SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%বুঝা%' OR titleBn LIKE '%বুঝা%' OR descriptionEn LIKE '%বুঝা%' OR descriptionBn LIKE '%বুঝা%' OR slug LIKE '%বুঝা%' OR metaTag LIKE '%বুঝা%' OR metaDescription LIKE '%বুঝা%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ফুটবল-ক্রিকেটসহ সমস্ত খেলাধুলাই হারাম। মাঠে গিয়ে হোক আর টিভিতে হোক সর্বাবস্থায়ই খেলা দেখা হারাম ও কবীরাহ গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত কিতাব, মুস্তাদরাকে হাকিম শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ لَعِب বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সূরা তাওবাহ শরীফ উনার ৩৬ নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ব্যাখ্যায় বিশ্বখ্যাত তাফসীর গ্রন্থসমূহে বিশেষ করে ‘আহকামুল কুরআন লিল জাছছাছ হানাফী মাতুরীদী’ নামক তাফসীরে লিখিত আছে, “পবিত্র হারাম মাসগুলোর এমন বৈশিষ্ট্য রয়েছে যে, এতে ইবাদত-বন্দিগী করা হলে বাকি মাসগুলোতেও ইবাদত-বন্দিগী করার তাওফিক ও সাহস লাভ হয়। অনুরূপ কেউ এ মাসগুলোতে পাপ কার্য থেকে নিজেকে বিরত রাখতে পারলে বছরের বাকি মাসগুলোতেও পাপাচার থেকে দূরে থাকা সহজসাধ্য হয়। সুতরাং এ সুযোগের সদ্ব্যবহার থেকে বিরত থাকা অপূরণীয় ক্ষতির কারণ।”
পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস বাকি অংশ পড়ুন...
مِنْ آيَاتِ اللهِ وَالْحِكْمَةِ
পবিত্র আয়াত শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র সুন্নাহ শরীফ যা আপনাদের হুজরা শরীফ উনাদের মধ্যে নাযিল করা হচ্ছে অর্থাৎ নাযিল হয়েছে মহাসম্মানিত ওহী মুবারক দ্বারা সে বিষয়গুলি উম্মতকে নছীহত মুবারক করুন। বলে দিন, তাহলে তারা যদি হিদায়াত প্রাপ্ত হয়। আর সেটাই কিন্তু মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেছেন একখানা পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে-
خُذُوا نِصْفَ دِينِكُمْ مِّنْ هٰذِهِ الْحُمَيْرَاءِ عَلَيْهَا السَّلَامُ
অর্থাৎ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনা বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুদরত মুবারক উনার কাইফিয়্যাত মুবারক সম্পর্কে কল্পনাতীত বেমেছাল খোদায়ী ইলিম মুবারক বিতরণ:
মিথ্যার একটা স্তর আছে। মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কা’বা শরীফ নির্মাণের সময় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বয়স মুবারক দুনিয়াবী দৃষ্টিতে ৩৫ বছর। লিখে যে, ‘উনি বিবস্ত্র হয়ে কাজ করেছেন।’ না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্লাহ! এটা এই বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ-এ লিখে রেখেছে না? তাহলে দুনিয়াবী দৃষ্টিতে ৩৫তম বয়স মুবারক-এ উনি বিবস্ত্র হয়ে কাজ করেছেন? না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্ বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিলেন-
وَلَوْلا إِذْ سَمِعْتُمُوهُ قُلْتُم مَّا يَكُونُ لَنَا أَنْ نَّتَكَلَّمَ بِهٰذَا
যখন তোমরা শুনলে তখন কেন বললে না, এ বিষয় আমাদের কথা বলার কোন অধিকার নেই। উনারা পবিত্র থেকে পবিত্রতম, পবিত্রতা দানকারিণী। এটা প্রকাশ্য অপবাদ, কেন বললে না? যখন শুনলে। তাহলে কি বলতে হবে? যদি কেউ চূ-চেরা, কীল-কাল করে তাহলে তাকে বলতে হবে, তুমি কাট্টা মিথ্যাবাদী। উনাদের জন্য অবশ্যই প্রতিবাদ করতে হবে। আর উনাদের বিষয় কারো কোন কথা বলার অধিকার নেই। পবিত্র কুরআন শরীফ কালামুল্লাহ শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ যা বর্ণিত রয়েছেন সেট বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
কেউ কেউ পবিত্র সূরা কাহাফ শরীফ উনার ১১০ নং আয়াত শরীফ এবং পবিত্র সূরা হামীম সাজদাহ শরীফ উনার ৬ নং আয়াত শরীফ-
قل انـما انا بشر مثلكم يوحى الى
দলীল হিসেবে গ্রহণ করে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অন্যান্য মানুষের মতো বলতে চায়। তাদের বক্তব্য কতটুকু গ্রহণযোগ্য?
জাওয়াব: (২য় অংশ)
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে অন্যত্র ইরশাদ মুবারক হয়েছে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
ينساء النبى لستن كاحد من النساء
অর্থ: হে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম! আপনারা অন্য কোন মহিলাদের মতো নন। (পবিত্র সূর বাকি অংশ পড়ুন...
তাহলে কত পবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা। একমাত্র যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা ছাড়া সব থেকে উনারা বেনিয়াজ। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এটাই হচ্ছে ছমাদিয়াত ও ত্বহারাতের মাক্বাম। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! কাজেই বিষয়টা অত্যন্ত সুক্ষ্ম ও কঠিন বিষয় বুঝাটা। অত্যন্ত সুক্ষ্ম বিষয়, যে উনাদের শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত কতটুক বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুদরত মুবারক উনার কাইফিয়্যাত মুবারক সম্পর্কে কল্পনাতীত বেমেছাল খোদায়ী ইলিম মুবারক বিতরণ:
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
وَاللهُ يَـخْتَصُّ بِرَحْـمَتِهٖ مَنْ يَّشَآءُ
“মহান আল্লাহ পাক তিনি যাঁকে ইচ্ছা স্বীয় রহমত মুবারক দ্বারা খাছ করে নেন।” (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ: ১০৫)
কাজেই, মহান আল্লাহ পাক তিনি যাঁকে চান, উনাকে খাছ করে এই বুঝগুলো দেন। সবাই বুঝে না এগুলি। বুঝবে না। এটা কোনো দিন বুঝা সম্ভব না।
তারপর যেমন- মুসলিম শরীফসহ আরো অন্যান্য কিতাবে রয়েছে,
مَا مِنْكُمْ مِنْ اَحَدٍ اِلَّا وَقَدْ وُكِّلَ بِهٖ قَرِيْنُهٗ مِنَ الْجِنِّ وَقَرِيْنُهٗ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুদরত মুবারক উনার কাইফিয়্যাত মুবারক সম্পর্কে কল্পনাতীত বেমেছাল খোদায়ী ইলিম মুবারক বিতরণ:
আমার বলার মূল বিষয় হচ্ছে যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বুলন্দী শান মুবারক যদি কেউ না বুঝে, তাহলে উনাকে সে সম্মান করবে কিভাবে? একটা লোককে যদি মানুষ না চিনে, তাহলে সম্মান করবে কিভাবে? একজন অনেক বড় বুযূর্গ লোক হেটে গেলো, লোকজন দেখলো; কিন্তু চিনে না। তাহলে তো সম্মান করতে পারবে না। সম্মান করা তো উচিত ছিলো। যেমন- হযরত রুহুল আমীন বশীরহাটী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার কিতাবে উল্লেখ করেছেন যে, আ বাকি অংশ পড়ুন...












