সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
প্রতি বছর ঈদ এলেই একই দৃশ্য-মানুষের ঢল নামে রাজধানী ঢাকা থেকে গ্রামের পথে। “স্বপ্ন যাবে বাড়ি”-এ যেন এক অনিবার্য বাস্তবতা। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, স্বপ্ন কেন বাড়িতেই থাকে না? কেন মানুষকে জীবিকার জন্য এক জায়গায় থাকতে হয়, আর পরিবার অন্য জায়গায়? কেন ঈদের সময় একসাথে কোটি মানুষের যাত্রা জীব বাকি অংশ পড়ুন...
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি বৈশি^ক জ্বালানি বাজারে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। সম্প্রতি কাতারের এলএনজি টার্মিনালে হামলার ঘটনায় তাদের রফতানি সক্ষমতা প্রায় ১৭ শতাংশ হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, যা পুনরুদ্ধার করতে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে। অথচ বাংলাদেশ এই এলএনজির একটি বড় ক্রেতা। ফলে এই সংকট সরাসরি বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তার উপর প্রভাব ফেলতে বাধ্য।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এলএনজির সরবরাহ ব্যাহত হলে দেশের শিল্প-কারখানার উৎপাদন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বিদ্যুৎ উৎপাদনে ঘাটতি দেখা দেবে, বাড়বে লো বাকি অংশ পড়ুন...
দেশের আকাশসীমা আজ এক অতিপ্রাকৃত ও ইহুদীবাদি ফিতনার হুমকির সম্মুখীন। যখন বিশ^রাজনীতির আকাশে ‘বনী আসফার’ বা পশ্চিমা ও প্রতিবেশী কুফরী শক্তিগুলোর ড্রোন আর স্টিলথ ফাইটারের কালো মেঘ ঘনীভূত হচ্ছে, তখন ৫১ কোটি ঈমানি জনতার এই ভূখ--বাংলাদেশ কি কেবল মান্ধাতা আমলের রাডার আর সেকেলে মিসাইল দিয়ে নিজের অস্তিত্ব রক্ষা করবে? বাংলাদেশের বর্তমান আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এর একটি বড় অংশই আধুনিক যুদ্ধের নিরিখে যথেষ্ট নয়। অথচ ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এই ভূখ-টি আজ সা¤্রাজ্যবাদী ও হিন্দুত্ববাদী শক্তিগুলোর শ্যেনদৃষ্টির নি বাকি অংশ পড়ুন...
একজন মুসলমান অপর মুসলমানের সাথে সাক্ষাতের পর সালাম দেয়ার পর মুহব্বত প্রকাশের মাধ্যমটির নাম হল মুছাফাহা। দেখা হলে মুছাফাহা করা খাছ সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। মুছাফাহ-এর মাধ্যমে উভয়ের মাঝে মুহব্বত বৃদ্ধি পায়। অন্যদিকে এটি মুসলমানদের পারস্পারিক হিংসা-বিদ্বেষ ও কলহ দূর করে দেয়। দুই হাতে মুছাফাহা করা খাছ সুন্নত মুবারক। আর এটি গুনাহ মাফ হওয়ার মাধ্যমও বটে।
হযরত ইবনে বাত্তাল রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, “সর্বস্তরের আলিম উনাদের মতে, মুছাফাহা একটি নেক কাজ। ইমাম নববী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, সাক্ষাতের সময় মুছাফাহা কর বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعُودٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ اِنَّ أَشَدَّ النَّاسِ عَذَابًا عِنْدَ اللهِ الْمُصَوِّرُونَ
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, আমি শুনেছি, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- নিশ্চয়ই মানুষের মধ্যে ঐ ব্যক্তিকে মহান আল্লাহ পাক তিনি কঠিন শাস্তি দিবেন, যে ব্যক্তি প্রাণীর ছবি তোলে বা আঁকে। (বুখারী শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪২ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১৬ই মুহররমুল হারাম শরীফ লাইলাতুল আহাদ শরীফ (রবিবার রাত) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ফালইয়াফরহূ শরীফ অর্থাৎ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “আলমে খ্বালক্ব ও আলমে আমর মিলে হচ্ছে আলমে ইমকান। আলমে খ্বালক্ব হচ্ছে যেটা আরশে আযীমের নিচে। অ বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ:
(পূর্বপ্রকাশিতের পর)
পবিত্র কুদরত মুবারক দুই ভাগে বিভক্ত।
এক. হাক্বীক্বী অর্থ মুবারক: মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে উনার মাহবূব, মুরাদ ও সমগ্র কায়িনাতের মালিক হিসেবে সমস্ত নিয়ামত মুবারক হাদিয়া মুবারক করে, সমস্ত কিছু দিয়ে পবিত্র নূরুল ইযহার মুবারক করায়ে (সৃষ্টি মুবারক করে) উনাকে উনার সাথে সংযুক্ত করেছেন এবং উনার পবিত্র কুদরত মুবারক-এ অর্থাৎ উনার নিয়ন্ত্রণ, যিয়ারত, ছোহবত, দীদার মুবারক- বাকি অংশ পড়ুন...
মুনাফিক সরদার উবাই বিন সুলূল তার ৩০০ সহচর নিয়ে পলায়ন:
হযরত ইবনে ইসহাক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-
حَتّى إذَا كَانُوا بِالشّوْطِ بَيْنَ الْمَدِينَةِ وَأُحُدٍ ، انْخَزَلَ عَنْهُ أُبَيّ بْنُ سَلُولَ بِثُلُثِ النّاسِ وَقَالَ أَطَاعَهُمْ وَعَصَانِي.
অর্থ: “যখন মুসলিম বাহিনী উনারা পবিত্র মদীনা শরীফ ও সম্মানিত উহুদের মধ্যবর্তী শাওত্ব নামক স্থানে পৌঁছলেন, তখন মুনাফিক সরদার উবাই বিন সুলূল সে এক-তৃতীয়াংশ লোক নিয়ে পবিত্র মদীনা শরীফে প্রত্যাবর্তন করলো এবং সে রটাতে লাগলো যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয় বাকি অংশ পড়ুন...
দেশজুড়ে ভাইরাসজনিত রোগ হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে রাজশাহী, ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, পাবনা, যশোর ও নাটোর জেলায় এই রোগের সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তত্ত্বাবধানে পরিচালিত পরীক্ষায় আক্রান্ত শিশুদের শরীরে এই রোগের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া গেছে। চিকিৎসকদের মতে, সামান্য অসচেতনতা এই রোগকে মহামারির দিকে ঠেলে দিতে পারে।
বিভিন্ন স্থানে হঠাৎ শিশুদের মধ্যে হামের সংক্রমণের ফলে আক্রান্ত শিশুদের অনেকে মৃত্যুবরণও করেছে। হাম একটি ভাইরাসজনিত রোগ। জ্বর, সর্দি, চোখ লাল হওয়া ও শরীরে লালচে ফুসকুড়ি এর প্রধান লক বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
সম্প্রতি দুর্যোগ প্রস্তুতি বিশেষজ্ঞ, লেখক এবং মার্কিন বিমান বাহিনীর কর্মকর্তা ক্রিস্টোফার সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছে। তার মতে, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট সরবরাহ শৃঙ্খল বিপর্যয় যুক্তরাষ্ট্রকে আগামী ছয় মাসের মধ্যে ‘সম্পূর্ণ পতনের’ পথে ঠেলে দিয়েছে। সন্ত্রাসী ড্রাম্প প্রশাসনের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বাজেট কমানোর ফলে এই পরিস্থিতি আরও শোচনীয় হয়ে উঠেছে।
নিজের সাবস্ট্যাক প্ল্যাটফর্ম ‘দ্য এক্সিস্টেনশিয়াল রিপাবলিক’-এ সে উল্লেখ করে, ২০২৫ সালে প্রায় ৫ কোটি মার্কিন নাগরিক ক্ষুধার সম্মুখীন হ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ইরানের এক নজীরবিহীন ভয়াবহ হামলায় সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক সামরিক সম্পদ গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে প্রায় ৫০ কোটি ডলার মূল্যের একটি আকাশভিত্তিক যুদ্ধ নিয়ন্ত্রণ বিমান বা সামরিক নজরদারি প্ল্যাটফর্ম ধ্বংস হয়েছে বলে জানা গেছে।
ধ্বংস হওয়া বিমানটি হলো বোয়িং ই-৩ সেনট্রি, যা যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামরিক নজরদারি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত। এই বিমানটি আকাশে ভাসমান অবস্থায় শত শত মাইল দূরের যুদ্ধক্ষেত্র পর্যবেক্ষণ, শত্রুপক্ষের বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র শনা বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ইরান থেকে কোনো মিসাইল বা ড্রোন হামলা করা হলে সন্ত্রাসী ইসরায়েলের প্রায় সব জায়গায় সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে। এতে করে সাধারণ ইসরায়েলিরা দ্রুত বোমা শেল্টার বা আশ্রয় কেন্দ্রে চলে যাওয়ার জন্য যে যেখানেই থাকে, ছুটাছুটি শুরু করে।
আর এ বিষয়টিরই অপব্যবহার করছে ইসরায়েলি নাগরিকরা। সন্ত্রাসী ইসরায়েলের সংবাদমাধ্যম চ্যানেল-১৩ জানিয়েছে, অনেকে দোকান থেকে পণ্য নেয় এবং রেস্তোরাঁয় গিয়ে খাবার খায়, এরপর তারা ইরানের হামলার জন্য অপেক্ষা করতে থাকে। অর্থাৎ সাইরেন বাজার জন্য অপেক্ষা করে।
যখন সাইরেন বেজে ওঠে তখন দোকান ও রেস্তোর বাকি অংশ পড়ুন...












