প্রায় সাড়ে ৫০০ বছর আগে বানানো ঐতিহাসিক গয়ঘর খোজার মসজিদটি দেখতে হলে যেতে হবে মৌলভীবাজার শহর থেকে প্রায় ৬ কিলোমিটার দূরে মোস্তফাপুর ইউনিয়নের গয়ঘর গ্রামে। সেখানে একটি টিলার ওপর দাঁড়িয়ে আছে মসজিদটি।
দেয়ালের শুভ্র রঙ দূর থেকে জ্বলজ্বল করে। মেঝে ও গম্বুজে টাইলস লাগানো হয়েছে। তিনটি বড় দরজা ও ছয়টি ছোট দরজা। ভেতরের পূর্ব দিকের একটি স্তম্ভে গেলে দেখা যাবে বাঘের থাবার চিহ্ন।
স্থানীয় লোকজন জানান, মসজিদের বাইরে দুটি বড় কষ্টিপাথর ছিল। এখন নেই। জনশ্রুতি আছে, পাথরগুলো নাকি রাতের আঁধারে জায়গাবদল করতো। তাই মানুষ পাথর দুটিকে ভাবতো জীবন্ত! বাকি অংশ পড়ুন...
১ম পর্বের পর...
রাত এলেই আলোর ঝলকানিতে অপরূপ অবয়বে শোভিত হয় মসজিদটি। চতুর্দিকে রং-বেরঙের আলোকসজ্জা দূরের দর্শনার্থীকেও আকৃষ্ট করে। মসজিদের ভেতেরও রয়েছে একাধিক ঝাঁড়বাতির আলো। বেশ দূর থেকেই মসজিদের গম্বুজ ও নির্মাণাধীন মিনার দ্ইুটি দৃষ্টি কাড়ে। রাতের বেলা এক অন্যরকম আবহের সৃষ্টি হয়। আর পরিবেশ ও আঙিনা- সব মিলিয়ে বেশ শান্ত ও মনোরম।
আল-আমান বাহেলা খাতুন জামে মসজিদের স্থাপত্যশৈলী যে কোনো দর্শককে মুগ্ধ করবে। বিশেষ করে মসজিদের সম্মুখের উচ্চ দুইটি সিঁড়ি এবং ব্যতিক্রমী প্রবেশপথ ও প্রধান ফটক যে কারও দৃষ্টি কাড়ে।
মসজিদের পাশেই র বাকি অংশ পড়ুন...
অপরূপ সৌন্দর্যের নজরকাড়া নিদর্শন আল-আমান বাহেলা খাতুন জামে মসজিদ। সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে সদ্য নির্মিত মসজিদটি দেশজুড়ে বহু মানুষের দৃষ্টি কেড়েছে। মসজিদটি দৃষ্টিনন্দন নির্মাণশৈলীর মাধ্যমে সিরাজগঞ্জবাসীর মনোযোগ আকৃষ্ট করেছে।
সিরাজগঞ্জ শহর থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে বেলকুচি পৌরসভা এলাকার ৭ নং ওয়ার্ডের মুকন্দগাঁতী মহল্লার সিরাজগঞ্জ-এনায়েতপুর সড়কের পশ্চিম পাশে পৌরসভা কার্যালয়ের পাশেই আড়াই বিঘা জমির ওপর ৩১ হাজার স্কয়ার ফিটে নির্মিত হয়েছে আল-আমান বাহেলা খাতুন জামে মসজিদটি।
স্থানীয়দের সূত্রে জানা য বাকি অংশ পড়ুন...
মসজিদের ইতিহাস
মসজিদের নির্মাণ কাজ সমাপ্ত হওয়ার পর ১৬৭৩ খৃ: থেকে ১৯৮৬ খৃ: সময়কাল পর্যন্ত এই সুদীর্ঘ ৩১৩ (তিনশত তের) বছর এটিই ছিল আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের সর্ববৃহৎ মসজিদ। উল্লেখিত সময়ের পর কিছু সম্প্রসারণ ও নতুন মসজিদ নির্মিত হয় এবং বাদশাহী মসজিদ আয়তনের দিক থেকে ক্রমানুসারে ৫ম স্থানে চলে আসে। পাকিস্তান ঐতিহাসিক তাজমহলের মিনারের চেয়েও চৌদ্দ ফিট বেশী উঁচু বাদশাহী মসজিদ। মসজিদের মিনার রয়েছে ৪ টি। আর আভ্যন্তরিন আঙ্গিনার বিচারে এখনও বাদশাহী মসজিদ বিশ্বের সর্ববৃহৎ আঙ্গিনা বিশিষ্ট মসজিদ। ১৬৭১ খৃ: মে মাসে শাসক আওরঙ্গজেব আলমঙ্গীর র বাকি অংশ পড়ুন...
সুদৃশ্য ক্যালিওগ্রাফি, বর্ণিল কাচ ও মূল্যবান মার্বেল পাথরের নির্মাণশৈলীর অনন্য ও দৃষ্টিনন্দন বায়তুল আমান জামে মসজিদ। এটি গুঠিয়া মসজিদ নামে বেশি পরিচিত। ২০ গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদটি বরিশাল শহর থেকে ২২ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে বানারীপাড়া সড়কসংলগ্ন উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নের চাংগুরিয়া গ্রামে অবস্থিত।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নের চাংগুরিয়া গ্রাম। একসময়ের অজপাড়া গাঁ হলেও এখন এখানে ছুটে আসে নানা প্রান্তের মানুষ। কারণ এখানে আছে মনমুগ্ধকর মসজিদ-বায়তুল আমান জামে মসজিদ। এই মসজিদ ও মসজিদ সংলগ্ন ঈদগাহ কমপ্লেক বাকি অংশ পড়ুন...
নির্মাণশৈলী, কারুকাজ ও নান্দনিকতায় মসজিদটি অনন্য। রয়েছে দু'টি মিনার, ভেতরে গোলাকার বেশ কিছু পিলার, কারুকাজখচিত দরজা-জানালা ও ঝাড়বাতি। ২৩টি সারির প্রতিটিতে ৭৫-৮০ জন মুসুল্লি দাঁড়াতে পারেন। বারান্দায় আছে আরও ১০টি সারি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক। দিন দিন মুসল্লিদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। জুমুয়াবার ও ঈদে মুসল্লিদের সমাগম বেশি ঘটে। ফলে রাস্তায় নামাজ পড়তে হয়। মসজিদটি পুনঃনির্মাণ করা খুবই জরুরি।
প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিগত একশো বছরে প্র বাকি অংশ পড়ুন...
মসজিদের শহর ঢাকা। আর ঢাকার প্রাণ খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বুকে আছে নান্দনিক নকশার ঢাবির কেন্দ্রীয় মসজিদ। মসজিদটিকে 'মসজিদুল জামিয়া ঢাবি' বলেও ডাকা হয়।
শাহবাগ থেকে টিএসসি যাওয়ার পথে চারুকলা অনুষদের পর ডান দিকেই পড়বে ঢাবি কেন্দ্রীয় মসজিদ। মসজিদের ডান পাশে রয়েছে ঢাবি কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার ও বামে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবর। মসজিদের পেছনের দিকে ছিল ঘন সবুজ বৃক্ষের বাগান। এখন সেখানে সামাজিক বিজ্ঞান ভবন।
ব্রিটিশ শাসন আমলের পূর্বে ভারতবর্ষ প্রায় সাড়ে পাঁচশ' বছর মুসলিম শাসনামলে ছিল। এ সময় ঢাকাসহ সারাদেশে বিভিন্ন শিল্পশ বাকি অংশ পড়ুন...
ইসলামী যুগে আফ্রিকা শাসন করেছেন এমন প্রত্যেক আমির সুলতান ও শাসকই আল জয়তুন জামে মসজিদ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে অবদান রেখেছেন। তবে এক্ষেত্রে আগলাবিদ সুলতানগণের অবদান ছিল সবচেয়ে বেশী। মূল মসজিদ ও স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যপূর্ণ সর্ববৃহৎ গম্বুজটি তাদেরই অবদান। প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও মুসলিম বিজ্ঞানী আলী ইবনে যিয়াদ যিনি এই ঐতিহাসিক মসজিদে সর্বপ্রথম বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁকেও যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করেছেন আগলাবিদ সুলতানগণ। (চলবে ইনশাআল্লাহ!) বাকি অংশ পড়ুন...
আল জয়তুন মসজিদ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান রাজধানী রিপাবলিক অব তিউনিশিয়ার তিউনিস শহরে। এই ঐতিহাসিক মসজিদটি ইসলামী ও পশ্চিম আফ্রিকার ঐতিহ্যবাহী বারবারিয়ান স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত।
মসজিদটি প্রতিষ্ঠিত হয় ৭৯ হিজরী মোতাবেক ৭০৩ খৃ: তে। আব্বাসীয় শাসক আল নাসের লি-দ্বীনীল্লাহর নির্দেশে আমীর ফাতহুল্লাহ এই মসজিদ নির্মাণ করেন। ঐতিহাসিকদের ভিন্ন মত অনুযায়ী আমীর হাসসান ইবনে নোমান ৭৯ হিজরী সালে এই মসজিদ নির্মাণ করেন। এবং হিজরী ১১৬ মোতাবেক ৭৩৬ খৃ: উবাইদুল্লাহ ইবনে হাবহার জামে জয়তুন পূণঃনির্মাণ করেন।
মসজিদটির আয়তন ৫০০০ (পাঁচ হাজার) বাকি অংশ পড়ুন...
একনজরে ঐতিহাসিক সুলাইমানী মসজিদ:
সুলাইমানী মসজিদের অবস্থান তুরস্কের ইস্তাম্বুলে। মসজিদটির নির্মাণকাল ১৫৫০-১৫৫৮ খৃ:। মসজিদটি নির্মাণ করেছেন সমগ্র বিশ্বব্যাপী অত্যান্ত সুপরিচিত ঐতিহ্যবাহী উসমানীয় সালতানাদের বিখ্যাত স্থপতি মিমার সিনান। মসজিদটির প্রতিষ্ঠাতা উসমানীয় সালতানাতের সুলতান সুলাইমান কানুনী। মূল মসজিদের আয়তন দৈর্ঘ্য : ৫৯ মিটার, প্রস্থ ৫৮ মিটার = ৩৪২২ বর্গ মিটার। মসজিদের মূল গম্বুজের উচ্চতা ৫৩ মিটার। মসজিদে মিনার সংখ্যা ৪টি। মিনারের উচ্চতা ৭২ মিটার।
তুরস্কের ঐতিহাসিক নগরী ইস্তাম্বুল যখন উসমানীয় সালতানাতের র বাকি অংশ পড়ুন...
১ম পর্বের পর.....
মসজিদটির নান্দনিকতা বাড়াতে নির্মাণ করা হয় ১৫টি গম্বুজ। গম্বুজের চারপাশে লেখা হয় হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম সহ আশারায়ে মুবাশশারা তথা দুনিয়ায় থাকা অবস্থায়ই পবিত্র জান্নাত উনার সুসংবাদ পাওয়া ১০ বিশিষ্ট হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিআল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের নাম মুবারক।
স্থানীয়দের কাছে থেকে জানা যায়, এই ঐতিহাসিক মসজিদটির মধ্যে সবচেয়ে বড় গম্বুজ নির্মাণে ব্যবহার করা হয়েছে প্রায় ১০ টন পিতল। এক সময় প্রকা- গম্বুজটি সূর্যালোকে ঝলমল করত। তবে এখন সেই ঝকমকে ভাব আর নেই।
মসজিদের এক মুসুল্লী বলেন, তার দাদা আবু সা বাকি অংশ পড়ুন...












