SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%মহাকাশে%' OR titleBn LIKE '%মহাকাশে%' OR descriptionEn LIKE '%মহাকাশে%' OR descriptionBn LIKE '%মহাকাশে%' OR slug LIKE '%মহাকাশে%' OR metaTag LIKE '%মহাকাশে%' OR metaDescription LIKE '%মহাকাশে%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
* প্রতিরক্ষার ডিজিটাল বর্ম: ৫০ লক্ষ বাহিনীর একক কমান্ড ও সামরিক স্যাটেলাইট নেটওয়ার্কের অপরিহার্য রোডম্যাপ :
একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে বিজয়ের প্রধান শর্ত কেবল সৈন্যসংখ্যা বা ভারী যুদ্ধাস্ত্র নয়; বরং যুদ্ধক্ষেত্রের আসল নিয়ন্ত্রণ লুকিয়ে থাকে তথ্যপ্রযুক্তির শ্রেষ্ঠত্ব এবং নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর। নেটওয়ার্ক-সেন্ট্রিক ওয়ারফেয়ার বা তথ্য-প্রযুক্তিনির্ভর যুদ্ধকৌশলের এই যুগে যেকোনো বাহিনীর জন্য ‘লজিস্টিকস ও কমিউনিকেশন’ হলো মূল ¯œায়ুকেন্দ্র। বিশেষ করে, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় একটি বিশাল বাহিনীকে একক বাকি অংশ পড়ুন...
একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে কেবল স্থল, আকাশ বা সমুদ্রসীমার শক্তিমত্তা দিয়ে জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা অসম্ভব। আধুনিক সামরিক পরিভাষায় একে বলা হয় ‘নেটওয়ার্ক-সেন্ট্রিক ওয়ারফেয়ার’ (Network-Centric Warfare), যেখানে মহাকাশ বা স্যাটেলাইট প্রযুক্তি হলো যেকোনো বৃহৎ সামরিক বাহিনীর মূল ¯œায়ুকেন্দ্র। বাংলাদেশের সামগ্রিক প্রতিরক্ষা বাহিনী, বিশেষ করে রিজার্ভ, আধাসামরিক (যেমন বিজিবি, আনসার) এবং মূল বাহিনী মিলিয়ে যদি একটি বিশাল বহরের সমন্বিত প্রতিরক্ষা কাঠামো গড়ে তুলতে হয়, তবে তার জন্য প্রয়োজন একটি সুনির্দিষ্ট, স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং স্ট্র্যা বাকি অংশ পড়ুন...
সূর্য থেকে ধেয়ে আসা শক্তিশালী সৌর শিখার প্রভাবে উত্তাল হয়ে উঠেছে মহাকাশের পরিবেশ। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছে, সূর্যের এআর৪৪৩৬ নামক একটি অত্যন্ত সক্রিয় সৌর কলঙ্ক অঞ্চল থেকে এই শিখাটি উৎপন্ন হয়েছে। বর্তমানে সূর্যের ঘূর্ণন প্রক্রিয়ায় ওই অঞ্চলটি সরাসরি পৃথিবীর অভিমুখে অবস্থান করায় তৈরি হয়েছে ভূ-চৌম্বকীয় অস্থিরতার আশঙ্কা।
এই শক্তিশালী বিকিরণের প্রভাবে উত্তর গোলার্ধের বিভিন্ন দেশে বেতার যোগাযোগে সাময়িক বিঘœ ঘটার পাশাপাশি আকাশে চোখধাঁধানো মেরুজ্যোতি বা অরোরা দেখা যেতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
নাসা ও বিভিন্ন মহাকাশ গবেষ বাকি অংশ পড়ুন...
রাতের আকাশে আমরা যে তারা দেখি, সেগুলো সব সময় একরকম থাকে না। সময়ের সঙ্গে তাদের আচরণ বদলায়। বিজ্ঞানীরা এখন বলছে, তরুণ নক্ষত্র (নতুন তারা) দ্রুত শান্ত হয়ে যায়। এতে আশেপাশের গ্রহে জীবন গড়ে ওঠার সুযোগ বাড়তে পারে।
নাসার এক নতুন গবেষণায় এই তথ্য পাওয়া গেছে। তারা মহাকাশে থাকা শক্তিশালী দূরবীন দিয়ে নক্ষত্রগুলো পর্যবেক্ষণ করেছে।
বিজ্ঞানীরা বলে, তরুণ নক্ষত্র থেকে অনেক শক্তিশালী এক্স-রে বের হয়। এই রশ্মি গ্রহের বাতাস (বায়ুম-ল) নষ্ট করতে পারে। এতে জীবনের জন্য দরকারি উপাদান তৈরি হওয়া কঠিন হয়ে যায়। কিন্তু নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, এই এক্স-রে আগে বাকি অংশ পড়ুন...
সূর্যের তাপকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা যেতে পারে বিদ্যুৎ। সরাসরি সূর্য শক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ অফুরন্ত উৎপন্ন করা যায়। সূর্য নিজে থেকেই এক বিশাল এনার্জির উৎস, ৫০০ কোটি বছর থেকে আমাদের এনার্জি সঞ্চার করে আসছে আর নিঃসন্দেহে আরো ৫০০ কোটি বা তার অধিক সময় এনার্জি সঞ্চারিত করেই যাবে।
যুগের পরিবর্তনে, প্রযুক্তির কল্যাণে মানুষ সূর্যের আলো প্রয়োজনানুসারে বিভিন্নভাবে ব্যবহার করছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো সোলার প্যানেল বা সৌরবিদ্যুৎ। বেললাব কর্তৃক মহাকাশ কার্যক্রমে সৌরবিদ্যুতের প্রায়োগিক ব্যবহার শুরু হয় ১৯৫৮ সালে। আসমান থেক বাকি অংশ পড়ুন...
সূর্যের তীব্র তাপে একটি বিশাল গ্রহাণু ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যাচ্ছে। বিজ্ঞানীদের মতে, পৃথিবী যখন এই ধ্বংসাবশেষের মেঘের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করবে, তখন আকাশে উল্কাবৃষ্টি দেখা যাবে। ইতোমধ্যে ২৮২টি উল্কাবৃষ্টির একটি গুচ্ছ শনাক্ত করা হয়েছে।
গবেষকদের ধারণা, এই উল্কাবৃষ্টি মহাকাশের একটি নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে উৎপন্ন হচ্ছে। পাথুরে ধ্বংসাবশেষের এই স্তূপটি আসলে একটি মৃতপ্রায় গ্রহাণু বা রক কমেটের অবশিষ্টাংশ। সূর্যের খুব কাছে চলে যাওয়ায় গ্রহাণুটি ভেঙে টুকরো হয়ে গেছে।
নাসার জনসন স্পেস সেন্টারের বিজ্ঞানী প্যাট্রিক বলে, এই আবিষ্কারটি ব বাকি অংশ পড়ুন...
প্রায় ছয় দশক আগে আবিষ্কৃত এক মহাজাগতিক রহস্য আজও বিজ্ঞানীদের বিস্মিত করছে। প্রথম নিশ্চিতভাবে শনাক্ত হওয়া ব্ল্যাক হোল সিগনাস এক্স-১ এখনো মহাকাশে বিশাল শক্তি ছড়িয়ে যাচ্ছে। নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, এটি এমন শক্তিশালী কণার ধারা (জেট) ছুড়ছে, যার শক্তি প্রায় ১০ হাজার সূর্যের সমান।
১৯৬৪ সালে প্রথম এই ব্ল্যাক হোল শনাক্ত হয়। বিজ্ঞানীরা তখনো ব্ল্যাক হোলের অস্তিত্ব নিয়েই সন্দিহান ছিলেন। সম্প্রতি কার্টিন বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বে এক গবেষণা ‘নেচার অ্যাস্ট্রোনমি’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে এই জেটগুলোর শক্তি নির্ণয় করা হয়েছে বাকি অংশ পড়ুন...
মহাকাশের নানা বিষয় সহজভাবে শেখায় ‘ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ওয়ান্ডার লেসন’ সিরিজ। এই ধারাবাহিক থেকে জানা যায় কীভাবে নক্ষত্র দেখে দিক নির্ণয় করতে হয়, মেঘ বা গাছপালা চিনতে হয়। আজকের বিষয়-রাতের আকাশে ধ্রুবতারা খুঁজে বের করার সহজ উপায়।
ধ্রুবতারা বা পোলারিস উত্তর আকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ নক্ষত্র। এটি ভৌগোলিক উত্তর দিক বরাবর অবস্থান করে এবং প্রায় সারা বছর একই জায়গায় স্থির থাকে। এ কারণে দিক নির্ণয়ে এটি বিশেষভাবে কাজে লাগে।
ধ্রুবতারা খুঁজতে হলে প্রথমে সপ্তর্ষিম-ল বা বিগ ডিপার খুঁজে নিতে হবে। এই নক্ষত্রপুঞ্জের বাটির মতো অংশের বাইরের বাকি অংশ পড়ুন...
ব্যালিস্টিক মিসাইল বা ক্ষেপণাস্ত্র আধুনিক প্রযুক্তির এক বিস্ময়। দূরপাল্লায় হামলা চালানোর এই প্রযুক্তির মূলনীতি কিন্তু খুব সহজ। এই ক্ষেপণাস্ত্র উদ্ভাবন সম্ভব হয়েছে গতিবিদ্যার একটি সূত্র প্রয়োগের মাধ্যমে। সূত্রটি হলো- “প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া রয়েছে।”
মুসলিম বিজ্ঞানী হিবাতুল্লাহ আবুল বারাকাত আল বাগদাদী, উনার রচিত ‘আল মু’তাবার ফিল হিকমাহ’ কিতাবে এই সূত্রটি উল্লেখ করেন। এছাড়াও মুসলিম বিজ্ঞানী হাসান ইবনে হাইছাম উনার রচিত ‘আল মানাযির’ কিতাবে তিনি উল্লেখ করেছেন, “যদি চলমান বস্তু কোন প্রতিবন্ধকতা বাকি অংশ পড়ুন...
সূর্যকে আড়াল করে পৃথিবীকে শীতল রাখা! শুনতে অবিশ্বাস্য লাগলেও এমন প্রযুক্তি নিয়েই এখন আলোচনা চলছে। কৃত্রিমভাবে পৃথিবীর তাপমাত্রা কমানোর এই প্রযুক্তির নাম সোলার জিওইঞ্জিনিয়ারিং। আকাশে বিশেষ বিমান দিয়ে সালফার এরোসল ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এই সুক্ষ¥ কণাগুলো সূর্যের আলোকে প্রতিফলিত করে মহাকাশে ফেরত পাঠায়। ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা কিছুটা কমে আসে।
সফটওয়্যার ডেভেলপাররা এই প্রযুক্তির বড় সমর্থক। হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণা প্রকল্পেও তাদের একটা অংশ অর্থ দিয়েছে। তাদের মতে, কার্বন নিঃসরণ কমানোর গতি খুবই ধীর। শুধু গাছ লাগানো বা বৈ বাকি অংশ পড়ুন...
পাঁচ দশকেরও বেশি সময় পর মানুষ আবারও পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথ ছাড়িয়ে গভীর মহাকাশে যাত্রা শুরু করেছে। নাসার ‘আর্টেমিস-২’ মিশনের রকেট যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা থেকে চার নভোচারীকে নিয়ে সফলভাবে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। এই অভিযানের মাধ্যমে চাঁদের পথে মানুষ পা বাড়িয়েছে, যা ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে মানুষের যাত্রার পথও প্রশস্ত করবে।
এই মিশনে প্রায় ১০ দিনের এই অভিযানে চার নভোচারী চাঁদকে প্রদক্ষিণ করে আবার পৃথিবীতে ফিরে আসবে। উৎক্ষেপণের কিছুক্ষণের মধ্যেই কমান্ডার জানায়, তারা মহাকাশ থেকে চাঁদের দিকে এগিয়ে যাওয়ার অসাধারণ দৃশ্য প্রত্যক্ষ করছে।
বাকি অংশ পড়ুন...
হঠাৎ আকাশে জ্বলজ্বল করে উঠলো আগুনের মতো কিছু। তারপর বিকট শব্দ-মনে হলো যেন বিস্ফোরণ! দিনের আলোতেই আকাশে এমন দৃশ্য দেখে ভয় পেয়ে যায় অনেক মানুষ।
যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের ক্লিভল্যান্ড শহরের আকাশে এমনই এক ঘটনা ঘটেছে। প্রায় ৭ টন ওজনের একটি উল্কা (মহাকাশের পাথর) পৃথিবীর বায়ুম-লে ঢুকে বিস্ফোরিত হয়।
নাসা জানিয়েছে, উল্কাটি ঘণ্টায় প্রায় ৭২ হাজার কিলোমিটার গতিতে পৃথিবীর দিকে ছুটে আসে। সকাল ৯টার দিকে এটি বায়ুম-লে ঢোকে এবং আকাশেই ভেঙে যায়।
এই আগুনের গোলা শুধু ক্লিভল্যান্ডেই নয়, দূরের কয়েকটি অঙ্গরাজ্য থেকেও দেখা যায়। আমেরিকান মে বাকি অংশ পড়ুন...












