সম্পাদকীয়
সৌর বিদ্যুৎ প্রসারে প্রধান বাধা হলো উচ্চ কর ও শুল্ক। নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রতি নীতিনির্ধারক এবং সাধারণ মানুষের মনে একটা বদ ধারণা তৈরি করার জন্য একটা গোষ্ঠী খুব তৎপর। বড় বিনিয়োগকারীরা সুবিধা পাচ্ছে, কিন্তু সাধারণ জনগণ পিছিয়ে পড়ছে। এটি সৌর বিদ্যুতের গণমুখী বিস্তারকে বাধাগ্রস্ত করছে। সরকারের উচিৎ সহায়ক নীতিকাঠামো দিয়ে বেসরকারি খাতকে উৎসাহিত করা।
, ১০ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২৯ হাদী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৯ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রি:, ১৬ বৈশাখ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
বর্তমান জ্বালানি সংকট বাংলাদেশের নিজস্ব নয়, এটি আন্তর্জাতিক সংকট বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রিজভী গত ২৬ শে এপ্রিল বলেন, "এ সংকট মোকাবিলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে গুরুত্ব দিতে হবে।"
অভিজ্ঞমহল মনে করেন- ‘গুরুত্ব দিতে হবে’- বিবৃতি দায়সারা গোছের। বরং খাল-খনন, কৃষক কার্ড বিতরণের চেয়েও বেশী গুরুত্ব দিয়ে- সৌর বিদ্যুৎ কার্যক্রম এখনই জোরদারভাবে শুরু করা উচিৎ।
বর্তমানে দেশের প্রায় ৮০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল, ৬৫ শতাংশ এলএনজি এবং অর্ধেকের বেশি এলপিজি হরমুজ প্রণালীর ওপর নির্ভরশীল। ফলে ওই অঞ্চলে যেকোনো উত্তেজনা সরাসরি জ্বালানি সরবরাহে প্রভাব ফেলে।
এই প্রেক্ষাপটে বিকল্প হিসেবে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর আমাদের স্বনির্ভরতা অর্জন করতে হবে। মালয়েশিয়া, পাকিস্তানের সৌরবিদ্যুৎ বিপ্লব একটি কার্যকর উদাহরণ, যেখানে স্বল্প সময়ে ব্যাপক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন করে শুধু ‘আমদানি নির্ভরতা কমানো নয় বরং রপ্তানী সম্ভব হয়েছে।
(২)
কিন্তু সরকারের কঠোরতা, অত্যধিক কর এবং বৈষম্যের কারণেই বাংলাদেশে সৌর বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ছে না।
নবায়নযোগ্য জ্বালানির জন্য সহায়ক নীতিকাঠামো নেই। যে ধরণের নীতিসহায়তা থাকলে এ খাতে বেসরকারি উদ্যোক্তারা বিনিয়োগে এগিয়ে আসতেন, তা নেই। ব্যাংক ব্যবস্থা থেকেও অর্থায়নের বিষয়টি সহজ নয়। সরকারের ঘোষণা আর পদক্ষেপের মধ্যে মিল নেই। আবার নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিরুদ্ধে আছে অপপ্রচার।
(৩)
সাধারণত ১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে বছরে ১৮৮ কোটি টাকার তেলের প্রয়োজন হয়। সেখানে ১ মেগাওয়াট সোলারের সরঞ্জাম আনতে খরচ মাত্র ৪ থেকে ৪.৫ কোটি টাকা। এই টাকা একবার খরচ করলে ২৫ বছর বিদ্যুৎ পাওয়া সম্ভব, যা বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করবে।
(৪)
বর্তমানে সৌর বিদ্যুতের আন্তর্জাতিক দাম ১ ডলার হলেও কাস্টমস ৩ ডলার হিসেবে মূল্যায়ন করছে। সংশ্লিষ্টরা জানায়, “ডিউটি ১ পারসেন্ট হলেও, ৩ ডলারের ওপর চার্জ করলে আমাদের অনেক বেশি টাকা দিতে হচ্ছে। এটা ন্যায়বিচার না। আমরা চাই প্রকৃত মূল্য অ্যাসেসমেন্ট হোক।”
(৫)
সৌর বিদ্যুৎ প্রসারে প্রধান বাধা হলো উচ্চ কর ও শুল্ক। স্থানীয়ভাবে কেনা সোলার প্যানেলের ওপর প্রায় ২৫-৩০ শতাংশ কর আরোপ করা হয়। ইনভার্টার, ব্যাটারি, মাউন্টিং স্ট্রাকচার এবং অর্থায়নসহ পুরো সিস্টেম বিবেচনায় খরচ ৪০-৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়। ফলে সাধারণ পরিবার বা ছোট ব্যবসার জন্য এটি আর্থিকভাবে অপ্রতুল হয়ে পড়ে।
বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও ইউটিলিটি পর্যায়ের প্রকল্পগুলো অনেক সময় শুল্কমুক্ত সুবিধা পায়, কিন্তু সাধারণ গ্রাহক তা পায় না। এটি সোলারের গণমুখী বিস্তারকে বাধাগ্রস্ত করছে।
(৬)
সরকারকে একটি স্পষ্ট সিদ্ধান্ত নিতে হবে, আমদানিনির্ভর ব্যয়বহুল জ্বালানি ব্যবস্থায় থাকবে, নাকি বিকেন্দ্রীভূত সৌরভিত্তিক ব্যবস্থায় রূপান্তর হবে। সঠিক নীতিমালা, কর হ্রাস, ফিড-ইন ট্যারিফ এবং সহজ অর্থায়ন নিশ্চিত করা গেলে অন্য দেশ থেকে সমাধান নয় সবার আগে বাংলাদেশ থেকেই সমাধান পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ। তাতেই সরকারের সবার আগে বাংলাদেশ সেøাগান সত্য হবে।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
সম্মানিত খিলাফত আলা মিনহাজিন নবুওয়াতই হলো একমাত্র প্রশান্তি ও ইনসাফের পথ
পৃথিবীতে রাজতন্ত্রকে আদি ও মৌলিক শাসনব্যবস্থা হিসেবে বলা হয়ে থাকে। রাজতন্ত্রকে একনায়কতন্ত্র আখ্যায়িত করে পরবর্তীতে আসে গণতন্ত্র আর সমাজতন্ত্র। বিশ্বজুড়ে এরপর থেকেই শাসনব্যবস্থার একটা হ-য-ব-র-ল অবস্থা সৃষ্টি হয়। তবে এইসব তন্ত্র-মন্ত্র আর মত-পথের বাইরে একমাত্র সম্মানিত খিলাফত আলা মিনহাজিন নবুওয়াত শাসনব্যবস্থাই মৌলিকত্ব ও সাফল্যের ক্ষেত্রে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
মূলত এটা হওয়াটাই স্বাভাবিক, কারণ সৃষ্টি জগতের যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত হাবিব ও মাহবুব যিনি মহাসম্মানিত রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারই মত মুবারক ও পথ মুবারক উনার উপর প্রতিষ্ঠিত এই সম্মানিত খিলাফত আলা মিনহাজিন নবুওয়াত ব্যবস্থা।
সবশেষে মহাসম্মানিত রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মত মুবারক ও পথ মুবারক উনার আলাকে সম্মানিত খোলাফায়ে রাশেদীন আলাইহিমুস সালামগণ খিলাফত আলা মিনহাজিন নবুওয়াত ব্যবস্থা জারি রেখেছেন।
উনাদের পরে পরিপূর্ণ খিলাফত আলা মিনহাজিন নবুওয়াত ব্যবস্থা জারি না থাকলে উমাইয়া, আব্বাাসীয়, ফাতেমীয়, স্পেনীয়, ওছমানীয় খেলাফত সমূহ মূল খিলাফত আলা মিনহাজিন নবুওয়াত ব্যবস্থার কম-বেশি ধারণ করেছিলেন।
যার সমাপ্তি ঘটে ১০০ বছর পূর্বে ১৯২৪ সালে পাশ্চাত্যের ক্রীড়ণক বিশ^াসঘাতক তুরস্কের কামাল লানতুল্লাহি আলাইহির মাধ্যমে। এর ফলে বিশ^ মুসলিমের রাজনৈতিক ঐক্য শেষ হয়ে যায়। শুরু হয় ইহূদী-নাছারাদের চালান করা বস্তুবাদী মতাদর্শ ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ, জাতীয়তাবাদ ও গণতন্ত্রের বিষবাষ্প। যার কুপ্রভাবে অখন্ড মুসলিম খেলাফত আজ টুকরা টুকরা হয়ে ৫৭টি মুসলিম রাষ্ট্রে বিভক্ত হয়েছে এবং কার্যত প্রায় সকল ক্ষেত্রে কাফেরদের গোলামী করে যাচ্ছে।
‘গণতন্ত্রে’ জনগণের ভোটে নির্বাচিত সংখ্যাগরিষ্ঠ দল দেশ শাসন করে। বিরোধী দলসমূহ সংসদে গিয়ে কেবল হৈচৈ করে। অবশেষে সংখ্যাগরিষ্ঠদের ভোটে সব বাতিল হয়ে যায়।
সবচেয়ে বড় কথা হলো দেশের অধিকাংশ নাগরিক ভোট দেয় না। ফলে গণতন্ত্রের নামে অধিকাংশ দেশেই চলে সংখ্যালঘু কাফের ক্রীড়ণকদের শাসন। গণতন্ত্রে নেতৃত্বের জন্য কোনরূপ যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও মানদন্ড নির্ধারিত থাকে না। ফলে সর্বত্র অযোগ্য ও অদক্ষ নেতৃত্বের বিস্তার ঘটে। সর্বোপরি জনমতের কোন স্থিরতা না থাকায় এবং ঘন ঘন জনমতের পরিবর্তন হওয়ায় গণতান্ত্রিক সংবিধান কখনোই জনকল্যাণের স্থায়ী সংবিধান নয়। তাছাড়া গণতন্ত্রে দু’টি গুরুতর শিরক রয়েছে। (ক) জনগণই সার্বভৌম ক্ষমতার উৎস। (খ) অধিকাংশের রায়ই চূড়ান্ত। নাউযুবিল্লাহ!
পক্ষান্তরে দ্বীন ইসলামে মহান আল্লাহপাক তিনিই সার্বভৌম ক্ষমতার উৎস এবং সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার হুকুম-আহকামই চূড়ান্ত। তাই ‘খেলাফত’ ব্যতীত বাকী সকল ব্যবস্থাই মানুষের ব্যক্তিগত স্বেচ্ছাচার প্রতিষ্ঠার বাহন ব্যতীত কিছু নয়।
বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে যে অনৈকতা, বিশৃঙ্খলা, জুলুমের ভয়াবহতা এসব কিছুর মূল কারণ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক করেন- “মানুষের কৃতকর্মের কারণেই স্থলে ও সমুদ্রে ফিতনা-ফাসাদ প্রকাশ পায়। যার ফলে মহান আল্লাহ পাক তিনি তাদের কতিপয় কৃতকর্মের স্বাদ তাদেরকে আস্বাদন করান, যাতে তারা ফিরে আসে।” (পবিত্র সূরা আর রূম : আয়াত শরীফ ৪১)
এর মানে হলো- হোক সেটা গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, রাজতন্ত্র এ রকম যত মানুষের নিজেদের তৈরি শাসনব্যবস্থা রয়েছে, এগুলোর কারণেই মানুষ এরকম অনৈতিকতা, বিশৃঙ্খলা, জুলুমের শিকার হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ!
একমাত্র মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার মহাসম্মানিত হাবিব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের নির্ধারিত মত মুবারক ও পথ মুবারক তথা সম্মানিত খিলাফত আলা মিনহাজিন নবুওয়াতই হলো একমাত্র প্রশান্তি ও ইনসাফের শাসনব্যবস্থা।
মহান আল্লাহপাক আমাদের সকলকে সম্মানিত খিলাফত আলা মিনহাজিন নবুওয়াত জারি করার কোশেশে থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।
-মুহম্মদ লিসানুল করিম।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
আজ মহিমান্বিত ২রা মুহররমুল হারাম শরীফ। আবু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, খইরুল বাশার, সাইয়্যিদুল আরব, আবুল বাশার, ছহিবু নূরে মুজাসসাম, সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান দিন।
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সুমহান ঐতিহাসিক পবিত্র পহেলা মুহররমুল হারাম শরীফ। খলীফায়ে ছালিছ, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত খিলাফত মুবারক উনার দায়িত্ব গ্রহণের সুমহান দিন।
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আজ সুমহান বরকতময় মহাপবিত্র ২৯শে যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার এবং হাদ্বিনাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মী বা’দা উম্মী আল ঊলা আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ২৮ যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছামিনাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র নিসবাতুল আযীমাহ শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ২৭ যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! খলীফায়ে ছানী, আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক অর্থাৎ সম্মানিত শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। এ সুমহান দিবসটির তাৎপর্য অনুধাবন করা গোটা মুসলিম উম্মাহর জন্য ফরয-ওয়াজিব।
১৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আজ পবিত্র ২৬শে যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল খ¦মিসাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নিসবাতে আযীমাহ শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এ দিবসটির তাৎপর্য অনুধাবন গোটা মুসলিম উম্মাহর জন্য ফরয-ওয়াজিব।
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আজ মহামহিম ২৫শে যিলহজ্জ শরীফ। ইমামুল আউওয়াল মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, বাবুল ইলম ওয়াল হিকাম, আসাদুল্লাহিল গালিব, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, মুরতাদ্বা, হায়দার, সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার সুমহান খিলাফত মুবারক গ্রহণ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সরকারের ঋণ গ্রহণের পরিমাণ ২৩ লাখ কোটি টাকা ঋণের টাকা ঋণের সুদ পরিশোধেই ব্যয় হচ্ছে বিদেশী ঋণ নির্ভরতা থেকে সরকারকে তওবা করতে হবে
১১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সরকার দলীয় শ্রমিক কর্মচারী তথা গণ আন্দোলনের মুখে সাবেক প্রতারক সরকার যেখানে ডিপিওয়ার্ল্ড নিষিদ্ধ করেছে সেখানে নির্বাচিত দাবীদার বর্তমান সরকার কী করে সে দেশ বিক্রির পথেই হেটে ডিপিওয়ার্ল্ডকে আনতে পারে?
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ভারত একটি চরম সন্ত্রাসী রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক আইন ও রীতিনীতি এবং দিপাক্ষিক চুক্তি- এমনকী নিজ দেশের সংবিধান সবই ভারত বর্বরতার সাথে লঙ্ঘন করে ও করছে। ভারতকে কঠিন শিক্ষা দিতে হবে এবং সাবেক উপদেষ্টা বিবৃত ২২ লাখ ভারতীয়কে অবিলম্বে পুশব্যাক করতে হবে।
০৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
তুরস্কের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কোন্নয়ন শুধু সামরিক বা ব্যবসায়িক অংশীদারিত্বের ভিত্তিতেই নয় বরং ইসলামী মূল্যবোধের আলোকে মুসলিম ভ্রাতৃত্ববোধের জজবাকে সমুন্নত করার জন্য হতে হবে ইনশাআল্লাহ।
০৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আম্রিকা শকুনীরা চাচ্ছে বাংলাদেশে দুর্ভিক্ষ তৈরী করতে। ডিপস্টেট আমলাদের দ্বারা প্রণীত হচ্ছে- রফতানী বাধাগ্রস্থ করার নীল নকশা। চা রফতানীর বাধাসমূহ অবিলম্বে দূর করতে হবে।
০৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












