সম্পাদকীয়
প্রধানমন্ত্রী শুধু রেসিং কার চালিয়ে উৎসাহ দিলেই হবে না। ‘শিমু’, ‘সোলেমানের’ উদ্ভাবিত সেচযন্ত্র তথা সুলভ প্রযুক্তিকেও উৎসাহ দেয়ার পাশাপাশি প্রান্তিক কৃষকের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে দেশের প্রান্তিক নাগরিকের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি দ্বারাই সঙ্কটে সমাধানের অনুসন্ধানী উদ্দীপনা থাকতে হবে। ইনশাআল্লাহ
, ০৯ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২৮ হাদী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৮ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রি:, ১৫ বৈশাখ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
কৃষি গবেষণায় উদ্ভাবিত নতুন জ্ঞান ও প্রযুক্তিকে যথাযথভাবে প্রান্তিক চাষিদের কাছে পৌঁছানোর ওপর কৃষি উন্নয়ন অনেকাংশে নির্ভরশীল। আমাদের দেশের গবেষণাগারে বা স্থানীয় পর্যায়ে উদ্ভাবিত কৃষি প্রযুক্তির অধিকাংশই কৃষকের মাঠে প্রয়োগের আগে বা অব্যবহিত পরই জীবনকাল হারায়।
জ্বালানি সংকটে তীব্র প্রভাব পড়েছে কৃষিতে।
আউশ ধানের বীজতলা থেকে শুরু করে জমি ভাঙা, হাল চাষ একই সাথে বোরোধান সেচ ও কাটার জন্য যেসব মেশিন ব্যবহার হয় সব ডিজেল চালিত থাকায় এই সমস্যায় পড়তে হয়েছে কৃষকদের।
এমন পরিস্থিতিতে নূরগাঁওয়ের (ঠাকুরগাঁওয়ের) প্রত্যন্ত গ্রামের এক স্বশিক্ষিত উদ্ভাবক সোলেমান আলী তৈরি করেছেন ‘ভ্রাম্যমাণ সৌর সেচযন্ত্র’, যেটি দেশের কৃষি ও জ্বালানি খাতের বর্তমান সঙ্কট মুহুর্তে একটি শক্তিশালী সমাধান হতে পারে।
সোলেমানের তৈরি করা ভ্রাম্যমাণ সেচযন্ত্রটি স্থানীয়ভাবে কৃষকের চিরচেনা সেচ সমস্যার সহজ সমাধান দিয়েছে। যেহেতু এটি চাকা লাগানো এবং স্থানান্তরযোগ্য, তাই কৃষকের নিজের জমিতে আলাদা করে স্থায়ী পরিকাঠামো তৈরির প্রয়োজন পড়ছে না। মাত্র ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই যন্ত্র দিয়ে দিনে ১০ একর জমিতে সেচ দেওয়া সম্ভব, যা দেশের প্রান্তিক কৃষকের জন্য এক বিশাল প্রাপ্তি।
এই উদ্ভাবনের সবচেয়ে বড় ইতিবাচক দিক হলো খরচ সাশ্রয়। প্রথাগত সেচপদ্ধতিতে যেখানে প্রতি বিঘায় খরচ হয় সাত থেকে আট হাজার টাকা, সেখানে সৌর সেচযন্ত্রে তা নেমে এসেছে মাত্র তিন হাজার টাকায়। পাশাপাশি ডিজেল কেনা বা লোডশেডিংয়ের জন্য দীর্ঘ প্রতীক্ষার বিড়ম্বনা থেকেও মুক্তি মিলেছে। সোলেমানের মতো উদ্ভাবকদের প্রযুক্তি সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে পারলে ডিজেলের ওপর নির্ভরতা অনেকাংশে কমবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
(২)
এর বছর দুয়েক আগে কৃষিতে ব্যবহৃত সেচ পাম্পের পাওয়ার ডিভাইস উদ্ভাবন করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার শিমু নামে এক ব্যক্তি। তিনি এই যন্ত্রের নাম দিয়েছেন ‘চমক বাক্স’। সাধারণত ফোর হর্স সাইজের ছোট একটি শ্যালো মেশিন ও ৩ ইঞ্চি পাম্পে প্রতি সেকেন্ডে ৫ লিটার পানি উত্তোলন করা যায়। সেখানে এই পাওয়ার ডিভাইসটি একই মেশিন ও পাম্পের সঙ্গে জুড়ে দিলে প্রতি সেকেন্ডে ১৮ লিটার পানি উত্তোলন করা সম্ভব। এতে সময়ের পাশাপাশি ৭০ শতাংশ জ্বালানী তেল সাশ্রয়ী হবে।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) এবং সরকারের অ্যাসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) পরীক্ষায় যার প্রমাণ মিলেছে, মিলেছে সনদও। তবে অর্থাভাবে ও সরকার কিংবা ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কোন সাড়া না পেয়ে থমকে আছে তার এই বিষ্ময়কর উদ্ভাবন। শিমুর এই ডিভাইসটি বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন ও কৃষকের মাঝে ছড়িয়ে দিতে পারলে সারাদেশে যে জ্বালানী সংকট তা অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব। কৃষি বিভাগ বলছে, কৃষিতে তার এই প্রযুক্তি ব্যবহার হলে অনেকাংশে কমে যাবে ফসল উৎপাদন খরচ। এতে কৃষক, সরকার উভয়ই লাভবান হবে।
জানা গেছে, ডিভাইসটি তৈরি করে সে বছরই জেলা-উপজেলা পর্যায়ে কৃষিতে অবদান রাখায় পুরস্কার পান তিনি। এরপর কয়েকটি মন্ত্রণালয়ে অর্থ চেয়ে আবেদন করেন বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনের জন্য।
তার আবেদনের প্রেক্ষিতে এটুআই ও বুয়েটে পরীক্ষায় পাঠানো হয় তার এই ডিভাইসটি। পরীক্ষায় ডিভাইসটির কার্যকারিতার প্রমাণ মিললে পান সনদও। এছাড়া শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্যাটেন্ট বিভাগ এই মেকানিক্যাল পাওয়ার ডিভাইসটির অনুমোদন শিমুকে উদ্ভাবক হিসাবে স্বীকৃতি প্রদান করে। কিন্তু পরবর্তীতে অনুদানের ব্যাপারে আর কোন খোঁজ মেলেনি।
(৩)
নূতন উদ্ভাবক সোলেমানের ক্ষেত্রেও একই কথা। সোলেমানের এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে দীর্ঘ এক দশকের কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়। প্রথম শ্রেণির গ-ি না পেরোনো একজন মানুষ নিজের মেধা আর প্রযুক্তির প্রতি টান থেকে যে উদ্ভাবনটি করেছেন, তা প্রথাগত প্রকৌশলবিদ্যার জন্যও শিক্ষণীয়। কেবল কৃষি নয়, সোলেমান তার বাড়িতেও সৌরশক্তির বহুমুখী ব্যবহার নিশ্চিত করেছেন। ওয়েল্ডিং মেশিন থেকে শুরু করে এসি, ফ্রিজ ও বৈদ্যুতিক চুলা-সবই চলছে সূর্যের আলোয়।
সোলেমানের তৈরি সৌর সেচযন্ত্রে ১০টি সৌরকোষ রয়েছে, প্রতিটির ক্ষমতা ২৫০ ওয়াট। মোট ২ হাজার ৫০০ ওয়াট ক্ষমতার এই প্যানেল সূর্যের আলো পেলেই বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে, যা দিয়ে তিন হর্সপাওয়ারের পানির পাম্প চালানো হয়। প্রতি মিনিটে ন্যূনতম ৭০০ লিটার পানি তোলা যায়, এক দিনে প্রায় ১০ একর জমিতে সেচ দেওয়া যায়।
সোলেমানের সেচযন্ত্রের খরচও তুলনামূলক কম। ভালো মানের এক ওয়াট সৌরকোষের দাম পড়ে ২৮ টাকা। সেই হিসাবে ২ হাজার ৫০০ ওয়াটের সৌর প্যানেলের দাম পড়ে ৭০ হাজার টাকা। পানির পাম্প কেনা ও প্যানেলের অবকাঠামো তৈরিতে খরচ পড়ে আরও ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে একটি ভ্রাম্যমাণ সৌর সেচযন্ত্র তৈরিতে খরচ পড়ে প্রায় এক লাখ ২০ হাজার টাকা।
(৪)
শিমু আর সোলেমানই শেষ নয়। দেশে এরকম স্বশিক্ষিত উদ্ভাবক ও উদ্ভাবনী যন্ত্র আবিস্কৃত হয়েছে বা রয়েছে আরো। শিমু আর সোলেমান আলীর মতো এতো উপযোগী ও উপকারী ব্যক্তিগত উদ্যোগ কতটুকু বিস্তার লাভ করবে? আপামর কৃষক কতজন হাতে পাবে? তা নির্ভর করছে সরকারের সদিচ্ছা ও সহযোগিতার ওপর। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এই প্রযুক্তিকে ইতিবাচক বললেও, মাঠপর্যায়ে এর ব্যাপক প্রসারের জন্য কোনো সুনির্দিষ্ট নীতি বা আর্থিক সহায়তার কাঠামো এখনো দৃশ্যমান নয়। এভাবেই আমাদের দেশে উদ্ভাবকেরা সরকারী পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে ঝরে পড়েন।
(৫)
প্রসঙ্গতঃ গতকাল প্রকাশিত শীর্ষক খবরের প্রতি আমাদের দৃষ্টি সমার্থক হয়েছে- “তরুণ উদ্ভাবকের তৈরি রেসিং কার চালিয়ে উৎসাহ দিলেন প্রধানমন্ত্রী”।
খবরে জানা যায়- রিজওয়ান রশীদ ২০২৫ সালে এইচএসসি পরীক্ষার পর অবসর সময় কাজে লাগাতে কিছু করার পরিকল্পনা করেন। পরিবারের পক্ষ থেকে মোটরসাইকেল কিনে দিলেও তার আগ্রহ ছিল গাড়িতে। কিন্তু আর্থিক সীমাবদ্ধতা থাকায় তিনি নিজেই গো-কার্ট তৈরি করেন।
এদিকে, গো-কার্ট চালানোর অভিজ্ঞতা শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তরুণটির ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, দেশের তরুণদের এমন সৃজনশীল কাজে আরও বেশি সম্পৃক্ত হওয়া প্রয়োজন।
(৬)
তবে আমরা মনে করি সৃজনশীল এমন অনেক কাজই হয় যা সরকারই খোজ খবর নেয় না।
দু/একটার শুধুই স্বীকৃতি মেলে। কিন্তু তার যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতাও সুলভ বাণিজ্যিকরণ হয় না। আর দেশবাসীও কাঙ্খিত সুফল পায় না।
উদাহারণত: শিমু, সোলেমানদের এসব প্রযুক্তিকে যদি বাণিজ্যিক রূপ দেওয়া যায় এবং কৃষকদের জন্য সহজ শর্তে ঋণের মাধ্যমে এই সেচযন্ত্র কেনার সুযোগ করে দেওয়া হয়, তবে বর্তমান সঙ্কটের সমাধানের পাশাপাশি কৃষি খাতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
সরকারের উচিত এমন উদ্ভাবকদের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা দিয়ে উৎসাহিত করা। সারাদেশে সুলভ বাণিজ্যকরণ করা।
এতে প্রত্যন্ত অঞ্চলে সেচসুবিধাও বাড়বে।
‘সবার আগে বাংলাদেশ’- প্রতিশ্রুতির সরকার, বর্তমান সংকটে সবার আগে সহজ ও সুলভ এসব কৃষি প্রযুক্তি কৃষক কার্ডের মতই
কৃষকদের হাতে তুলে দিবে- এটাই আমাদের প্রত্যাশা। ইনশাআল্লাহ।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
ব্যাপকভাবে বাড়ছে সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি ও হয়রানী
১১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
“সর্বশক্তিমান মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাসই হবে রাষ্ট্রের যাবতীয় কার্যাবলীর মূল ভিত্তি- এই অনুচ্ছেদ পূনর্বহালের প্রতিশ্রুতির সাথে চতুর্থ শ্রেণী থেকে খেলাধূলা এবং সংস্কৃতির নামে হারাম নাচ-গান বাজনার ইত্যাদি বাধ্য করার ঘোষণা চরম সাংঘর্ষিক।
০৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
৮৭ হাজার থেকে শিক্ষা খাতে বাজেট বেড়ে ১ লাখ সাড়ে ৩৬ হাজার কোটি টাকা কিন্তু গবেষণায় বরাদ্দ কতটুকু?
০৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আত তাসিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আম্রিকা, ইসরাইল আর ফ্রান্সের ষড়যন্ত্রে- মুসলিম দেশ ইথিওপিয়ায় চলছে মর্মান্তিক গৃহযুদ্ধ আর ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ।
০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, আফদ্বালুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার এবং লখতে জিগারে সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম, কুতুবুল আলম, সাইয়্যিদাতুন নিসা, আহলে বাইতে রসূল, সাইয়্যিদাতুনা হযরত নিবরাসাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার অর্থাৎ উনাদের পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
০১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ ক্বায়িম-মাক্বামে সিবতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালাম, সাইয়্যিদুনা হযরত শাহ নাওয়াদা আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ গ্রহণের সপ্তম দিন। তথা মহিমান্বিত আক্বীক্বা শরীফ।
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
লাখো অভিনব অর্জন, কর্মদক্ষতা তথা সাফল্যের মাঝে বিজিবির খুব কম কাজের খবরই গণমাধ্যমে আসে।
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
নীরব ঘাতক ‘প্যারাকোয়াট’ সহ ১৭ রকমেরঝুঁকিপূর্ণ কীটনাশক অবাধে ব্যবহার হচ্ছে।
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ঈদে আকবর মুবারক! ঈদে আ’যম মুবারক!! মহা ঈদ মুবারক!!! ক্বায়িম মাক্বামে সাইয়্যিদা শাবাবি আহলিল জান্নাহ। সুবহানাল্লাহ! ক্বায়িম-মাক্বামে সিবতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালাম, সাইয়্যিদুনা হযরত শাহ নাওয়াদা আলাইহিস সালাম তিনি পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেছেন।
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যা গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, মাহবুবে সুবহানী, কুতুবে রব্বানী হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশের সুমহান দিবস।
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সালাফী ধর্মপ্রতিমন্ত্রী, ধর্মমন্ত্রী, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ সংশ্লিষ্টরা। দায় এড়াতে পারেনা জুলাই সনদের এল.জি.বি.টি.কিউর সমর্থনকারী ধারা এবং সমর্থনকারী জামাতীরা।
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












