ক্যাপসিকাম প্রধানত উত্তর আমেরিকার মেক্সিকো ও দক্ষিণ আমেরিকার পেরু অঞ্চলের কৃষিপণ্য হিসেবে পরিচিত এবং ঝাল ও মিষ্টি উভয় ধরনের ক্যাপসিকামই বিশ্বজুড়ে চাষাবাদ হচ্ছে।
বাংলাদেশে এর চাষাবাদ সম্পর্কে কৃষি বিভাগ বলছে, ২০১৪-১৫ সালের দিকে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ক্যাপসিকাম বাজারে আসতে শুরু করে। এরপর থেকে ধারাবাহিকভাবেই এর উৎপাদন বেড়ে চলেছে।
দেশের ভোলা, সিলেট, নওগাঁ, চুয়াডাঙ্গা, কুড়িগ্রাম ও যশোর অঞ্চলের কিছু জেলা ও উপজেলায় ক্যাপসিকামের চাষ হচ্ছে। চলতি বছর কুমিল্লাসহ আরও কয়েকটি জায়গায় প্রথমবারের মতো ক্যাপসিকাম চাষের তথ্য পাওয়া গেছে। বাকি অংশ পড়ুন...
সাতক্ষীরা সংবাদদাতা:
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার আটুলিয়া ইউনিয়নের হাওয়ালভাঙি গ্রামে দীর্ঘদিনের পতিত লবণাক্ত জমিতে পরীক্ষামূলক চাষে সফলতা পেয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। ১০ মাত্রার লবণাক্ততা সম্পন্ন প্রায় ৩ একর জমিতে ভুট্টা, বিনাধান-১০ ও ব্রিধান-৯৯ চাষ করে এলাকায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছেন। এলাকায় প্রথমবারের মতো ডিবলিং পদ্ধতিতে (কৃষি জমিতে নির্দিষ্ট গভীরতায় ও দূরত্ব বজায় রেখে ছোট গর্ত করে বীজ বা চারা রোপণ করা) ভুট্টা চাষ করা হয়।
স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, উপকূলীয় এ অঞ্চলের কয়েক হাজার বিঘা জমি আমন মৌসুমের পর মিঠাপানির অভা বাকি অংশ পড়ুন...
শেরপুর সংবাদদাতা:
শেরপুরের চরাঞ্চলের কৃষকরা নায্য দাম ও জমির উর্বরতার সুফলে মটরশুঁটি চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। হাইব্রিড জাতের দেবগিরি মটরশুঁটি চাষে রোগবালাই কম হওয়ায় এবং চলতি বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় শেরপুরে বাম্পার ফলন হয়েছে। এতে খুশি চরাঞ্চলের চাষিরা। কৃষি বিভাগ বলছে, ভালো ফলন ও লাভজনক হওয়ায় আগামী মৌসুমে ডালজাতীয় এ ফসলের চাষ আরও বাড়বে।
কৃষি বিভাগ জানায়, শেরপুরের চরাঞ্চলের মাটি মটরশুঁটি চাষের জন্য বেশ উপযোগী। বীজ রোপণের ৬০-৭০ দিনের মধ্যেই ফসল সংগ্রহ করা যায়। তিন দফায় গাছ থেকে মটরশুঁটি সংগ্রহ করা হয়। ‘দেবগিরি’ জাতের মটরশ বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
কৃষি গবেষণায় উদ্ভাবিত নতুন জ্ঞান ও প্রযুক্তিকে যথাযথভাবে প্রান্তিক চাষিদের কাছে পৌঁছানোর ওপর কৃষি উন্নয়ন অনেকাংশে নির্ভরশীল। আমাদের দেশের গবেষণাগারে বা স্থানীয় পর্যায়ে উদ্ভাবিত কৃষি প্রযুক্তির অধিকাংশই কৃ বাকি অংশ পড়ুন...
সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা:
চলতি মৌসুমে চৈত্রের ভারী বর্ষণে পানিবদ্ধতায় তলিয়েছে হাওরের বোরো চাষির আবাদকৃত সহ¯্রাধিক হেক্টর জমির ফসল। যেটুকু ফসল টিকেছে বাজারে তারও ন্যায্যমূল্য পাওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছে শঙ্কা। বর্তমান পরিস্থিতিতে লাভ-লোকসানের হিসাবে কোথায় দাঁড়ায়, তা বুঝতে সবশেষ ধান ও চালের সরকারি দাম নির্ধারণের প্রতীক্ষায় ছিলেন বোরো চাষিরা। গত বুধবার সরকারের পক্ষ থেকে কৃষকের ধান ও চাল ক্রয়ের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। যা রীতিমতো হতাশ করেছে বোরো চাষিদের।
জেলার ধর্মপাশা উপজেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক শফিকুল ইসলাম জানান, এ বছর ৩৬ টাকা কেজি বাকি অংশ পড়ুন...
শেরপুর সংবাদদাতা:
‘বাপুরে, দেড় একর জমিতে ১০০ মণ ধান পেতাম। এখন ১ মণও পামু না। একেবারে খুন কইরা ফালাইছে। এবার খামু কী? আর সামনে আবাদ কী দিয়ে করমু? চিন্তায় মাথা খারাপ হয়ে গেছে। এই খারাপ অবস্থা ভেজাল ধান বীজের কারণে। আর কৃষি অফিসার এদিকে আসে না। পাকা রাস্তা থেকেই ঘুরে চলে যায়।’
ক্ষোভ নিয়ে এভাবেই কথাগুলো বলছিলেন শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার সদর ইউনিয়নের চতল বন্ধভাটপাড় গ্রামের কৃষক আব্দুল আযাদ।
একই অবস্থা উপজেলার প্রায় তিন শতাধিক কৃষকের। ঝিনাইগাতী উপজেলার সদর ও নলকুড়াসহ আশেপাশের কয়েকটি ইউনিয়নের কৃষকরা ব্রী-৯৬ মোড়কে ভেজাল বীজধান বাকি অংশ পড়ুন...
মুন্সিগঞ্জ সংবাদদাতা:
বাজারদরের উত্থান আর পতনের মাঝখানে সীমাবদ্ধ আলু চাষিদের ভাগ্য। বিগত কয়েক বছরের ক্রমাগত লোকসান ঠেকাতে চলতি মৌসুমে ঝুঁকি নিয়ে আলু আবাদ করেছেন জেলার কয়েক লক্ষাধিক কৃষক। তবুও চলতি বছরে মিলছে না কাক্সিক্ষত দাম। জমি থেকে আলু উত্তোলন শুরুতেই কয়েক দফা দর পতনে অনিশ্চিত গন্তব্যের দিকে অগ্রসর হচ্ছে আলু চাষিদের ভবিষ্যৎ। এমন পরিস্থিতিতে আগামী মৌসুমে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবছে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখাঁন ও সদর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে দেখা গেছে, উত্তোলন মৌসুম ঘিরে মাঠ থেক বাকি অংশ পড়ুন...
পিরোজপুর সংবাদদাতা:
সদর উপজেলার কলাখালী ইউনিয়নের কৈবর্তখালী গ্রাম এখন সূর্যমুখীর হাসিতে ভরপুর। যেখানে একসময় ছিল শুধু ধান ক্ষেত; সেখানে আজ জন্ম নিয়েছে কৃষকের নতুন সম্ভাবনা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে জেলার ৭ উপজেলায় প্রায় ৯৮৪ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী আবাদ হয়েছে। এবার বীজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রতি হেক্টরে দুই থেকে আড়াই টন। যার বাজারমূল্য প্রায় ২০ কোটি টাকা।
কৃষকরা বলছেন, পর্যাপ্ত সরকারি প্রণোদনা ও কার্যকর সহায়তা, বিনা সুদে ঋণ পেলে এ সম্ভাবনাময় চাষে স্থানীয় কৃষকেরা আরও বেশি উদ্বুদ্ধ হ বাকি অংশ পড়ুন...
ঢাকা মহানগরে যানজটের প্রধান প্রধান কিছু কারণ হলো-
২) গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকারী পরিকল্পনা ও অর্থ বরাদ্দের অভাব:
জাতীয় বাজেটে গ্রামীণ জনজীবনে কর্মসংস্থানমুখী ও কর্মসংসংস্থান সৃষ্টিতে তেমন কোন উন্নয়ন প্রকল্প থাকে না। বরং অনুৎপাদনশীল ও সেবা খাতেই সব বরাদ্দ দেয়া হয়। ফলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি না হয়ে বরং গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর একটা বড় অংশ সরকারের দেয়া বিভিন্ন ধরনের ভাতা, টিআর, কাবিটা, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। বাকী কর্মক্ষম জনশক্তি বেকারত্বের বোঝা টানছে।
উল্লেখ্য জাতীয় বাজেটের একটি বড় অংশ রাস্তা-ঘাট, ব বাকি অংশ পড়ুন...
কুমিল্লা সংবাদদাতা:
কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বলেছেন, কৃষিপণ্যের বাজারে সিন্ডিকেট করে কৃষকদের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত করা হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গতকাল ইয়াওমুস সাবত (শনিবার) বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি ইউনিয়নের হরিণধরা এলাকায় গোমতী নদী ও জৈন্তার খাল পরিদর্শন শেষে আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ সরাসরি বা পরোক্ষভাবে কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাই কৃষিখাত শক্তিশালী হলে দেশের অর্থনীতি টেকসই ভিত্তি পাবে।
কিন্তু কৃষকে বাকি অংশ পড়ুন...
সিলেটের দিগন্তজোড়া সবুজ চা বাগান, যা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অপূর্ব লীলাভূমি হিসেবে পরিচিত; আজ সেখানে এক ভয়াবহ নৈতিক ও রূহানী বিপর্যয় নেমে এসেছে। এই বাগানের অভ্যন্তরে বসবাসরত পৌত্তলিক শ্রমিকদের মাঝে বিরাজমান লাগামহীন মদ্যপতা, জুয়া এবং বিজাতীয় অপসংস্কৃতির চর্চা কেবল ওই অঞ্চলের পরিবেশকেই কলুষিত করছে না, বরং তা মুসলিম জনপদ সিলেটের ঈমানি আবহকেও হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। বিজাতীয় আর্দালী, লুটেরা ব্রিটিশ আমল থেকে চলে আসা এই শ্রমিক শ্রেণীর মাঝে যে কুসংস্কার ও নৈতিক স্খলনের বীজ বপন করা হয়েছিল, তা আজ এক বিশাল বিষবৃক্ষে পরিণত হয়েছে বাকি অংশ পড়ুন...
সুস্থ থাকতে ও ডায়েট মেনে চলতে অনেকেই কাঠবাদাম বা আমন্ড খেয়ে থাকেন। পুষ্টিবিদদের মতে, সকালের নাশতায় আমন্ড রাখার অভ্যাস শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। তবে এর সঠিক পরিমাণ এবং নিয়ম জানা জরুরি।
কেন খাবেন আমন্ড?
আমন্ডে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন ই এবং উপকারী ফ্যাট। এ ছাড়াও এতে ম্যাগনেশিয়াম ও মিনারেলস থাকে যা শরীরের একাধিক ঘাটতি পূরণ করে। এর প্রধান কিছু গুণ হলো-
ওজন নিয়ন্ত্রণ: মাত্র ৩-৪টি আমন্ড দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে, ফলে আজেবাজে খাওয়ার প্রবণতা কমে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ: এটি টাইপ-টু ডায়াবে বাকি অংশ পড়ুন...












