স্থানীয়দের কাছে মসজিদটি চন্দনপুরা বড় মসজিদ বা তাজ হামিদিয়া মসজিদ নামে পরিচিত। মসজিদটির বয়স ১৫০ বছর। চট্টগ্রামের পর্যটনশিল্পের পরিচয় তুলে ধরতে মসজিদটির ছবি ব্যবহার করা হয় দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রকাশনায়।
ইসলামিক স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত চট্টগ্রামের অতি প্রাচীন স্থাপনার একটি চন্দনপুরা তাজ মসজিদ। বন্দরনগরীর চকবাজার ওয়ার্ডের সিরাজ-উদ-দৌলা সড়কে এটি অবস্থিত।
মসজিদের চারদিকে যেন মেলা বসেছে রঙের। সুউচ্চ মিনার, দেয়াল, দরজা-জানালা থেকে শুরু করে সব কিছুতেই রং-বেরঙের কারুকাজ। কারুকাজ দেখেই অনুমান করা যায় এ মসজিদে মুঘল স্থাপত্যশৈ বাকি অংশ পড়ুন...
মসজিদে প্রবেশ করতেই চোখ জুড়িয়ে যায় মুসল্লিদের। দূর-দূরান্ত থেকে নামাজ পড়তে আসেন হাজারো মুসল্লি। মসজিদের সৌন্দর্য বাড়াতে চারদিকে স্থাপন করা হয়েছে লাইটপোস্ট। নির্মাণ করা হয়েছে বিভিন্ন স্থাপনাও। সুবিশাল অভ্যন্তরে মসজিদে নেই কোনো পিলার। মূল কাঠামোর মধ্যবর্তী স্থানে ওপরের দিকে নির্মাণ করা হয়েছে বিশালাকার গম্বুজ। শ্বেত-শুভ্র ঝাড়বাতিগুলো এতই মনোরম যে নির্মাণের প্রতিটি স্তরের সঙ্গেই তা একবারে মিশে গেছে।
বলা হচ্ছে অসাধারণ নির্মাণশৈলী ও নান্দনিকতার ছোঁয়ায় নির্মিত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের কথা।
সুনি বাকি অংশ পড়ুন...
চিত্র: ঢাকার ঐতিহাসিক মুঘল আমলের কাজী বাড়ী জামে মসজিদ।
পুরান ঢাকার ১২ নম্বর রোকনপুরের কাজী বাড়ীর ভিতরে প্রবেশ করলে দেখা যাবে মোঘল আমলের নকশায় নির্মিত ঐতিহাসিক কাজী বাড়ী জামে মসজিদ। বাইরে থেকে বোঝা না গেলেও ভিতরে প্রবেশ করে কারুকার্য করা এই মসজিদ দেখে অবাক হন মুসল্লিরা। মসজিদের সাথেই কাজী বাড়ী।
মসজিদের ভেতরে-বাইরে দেয়াল বর্ণিল টাইলসে আবৃত। এক গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদটির প্রশস্ততা একেবারেই কম। একসঙ্গে পঞ্চাশজন মুসুল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন।
মসজিদের গায়ের কারুকার্য যে কাউকে মুগ্ধ করবে। অনেক দূর থেকেও লোকে এখানে আসে ইবাদ বাকি অংশ পড়ুন...
কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার বড় শরীফপুর। এই গ্রামে ১৬৫৭ খৃ: নির্মিত হয় একটি দৃষ্টিনন্দন মসজিদ। মসজিদটি বলতে গেলে আগের মতোই আছে। পৌনে চার শ’ বছরেও এর সৌন্দরে্য চিড় ধরেনি। চুন সুরকির নাম না জানা মসজিদটি দেখতে প্রতিদিনই ভিড় জমায় দর্শনার্থীরা। অনেকে দূর থেকে আসেন নামাজ পড়তে। তিন জেলার মোহনায় মসজিদটি। এর পাশে চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলা।
সরেজমিনে দেখা যায়, মসজিদটির বাইরের দৈর্ঘ্য ১৪.৪৮ মিটার ও প্রস্থ ৫.৯৪ মিটার। উপরে তিনটি গম্বুজ। সেখানে পদ্মফুলের নকশা। মসজিদের সামনের দেওয়ালে ফার্সি শিলালিপি রয়েছে। সেখানে উল্লেখ আছে হা বাকি অংশ পড়ুন...
মিনার ও মসজিদের বর্তমান মিনারটি পরবর্তীতে নির্মিত, অগ্নিকা-ে কয়েক দফা মসজিদটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই এর সংস্কারও হয়েছে বহুবার। বর্তমান মিনারটি ৪৭২ হিজরীতে আমীর সাবেক বিন মাহমুদ বিন মিরদাস তাঁর শাসনামলে নির্মাণ করেন ও তৎপরবর্তী সুলতান তাশ ইবনে আলব আরসালান এর সৌন্দর্য বর্ধনে কিছু সংস্কার করেন। চারকোণ বিশিষ্ট মিনারের চতুর্দিকের ব্যস প্রায় পাঁচ উচ্চতা ৪৫ মিটার।
উল্লেখ্য যে, ১১৬৯ খৃ: সুলতান নূরুদ্দিন জঙ্গী রহমতুল্লাহি আলাইহ উনার শাসনামলে কুচক্রী খৃষ্টানগণ কর্তৃক উমাইয়া মসজিদ সম্পূর্ণ ভস্মিভূত হলেও মূল মসজিদের ই বাকি অংশ পড়ুন...
ঐতিহাসিক উমাইয়া মসজিদ আবার গ্রেট মসজিদ আলেপ্পো (ঐতিহাসিক জামে হালাব আল কাবীর মসজিদ) মসজিদ নামেও পরিচিত। এই ঐতিহাসিক মসজিদের অবস্থান সিরিয়ার হালাব বা আলেপ্পোতে। এই ঐতিহাসিক মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছিল ৯৬ হিজরী মোতাবেক ৭১৫ খৃ:।
মসজিদের মিনার সংখ্যাঃ এই ঐতিহাসিক মসজিদটিতে মিনারের সংখ্যা ১টি এবং মিনারের উচ্চতা ৪৫ মিটার ও প্রস্থ ৪.৯৫ মিটার। ইতিহাসের প্রাচীন নগরী হালার বা আলেপ্পো, যার গোড়াপত্তন হয়েছিল খৃ: পাঁচ হাজার বছরেরও অধিক কাল পূর্বে। আর জামে হালার আল কাবীর বা আলেপ্পো গ্রেট মসজিদ পবিত্র দ্বীন ইসলামী যুগের প্রাচীন মসজিদ স বাকি অংশ পড়ুন...
আফ্রিকা মহাদেশে প্রথম আজান হয় কাইরুয়ান মসজিদ থেকে। তিউনিসিয়া আফ্রিকার উত্তর উপকূলে ভূমধ্যসাগরের তীরে অবস্থিত রাষ্ট্র। দেশটির পূর্ব উপকূলে অবস্থিত তিউনিস দেশের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর।
আয়তনের দিক থেকে তিউনিসিয়া অন্যান্য উত্তর আফ্রিকান রাষ্ট্রগুলির তুলনায় খর্বাকৃতির। তিউনিসিয়া আফ্রিকার উত্তরতম দেশ।
১৮৮১ খৃ: থেকে তিউনিসিয়া ফ্রান্সের একটি উপনিবেশ ছিল। ১৯৫৬ খৃ: দেশটি স্বাধীনতা লাভ করে। তিউনিসিয়ার রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম। প্রায় সব তিউনিসীয় নাগরিক মুসলিম।
তিউনিসিয়া পর্যটকদের একটি জনপ্রিয় গন্তব্যস্থল। রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয় বাকি অংশ পড়ুন...
৬ষ্ঠ পর্বের পর....
আলোচ্য মাজার শরীফ স্থাপত্যর খিলান ও সদল (ষরহঃবষ) নির্মাণে 'ফিরুজিয়ান ধরণ' (ঋরৎুঁরধহ ঃুঢ়ব) লক্ষ্য করে দানী তুগলক স্থাপত্যের সাথে যোগসূত্র টানতে সচেষ্ট হন।
হযরত খাঁন জাহান আলী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মাজার শরীফের জানালা খোদাই ইটের নকশা সংবলিত জালিযুক্ত এবং দরজার লিনটেলে ভিতর দিকে পাথরের খোদাই করা পদ্মফুলের অলঙ্করণ সংবলিত। বক্রাকার ত্রয়ী কার্নিশে এবং গোলাকার পার্শ্ব বুরুজে লজেন্সের ন্যায় ছোট ছোট নকশা এবং খাঁজ খাঁজ ত্রিকোণাকার নিপুণ নকশা এখনও দৃশ্যমান। তাছাড়া পার্শ্ববুরুজের শিরভাগ আকর্ষণীয় শিরাল ছোট গম্ বাকি অংশ পড়ুন...
৩য় পর্বের পর....
ভবিষ্যত অনুসন্ধানে যদি উল্লিখিত ভূগর্ভস্থ কুঠুরিটি উন্মোচিত হয় এবং শিলালেখাযুক্ত দেয়াল আবিষ্কৃত হয় তাহলে হযরত খাঁন জাহান আলী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার প্রকৃত নাম, পরিচয় ও উনার অবদান এবং আনুপূর্বিক ইতিহাসের অনেক অজানা তথ্য উদ্ঘাটিত হতে পারে বলে অনেক ঐতিহাসিকই মনে করে। হযরত খাঁন জাহান আলী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মাজার শরীফে উৎকীর্ণ পর্যাপ্ত শিলালেখের মধ্যে যে কয়টির পাঠোদ্ধার হয়েছে তার মূল্যও যথেষ্ট। এগুলির মধ্যে তিনটি শিলালিপি উল্লেখযোগ্য; দুটি হযরত খাঁন জাহান আলী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ইন্তেকালের তারি বাকি অংশ পড়ুন...
১ম পর্বের পর....
উত্তর দিকে খিলান পথ বর্তমানে ইটের নির্মাণে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই খিলানপথ খুব ছোট এবং মাত্র ০.৩০ মি. (১ ফুট) প্রশস্ত কিন্তু অন্যদিকের খিলানপথগুলি ২.৩০ মি. (৬.৮") প্রশস্ত। পূর্ব, পশ্চিম ও দক্ষিণে আয়তাকার কাঠামোতে সংস্থাপিত খিলানকৃত এবং সদসযুক্ত প্রবেশপথ রয়েছে। অভ্যন্তরে প্রত্যেক দেয়ালে রয়েছে দু'টি করে সূচালো বহুখাজের খিলানবিশিষ্ট বাতি রাখার কুলঙ্গী।
মাজার শরীফের ভিতের পাথরগুলি প্রায় সব সম আয়তনের এবং এখনও এ ভিতের প্রস্তর গাঁথুনি প্রায় অক্ষত রয়ে গেছে। ভিতের ওপর থেকে ইমারতের দেয়াল ইটের নির্মাণ। প্রস্তর ভিত প্রা বাকি অংশ পড়ুন...












