রাজধানী ঢাকাকে বলা হয় ‘মসজিদের শহর’। নগরীর আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে আছে অসংখ্য মসজিদ- যার প্রতিটি ইতিহাস, ঐতিহ্য ও বাংলার সংস্কৃতির একেকটি জীবন্ত দলীল। প্রাচীন কারুকার্যম-িত স্থাপত্যশৈলীর মসজিদের পাশাপাশি বর্তমানে আধুনিক ও নান্দনিক নকশায় নির্মিত মসজিদও শোভা পাচ্ছে ঢাকা শহরের বিভিন্ন প্রান্তে। তেমনই এক আলো ঝলমলে মসজিদের নাম- ‘মসজিদ আল মুস্তফা’।
মসজিদটি রাজধানীর ১০০ ফিটে মাদানি এভিনিউয়ে ইউনাইটেড সিটিতে অবস্থিত। মসজিদ আল মুস্তফার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ সামনের দিকে কালো রঙের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে পবিত্র কা’বা শরীফের আকৃতি। দেও বাকি অংশ পড়ুন...
ভেতর বাইরে সর্বত্র অপরূপ সৌন্দর্যম-িত এ মসজিদ মুগ্ধ করবে যে কাউকে। মসজিদের একটি দু’টি ছবি দেখে এর সৌন্দর্য রহস্য বোঝার উপায় নেই। কুয়ালালামপুরের পুত্রাজায়া যেমন পটে আঁকা ছবির মতো সাজানো আর সুন্দর; ঠিক তেমন সুন্দর এই মসজিদ। তাই পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর মসজিদের তালিকায় অনায়াসে উপরের দিকে স্থান পায় এ মসজিদের নাম।
নির্মাণগত দিক দিয়ে মসজিদটি যেমন সুন্দর তেমনি একে আলাদা সৌন্দর্য এনে দিয়েছে এর অবস্থানগত কারণ। মসজিদটি পুত্রাজায়া লেকের মধ্যে অবস্থিত। প্রবেশপ্রান্ত স্থলভাগের সাথে যুক্ত। মসজিদটির কয়েক গজ দূরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত বাকি অংশ পড়ুন...
যে ব্যক্তি পারলৌকিক সৌভাগ্য থেকে বঞ্চিত রয়েছে, বুঝতে হবে যে, সৌভাগ্যের পথে সে ব্যক্তি আদৌ চলেনি। না চলার কারণ অনুসন্ধান করলে জানা যাবে যে, সে ব্যক্তি সৌভাগ্যের পথ চিনতেই পারেনি অথবা চিনতে পেরেছিল বটে, কিন্তু চলতে পারেনি। চিনেও চলতে না পারার কারণ অনুসন্ধান করলে বুঝা যাবে যে, প্রবৃত্তির কবলে বন্দী হয়ে পড়েছিল। কুপ্রবৃত্তির সাথে সংগ্রাম করে জয়ী হতে পারেনি। সুতরাং পারলৌকিক সৌভাগ্যের পথ চিনেও প্রবৃত্তি কর্তৃক বাধপ্রাপ্ত হওয়ার কারণে দ্বীনী পথে চলতে অক্ষম হয়েছিল। যারা পারলৌকিক পথ চিনতেই পারেনি, সেদিকে চলতে না পেরে সৌভাগ্য হতে বঞ্ বাকি অংশ পড়ুন...
১৫৬৬ খৃষ্টাব্দে সুলতান প্রথম সুলাইমানের ইন্তিকালের পর তার পুত্র দ্বিতীয় সেলিম মসনদে বসেন। ফলে মিমার সিনান পাশার সামনে আরেকটি সুযোগ আসে। পিতার মত সুলতান দ্বিতীয় সেলিমও চাইছিলেন আরেকটি স্মরণীয় স্থাপনা নির্মিত হোক। এ কাজের দায়িত্ব অবধারিতভাবে মিমার সিনান পাশার উপর ন্যস্ত হয়। তবে এটি নির্মিত হবে ইস্তাম্বুল থেকে ২০০ কিমি দূরের এডিরনে। মিমার সিনান পাশার বয়স তখন মধ্য সত্তর। এই প্রবীণ বয়সে এসেও তার কর্মস্পৃহা এতটুকু কমেনি। ১৫৬৯ খৃ: উনার প্রবল উৎসাহে ‘সেলিমিয়া মসজিদ কমপ্লেক্স’ নির্মাণের কাজে হাত দেন এবং মনের মাধুরী মিশিয়ে বির বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
জুমার নামাজ আদায় করতে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হতেই তিনি পড়েন একঝাঁক কৌতূহলী শিশুর মাঝে। রাজধানীর নৌবাহিনী সদরদপ্তর মসজিদ প্রাঙ্গণে তখন তৈরি হয় ভিন্ন এক আবহ। কোনো প্রটোকলের আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং আন্তরিকতা আর ¯েœহের উষ্ণতা।
গতকাল জুমুয়াবার জুমার নামাজ শেষে নেভি হেডকোয়ার্টার মসজিদের সামনে শিশুদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মিশে যাওয়ার একটি এখন রীতিমতো আলোচিত।
মসজিদ চত্বরে প্রধানমন্ত্রীকে দেখা মাত্রই একদল শিশু-কিশোর তাকে ঘিরে ধরে। শিশুদের চোখেমুখে তখন বিস্ময় আর আনন্দ। বাকি অংশ পড়ুন...
বিনা প্রয়োজনে কুকুর লালন-পালন করা নাজায়েয হওয়ার বিষয়ে উম্মতের ইজমা:
১ম দলীল:
আল্লামা হযরত ইমাম নববী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন,
وَاَمَّا اِقْتِنَاءُ الْكِلَابِ فَمَذْهَبُنَا اَنَّهٗ يَحْرُمُ اِقْتِنَاءُ الْكَلْبِ بِغَيْرِ حَاجَةٍ وَيَجُوْزُ اِقْتِنَاؤُهٗ لِلصَّيْدِ وَلِلزَّرْعِ وَلِلْمَاشِيَةِ
অর্থ : আর কুকুর লালন-পালন করা- আমাদের মাযহাবে প্রয়োজন ব্যতীত কুকুর লালন-পালন করা হারাম। শিকারের জন্য, শস্যাদি পাহারার জন্য এবং (উট, মেষ-দুম্বা, ছাগল ইত্যাদি গৃহপালিত পশু) পাহারার জন্য কুকুর লালন-পালন করা জায়েয। (শরহুন নাববী ১০/২৩৬)
২য় দলীল:
কিতাবে আরো বর্ণিত রয়েছে,
لَا يَجُوْزُ اِقْتِنَاء বাকি অংশ পড়ুন...
(২য় পর্ব)
কর্মজীবন:
শারীরিকভাবে শক্তিশালী, প্রখর বুদ্ধিমত্তা এবং সাংগঠনিক দক্ষতার জন্য অতি অল্প সময়েই তিনি উসমানীয় বাহিনীতে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরী করতে সক্ষম হন। সূক্ষ যন্ত্রচালনা, যুদ্ধ ও সৈন্য পরিচালনায় অসাধারণ দক্ষতা, এবং অস্ত্র-শস্ত্রের নিপুণ কারিগর হিসেবে উনার সেনাবাহিনীতে নিজেকে অপরিহার্য করে তুললেন। সুলতান সেলিম প্রথম এর সাম্রাজ্য কালেই উনার প্রায় ১৫০টির অধিক নৌ যুদ্ধযান তৈরী করেছিলেন যার সাহায্যে উসমানীয়রা তার বহিঃশত্রুর বিপক্ষে নিজেদের শ্রেষ্ঠতর বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছিলেন। ১৫২০ খৃ: সুলতান সেলি বাকি অংশ পড়ুন...
স্বর্ণযুগে মুসলমানগণ শুধুমাত্র বিজ্ঞান, গণিতশাস্ত্র, দ্বীনশাস্ত্র, ইত্যাদি ক্ষেত্রেই মুন্সিয়ানা দেখাননি বরং শিল্প ও স্থাপত্যকলার উন্নয়ন সাধনেও ব্যাপক ভূমিকা রেখেছিলেন। বস্তুত সে সময়ে আব্দুল মালিক ইবনে মারওয়ান, ৩য় আব্দুর রহমান, সুলতান সুলাইমান ‘দ্য মাগনিফিসিয়েন্ট’ এবং শাসক শাহজাহানের মত প্রভাবশীল মুসলিম শাসকগণের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় দুনিয়ার বুকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ কিছু স্থাপনা নির্মিত হয়েছিলো।
ফিলিস্তিনে বিস্ময়ে বাকরুদ্ধ করা সৌন্দর্যের প্রতীক পবিত্র বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ এবং কুব্বাত আল-সাখরা; গ্রানাডার বিস্ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
বিএনপির মিডিয়া সেল বেশ দুর্বল নাকি জামায়াতের লাখ লাখ বট আইডি এমন মন্তব্য করেছেন জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ মীর মুগ্ধের ভাই মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ।
গত বুধবার (২১ জানুয়ারি) মধ্যে রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অনলাইনে এক পোস্টে মন্তব্য করেন তিনি।
পোস্টে তিনি লেখেন, সারাদিন অনলাইনে ছিলাম না। মধ্যরাতের পর এক্সেস করে দেখছি, তারেক রহমানের ফ্যামিলি কার্ড ক্যাম্পেইন এর নিউজে ১ লাখ ৩০ হাজার রিয়েক্টের ৭০% হাহা।
তারেক রহমানের কড়াইল বস্তিবাসীদের ফ্ল্যাট দেয়ার নিউজে ৪০ হাজার রিয়েক্টের ৬৫% হাহা।
মির্জা আব্বাস বলেছেন, দ বাকি অংশ পড়ুন...
(১)
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
তাফসীরের কিতাবে বর্ণিত আছে, যারা আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কিন্তু আমলে দুর্বল তাদেরও মর্যাদা দিতে হবে। সুবহানাল্লাহ! বরং মুহাক্কিক আলেমগণ বলেছেন তাদের মর্যাদা মাশরূহ আয়াত শরীফের মত। যা তিলাও বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত উরওয়া ইবনে মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বর্ণনা করেন, হুদায়বিয়ার সন্ধির সময় কুরাঈশ নেতৃবৃন্দ আমাকে আখেরী রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট পাঠালেন। আমি উনার দরবার শরীফে গিয়ে দেখতে পেলাম যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত নূরুল খুশূ’ মুবারক অর্থাৎ ওযূ মুবারক করছেন। আর সেই ওযূ মুবারকের ব্যবহৃত পানি মুবারক সংগ্রহের জন্য হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মধ্যে শুরু হয়েছে প্রবল প্রতিযোগিতা। ম বাকি অংশ পড়ুন...












