এক সময় গ্রাম-বাংলার কৃষকের সকালের প্রধান খাবার ছিল পান্তা ভাত। সারাদিন মাঠে কাজের শক্তি জোগাতে পান্তা ভাত দারুণ কাজ করে শরীরে। এখনও অনেক পরিবারে সরিষার তেল, কাঁচামরিচ, লবণ ও ভাজা মাছের সঙ্গে পান্তা খাওয়ার চল রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গরমের সময়ে পান্তা ভাত শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এতে রয়েছে বেশ কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা।
পান্তা ভাতে আয়রনের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে বেড়ে যায়, যা রক্তশূন্যতা কমাতে সহায়ক হতে পারে। এছাড়া এতে উপকারী ব্যাকটেরিয়া তৈরি হয়, যা হজমশক্তি বাড়াতে এবং রোগ প্রতিরোধক্ষমতা উন্নত করতে সাহায্য করে বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
ভারতের ঐতিহ্যগত এবং পরীক্ষিত ফরমাবরদার আওয়ামী সরকার পতনের পর- ভারতীয় বিশ্লেষকদের আক্ষেপের ভাষ্য ছিলো- মোদী শুধু হাসিনাকে বশ করেই তুষ্ট থেকেছে। মোদীর উচিৎ র্ছিল বাংলাদেশের জনগণকেও ফাদে ফেলা। এ বোধোদয় থেকে এখন ভ বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
নারিকেল একটি বহুমুখী ফল, যা জনজীবনে বিভিন্নভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। খাদ্য, পানীয়, জ্বালানি থেকে প্রসাধনসামগ্রী, কোথায় নেই এর ব্যবহার। নারিকেলের বহুবিধ ব্যবহার এ ফলটির গুরুত্ব বাড়িয়েছে। এর কোনো অংশই ফেলনা নয়। নার বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বর্তমানে দেশের সরকারি, বেসরকারি, বিদ্যুৎ আমদানিসহ বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর চলতি বছর ৯ এপ্রিল পর্যন্ত বকেয়া বিলের পরিমাণ ৫২ হাজার ৩০০ কোটি ৮৮ লাখ টাকা বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
গতকাল ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) সংসদের বিদ্যুৎমন্ত্রী এই তথ্য জানান।
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, বর্তমানে দেশের সরকারি, বেসরকারি, বিদ্যুৎ আমদানিসহ বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলির চলতি বছর ৯ এপ্রিল পর্যন্ত বকেয়া বিলের পরিমাণ ৫২,৩০০ দশমিক ৮৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি-বেসরকারি কোম্পানির গ্যাস বিল বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজস্ব ঘাটতির চাপ মোকাবিলায় সরকার যখন আয় বাড়ানোর তাগিদ দিচ্ছে, ঠিক সে সময়ে বিশাল অঙ্কের শুল্ক-কর বকেয়া নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছে রাষ্ট্রীয় জ্বালানি সংস্থা বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা)। আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) খাতে সংস্থাটির বকেয়া জমে দাঁড়িয়েছে ২২ হাজার ২৬৮ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। দীর্ঘ ৫২ মাসে এই বিপুল অঙ্কের শুল্ক-কর বকেয়া হয়েছে।
তবে, এনবিআরের কাছে বকেয়া বাড়ার বিষয়ে দ্বৈত করকে দায়ী করছে পেট্রোবাংলা। সংস্থাটি জানায়, একই গ্যাসে পেট্রোবাংলার কাছ থেকে দুবার শুল্ক-কর ন বাকি অংশ পড়ুন...
জাহানীয়া মসজিদ ভারতের জান্নাতবাদে বিদ্যমান সুলতানি আমলের সর্বশেষ ঐতিহাসিক নিদর্শন। এ মসজিদকে আবার স্থানীয় অনেকে মিয়ার মসজিদ বা ‘ঝনঝনিয়া মসজিদ’ও বলে থাকে। মসজিদের দরজার উপরের একটি শিলালিপি থেকে জানা যায় যে, ১৫৩৫ খৃ: সুলতান আলাউদ্দীন হোসেন শাহ এর পুত্র সুলতান গিয়াসউদ্দীন মাহমুদ শাহ এর শাসনামলে মালতি বিবি নামে একজন এই ঐতিহাসিক মসজিদটি নির্মাণ করেন। ‘জাহানীয়া মসজিদ’ নামটি সচরাচর পরিচিত নয়। জাহানীয়া মসজিদের নামটি সুলতানী আমলের মখদুম জাহানীয়া জাহানগাস্ত নামে এক আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নামানুসারে নামকরণ কর বাকি অংশ পড়ুন...
পরাবাস্তব এক ঘোর অমানিশার মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হচ্ছে ৯৮ ভাগ মুসলিমের এই প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ। যে জমিন ওলী-আল্লাহগণের পদধূলিতে ধন্য, যেখানে রিসালাত উনার ঝা-া চিরকাল সমুন্নত; আজ সেখানে বিজাতীয় উগ্র হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর রাষ্ট্রবিরোধী আস্ফালন এক ভয়ংকর রূপ পরিগ্রহ করেছে। তথাকথিত ‘ইস্কন’ এবং উগ্রবাদী ‘সনাতন জাগরণ মঞ্চ’র ব্যানারে যে বিশৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প ছড়ানো হচ্ছে, তা কেবল শান্তি বিঘিœত করছে না, বরং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের মূলে কুঠারাঘাত করার এক ইহুদীবাদি নীল নকশা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
সং বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
পারস্য উপসাগর থেকে বের হওয়ার পথে হরমুজ প্রণালির কাছাকাছি এলাকায় আটকে পড়েছে বাংলাদেশের পতাকাবাহী একটি বাণিজ্যিক জাহাজ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সমুদ্রপথ অতিক্রমের সবুজ সংকেত না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে সাগরেই নোঙর ফেলেছে নৌযানটি। রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের এই নৌযানে বর্তমানে ৩১ জন দেশীয় নাবিক নিরাপদে অবস্থান করছেন।
জানা গেছে গত বৃহস্পতিবার রাতে জাহাজটি নির্দিষ্ট পথ ধরে এগিয়ে যাওয়ার সময় ইরানি বাহিনীর কাছে বেতারবার্তার মাধ্যমে অনুমতি প্রার্থনা করে। কিন্তু সেখান থেকে কোনো ইতিবাচ বাকি অংশ পড়ুন...
দেশব্যাপী অভিযান চালিয়ে গত ৩ মার্চ থেকে ৫ মার্চ পর্যন্ত সারাদেশে ৪ হাজার ৮২৪টি অভিযান চালিয়ে অবৈধ মজুতকৃত ৩ লাখ ৭২ হাজার ৩৮৮ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব।
জানা গেছে, দেশে বছরে ডিজেলের চাহিদা ৩ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন। অকটেন এবং পেট্রোল মাসে দরকার হয় ৭০ হাজার মেট্রিক টন। পেট্রল এবং অকটেনের পর্যাপ্ত মজুত আছে। কোনো সংকট নেই। কোনো সংকট নেই ডিজেলের ক্ষেত্রেও। এপ্রিল মাস পুরোপুরি নিরাপদ ইনশাআল্লাহ।
মূলত, প্যানিক কেনো এখনো বন্ধ হয়নি, যার প্রভাব পড়ছে পেট্রল পাম্পে। মজুত বাকি অংশ পড়ুন...
চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক শেখ বাহার উল্লাহ শাহী জামে মসজিদ। নগরের পাঁচলাইশ থানার শুলকবহরের আব্দুল্লাহ খাঁন সড়কে এই মসজিদটির অবস্থান।
জানা যায়, মোঘল আমলে এ অঞ্চল অর্থাৎ চট্টগ্রাম যখন ইসলামাবাদ নাম নিয়ে সুবা বাংলার রাজধানী ছিলো, তখনই মসজিদটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ধারণা করা হয়, ১৭৩৭ খৃ: মোঘল সুবেদার শায়েস্তা খাঁনের পৌত্র (নাতি) শেখ বাহার উল্লাহ এ মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেন। উনার ইন্তেকালের পর মসজিদটি শেখ বাহার উল্লাহ শাহী জামে মসজিদ নামে পরিচিতি লাভ করে।
এই মসজিদ হতে মাত্র ৫০ গজ দূরেই শায়েস্তা খাঁনের রাজমহল। যা বর্তমান কোর্ট হিলে আদালত ভবন প্ বাকি অংশ পড়ুন...
৯৮ ভাগ মুসলিমের এই প্রিয় ভূখ-ে আজ বিজাতীয় অপশক্তির কালো ছায়া ঘনীভূত হচ্ছে, যা আমাদের ঈমানি ও জাতীয় অস্তিত্বকে এক চরম অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।যে জমিন ওলী-আল্লাহ উনাদের পদধূলিতে ধন্য, যেখানে রিসালাত উনার ঝা-া চিরকাল সমুন্নত; আজ সেখানে বিজাতীয় উগ্র হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীদের আস্ফালন ও রাষ্ট্রদ্রোহী চক্রান্ত এক ভয়াবহ রূপ পরিগ্রহ করেছে। পশ্চিমবঙ্গের উগ্রবাদী ও বাংলাদেশ বিরোধী বিষবাষ্প ছড়ানোর প্রধান কারিগর ‘রবীন্দ্র ঘোষ’ কীভাবে বাংলাদেশের নিñিদ্র নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেদ করে অতি অনায়াসে দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করল, তা কেবল বাকি অংশ পড়ুন...
(ধারাবাহিক)
মুসলিম শাসনামলে আইন ছিলো যে, জমিদারগণ সমাজবিরোধী, দুষ্কৃতিকারী ও দস্যু-তস্করের প্রতি কড়া নজর রাখবে। ধরা পড়লে লুণ্ঠিত দ্রব্যাদিসহ তাদেরকে সরকারের নিকটে সমর্পণ করবে। ১৭৭২ সালে কোম্পানী এ আইন রহিত করে। ফলে, নতুন জমিদারগণ দস্যু-তষ্করকে ধরিয়ে দেয়ার পরিবর্তে তাদের প্রতিপালন করে লুণ্ঠিত দ্রব্যাদির অংশীদার হতে থাকে। এটা অনুমান করতে কষ্ট হবার কথা নয় যে, এসব দস্যু-তষ্কর কারা ছিলো, এবং কারা ছিলো গ্রামবাংলার লুণ্ঠিত হতভাগ্যের দল। ১৯৪৪ সালে Calcutta Review-প্রকাশিত তথ্যে বলা হয় যে, এসব নতুন জমিদারগণ দস্যু-তষ্করদেরকে প্রতিপালন করতো ধ বাকি অংশ পড়ুন...












