SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%দ্বারাই%' OR titleBn LIKE '%দ্বারাই%' OR descriptionEn LIKE '%দ্বারাই%' OR descriptionBn LIKE '%দ্বারাই%' OR slug LIKE '%দ্বারাই%' OR metaTag LIKE '%দ্বারাই%' OR metaDescription LIKE '%দ্বারাই%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন,
مَنْ يَعْشُ عَنْ ذِكْرِ الرَّحْمَنِ نُقَيِّضْ لَهُ شَيْطَانًا فَهُوَ لَهُ قَرِينٌ. وَإِنَّهُمْ لَيَصُدُّونَهُمْ عَنِ السَّبِيلِ وَيَحْسَبُونَ أَنَّهُمْ مُهْتَدُونَ
‘যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির থেকে গাফিল হয়ে যায়, তার জন্য একটা শয়তান নির্দিষ্ট হয়ে যায়। ঐ শয়তান তাকে গোমরাহ্ করে, সে মনে করে সে হিদায়াতপ্রাপ্ত।’ না‘ঊযুবিল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা যুখরুফ শরীফ: ৩৬-৩৭)
বিষয়টা কিন্তু কঠিন বিষয়। অনেকে রসম-রেওয়াজ যিকির করে। এই রসমী যিকির দিয়ে কোন কাজ হবে না। এটা আমি সব সময় এজন্য বলি। তোম বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই মানুষ (সাধারণ) বড়ই অস্থির তথা চঞ্চল প্রকৃতির।’ অস্থির মানুষের কৌতুহলের শেষ নেই। অপরদিকে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে সাইয়্যিদুল মুর বাকি অংশ পড়ুন...
আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ করার পূর্বে অর্থাৎ আহত অবস্থায় হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুমগণ উনারা আরয করলেন উনার পরবর্তী খলীফা মনোনীত করার জন্য। তখন তিনি বললেন, আমি ছয় জনের সম্মানিত নাম মুবারক ঘোষণা করে যাচ্ছি। উনাদের মধ্য হতে যে কোনো একজনকে তিন দিনের মধ্যে খলীফা হিসেবে ঘোষণা করতে হবে।
উল্লেখিত ছয়জন হচ্ছেন- আমীরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম, আমীরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুন বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, বিষয়বস্তুর আঙ্গিকে, গুরুত্বের বিচারে পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ এক অনন্য মযার্দাসম্পন্ন পবিত্র সূরা শরীফ। পবিত্র কুরআন শরীফ আরম্ভ হয় বাকি অংশ পড়ুন...
হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حضرت عَبْدِ اللَّهِ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰـى عَنْهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الْبَقَرَةُ عَنْ سَبْعَةٍ وَالْجَزُورُ عَنْ سَبْعَةٍ فِي الأَضَاحِيِّ
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে বর্ণনা করেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, পবিত্র ঈদুল আদ্বহায় একটি গরু সাতজনের পক্ষ থেকে এবং একটি উটও সাতজনের পক্ষ থেকে (কুরবানী করবে)। বাকি অংশ পড়ুন...
৩য় দলীল
কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন, একবার সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি একখানা ফলক উনার মধ্যে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার কিছু সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ এবং কিছু মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ লিখে টাঙ্গিয়ে দিলেন; যার শিরোনামে লিখা ছিলো- ‘মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালাম মুবারক’। ঐ ফলকখানা দেখে একজন হাফেযে কুরআন বিশিষ্ট তাবেয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনাকে জিজ্ঞাসা করলেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! আপনি যে এখানে শিরোনাম লিখে বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
আজ পবিত্র ৭ই যিলহজ্জ্ব শরীফ। হিজরী ১১৭ সনের এই দিবস মুবারকে সাইয়্যিদুল আওলিয়া, ইমামুল মুসলিমীন, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল খামীস আলাইহিস সালাম তিনি পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়াম অর্থাৎ ইয়াওমূল ই বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সাইয়্যিদুল আওলিয়া, ইমামুল হুদা, ইমামুল মুসলিমীন, পেশওয়ায়ে আহলে ইয়াকীন, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল খ¦মিস মিন আহলি বাইতি রসূল বাকি অংশ পড়ুন...
এ সম্পর্কে মশহূর একখানা ঘটনা মুবারক। একবার হযরত ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ফতওয়া দিলেন যে, সমস্ত মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক পালন করা ফরয। এটা শুনে উনার সমসাময়িক বড় বড় হযরত ইমাম-মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা এসে উনাকে বললেন যে, হে হযরত ইমাম হাম্বলী রহমতুল্লাহি আলাইহি! আমরা তো আপনাকে অনেক বড় বুযূর্গ-ওলীআল্লাহ, ইমাম-মুজতাহিদ, বিশিষ্ট ফক্বীহ্ হিসাবে মানি এবং অনেক সম্মান করি। কিন্তু আপনি এটা কি ফতওয়া দিলেন? আমরা তো জানি ফরয পালন করা ফরয, ওয়াজিব পালন করা ওয়াজিব এবং সুন্নত পালন করা সুন্নত। আপনি য বাকি অংশ পড়ুন...
উপরোক্ত মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে أَبَدًا অর্থাৎ অনন্তকাল ধরে দায়িমীভাবে প্রতি বছর সম্মানিত কুরবানী মুবারক করার জন্য সম্মানিত আদেশ মুবারক ও ওছিয়ত মুবারক করেছেন। তাই ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি যতদি বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত ইসলামী শরীয়তে ছহিবে নিসাব প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য কুরবানী করা ওয়াজিব। আর পশু কুরবানী করার বিষয়ে বিধান হচ্ছে, যেগুলো ছোট প্রাণী যেমন- দুম্বা, মেষ বা ভেড়া, ছাগল, খাসী, বকরী ইত্যাদি একটি পশু শুধুমাত্র একজনের পক্ষ থেকেই কুরবানী করা যায়। আর বড় প্রাণী যেমন- উট, গরু, মহিষের ক্ষেত্রে বিধান হচ্ছে, একাধিক অর্থাৎ সাতজন পর্যন্ত শরীক হয়ে একত্রে কুরবানী করা যায়। যা হাদীছ শরীফ উনাদের দ্বারাই সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত।
হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حضرت جَابِرٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰـى عَنْهُ قَالَ نَحَرْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِالْحُدَيْبِيَ বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
ইসতিবরা করা আমভাবে ওয়াজিব:
উল্লেখ্য যে, ইসতিবরা করা আমভাবে ওয়াজিব। আর খাছভাবে এই ইসতিবরা করা কারো জন্য ফরয, কারো জন্য ওয়াজিব এবং কারো জন্য সুন্নত মুয়াক্কাদাহ্্। যা অবশ্যই করতে হবে।
“শরহে মুখতাছার খলীল” কিতাবের ১ম খ-ের ১৪৭ পৃষ্টায় উল্লেখ আছে-
إنَّمَا وَجَبَ الِاسْتِبْرَاءُ اتِّفَاقًا؛
অর্থ : সকল উলামায়ে কিরাম রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের ঐক্যমতে ইসতিবরা করা ওয়াজিব।
“শরহে মুসলিম শরীফ” কিতাবে উল্লেখ আছে,
نجاسة البول ووجوب الاستبراء منه
অর্থ: ইমাম নববী রহমাতুল্লাহ্্ আলাইহি তিনি বলেন, ইসতিন্জা নাপাক (প্রস্রাব নাপাক) এবং ইসতিন বাকি অংশ পড়ুন...












