SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%বীজের%' OR titleBn LIKE '%বীজের%' OR descriptionEn LIKE '%বীজের%' OR descriptionBn LIKE '%বীজের%' OR slug LIKE '%বীজের%' OR metaTag LIKE '%বীজের%' OR metaDescription LIKE '%বীজের%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
আমরা প্রতিদিন সন্তুষ্টচিত্তে বাজার থেকে তাজা শাক সবজি কিনে নিজে খাচ্ছি, পরিবারকে খাওয়াচ্ছি। আমরা কেবল শাক সবজির দাম বাড়লে সচেতন হই, কথা বলি কিন্তু হাইব্রিড বীজের এসব শাক সবজি খেয়ে আমাদের লাখ লাখ টাকা চিকিৎসার পেছনে ব্যয় হচ্ছে তা নিয়ে কারো মাথা ব্যথা নেই। নিয়মিত রঙ্গিন তাজা শাক সবজি দেহের সুস্থ্যতার জন্য অপরিহার্য খাদ্য। কিন্তু শাক সবজি খাওয়ার যতো উপকারিতা আমরা শুনি তা কী হাইব্রিড শাক সবজিতে আছে? নেই। শোনানো হয় প্রাকৃতিক খাদ্যের উপকারিতার বয়ান, আর খাওয়ানো হয় বিষাক্ত হাইব্রিড বীজের খাদ্য। যে কারণে দৃশ্যত ভালো ভালো ফল, শস্য, প্ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
গত বছরের চেয়ে এবার অর্ধেকেরও কম দামে বাজারে পাঞ্জাবের আলুর বীজ বিকোচ্ছে। তাতেও আলু বসাতে চাষিদের আগ্রহে কার্যত ভাটা। উদ্বেগের সঙ্গে এমনটাই দাবি আলু ব্যবসায়ীদের। আলু থেকে কিছুটা নজর ঘুরিয়ে চাষিরা সর্ষে চাষের দিকেই বেশি ঝুঁকতে শুরু করেছেন। তাদের বক্তব্য, হিমঘরে এখনও প্রচুর আলু মজুত রয়েছে। ডিসেম্বর মাসেও হিমঘরজাত আলু খালি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। অথচ ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকেই বাজার নতুন আলুর আমদানি হতে শুরু করবে। এই পরিস্থিতিতে আগাম আলু চাষে লাভের মুখ দেখাা সম্ভব নয়। চাষিদের দাবি, স্বল্প দামে পাঞ্জাবের বীজ à বাকি অংশ পড়ুন...
মানিকগঞ্জ সংবাদদাতা:
আগাম ফুলকপি চাষে লাভের আশায় ব্যস্ত সময় পার করছেন মানিকগঞ্জের কৃষকেরা। অনুকূল আবহাওয়ায় এবার ফলনও ভালো হয়েছে। বিশেষ করে জেলার সাটুরিয়া উপজেলার আইড়মারা এলাকায় ব্যাপকভাবে আবাদ হয়েছে আগাম জাতের ফুলকপি। কয়েক দিনের মধ্যেই এসব ফুলকপি বাজারে উঠতে শুরু করবে। তবে বীজ, সার ও কীটনাশকের বাড়তি দামে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় কাক্সিক্ষত লাভ নিয়ে কিছুটা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন চাষিরা।
সবজি উৎপাদনের জন্য পরিচিত মানিকগঞ্জের সিংগাইর, সদর ও সাটুরিয়া উপজেলা। এসব এলাকায় সারা বছরই ফুলকপি, বাঁধাকপি, মূলা, পেঁপে, করলা, কদু, শিমসহ বিভà বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্য, শিক্ষা, প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে কানাডার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার কার্যালয়ে কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়নবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী রণদীপর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন এ কথা জানান।
রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা প্রদান গুরুত্বপূর্ণ হলেও এ সংকটের স্থায়ী সমাধান হচ্ছে তাদের নিরাপদ, স্বà বাকি অংশ পড়ুন...
খাদ্যই মানুষের অস্তিত্বের শেষ সীমানা। অথচ আজ সেই অন্নকেই রূপ দেওয়া হয়েছে পরোক্ষ এক শিকলে। নতুন বিশ্বব্যবস্থায় একটি জাতিকে নিঃশব্দে নিয়ন্ত্রণ করার সবচেয়ে মোক্ষম হাতিয়ার হয়ে উঠেছে তার খাদ্যব্যবস্থা। যে মাটিতে শস্য ফলে, সেই মাটিকে বিষে বিষাক্ত করে আজ আমাদের প্লেটে তুলে দেওয়া হচ্ছে ব্যাধি আর অপুষ্টি। এই করাল বাস্তবতা কোনো আকস্মিক দুর্ঘটনা নয়, বরং এক পরিকল্পিত বাণিজ্যিক ও করপোরেট চক্রান্তের ফল।
আজ থেকে তিন দশক আগেও বাংলাদেশের রূপ ছিলো ভিন্ন। গ্রাম শুধু মানুষের থাকার জায়গা ছিলো না; তা ছিলো জীববৈচিত্রের এক পরম আশ্রয়স্থল। প্রাà বাকি অংশ পড়ুন...
যশোর সংবাদদাতা:
কৃষিখাতের প্রাণ বীজ সেক্টরে ‘নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি’ বিরাজ করছে। দামের ক্ষেত্রে মাঝে মধ্যে বীজের বাজার ওঠানামা করলেও সেটি বড় ধরনের প্রভাব ফেলে না। তবে ভেজাল ও মানহীন বীজ এবং আমদানিনির্ভরতা এই খাতকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। প্রতারিত হচ্ছেন কৃষকরা। দেশে জাতীয় বীজনীতি থাকলেও কিছু অসঙ্গতি ও দুর্বলতার কারণে পরিস্থিতির উন্নতি সম্ভব হচ্ছে না বলে বলছেন সংশ্লিষ্টরা বলছেন। এজন্য জাতীয় বীজনীতিকে শক্তিশালী ও আধুনিকায়ন করা প্রয়োজন বলে তাদের অভিমত।
যশোরে কৃষি কর্মকর্তা, বীজ আমদানিকারক, ব্যবসায়ী, ক্রেতা-বিক্রেতা ও কৃষক বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশে কৃষি খাতে বছরে প্রায় ১৩ লাখ মেট্রিক টন বীজের চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ৩০ শতাংশ বীজ ফরমাল বা পরীক্ষিত। বাকি ৪০ শতাংশ সেমি-ফরমাল এবং ৩০ শতাংশ কৃষকের নিজস্ব সংরক্ষিত বীজ। কৃষির উৎপাদনশীলতা ও প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়াতে পরীক্ষিত ও মানসম্মত বীজের ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ও বীজ উইংয়ের মহাপরিচালক খোরশেদ আলম।
গতকাল ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) রাজধানীর ফার্মগেট বিএআরসি ক্যাম্পাসের সার্ক কৃষি কেন্দ্রে আয়োজিত এক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন। এতে অংশ নেন বাং বাকি অংশ পড়ুন...
প্রতিবছর দেশের বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হচ্ছে পাম অয়েল ও সয়াবিন তেল আমদানিতে, যা অর্থনীতির ওপর নীরব কিন্তু ক্রমবর্ধমান চাপ সৃষ্টি করছে। সার্ক কৃষি কেন্দ্র এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, দেশের ভোজ্যতেলের চাহিদার ৭০ শতাংশেরও বেশি আমদানির মাধ্যমে পূরণ করা হয়। এ জন্য বছরে প্রায় ২ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করতে হচ্ছে।
বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পাম অয়েল ও সয়াবিন তেল আমদানিতে বাংলাদেশের মোট ব্যয় হয়েছে প্রায় ৫৬ হাজার ৩১৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে সয়াবিন তেল আমদানিতে ব্যয় হয়েছে ৩৩ হাজার ৩৬১ কোটি টাক বাকি অংশ পড়ুন...












