SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%পরিচয়:%' OR titleBn LIKE '%পরিচয়:%' OR descriptionEn LIKE '%পরিচয়:%' OR descriptionBn LIKE '%পরিচয়:%' OR slug LIKE '%পরিচয়:%' OR metaTag LIKE '%পরিচয়:%' OR metaDescription LIKE '%পরিচয়:%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
হযরত কা’ব ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন-
وَإِذَا رَجُلٌ مِنْ الْمُشْرِكِينَ جَامِعُ اللّأْمَةِ يَصِيحُ اسْتَوْسِقُوا كَمَا يُسْتَوْسَقُ جُرْبُ الْغَنَمِ. وَإِذَا رَجُلٌ مِنْ الْمُسْلِمِينَ عَلَيْهِ لَأْمَتُهُ فَمَشَيْت حَتّى كُنْت مِنْ وَرَائِهِ ثُمّ قُمْت أُقَدّرُ الْمُسْلِمَ وَالْكَافِرَ بِبَصَرِي، فَإِذَا الْكَافِرُ أَكْثَرُهُمَا عُدّةً وَأُهْبَةً فَلَمْ أَزَلْ أَنْظُرُهُمَا حَتّى الْتَقَيَا، فَضَرَبَ الْمُسْلِمُ الْكَافِرَ عَلَى حَبْلِ عَاتِقِهِ بِالسّيْفِ فَمَضَى السّيْفُ حَتّى بَلَغَ وَرِكَيْهِ وَتَفَرّقَ الْمُشْرِكُ فِرْقَتَيْنِ. وَكَشَفَ الْمُسْلِمُ عَنْ وَجْهِهِ فَقَالَ كَيْفَ تَرَى يَا حَضْرَتْ كَعْبُ رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ؟ أَنَا حَضْرَتْ أَبُو دُجَانَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالَى বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ইবনে হিশাম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, “একাধিক আলিম আমাকে জানিয়েছেন যে, হযরত যুবাইর ইবনে আওয়াম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেছেন, আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট তরবারি চেয়েছিলাম। কিন্তু নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাকে উনার সম্মানিত তরবারি মুবারক না দিয়ে হযরত আবূ দুজানা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে দিয়েছিলেন।
হযরত যুবাইর ইবনে আওয়াম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, আমি এই সম্মানিত উহুদ জিহাদের দিন হযরত আব বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ছিলেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পূর্ণ অনুসারী। সমগ্র জীবনব্যাপী জ্ঞান-গবেষণা ও মহান আল্লাহ পাক উনার ইবাদত বন্দেগীতে নিয়োজিত ছিলেন। উনার ৮৬ বছরের জীবন ছিল একটি আলোকউজ্জ্বল জীবন মুবারক। নিম্নে উনার সংক্ষিপ্ত জীবনী মুবারক তুলে ধরা হলো-
নাম মুবারক ও বংশ পরিচয়:
নাম- মালিক, উপনাম-আবূ আবদুল্লাহ। বংশপরম্পরা- মালিক ইবনু আনাস ইবনু আবূ আমির ইবনু আমর ইবনু হারিছ আল আছবাহী। তিনি আরবের প্রসিদ্ধ কাহত্বান গোত্রের উপগোত্র আছবাহ উনার অন্তর বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আবূ দুজানা সিমাক ইবনে খারাশা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার বীরত্ব মুবারক:
হযরত আবূ দুজানা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি ছিলেন অত্যন্ত সাহসী পুরুষ এবং জিহাদের বিভিন্ন কলাকৌশলে পারদর্শী। জিহাদে অংশগ্রহণ করার সময় তিনি একটি খয়েরি রং বিশিষ্ট কাপড় মুবারক মাথায় বেঁধে নিতেন। এর দ্বারা বুঝা যেতো, তিনি সম্মানিত জিহাদের জন্য প্রস্তুত হয়ে গেছেন। এরপর তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরুল মাগফিরাহ মুবারক থেকে তরবারি মুবারক লাভ করার পর একটি খয়েরি রং বিশিষ্ট কাপড় মুবারক মাথায় বেঁ বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত জিহাদের উদ্দেশ্যে রওয়ানা:
একবার হযরত উমর ইবনে আব্দুল আযীয রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হযরত নাফি’ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে জিজ্ঞাসা করলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি জিহাদে অংশগ্রহণ করেছিলেন? জবাবে হযরত নাফি’ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, আমাকে স্বয়ং হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেছেন, যখন সম্মানিত বদর জিহাদ সংঘটিত হয় তখন আমার বয়স ছিলো ১৩ বছর।
সম্মানিত উহুদ জিহাদের সময় আমার বয়স মু বাকি অংশ পড়ুন...
নাম মুবারক:
নাম মুবারক: আহমদ।
পিতা উনার নাম: মুহম্মদ।
দাদা উনার নাম: হাম্বল।
উপনাম: আবূ আব্দুল্লাহ।
বংশ পরিচয়:
হযরত আহমদ বিন মুহম্মদ বিন হাম্বল বিন হিলাল বিন আসাদ বিন ইদরীস আশ্ শায়বানী, আল-মারওয়ায়ী আল-বাগদাদী। উনার ১৩ তম পূর্ব পুরুষ শায়বান এর দিকে সম্পৃক্ত করায় আশ শায়বানী, উনার জন্মভূমি মুরউ এর দিকে সম্পৃক্ত করায় আল-মারওয়ায়ী, অতঃপর উনার অবস্থান বাগ্দাদ এর দিকে সম্পৃক্ত করায় আল বাগ্দাদী....।
পবিত্র বিলাদত শরীফ ও প্রতিপালন:
ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ১৬৪ হিজরী সনের সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ, সাইয়্যিদু সাইয় বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত জিহাদের উদ্দেশ্যে রওয়ানা:
হযরত ইবনে হিশাম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-
وَأَجَازَ رَسُولُ اللّهِ صَلّى اللّهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ يَوْمئِذٍ حَضْرَتْ سَمُرَةَ بْنَ جُنْدُبٍ الْفَزَارِيّ رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ وَ حَضْرَتْ رَافِعَ بْنَ خَدِيجٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَخَا بَنِي حَارِثَةَ وَهُمَا ابْنَا خَمْسَ عَشْرَةَ سَنَةً وَكَانَ قَدْ رَدّهُمَا، فَقِيلَ لَهُ يَا رَسُولَ اللّهِ صَلّى اللّهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ إنّ حَضْرَتْ رَافِعًا رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ رَامٍ، فَأَجَازَهُ فَلَمّا أَجَازَ حَضْرَتْ رَافِعًا رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، قِيلَ لَهُ يَا رَسُولَ اللّهِ صَلّى اللّهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ فَإِنّ حَضْرَتْ سَمُرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ يَصْرَعُ حَضْرَتْ رَافِعًا رَضِى বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত জিহাদের উদ্দেশ্যে রওয়ানা:
পবিত্র শাওওয়াল শরীফ ইয়ামুল জুমুয়াহ পবিত্র আছর নামায উনার পর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এক হাজার সৈন্যসহ পবিত্র মদীনা শরীফ থেকে রওয়ানা হন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার ঘোড়া মুবারকের উপর ছাওয়ার হন। হযরত সা’দ ইবনে মুয়াজ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ও হযরত সা’দ ইবনে উবাদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনারা বর্ম পরিহিত অবস্থায় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার স বাকি অংশ পড়ুন...
যারা মুনাফিক তারা জিহাদে যেতো না বিপরীতে তারা কসমও খেতো। সেটাই বলা হয়েছে, মুনাফিকরা যতই কসম খেয়ে স্বীকারোক্তি করুক না কেন তাদের কসমের কোনই মূল্য নেই। এটা তাদের মিথ্যাকে সত্য বানাবার একটা মাধ্যম মাত্র। মুনাফিক সরদার উবাই বিন সুলূল মুনাফিকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি কসম খেতো আর মিথ্যা বলাতে সে ছিলো পটু। নাউযুবিল্লাহ!
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উবাই বিন সুলূল তথা মুনাফিকদেরকে চিনার জন্য অনেক আলামত বা লক্ষণ বলে দিয়েছেন। এখানে আমরা কতিপয় আলামত পেশ করবো।
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক বাকি অংশ পড়ুন...
মুনাফিক সরদার উবাই বিন সুলূল তার ৩০০ সহচর নিয়ে পলায়ন:
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
قَدْ يَعْلَمُ اللَّـهُ الْمُعَوِّقِينَ مِنكُمْ وَالْقَائِلِينَ لِإِخْوَانِهِمْ هَلُمَّ إِلَيْنَا ۖ وَلَا يَأْتُونَ الْبَأْسَ إِلَّا قَلِيلً. أَشِحَّةً عَلَيْكُمْ ۖ فَإِذَا جَاءَ الْخَوْفُ رَأَيْتَهُمْ يَنظُرُونَ إِلَيْكَ تَدُورُ أَعْيُنُهُمْ كَالَّذِي يُغْشَىٰ عَلَيْهِ مِنَ الْمَوْتِ ۖ فَإِذَا ذَهَبَ الْخَوْفُ سَلَقُوكُم بِأَلْسِنَةٍ حِدَادٍ أَشِحَّةً عَلَى الْخَيْرِ ۚ أُولَـٰئِكَ لَمْ يُؤْمِنُوا فَأَحْبَطَ اللَّـهُ أَعْمَالَهُمْ ۚ وَكَانَ ذَٰلِكَ عَلَى اللَّـهِ يَسِيرًا.
অর্থ: “অবশ্যই মহান আল্লাহ পাক তিনি জানেন আপনাদের মধ্যে কারা বাকি অংশ পড়ুন...
(১১তম পর্ব)
মুনাফিক সরদার উবাই বিন সুলূল তার ৩০০ সহচর নিয়ে পলায়ন:
এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক করেন-
وَإِذْ قَالَت طَّائِفَةٌ مِّنْهُمْ يَا أَهْلَ يَثْرِبَ لَا مُقَامَ لَكُمْ فَارْجِعُوا ۚ وَيَسْتَأْذِنُ فَرِيقٌ مِّنْهُمُ النَّبِيَّ يَقُولُونَ إِنَّ بُيُوتَنَا عَوْرَةٌ وَمَا هِيَ بِعَوْرَةٍ ۖ إِن يُرِيدُونَ إِلَّا فِرَارًا.
অর্থ: “এবং তোমাদের মধ্যে একদল যখন বলেছিলো, হে পবিত্র মদীনাবাসী! এখানে আপনাদের কোন স্থান নেই, অতএব আপনারা ফিরে চলুন এবং তাদের মধ্যে একদল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট অ বাকি অংশ পড়ুন...
মুনাফিক সরদার উবাই বিন সুলূল তার ৩০০ সহচর নিয়ে পলায়ন:
উল্লেখ্য, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বেশি কষ্ট দিয়েছিলো কাফির-মুশরিক, বেদ্বীন-বদদ্বীন, ইহুদী নাছারারা। কিন্তু ইহুদী-নাছারা, কাফির, মুশরিকদের থেকেও বেশি কষ্ট দিয়েছিলো মুনাফিকরা। কারণ কাফির-মুশরিকরা যে মুসলমানদের শত্রু এটা স্পষ্ট; কিন্তু মুনাফিকরা মুসলমানদের মধ্যে অবস্থান করে চু-চেরা করা, ওয়াসওয়াসা দেয়া ও চুপেচুপে ষড়যন্ত্র করা ইত্যাদি আরো বেশি কষ্টদায়ক। এজন্য এদেরকে পশুর চেয়েও নিকৃষ্ট বলা হয়েছে এবং এদের শাস্তি জাহান্নামে বাকি অংশ পড়ুন...












