রোযা রেখে ইফতার এবং সাহরির মাঝের সময়টি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই সময় কি খাওয়া হচ্ছে, কতটুকু খাওয়া হচ্ছে- এসবের ওপরই নির্ভর করে রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল থাকবে কিনা। তাই পরিকল্পনা করে খাবার খেলে রোযা রেখে সুস্থ থাকা সম্ভব।
চিকিৎসকদের মতে, ডায়াবেটিস রোগীদের ইফতার ও সাহরির মাঝের সময়টিতে এমন খাবার বেছে নেওয়া উচিত যা শক্তি দেয় এবং রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বাড়িয়ে দেয় না।
অনেকেই ইফতারের সময় অতিরিক্ত ভাজাপোড়া বা মিষ্টি খান। এতে রক্তে শর্করা দ্রুত বাড়তে পারে। তবে অবশ্যই ইফতার শুরু করা উচিত সুন্নতী খাবার খে বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
গাজায় ৫৪ জন ফিলিস্তিনির মরদেহ এবং ৬৬টি বাক্সে মানবদেহের অবশেষ হস্তান্তর করেছে সন্ত্রাসী ইসরায়েল। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির মাধ্যমে এসব মরদেহ ও অবশেষ গাজায় পাঠানো হয়। ঘটনাটি গত ৪ ফেব্রুয়ারি ঘটে এবং এটি চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় মৃতদেহ বিনিময় প্রক্রিয়ার অংশ।
মরদেহগুলো গাজা সিটির আল-শিফা মেডিকেল কমপ্লেক্স-এ পৌঁছানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের বরাতে জানা যায়, আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি মোট ১২০টি বডি ব্যাগ হস্তান্তর করে। এর মধ্যে ৫৪টিতে সম্পূর্ণ মরদেহ এবং ৬৬ট বাকি অংশ পড়ুন...
ইবরাহীম আল-ফাযারী:
কতিপয় ঐতিহাসিক বলেন, ‘যখন তার ফাঁসির কাষ্ঠ উপরে উত্তোলন করা হলো এবং তার থেকে ফাঁসি কার্যকরী ব্যক্তিদের হাত সরে গেলো, হঠাৎ কাষ্ঠ নরাধমটার চেহারা কিবলার দিক থেকে ফিরিয়ে দিলো। ঠিক তখনই কোথা থেকে দৌড়ে এসে একটি কুকুর নরাধমটার দেহ থেকে দরদর করে বেয়ে পড়া জমাট রক্তে মুখ লাগিয়ে চপচপ করে তা পান করে নিলো!
এই ঘটনাটি উপস্থিত সকলের জন্য মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে এক বিরাট নিদর্শন ছিলো। এটা দেখে সকলেই ‘আল্লাহু আকবর’ বলে তাকবীর ধ্বনি দিয়ে আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত করে তুললো। তখন কাযী ইয়াহইয়া বিন উমর বলেন- নূরে মুজাসসাম হাবীব বাকি অংশ পড়ুন...
গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ৪৭১ হিজরী সনের ১লা রমাদ্বান শরীফ দুনিয়ার যমীনে তাশরীফ মুবারক আনেন এবং ৫৬১ হিজরীর ১১ই রবীউছ ছানী শরীফ মাস উনার ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফে পবিত্র বিছাল শরীফ প্রকাশ করেন।
তিনি হলেন- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ ওয়ারিছ, নায়িব, আওলাদ। তিনি ৬শ’ হিজরী শতাব্দীর ‘মুজাদ্দিদ’। অর্থাৎ সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে যে সমস্ত কুফর, শিরক, বিদয়াত প্রবেশ করেছিল সেগুলো বের করে দেয়ার জন্য অর্থাৎ মিথ্যাকে মিটিয়ে দিয়ে সত বাকি অংশ পড়ুন...
কান মাসেহ করার নিয়ম: কান মাসেহ করা সম্মানিত সুন্নত মুবারক। কান মাসেহ করার প্রথম নিয়ম হচ্ছে, প্রথমে দুই হাতের শাহাদাত আঙ্গুলের মাথা দুই কানের লতি থেকে শুরু করে উপরের দিক হয়ে কানের প্যাঁচ ঘুরিয়ে কানের ছিদ্র বরাবর এসে থামবে। তারপর দুই হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলের পেট দিয়ে দুই কানের পিঠের দিকের লতি থেকে শুরু করে উপর দিকে শেষ পর্যন্ত মাসেহ করবে। অতঃপর দুই হাতের কনিষ্ঠ আঙ্গুলের মাথা দুই কানের ছিদ্রে প্রবেশ করাতে হবে।
কান মাসেহ করার দ্বিতীয় নিয়ম হচ্ছে, প্রথমে দুই হাতের শাহাদাত আঙ্গুলের মাথা দুই কানের লতি থেকে শুরু করে উপরের দিক হয়ে কানের বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র ওযূ করার সম্মানিত সুন্নতী তারতীব মুবারক:
ওযূ করার জন্য পবিত্র পাত্রে পাক-পবিত্র পানি নিতে হবে অথবা পাক-পবিত্র পানির স্থানে যেতে হবে। ক্বিবলামুখী হয়ে উঁচু জায়গায় বসতে হবে। পানির পাত্রের আকার যদি এরূপ হয় যে, পাত্রটি তুলে পানি ঢালা সম্ভব, তাহলে পানির পাত্রটি বাম পাশে রাখতে হবে। অন্যথায় পানির পাত্র বা উৎস ডান দিকে থাকবে। ১ মুদ বা ১৪ ছটাক পানি দ্বারা ওযূ করা মহাসম্মানিত মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক। কিন্তু, প্রয়োজনে অতিরিক্ত পানি ব্যবহার করা সম্মানিত সুন্নত মুবারকের খিলাফ হবেনা। তবে অবশ্যই প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি অপচয় করা ঠি বাকি অংশ পড়ুন...
শেরপুর সংবাদদাতা:
ঝিনাইগাতী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার ভুট্টা চাষে কৃষকরা বেশি ঝুঁকে পড়ছেন। তিনি বলেন, ভুট্টা চাষে খরচ কম লাগে। ফলন ও বেশি হয়। ভাল বাজারমূল্য ও লাভ বেশি পাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে ভুট্টা চাষের আগ্রহ বাড়ছে বলে দাবি জেলা কৃষি বিভাগের। আর সেই আশায়ই সীমান্তাঞ্চলসহ জেলার অপরাপর উপজেলাগুলোয় কৃষকেরা ভুট্টা ক্ষেতে ব্যাপক পরিশ্রম করেছেন। কৃষকের পাশাপাশি বসে নেই কৃষি কর্মকর্তারাও। তারা জেলা উপজেলায় ভুট্টা চাষে তদারকি যেমন বাড়িয়েছেন। তেমনি ইদানিং ভুট্টা চাষে কৃষকদের আগ্রহ ও বাড়ছে বলে ক বাকি অংশ পড়ুন...
কিছু অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত:
(৫)
এ প্রসঙ্গে হযরত ইমাম কাযী আবুল ফযল ‘আয়ায রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন,
وَرَوٰى حَضْرَتْ اِبْنُ وَهْبٍ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَنْ حَضْرَتْ مَالِكٍ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ مَنْ قَالَ اِنَّ رِدَاءَ النَّبِىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَيُرْوٰى زِرَّ النَّبِىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَسِخٌ اَرَادَ بِهٖ عَيْبَهٗ قُتِلَ
অর্থ: “হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিশিষ্ট ছাত্র, সম্মানিত ফিক্বহ এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ শাস্ত্র উনার ইমাম, আল ইমামুল কাবীর হযরত ইমাম আবূ মুহম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব ফিহ্রী মিছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিলা বাকি অংশ পড়ুন...
কিছু অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত:
(৪)
হযরত ইমাম কাযী আবুল ফযল ‘আয়ায আন্দালুসী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-
وَاحْتَجَّ حَضْرَتْ اِبْرَاهِيْمُ بْنُ حُسَيْنِ بْنِ خَالِدِ ۣ الْفَقِيْهُ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ فِىْ مِثْلِ هٰذَا بِقَتْلِ حَضْرَتْ خَالِدِ بْنِ الْوَلِيْدِ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ مَالِكَ بْنَ نُوَيْرَةَ بِقَوْلِهٖ عَنِ النَّبِـىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَاحِبُكُمْ
অর্থ: “বিশিষ্ট ফক্বীহ হযরত আবূ ইসহাক্ব ইবরাহীম বিন হুসাইন বিন খালিদ কুরতুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ ২৪৯ হিজরী শরীফ) তিনি (নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানিকারীদের একমাত্র বাকি অংশ পড়ুন...
কিছু অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত:
(৩)
হযরত ইমাম কাযী আবুল ফযল আয়ায রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন,
وَاَفْتٰـى فُقَهَاءُ الْاَنْدَلُسِ بِقَتْلِ ابْنِ حَاتِـمِ ۣ الْمُتَفَقِّهِ الطُّلَيْطِلِـىِّ وَصَلْبِهٖ بـِمَا شُهِدَ عَلَيْهِ بِهٖ مِنَ اسْتِخْفَافِهٖ بِـحَقِّ النَّبِـىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَتَسْمِيَتِهٖ اِيَّاهُ اَثْنَاءَ مُنَاظَرَتِهٖ بِالْيَتِيْمِ وَخَتَنِ حَيْدَرَةَ وَزَعْمِهٖ اَنَّ زُهْدَهٗ لَـمْ يَكُنْ قَصْدًا وَّلَوْ قَدِرَ عَلَى الطَّيِّبَاتِ اَكَلَهَا
অর্থ: “আন্দালুসের সম্মানিত ফক্বীহগণ ঐকমত্যের ভিত্তিতে ইবনে হাতিম তুলায়তিলীকে শরঈ শাস্তিস্বরূপ মৃত্যুদন্ড দেয়ার এবং শূলে চড়ানোর বা আগুনে পুড়ে ফেলার ফতওয়া দেন। কারণ, সে বাকি অংশ পড়ুন...
কিছু অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত:
(২)
হযরত ইমাম সাহনূন তানূখী মালিকী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার অনুসারী বিশ্বখ্যাত ইমাম ও মুজতাহিদ হযরত ইমাম আহমাদ বিন আবূ সুলায়মান তিনি বলেন,
مَنْ قَالَ اِنَّ النَّبِـىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ اَسْوَدَ يُقْتَلُ
অর্থ: “যে ব্যক্তি এ কথা বলবে যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত জিসিম মুবারক কালো বর্ণের ছিলেন, না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্লাহ! তাকে শরঈ শাস্তিস্বরূপ মৃত্যুদন্ড দিতে হবে।” সুবহানাল্লাহ! (শরহুয যারক্বানী ৫/৫৩০, সুবুলুল হুদা ওয়ার রশাদ ১২/২৫, বাকি অংশ পড়ুন...












