SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%নাজরান%' OR titleBn LIKE '%নাজরান%' OR descriptionEn LIKE '%নাজরান%' OR descriptionBn LIKE '%নাজরান%' OR slug LIKE '%নাজরান%' OR metaTag LIKE '%নাজরান%' OR metaDescription LIKE '%নাজরান%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
বর্তমান বিশ্বে মুসলমানরা এক চরম দুরবস্থায় দিনাতিপাত করছে। কাফির-মুশরিকরা তো রয়েছেই, সাথে সাথে কাফির-মুশরিকদের সন্তুষ্টি অর্জনে মুসলিম দেশগুলোর শাসকরাও নিজ দেশের মুসলিম জনগোষ্ঠীর উপর অত্যাচারের স্টীমরোলার চালাচ্ছে। কথিত ‘অসাম্প্রদায়িক’ সাজার জন্য মুসলিম জনগোষ্ঠীর অধিকার খর্ব করে, উগ্র হিন্দু-উপজাতি সন্ত্রাসীদের প্রাধান্য বিস্তারে যাবতীয় সহায়তা করছে সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তারা।
বর্তমান মুসলিম দেশগুলোর শাসকরা কথিত ‘অসাম্প্রদায়িক’ ইমেজ ধরে রাখতে গিয়ে কাফিরদের গোলাম হয়। সংখ্যালঘু বিধর্মীদের অন্যায় আবদার মেটাতে বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
পবিত্র ঈদের নামায কোন সময় আদায় করলে তা পবিত্র সুন্নত হবে সে সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “পবিত্র ঈদ উনার দিন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ফজর নামায আদায় করে পবিত্র হুজরা শরীফ উনার মধ্যে গিয়ে সকাল সকাল গোসল মুবারক করতেন এবং পবিত্র ঈদুল ফিতর হলে বিজোড় সংখ্যক (৩, ৫, ৭) খোরমা খেজুর মুবারক খেয়ে ঈদগাহে যেতেন। আর পবিত্র ঈদুল আদ্বহার দিনে কিছু না খেয়ে সরাসরি ঈদগাহে যেতেন এবং পবিত্র ঈদের নামাযের ওয়াক্ত হওয়ার সাথে সাথে পবিত্র ঈদের নামায আদায় কর বাকি অংশ পড়ুন...
ইয়া আম্মাজী!
জুদায়ীর বেদনা, আর সহে না
ফিরাকীর যন্ত্রনা, বহিতে পারি না
দিনগো শান্তনা, দিদারী নাজরানা
ক্বদম মুবারক ধরি, খালিছ তাওবা করি
অভাগাদের ফিরিয়ে দিবেন না।
আমরা অথর্ব, নির্বোধ, আমড়া কাঠের ঢেঁকি
হাকীকত কিছুই নেই, আছে শুধু মেকি
ইলমশূন্য, আমলশূন্য, আস্ত এক গর্দভ
একেক সময়, একেক মিথ্যা, করি মোরা উদ্ভব
হয়ে বোকা, খাই ধোঁকা, অন্তর নেই কারো
দেন শুধু থলি ভরে, আরো দিন আরো
মহাপাপী মোরা, মহা গুনাহগার
আপনার ক্ষমা ছাড়া পথ নাই বাঁচিবার
বিরহের যন্ত্রনা, শুধুই যাতনা।
জুদায়ীর বেদনা, আর সহেনা
ফিরাকীর যন্ত্রনা, বহিতে পারি না
দিনগো শান্তনা, দ বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
পবিত্র ঈদের নামায কোন সময় আদায় করলে তা পবিত্র সুন্নত হবে সে সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “পবিত্র ঈদ উনার দিন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ফজর নামায আদায় করে পবিত্র হুজরা শরীফ উনার মধ্যে গিয়ে সকাল সকাল গোসল মুবারক করতেন এবং পবিত্র ঈদুল ফিতর হলে বিজোড় সংখ্যক (৩, ৫, ৭) খোরমা খেজুর মুবারক খেয়ে ঈদগাহে যেতেন। আর পবিত্র ঈদুল আদ্বহার দিনে কিছু না খেয়ে সরাসরি ঈদগাহে যেতেন এবং পবিত্র ঈদের নামাযের ওয়াক্ত হওয়ার সাথে সাথে পবিত্র ঈদের নামায আদায় কর বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত হিজরী তৃতীয় বৎসরের অন্যতম উল্লেখ যোগ্য ঘটনা হচ্ছে, নাজরানদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা। একে বানী সুলাইমের অভিযানও বলা হয়। ওই অভিযানের কারণ ছিলো এরকম- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সংবাদ জানানো হলো যে, সেখানে বানী সুলাইম গোত্রের লোকেরা হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের বিরুদ্ধে একত্রিত হচ্ছে।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ৩০০ জন হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের নিয়ে সেখানে তাশরীফ ম বাকি অংশ পড়ুন...
বড় চাদর:
বড় চাদরের দৈর্ঘ্য ছিল ৬ হাত এবং প্রস্থ ছিল সাড়ে তিন হাত। এ প্রসঙ্গে আল্লামা ফক্বীহ হযরত শায়েখ মাজদুদ্দীন মুহম্মদ ইবনে ইয়াকুব সিরাজী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-
وكان يلبس الرداء فى بعض الاحيان- طول الرداء ستة اذرع وعرضه ثلاثه اذرع وشبر
অর্থ: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কখনো কখনো চাদর মুবারক পরিধান করতেন। সেই চাদর মুবারকের দৈর্ঘ্য ছিল ৬ হাত এবং প্রস্থ ছিল সাড়ে তিন হাত। (সিফরুস সায়াদাহ- ১৯৮)
হযরত আল্লামা ওয়াকিদী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-
ان طول رداء رسول الله صلى الله عليه وسلم كان ستة اذرع فى عرض ثلاثة اذرع
অ বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমানে অন্যতম একটি প্রধান আলোচিত ইস্যু হলো ‘সংখ্যালঘু নির্যাতন’। হিন্দুদের ব্যাপকহারে সরকারি উচ্চপদ দিয়ে, কিংবা তাদের কুঁড়েঘর থেকে শুরু করে হিন্দুগ্রামের রাস্তাগুলো পাকা করে দিলেও এদেশের মুসলমানরা ‘অসাম্প্রদায়িকতা’র সার্টিফিকেট পাচ্ছে না, আফসোস! এই অচলাবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে যা করণীয়, তা নিয়েই নিম্নোক্ত আলোচনা:
১ম উপায় :
কুচক্রী ইহুদীরা যখন খাইবারের যুদ্ধে পরাজিত হলো, তখন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তাদেরকে উক্ত স্থান থেকে নির্বাসিত করার মুবারক ইচ্ছা প্রকাশ করলেন। এম বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলার মুশরিক জমিদাররা যেসব কর গরীব প্রজাদের কাছ থেকে আদায় করতো তা ছিলো অবিশ্বাস্য। ভার্চুয়ালী সাধারণ মানুষ ছিল জমিদারদের দাস। স্বপন বসু তার “গণ অসন্তোষ ও উনিশ শতকের বাঙালী সমাজ“ বইতে তার কিছু নমুনা উল্লেখ করেছে। যেমন-
১. গরুর গাড়ি করে মাল পাঠালে ধুলো উড়তো, তাই গাড়ির মালিককে যে কর দিতে হত তার নাম ‘ধুলট’।
২. প্রজা নিজেদের জায়গায় গাছ লাগালেও তাকে একটি কর দিতে হত, তার নাম ‘চৌথ’।
৩. গরীব প্রজারা আখের গুড় তৈরী করলে যে কর লাগত তা ‘ইক্ষুগাছ কর’।
৪. কোন প্রজার গরু মোষ মরে গেলে ভাগাড়ে সেই মৃত পশু ফেলার পর যে কর লাগত তা হল ‘ভাগাড়ে কর’।
৫. ন বাকি অংশ পড়ুন...
বলার অপেক্ষা রাখেনা, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হিদায়েত ও তা’লীমের পদ্ধতি ছিলো, পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ অনুযায়ী। যেমন উনার হিদায়েতের পদ্ধতি সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اُدْعُ إِلَى سَبِيلِ رَبِّكَ بِالْحِكْمَةِ وَالْمَوْعِظَةِ الْحَسَنَةِ وَجَادِلْهُمْ بِالَّتِي هِيَ أَحْسَنُ
অর্থ: “আমার সম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি মানুষকে মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় হিকমত এবং উত্তম নছীহতের মাধ্যমে আহবান করুন। আর তাদের সাথে (যদি প্রয়োজন হয়) আলোচনা করুন, কিন্তু উ বাকি অংশ পড়ুন...












