SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%মুনাফিকদের%' OR titleBn LIKE '%মুনাফিকদের%' OR descriptionEn LIKE '%মুনাফিকদের%' OR descriptionBn LIKE '%মুনাফিকদের%' OR slug LIKE '%মুনাফিকদের%' OR metaTag LIKE '%মুনাফিকদের%' OR metaDescription LIKE '%মুনাফিকদের%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে দূরে অবস্থান:
আমিরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার খিলাফতযুগে তিনি প্রশাসনিক কর্মকা-ে অংশগ্রহণের সুযোগ লাভ করেন। সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি উনাকে কাজীর পদ গ্রহণের প্রস্তাব দেন। কিন্তু তিনি এই প্রস্তাব হতে রুখসত আরজী করেন এই বলে যে, আমি দুই ব্যক্তির মধ্যে ফায়সালা করি না, দুই ব্যক্তির ইমামতিও করি না। কারণ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, কাজী তিন শ্রেণীর। এক, জাহিল। তাদের ঠিকানা জাহান্নাম। দু বাকি অংশ পড়ুন...
যারা মুনাফিক তারা জিহাদে যেতো না বিপরীতে তারা কসমও খেতো। সেটাই বলা হয়েছে, মুনাফিকরা যতই কসম খেয়ে স্বীকারোক্তি করুক না কেন তাদের কসমের কোনই মূল্য নেই। এটা তাদের মিথ্যাকে সত্য বানাবার একটা মাধ্যম মাত্র। মুনাফিক সরদার উবাই বিন সুলূল মুনাফিকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি কসম খেতো আর মিথ্যা বলাতে সে ছিলো পটু। নাউযুবিল্লাহ!
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উবাই বিন সুলূল তথা মুনাফিকদেরকে চিনার জন্য অনেক আলামত বা লক্ষণ বলে দিয়েছেন। এখানে আমরা কতিপয় আলামত পেশ করবো।
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক বাকি অংশ পড়ুন...
মুনাফিক সরদার উবাই বিন সুলূল তার ৩০০ সহচর নিয়ে পলায়ন:
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
قَدْ يَعْلَمُ اللَّـهُ الْمُعَوِّقِينَ مِنكُمْ وَالْقَائِلِينَ لِإِخْوَانِهِمْ هَلُمَّ إِلَيْنَا ۖ وَلَا يَأْتُونَ الْبَأْسَ إِلَّا قَلِيلً. أَشِحَّةً عَلَيْكُمْ ۖ فَإِذَا جَاءَ الْخَوْفُ رَأَيْتَهُمْ يَنظُرُونَ إِلَيْكَ تَدُورُ أَعْيُنُهُمْ كَالَّذِي يُغْشَىٰ عَلَيْهِ مِنَ الْمَوْتِ ۖ فَإِذَا ذَهَبَ الْخَوْفُ سَلَقُوكُم بِأَلْسِنَةٍ حِدَادٍ أَشِحَّةً عَلَى الْخَيْرِ ۚ أُولَـٰئِكَ لَمْ يُؤْمِنُوا فَأَحْبَطَ اللَّـهُ أَعْمَالَهُمْ ۚ وَكَانَ ذَٰلِكَ عَلَى اللَّـهِ يَسِيرًا.
অর্থ: “অবশ্যই মহান আল্লাহ পাক তিনি জানেন আপনাদের মধ্যে কারা বাকি অংশ পড়ুন...
বাল্য অবস্থায় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছোহবত মুবারক গ্রহণ:
অন্য এক হাদীছ শরীফে হযরত মূসা বিন মাইসারা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বর্ণনা করেন, হযরত আব্বাস আলাইহিস সালাম তিনি উনার পুত্র হযরত আবদুল্লাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে কোন এক প্রয়োজনে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট প্রেরণ করেন। তিনি সেখানে গিয়ে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট এক ব্যক্তিকে দেখে ফিরে আসলেন এবং কিছু বললেন বাকি অংশ পড়ুন...
(১১তম পর্ব)
মুনাফিক সরদার উবাই বিন সুলূল তার ৩০০ সহচর নিয়ে পলায়ন:
এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক করেন-
وَإِذْ قَالَت طَّائِفَةٌ مِّنْهُمْ يَا أَهْلَ يَثْرِبَ لَا مُقَامَ لَكُمْ فَارْجِعُوا ۚ وَيَسْتَأْذِنُ فَرِيقٌ مِّنْهُمُ النَّبِيَّ يَقُولُونَ إِنَّ بُيُوتَنَا عَوْرَةٌ وَمَا هِيَ بِعَوْرَةٍ ۖ إِن يُرِيدُونَ إِلَّا فِرَارًا.
অর্থ: “এবং তোমাদের মধ্যে একদল যখন বলেছিলো, হে পবিত্র মদীনাবাসী! এখানে আপনাদের কোন স্থান নেই, অতএব আপনারা ফিরে চলুন এবং তাদের মধ্যে একদল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট অ বাকি অংশ পড়ুন...
ঐতিহাসিক কসতুনতুনিয়া অর্থাৎ ইস্তানবুল বিজয় করে ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছেন উসমানীয় সুলতান মুহম্মদ আল ফাতিহ রহমতুল্লাহি আলাইহি। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইস্তানবুল বিজয়ের যে ভবিষ্যৎবাণী মুবারক প্রদান করেছিলেন তার বাস্তবায়ন করেছিলেন সুলতান মুহম্মদ আল ফাতিহ রহমতুল্লাহি আলাইহি। আর উনার এই অসামান্য বিজয়ের পেছনে অন্যতম অবদান হলো উনারই সম্মানিত শায়েখ হযরত আক শামসুদ্দীন রহমতুল্লাহি আলাইহি।
উনার পুরো নাম মুহম্মদ শামসুদ্দীন ইবনে হামজা রহমতুল্লাহি আলাইহি। তবে তিনি ‘শায়েখ আক শামস বাকি অংশ পড়ুন...
মুনাফিক সরদার উবাই বিন সুলূল তার ৩০০ সহচর নিয়ে পলায়ন:
উল্লেখ্য, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বেশি কষ্ট দিয়েছিলো কাফির-মুশরিক, বেদ্বীন-বদদ্বীন, ইহুদী নাছারারা। কিন্তু ইহুদী-নাছারা, কাফির, মুশরিকদের থেকেও বেশি কষ্ট দিয়েছিলো মুনাফিকরা। কারণ কাফির-মুশরিকরা যে মুসলমানদের শত্রু এটা স্পষ্ট; কিন্তু মুনাফিকরা মুসলমানদের মধ্যে অবস্থান করে চু-চেরা করা, ওয়াসওয়াসা দেয়া ও চুপেচুপে ষড়যন্ত্র করা ইত্যাদি আরো বেশি কষ্টদায়ক। এজন্য এদেরকে পশুর চেয়েও নিকৃষ্ট বলা হয়েছে এবং এদের শাস্তি জাহান্নামে বাকি অংশ পড়ুন...
(ধারাবাহিক)
বিভিন্ন সময়ে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে নানা রকম বর্ষপঞ্জি ব্যবহারের তথ্য আমরা ইতিহাস থেকে পাই। যা বর্তমানে চালু নেই, যেমন: চাইনিজ, রোমান, জুলিয়ান, বেবিলনিয়ান, বাইজেন্টাইন, মিশরীয় বর্ষপঞ্জি ইত্যাদি।
বর্তমান পৃথিবীতে গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জির পাশাপাশি বিশ্বের প্রায় সব দেশেই মুসলমানদের কাছে হিজরী বর্ষপঞ্জির প্রচলন রয়েছে। কিন্তু গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জি রচিত হয়েছে সূর্যের আবর্তনের সাপেক্ষে আর হিজরী বর্ষপঞ্জি রচিত হয় চাঁদের আবর্তনের সাপেক্ষে। মাস শুরু এবং শেষ, বিশেষ দিন ধরে হিজরী বর্ষপঞ্জির যেমন প্রয়োজনীয়তা রয়েছে তেমনি বাকি অংশ পড়ুন...
মুনাফিক সরদার উবাই বিন সুলূল তার ৩০০ সহচর নিয়ে পলায়ন:
উল্লেখ্য, উবাই বিন সুলূল সে বনূ সালামার লোক ছিলো। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে হারাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি এই মুনাফিকদের পিছু পিছু গিয়ে বললেন, হে আমার সম্প্রদায়ের লোকেরা! আমি তোমাদেরকে মহান আল্লাহ পাক উনার কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি। তোমরা তোমাদের নিজ সম্প্রদায় ও নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে রেখে এভাবে যেওনা। জবাবে তারা বললো, যদি জানতাম, আপনারা জিহাদের সম্মুখীন হবেন, তবে আপনাদেরকে শত্রুর হাতে সমর্পণ করতাম না। কিন্তু আম বাকি অংশ পড়ুন...
মুনাফিক সরদার উবাই বিন সুলূল তার ৩০০ সহচর নিয়ে পলায়ন:
হযরত ইবনে ইসহাক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-
حَتّى إذَا كَانُوا بِالشّوْطِ بَيْنَ الْمَدِينَةِ وَأُحُدٍ ، انْخَزَلَ عَنْهُ أُبَيّ بْنُ سَلُولَ بِثُلُثِ النّاسِ وَقَالَ أَطَاعَهُمْ وَعَصَانِي.
অর্থ: “যখন মুসলিম বাহিনী উনারা পবিত্র মদীনা শরীফ ও সম্মানিত উহুদের মধ্যবর্তী শাওত্ব নামক স্থানে পৌঁছলেন, তখন মুনাফিক সরদার উবাই বিন সুলূল সে এক-তৃতীয়াংশ লোক নিয়ে পবিত্র মদীনা শরীফে প্রত্যাবর্তন করলো এবং সে রটাতে লাগলো যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয় বাকি অংশ পড়ুন...












