একদিক দিয়ে এটা ফায়ছালা হয়ে যাচ্ছে। কি ফায়ছালা হয়ে যাচ্ছে? যে, পবিত্র ওহী মুবারক দ্বারা তিনি নিয়ন্ত্রিত, উনাকে পবিত্র ওহী মুবারক দ্বারাই বলতে বলা হয়েছে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
বিষয়গুলি কিন্তু অনেক ফিকিরের, ফিকির না করলে এটা বুঝা যাবে না। শুধু রছম-রেওয়াজ কান দিয়ে শুনলে এটা বুঝা কাঠিন। এখানে স্পষ্ট বলে দেয়া হচ্ছে যে, উনারা আলোচনা করলেন এবং বলা হলো যে, তিনি পান করবেন না। প্রত্যেক জায়গায় তিনি বললেন, পরে উনারা আলোচনা করলেন। বিশেষ করে দু’জন এটা আলোচনা মুবারক করেছেন যে, তিনি এটা পান করবেন না। তাহলে এ বাকি অংশ পড়ুন...
গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ৪৭১ হিজরী সনের ১লা রমাদ্বান শরীফ দুনিয়ার যমীনে তাশরীফ মুবারক আনেন এবং ৫৬১ হিজরীর ১১ই রবীউছ ছানী শরীফ মাস উনার ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফে পবিত্র বিছাল শরীফ প্রকাশ করেন।
তিনি হলেন- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ ওয়ারিছ, নায়িব, আওলাদ। তিনি ৬শ’ হিজরী শতাব্দীর ‘মুজাদ্দিদ’। অর্থাৎ সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে যে সমস্ত কুফর, শিরক, বিদয়াত প্রবেশ করেছিল সেগুলো বের করে দেয়ার জন্য অর্থাৎ মিথ্যাকে মিটিয়ে দিয়ে সত বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَتَزَوَّدُوا فَإِنَّ خَيْرَ الزَّادِ التَّقْوَى.
অর্থ: “তোমরা পাথেয় সংগ্রহ কর। নিশ্চয়ই উত্তম পাথেয় হচ্ছে তাক্বওয়া।” (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ১৯৭)
‘তাক্বওয়া’ শব্দের অর্থ হলো আল্লাহভীতি। অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করে উনার নিষিদ্ধ বিষয়সমূহ হতে সম্পূর্ণরূপে বিরত থাকার নাম তাক্বওয়া। আর পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার পবিত্র রোযা উনার দ্বারা সেই তাক্বওয়া হাছিল হয়ে থাকে।
এ প্রসঙ্গে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “আদম সন্ বাকি অংশ পড়ুন...
নিম্নে সে বিষয়সমূহ সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো-
সনদ ছহীহ না হলেও উলামায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের আমলের দ্বারা তা ছহীহ সাব্যস্ত হয়:
হযরত উলামায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা যদি গ্রহণ করে নেন তবে তা ছহীহ বলে সাব্যস্ত হয়। এ বিষয়ে আলোচনা করতে গিয়ে বিখ্যাত আলিমে দ্বীন হযরত খতীব বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি কয়েকটি হাদীছ শরীফ উল্লেখ করেন যা সনদগতভাবে দুর্বল।
কিন্তু সকল আলিম এই হাদীছ শরীফগুলো আমল করে আসছেন। আর তাই তিনি বলেন-
وَإِنْ كَانَتْ هٰذِهٖ أَحَادِيْثَ لَا تُثَبِّتُ مِنْ جِهَةِ الْإِسْنَادِ لٰكِنَّ لَـمَا تَلَقَّتْهَا الكَافَّةُ عَنِ الْكَافَّةِ غَ বাকি অংশ পড়ুন...
وَإِنَّكَ لَعَلَى خُلُقٍ عَظِيمٍ
অর্থ: “(আমার মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) নিশ্চয়ই আপনি সুমহান চরিত্র মুবারকের অধিকারী।” (পবিত্র সূরা ক্বলম শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ-৪)
মহান আল্লাহ পাক তিনি উল্লেখিত পবিত্র আয়াত শরীফে উনার যিনি মহাসম্মানিত হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার গুণাবলী মুবারকের মধ্য হতে একটি বিশেষ গুণ মুবারকের কথা ঘোষণা করেছেন। মূলতঃ উত্তম চরিত্রই হচ্ছে সমস্ত গুণাবলীর ভিত্তি। আর সাইয়্যিদুল মুরসালীন ইমামুল মুরসালীন খাতামুন নাবিইয়ীন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল বাকি অংশ পড়ুন...
ছলাত বা নামাযের ফযীলত ও গুরুত্ব :
পবিত্র ছলাত বা নামায সম্মানিত দ্বীন ইসলামের পাঁচটি মূলভিত্তি বা রুকন উনাদের দ্বিতীয় রুকন। অর্থাৎ পবিত্র ঈমান উনার পরেই পবিত্র নামাযের স্থান। সুবহানাল্লাহ! প্রত্যেক বালেগ-বালেগা ও আকেল-আকেলা, পুরুষ ও মহিলার উপর দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়া ফরযে আইন। এ ফরযকে যে অস্বীকার করবে সে কাফির হবে। আর যে তরক করবে সে চরম ফাসিক হবে। এমনকি বিনা ওজরে তা ক্বাযা করলেও কঠিন গুনাহগার হবে। নাউযুবিল্লাহ!
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফের মধ্য ৮২ স্থানে এই নির্দেশ মুবারক প্রদান করেন যে-
اَقِيْمُوا الصَّلٰوة বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যেভাবে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদেরকে রাখেন ঠিক সেভাবে উনারা সন্তুষ্ট আছেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তা’খীরের পবিত্র আয়াত শরীফ উনার পরে বলা হয়েছে। উনারাতো আগেই বলেছেন যে, উনাদের কোন চাহিদা নেই। আপনি উনাদেরকে যেভাবে রাখবেন, সেভাবে উনারা সন্তুষ্ট মুবারক থাকবেন। তাহলে উনাদের শান-মান নিয়ে মানুষ কিভাবে চু-চেরা, কীল-কাল করে। নাউযুবিল্লাহ!
এরপর যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক ক বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুল আউলিয়া, গাউসুল আ’যম, শায়েখ সাইয়্যিদ মুহীউদ্দীন আব্দুল ক্বাদির জিলানী হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার যামানায় এক ব্যক্তি যিনি খলীফার পোশাক বা কোর্তা সেলাই করতেন। খলীফা তিনি উনাকে যে পরিমাণ বিনিময় প্রদান করতেন, তাতে উনার সংসার এক বছর চলে যেত।
উক্ত ব্যক্তি একবার খলীফার জন্য একটি কোর্তা সেলাই করলেন, কিন্তু কোর্তাটি কিছুটা ছোট হয়ে যায়। তাই খলীফা উক্ত কোর্তাটি গ্রহণও করল না এবং তাকে কোন বিনিময়ও প্রদান করল না। এতে উক্ত ব্যক্তি খুব ব্যথিত ও চিন্তিত হলেন। কারণ খলীফার দেয়া বিনিময় দ্বারাই তিনি এক বছর সংসার চালিয়ে বাকি অংশ পড়ুন...
এই সম্মানিত ও পবিত্র ১৮ খানা আয়াত শরীফ উনাদের অনেক তাফসীর অর্থাৎ ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ রয়েছে। এখানে আক্বাইদের অনেক মাসয়ালা-মাসায়েল রয়েছে। সুবহানাল্লাহ! নি¤েœ সংক্ষিপ্ত তাফসীর মুবারক উল্লেখ করা হলো-
সংক্ষিপ্ত তাফসীর মুবারক:
প্রথমত যেটা বলা হচ্ছে-
وَالنَّجْمِ إِذَا هَوَى
ক্বসম তারকা সমূহের। যে তারকাগুলো তিনি অতিক্রম করে চলে গেলেন। যেগুলো অস্তমিত হয়ে গেলো। যেগুলো নিচে পড়ে গেলো। তিনি তারকাগুলো অতিক্রম করে চলে গেলেন। অর্থাৎ সম্মানিত ও পবিত্র আরশে আযীম শরীফ-এ তাশরীফ মুবারক নিলেন। সুবহানাল্লাহ!
مَا ضَلَّ صَاحِبُكُمْ وَمَا غَوَى
তোমাদের যিনি রসূ বাকি অংশ পড়ুন...
১০টি সূত্র মেনে চলো:
(১) নিজেকে হারাম বস্তু থেকে বাঁচাও, যা কিসমতে আছে তার উপর সন্তুষ্ট থাকো; তবে ছুফী হতে পারবে।
(২) মনে রেখো, মিথ্যাবাদী ভদ্র হয় না, হিংসুক আরাম পায় না, চরিত্রহীন নেতৃত্ব করতে পারে না।
(৩) দুশ্চরিত্রের সাথে চলাফেরা করিও না। তাহলে তোমার চরিত্র নষ্ট হতে সময় লাগবে না।
(৪) কারো গুণ দেখলে প্রশংসা করিও। দোষ দেখলে গোপন রাখিও এবং কেউ অন্যায় করিলে ক্ষমা করিও; তবেই তুমি নেককার মানুষ।
(৫) ক্রোধ-এর উৎপত্তি আগুন থেকে আর আগুন দ্বারাই দোযখ তৈরি করা হয়েছে। অতএব, সর্বদা ক্রোধ বর্জন করো।
(৬) পাঁচ প্রকার লোকের সাথে সংশ্রব রাখিও না।
১. মিথ বাকি অংশ পড়ুন...
উল্লেখিত পর্বসমূহের সারসংক্ষেপ:
১) পবিত্র ক্বাবলাল জুমুয়াহ নামায মারফু’ সূত্রে ছহীহ সনদ দ্বারাই প্রমাণিত। অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি স্বয়ং নিজেই ৪ রাকায়াত পবিত্র ক্বাবলাল জুমুয়াহ নামায পড়তেন। সুবহানাল্লাহ!
২) নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুসরণে হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু, হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু, হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনিসহ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্ল বাকি অংশ পড়ুন...












