আর নিপীরিত বললে ভূল হবে বরং স্বাধীন বাংলাদেশে তারা ঔপনেবেশিক জুলুম, শোষণ ও বৈষম্যের স্বীকার। যা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও সংবিধানের সাথে চরম সাংঘর্ষিক।
চলতি অর্থবছরের (২০২৩-২৪) জুলাই থেকে এপ্রিল (১০ মাস) পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে বিদেশে রেমিট্যান্স গেছে ১৩ কোটি ৫ লাখ ৮০ হাজার ডলার। এর প্র বাকি অংশ পড়ুন...
কোনো দেশের অর্থনৈতিক বিকাশের জন্য সে দেশের স্থানীয় তথা দেশীয় পণ্যের বিকাশ জরুরী। বিশ্বের অধিকাংশ দেশই সবসময়ই তাদের দেশীয় পণ্যের বিকাশের দিকে খুব বেশি নজর দিয়ে থাকে। বিশ্বের অধিকাংশ দেশ সবসময়ই বিদেশী পণ্য ক্রয়ের আগে নিজেদের দেশের পণ্যের সম্প্রসারণের কথা বিবেচনা করে থাকে। কিন্তু বাংলাদেশে দেশী পণ্যের এত সম্ভাবনা থাকার পরও বিভিন্ন সময়ে ক্ষমতায় থাকা দেশের সরকার কিংবা জনগণের মধ্যে দেশীয় পণ্য ক্রয় কিংবা সম্প্রসারণের মনোভাব খুবই কম। যার কারণে বিদেশী পণ্য ধীরে ধীরে কব্জা করে নিচ্ছে বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতের বাজার। মার খাচ্ বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, “আমি তোমাদের জন্য দুটি নিয়ামত মুবারক রেখে যাচ্ছি। প্রথম নিয়ামত মুবারক হলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র কিতাব মুবারক। উনার মধ্যে রয়েছে হিদায়েত মুবারক ও নূর মুবারক। তোমরা পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনাকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়িয়ে ধরো অর্থাৎ উনার হুকুম-আহকাম সমূহ দৃঢ়ভাবে পালন করো। তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার প্রতি উৎসাহ প্রদান করলেন। অতঃপর বললেন, দ্বিতীয় নিয়ামত মুবারক হলেন, আমার হযরত আহলু বাইত শরীফ বা বংশধরগণ। আমি তোমাদেরকে আমার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্ বাকি অংশ পড়ুন...
অধুনা পুলিশী রাষ্ট্রের পরিবর্তে কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের ধারণার প্রবর্তন হয়েছে। কিছুটা অনুশীলন হচ্ছেও বলে দাবি করা হচ্ছে। কিন্তু কল্যাণমূলক ধারণার প্রকৃত ব্যাপ্তি নির্দেশিত হয়েছে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে। ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “হে মহান আল্লাহ পাক! আপনি আমাদের দুনিয়াবী কল্যাণ দান করুন এবং পরকালীন কল্যাণ দান করুন। ”
মূলত, পরকালীন কল্যাণের চেতনা সম্পৃক্ত না থাকলে কোনোদিন কোনোকিছুতেই দুনিয়াবী কল্যাণ সাধিত হয় না; হতে পারে না।
অপরদিকে কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের প্রধান অবদান হচ্ছে তথ্য অবগতি। অধুনা কল্যাণমূলক রাষ্ট্রগুলো ‘তথ্য বাকি অংশ পড়ুন...
আমি যদি মুসলমান দাবি করি তা কী রাষ্ট্রযন্ত্রের দৃষ্টিতে অপরাধ? আমি যদি মহান আল্লাহ পাক উনার বান্দা দাবি করে ইবাদত-বন্দেগী করি; তবে কী তা রাষ্ট্রযন্ত্রের দৃষ্টিতে অপরাধ?
আমি যদি আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উম্মত দাবি করে সুন্নত মুবারক পালন করি; তবে তা কী রাষ্ট্রযন্ত্রের দৃষ্টিতে অপরাধ? আমি কী পবিত্র কুরআন শরীফ উনার পবিত্র আয়াত শরীফ উনার আমল করতে পারবো না?
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার আমল করতে গেলে কী রাষ্ট্রযন্ত্র আমাকে বাধা দিবে? আমি কী প বাকি অংশ পড়ুন...
(প্রথম পর্ব)
গত ২০২১ সালের ২৫ আগস্ট পাকিস্তানের সঙ্গে এক বৈঠকে তাজিকিস্তানের প্রেসিডেন্ট রহমান পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী শাহ মহম্মদ কুরেশিকে জানান, তাজিকিস্তান কখনোই আফগানিস্তানের তালিবানি সরকারকে স্বীকৃতি দেবেনা। এই ঘটনার পরের দিনই ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রন তাজিকিস্তানের প্রেসিডেন্ট রহমানকে প্যারিস সফরে যাওয়ার আহ্বান জানায়।
অর্থাৎ তাজিকিস্তানের প্রেসিডেন্ট পর্দা ও ইসলাম বিদ্বেষী আন্তর্জাতিক মহল দ্বারা বিশেষভাবে প্রভাবিত।
তাজিকিস্তানের বর্তমান প্রেসিডেন্ট মূলত: কমুনিষ্ট পার্টিরই উত্তরসূরী। বাকি অংশ পড়ুন...
চলছে ইলিশের মৌসুম। তারপরও বরিশালের বাজারগুলোতে ইলিশের দেখা মিলছে না।
মৎস্যজীবীরা বলছেন, দুই মাসের নিষেধাজ্ঞার পর তারা তেমন কোনো ইলিশ পাচ্ছেন না। ফলে সাগরে গিয়ে, তাদের খরচও উঠছে না।
মৌসুম শুরু হলেও চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীতে মিলছে না কাঙ্খিত ইলিশ। দিন-রাতে নদীতে চষে বেড়ালেও জ্বালানি খরচ উঠছে না জেলেদের। স্থানীয় রূপালী ইলিশের আমদানি না থাকায় নদী উপকূলীয় অধিকাংশ আড়তের ব্যবসা বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।
জাটকা রক্ষায় দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে ইলিশ ধরতে নদীতে নেমে হতাশ জেলেরা। তারা বলছেন, জালে মাছ ধরা পড়ছে না। যে কয়টা ইলিশ প বাকি অংশ পড়ুন...
কুরবানির ঈদ এলেই বেড়ে যায় কসাইদের কদর। এ সময় পেশাদার কসাইয়ের পাশাপাশি মৌসুমি কসাইদের কদরও বেড়ে যায়। অনেকে ভালো কসাই না পেয়ে মৌসুমি কসাইদের কাজে নিতে বাধ্য হন।
জানা যায়, কুরবানি ঈদে রাজধানীতেই গরু-ছাগল মিলিয়ে প্রায় ১ কোটি পশু জবাই হয়। ঈদের সময় এত বিপুল সংখ্যক পশু জবাই হওয়ায় পেশাদার কসাইদের দিয়ে পশুর চামড়া ছাড়ানো সম্ভব হয় না। ফলে এসময় বেড়ে যায় মৌসুমি কসাইদের চাহিদা।
গাজীপুরের রিকশাচালক আবু মিয়া বলেন, আমাদের গ্রামে সমাজ থেকে দুই থেকে তিন কেজি গোশতের বেশি পাই না। তাই গত কয়েক বছর ধরে কুরবানির দিন কসাইয়ের কাজ করতে শহরে চলে আসি। বাকি অংশ পড়ুন...
ইন্টারনেট ব্যবহারের ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশের শিশুরা। বিশেষ করে শিশু-কিশোররাই এই বিড়ম্বনার শিকার বেশি হচ্ছে। বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ব্যাপকহারে বাড়ছে। গত ১৯ বছরে এই সংখ্যা ৮০০ গুণ বেড়েছে। বাংলাদেশে অন জনগোষ্ঠীর গড় বয়স ক্রমেই কমছে। এমনকি ১১ বছরের শিশুরাও প্রতিদিন ইন্টারনেটে প্রবেশ ও ব্যবহার করছে। যদিও ছোট শিশুদের তুলনায় বেশি বয়সী শিশুরা অনলাইনে ভয়-ভীতির সম্মুখীন হওয়ার বেশি ঝুঁকিতে থাকে। তবে ক্ষতিকর সামগ্রী, যৌন নিগ্রহ ও অপব্যবহার এবং ভয়-ভীতির সম্মুখীন হওয়ার ঝুঁকি থেকে শিশুরা কখনোই মুক্ত হচ বাকি অংশ পড়ুন...
প্রতিবারের মতো এবারও পশুবাহি ট্রাকগুলোতে চলছে চাঁদাবাজি। জানা গেছে, চাঁদাবাজির কারণে পশুবাহি ট্রাকপ্রতি খরচ হচ্ছে অতিরিক্ত ৩০ হাজার টাকা। অন্যদিকে, রাজধানী ঢাকাতেও আসতে শুরু করেছে কুরবানির পশু। আর রাজধানীগামী ট্রাকগুলোতেও ব্যাপক চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। পুলিশের পক্ষ থেকে চাঁদাবাজি না হওয়ার কথা বলা হলেও পশু ব্যবসায়ীরা বলছে, যেসকল স্পটগুলোতে বেশি চাঁদাবাজি হয় সেসকল স্থানগুলোতে নেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা। ফলে একপ্রকার জিম্মি হয়েই চাঁদা দিতে হচ্ছে স্থানীয় চাঁদাবাজদের। ব্যবসায়ী জানিয়েছে, তাদের লস হবে না। বাকি অংশ পড়ুন...
সৃষ্টির শুরু হতে যে চারটি মাসকে মহাপবিত্রতা দান করা হয়েছে তার মধ্যে পবিত্র যিলক্বদ ও জিলহজ্জ মাস অন্যতম। যা পবিত্র হারাম মাস ও পবিত্র কুরবানীর মাস হিসেবে সমাদৃত। কুরবানী শব্দটি এসেছে ‘কুরব’ থেকে, যার অর্থ নৈকট্য, সান্নিধ্য ও নিকটবর্তী হওয়া। কুরবানীর মাধ্যমে কোনো কিছু মহান আল্লাহ পাক উনার নামে নিবেদিত করে উনার নিকটবর্তী হওয়া।
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে খালিক্ব, মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি প্রত্যেক উম্মতের জন্য পবিত্র যবেহ উনার বিধান (পবিত্র কুরবানী উনার) নির্ধারণ করেছি। যাতে তারা মহান আল্লাহ প বাকি অংশ পড়ুন...
চামড়া দিয়ে যেমন ট্যানারি শিল্প গড়ে উঠেছে, তেমনি এই ট্যানারি শিল্পের বর্জ্য দিয়েও লাভজনক শিল্প গড়ে তোলা সম্ভব। বিশেষজ্ঞরা সরকারকে পাইলট প্রকল্প হাতে নিয়ে এ ধরনের উদ্যোগ যাচাই বাছাই করার পরামর্শ দিচ্ছেন। আর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার এমন সব উদ্যোগে সহযোগিতা করতে চান ট্যানারি মালিকরাও। দেশে প্রতিবছর ৬০ হাজার মেট্রিক টনের বেশি ট্যানারি বর্জ্য উৎপন্ন হয়। যার প্রায় সবটুকুই ফেলা হয় যত্রতত্র; যা পরিবেশদূষণ ও স্বাস্থ্যহানির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অথচ এই শিল্প সংশ্লিষ্টরা বলছে, কোন উচ্ছিষ্টাংশই ফেলনা নয়, একটু যতœবান হলে এসব বর্জ্যরে প্রায় বাকি অংশ পড়ুন...












