১৯৭১ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর বাংলাদেশ যখন একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করল, তখন ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে থাকা এই জাতির পুনর্গঠনের জন্য প্রতিটি সম্পদ ছিল অমূল্য। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, আমাদের সেই চরম দুঃসময়ে হিন্দুস্তানী সেনাবাহিনী যে লুণ্ঠনযজ্ঞ চালিয়েছিল, তা ইতিহাসের এক কালো অধ্যায় হয়ে আছে।
ঐতিহাসিক তথ্য, সমসাময়িক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ বিশ্লেষণ করলে এক ভয়াবহ চিত্র ফুটে ওঠে। পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণের পর নিয়ম অনুযায়ী সেই ‘যুদ্ধলব্ধ মালামাল’ বাংলাদেশের প্রাপ্ বাকি অংশ পড়ুন...
(ধারাবাহিক পর্ব- ০১)
মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানার্থে বান্দা-বান্দীদেরকে অসংখ্য-অগণিত নিয়ামত মুবারক দান করেছেন। তারমধ্যে বিশেষ এক নিয়ামত হচ্ছে গরুর গোশত। গরুর গোশত মহান আল্লাহ পাক তিনি মুসলিম উম্মাহর জন্য হালাল করেছেন।
মহান আল্লাহ পাক উনার নৈকট্য হাছিলের অন্যতম একটি মাধ্যম হচ্ছে পবিত্র কুরবানী। আর এই পবিত্র কুরবানীর পশু সমূহের মধ্যে অন্যতম হলো গরু। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি বাকি অংশ পড়ুন...
পরিণত বয়সে:
এক বর্ণনা মতে, তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার খিলাফতের শেষ পর্যন্ত বছরার গভর্ণরের দায়িত্ব পালন করেন এবং হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার খিলাফতের সূচনাতে তিনি মক্কা শরীফে চলে যান এবং নির্জনে বসবাস করতে থাকেন।
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (সিবতু রসূল আল খমিস, হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম) তিনি কুফাবাসীদের আমন্ত্রণে যখন পবিত্র মদীনা শরীফ থেকে পবিত্র মক্কা শরীফ হয়ে কুফায় রওয়ানা হচ্ছিলেন, ত বাকি অংশ পড়ুন...
ব্যালিস্টিক মিসাইল বা ক্ষেপণাস্ত্র আধুনিক প্রযুক্তির এক বিস্ময়। দূরপাল্লায় হামলা চালানোর এই প্রযুক্তির মূলনীতি কিন্তু খুব সহজ। এই ক্ষেপণাস্ত্র উদ্ভাবন সম্ভব হয়েছে গতিবিদ্যার একটি সূত্র প্রয়োগের মাধ্যমে। সূত্রটি হলো- “প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া রয়েছে।”
মুসলিম বিজ্ঞানী হিবাতুল্লাহ আবুল বারাকাত আল বাগদাদী, উনার রচিত ‘আল মু’তাবার ফিল হিকমাহ’ কিতাবে এই সূত্রটি উল্লেখ করেন। এছাড়াও মুসলিম বিজ্ঞানী হাসান ইবনে হাইছাম উনার রচিত ‘আল মানাযির’ কিতাবে তিনি উল্লেখ করেছেন, “যদি চলমান বস্তু কোন প্রতিবন্ধকতা বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “পরবর্তী উম্মতরা যদি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের ন্যায় ঈমান আনেন তবে তারা হিদায়েতপ্রাপ্ত হবেন।” সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা বাক্বারা বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুজূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান পক্ষ থেকে উম্মতের কুরবানী করার বিষয়ে দুইটি আপত্তি সমাজে দেখে যায়। ১ম আপত্তি- এ বিষয়ে সহীহ কোন বর্ণনা নেই, যা আছে দুর্বল। ২য় আপত্তি- এ ধরনের আমল পরবর্তী যুগে কেউ করেছেন তার কোন প্রমাণ কোন কিতাবে নেই। আমরা দুইটি আপত্তির স্পষ্ট খ-ন করবো, ইনশাআল্লাহ!
ইমাম হাকীম নিশাপুরী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কিতাবে সহীহ সনদসহ বর্ণনা করেন,
عَنْ حَنَشٍ، قَالَ: ضَحَّى عَلِيٌّ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ بِكَبْشَيْنِ كَبْشٍ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وكبشٍ عَنْ نَفْسِهِ وَقَالَ: أَمَرَنِي رَسُولُ اللَّه বাকি অংশ পড়ুন...
শাহী শাহানাজ,
আগমনে আজ
ঈদ খুশি চরম....
সেরা ঈদে আ’যম
সেরা ঈদে আ’যম
আনন্দ ব্যতিক্রম
দমে দমে হরদম
কাছিদা মনোরম
আম্মাজি স্বাগতম
সেরা ঈদে আ’যম
সেরা ঈদে আ’যম
আনন্দ ব্যতিক্রম
দমে দমে হরদম
দমে দমে হরদম
আম্মাজি স্বাগতম
সপ্তমী চাঁদে, শাহী প্রাসাদে
মাতোয়ারা কুল মাখলুক
সুন্নতি ছন্দে, জোশ বুলন্দে
দিওয়ানা আশিক মাশুক
মহা শোর উঠেছে - আম্মা
ঘন ঘোর টুটেছে - আম্মা
নয়া ভোর ফুটেছে
সবে জোর ছুটেছে - আম্মা আম্মা
এতো নিয়ামত অর্জনে আলবৎ
ধন্য দো’আলম....
আযীমা, আলীমা
নূরে নূরে লালিমা
বেনিয়াজ হালিমা
হৃদয়েরই কালিমা
মেরি মা, তেরি মা
সাইয়্যিদা মেহরি বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ تَـعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَلشَّيْطَانُ جَاثِمٌ عَلٰى قَـلْبِ ابْنِ اٰدَمَ فَإِذَا ذَكَرَ اللهَ خَنَسَ وَإِذا غَفَلَ وَسْوَسَ
অর্থ: হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, শয়তান মানুষের ক্বলবের মধ্যে বসে, যিকির করলে সে পালিয়ে যায় আর যিকির থেকে গাফিল হলে সে ওয়াসওয়াসা দেয়। (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...
বাল্য অবস্থায় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছোহবত মুবারক গ্রহণ:
অন্য এক হাদীছ শরীফে হযরত মূসা বিন মাইসারা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বর্ণনা করেন, হযরত আব্বাস আলাইহিস সালাম তিনি উনার পুত্র হযরত আবদুল্লাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে কোন এক প্রয়োজনে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট প্রেরণ করেন। তিনি সেখানে গিয়ে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট এক ব্যক্তিকে দেখে ফিরে আসলেন এবং কিছু বললেন বাকি অংশ পড়ুন...












