SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%সাংস্কৃতিক%' OR titleBn LIKE '%সাংস্কৃতিক%' OR descriptionEn LIKE '%সাংস্কৃতিক%' OR descriptionBn LIKE '%সাংস্কৃতিক%' OR slug LIKE '%সাংস্কৃতিক%' OR metaTag LIKE '%সাংস্কৃতিক%' OR metaDescription LIKE '%সাংস্কৃতিক%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
আল ইহসান ডেস্ক:
ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বাংলাভাষীদের ‘বাংলাদেশি’ সন্দেহে হেনস্তা-হয়রানির অভিযোগ হরহামেশা মিলছে। এবার খোদ কলকাতার একটি চলন্ত বাসে ত্রিপুরার এক বাঙালি তরুণীকে ‘বাংলাদেশি’ আখ্যা দিয়ে হেনস্তা করার অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, কর্মসূত্রে দীর্ঘদিন ধরে কলকাতায় বসবাসকারী ওই তরুণী সম্প্রতি একটি পাবলিক বাসে যাত্রা করছিলো।
বাসে সে ত্রিপুরার আঞ্চলিক বাংলা ভাষায় কথা বলছিলো। অভিযোগ, তার কথাবার্তা শুনে কয়েকজন যাত্রী তাকে ‘বাংলাদেশি’ বলে কটাক্ষ করতে শুরু করে।
পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি, আসাম-ত্রিপুরাসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের অজুহাতে দেশের সব শপিংমল, মার্কেট ও দোকান আবারও সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার।
গতকাল ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে দেশের সব সিটি করপোরেশনের মেয়র ও প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
আদেশে বলা হয়, এর আগে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে শপিংমল, মার্কেট ও দোকান সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা রাখা এবং সব বিলবোর্ডের বাতি আবশ্যিকভাবে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ করা এবং দেশের বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের অজুহাতে দেশের সব শপিংমল, মার্কেট ও দোকান আবারও সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার।
গতকাল ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে দেশের সব সিটি করপোরেশনের মেয়র ও প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
আদেশে বলা হয়, এর আগে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে শপিংমল, মার্কেট ও দোকান সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা রাখা এবং সব বিলবোর্ডের বাতি আবশ্যিকভাবে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ করা এবং দেশের বাকি অংশ পড়ুন...
একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কেবল তার সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরীদের ওপর নির্ভর করে না, বরং নির্ভর করে তার অভ্যন্তরীণ সংহতি ও শত্রুচক্রের গোপন ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করার সক্ষমতার ওপর। ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই বাংলাদেশ আজ এমন এক কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি, যেখানে উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার আড়ালে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ভাড়াটে গুপ্তচররা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ইসরায়েলের মোসাদ, আমেরিকার সিআইএ এবং ভারতের ‘র’-এর মতো সংস্থাসমূহ এদেশের কিছু উচ্চাভিলাষী ও দেশদ্রোহী ব্যক্তিকে ব্যবহার করে রাষ্ট্রীয় কাঠামো বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
রাজধানীতে কর্মরত সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক সংশ্লিষ্টদের ব্যক্তিগত তথ্য, রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টের তথ্য সংগ্রহ করছে পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি)।
ঢাকা মহানগর শাখার পূর্ব বিভাগের সহকারী পুলিশ সুপার কামরুজ্জামান গত ১৮ মে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি দিয়েছেন। চিঠিটি মতিঝিল, ডেমরা, শ্যামপুর, সূত্রাপুর, পল্টন ও সবুজবাগসহ ঢাকার কয়েকটি এলাকার জোন ইনচার্জদের পাঠানো হয়।
কামরুজ্জামানের সই করা ওই চিঠিতে স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তাদের নিজ নিজ এলাকার সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক সংশ্লিষ্টদের বিস্তার বাকি অংশ পড়ুন...
জাতিসংঘ ওরফে ইহুদী সংঘের কথিত মানবাধিকার বিষয়ক কার্যালয়: যা প্রকৃতপক্ষে একমাত্র পবিত্র দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানবিরোধী কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও পরিচালনার কেন্দ্র।
“মানবাধিকারের ছদ্মাবরণে বিশ্বব্যাপী ইহুদী কর্তৃক পবিত্র দ্বীন ইসলাম বিরোধী কার্যক্রমের মাধ্যমে মুসলমানদেরকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে কুফরীর শৃঙ্খলে বন্দি করার চক্রান্ত:
মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক করেন-
لَـتَجِدَنَّ اَشَدَّ النَّاسِ عَدَاوَةً لِّـلَّذِيۡنَ اٰمَنُوا الۡيَهُوۡدَ وَالَّذِيۡنَ اَشۡرَكُوۡا
“(ইয়া রাসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি মুসলমানদের জন্য স বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলমানগণ নিজেদের অধিকার হতে আর কতদিন নিজেরা বঞ্চিত হবেন?
বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ^রী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে যা ঘটেছে, তা কেবল একটি স্থানীয় ঘটনা নয় - এটি একটি জাতীয় প্রশ্ন, একটি সাংবিধানিক সংকট এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমান জনগোষ্ঠীর মৌলিক অধিকারের উপর এক ন্যাক্কারজনক আঘাত।
২০১১ সালের আদমশুমারির তথ্য অনুযায়ী, ডাকনীরপাঠ এলাকায় মুসলমানের সংখ্যা ২৬৪১ জন, অর্থাৎ প্রায় ৯৭ শতাংশেরও বেশি। সেখানে হিন্দু জনসংখ্যা মাত্র ৭৫ জন, অর্থাৎ ২.৭৬ শতাংশ। অথচ এই বিশাল মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকায়, মুসলমানদের নিজের মালিকা বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
গাজায় গণহত্যার কারণে বিশ্বব্যাপী তীব্র ক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে দখলদার ইসরায়েলের মন্ত্রিসভা নিজেদের সংকট কাটিয়ে উঠতে প্রায় ৭৫০ মিলিয়ন ডলার বাজেট নির্ধারণ করেছে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার দখলদার ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন থেকে বিরত রয়েছে এবং আন্তর্জাতিক ফোরামেও এর বিরুদ্ধে ভোট দিচ্ছে। বহু সরকার ও সাধারণ মানুষ গাজায় ব্যাপক হামলা ও বেসামরিক হতাহতের জন্য ইসরায়েলকে মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী হিসেবে বিবেচনা করে। ইউরোপ ও আমেরিকাতেও ইসরায়েলের সন্ত্রাসী নীতির বিরুদ্ধে সমালোচনার ঢেউ তৈরি হয়েছে এবং কিছু বিশ্বব বাকি অংশ পড়ুন...
একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু বাইরের আগ্রাসন নয় - সবচেয়ে বড় শত্রু সেই বিষধর সাপ, যে রাষ্ট্রের বুকে লুকিয়ে থেকে ফণা তোলে। ইসরায়েলের মোসাদ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিআইএ এবং ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা র - এই তিনটি বিদেশি সন্ত্রাসী গোয়েন্দা সংস্থার দেশীয় চর বা এজেন্টরা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সক্রিয় রয়েছে বলে একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র ও গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বারবার উঠে এসেছে। এটি কোনো কল্পনা নয়, এটি রাষ্ট্রের জন্য একটি বাস্তব ও তাৎক্ষণিক হুমকি।
গোয়েন্দা অনুপ্রবেশের স্বরূপ :
বিশ্বের প্রতিটি দেশেই বিদেশি গোয়েন্দা সং বাকি অংশ পড়ুন...
ভারতের মাটি থেকে উৎসারিত বিষাক্ত হিন্দুত্ববাদের দাবানল এখন সীমান্ত পেরিয়ে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের আকাশকেও কলুষিত করতে উদ্যত হয়েছে। উগ্র হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো একদিকে যখন ‘লাভ জিহাদ’-এর কাল্পনিক জুজু ছড়িয়ে মুসলিমদের কোণঠাসা করার নীল নকশা বাস্তবায়ন করছে, অন্যদিকে তারা অত্যন্ত সংগোপনে ও সুপরিকল্পিতভাবে মুসলিম তরুণীদের টার্গেট করে ছড়িয়ে দিয়েছে ‘লাভ ট্র্যাপ’ এর মরণফাঁদ। অতি সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে ভারতের এই নারকীয় ও পৈশাচিক চিত্র যেভাবে ফুটে উঠেছে, তা কেবল উদ্বেগজনকই নয়, বরং মুসলিম উম্মাহর ঈমান ও ইজ বাকি অংশ পড়ুন...
রাশিয়ায় বন্দী মুসলিম (খ):
মুসলমানদের নিমর্মভাবে হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি রুশ নেতৃবৃন্দ। দ্বীন ইসলাম যাতে প্রচারিত এবং প্রসারিত না হতে পারে তার জন্য কয়েকটি ঘৃণ্য পদক্ষেপ গ্রহণ করলো রাশিয়া। মসজিদ ও মাদরাসার সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়। প্রায় ৮ হাজার প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক স্কুল সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেয়া হয়। পবিত্র কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ উনাদের আইন এবং মুসলিম রীতিনীতি স্থায়ীভাবে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হল। হাজার হাজার মসজিদ ধ্বংস করা হয়। সারা দেশের ২৬ হাজার মসজিদের মধ্যে ১৯৪২ সাল পর্যন্ত টিকে ছিলো মাত্র তেরশ মসজিদ। মসজিদগুল বাকি অংশ পড়ুন...












