সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাদিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহামূল্যবান নছীহত মুবারক
, ১৫ রজবুল হারাম শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০৭ ছামিন, ১৩৯৩ শামসী সন , ০৫ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ২১ পৌষ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
১০টি সূত্র মেনে চলো:
(১) নিজেকে হারাম বস্তু থেকে বাঁচাও, যা কিসমতে আছে তার উপর সন্তুষ্ট থাকো; তবে ছুফী হতে পারবে।
(২) মনে রেখো, মিথ্যাবাদী ভদ্র হয় না, হিংসুক আরাম পায় না, চরিত্রহীন নেতৃত্ব করতে পারে না।
(৩) দুশ্চরিত্রের সাথে চলাফেরা করিও না। তাহলে তোমার চরিত্র নষ্ট হতে সময় লাগবে না।
(৪) কারো গুণ দেখলে প্রশংসা করিও। দোষ দেখলে গোপন রাখিও এবং কেউ অন্যায় করিলে ক্ষমা করিও; তবেই তুমি নেককার মানুষ।
(৫) ক্রোধ-এর উৎপত্তি আগুন থেকে আর আগুন দ্বারাই দোযখ তৈরি করা হয়েছে। অতএব, সর্বদা ক্রোধ বর্জন করো।
(৬) পাঁচ প্রকার লোকের সাথে সংশ্রব রাখিও না।
১. মিথ্যাবাদী, কারণ মিথ্যাবাদীর কথায় বিশ্বাস স্থাপন করে তুমি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
২. কৃপণ, কারণ কৃপণ নিজ লাভের জন্য তোমার ক্ষতি করে বসবে।
৩. নির্দয়, কারণ নির্দয় বিপদের সময় তোমার প্রতি দয়া দেখাবে না।
৪. কাপুরুষ, কারণ কাপুরুষ বিপদের সময় নিজ নিরাপত্তা নিয়ে ব্যস্ত থাকবে।
৫. ফাসিক, কারণ ফাসিকের নির্দিষ্ট কোনো চরিত্র নেই। সে নিজ স্বার্থে যা ইচ্ছা তাই করতে পারে।
‘শিশুদের যেন মায়ের বামপাশে শোয়ানো হয়’
পবিত্র ইলমে লাদুন্নীপ্রাপ্ত উনার এই উপদেশ মুবারক উনার অন্তর্নিহিত কারণ যথাযথভাবে কেউ সে সময় উপলব্ধি করতে পারেনি। এমনকি ইউরোপের তথাকথিত রেনেসাঁর সময়কালীন সময়েও উনার এই উপদেশ মুবারক উনার মর্মার্থ উপলব্ধির অনেক চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু উনার এই বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব মুবারক উনার বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ করতে তারা ব্যর্থ হয়।
পরবর্তীতে আবার নিউইয়র্কের কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ে নবজাতকের উপর গবেষণা পরিচালিত হয়। তারা পৃথিবীর বিভিন্নস্থানে পর্যবেক্ষণ করে দেখতে পায়, যে সকল শিশু মায়ের বাম পার্শ্বে ঘুমায় সে সব শিশু সন্তানরা শান্তিপূর্ণভাবে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন থাকে। কিন্তু যে সব শিশু সন্তানরা তাদের মায়ের ডান পার্শ্বে ঘুমায় সে সব শিশু সন্তানরা যখন তখন ঘুম থেকে জেগে যায় এবং কান্নাকাটি করে।
হোলোগ্রাফী আবিষ্কারের পর জানা যায় যে, মাতৃগর্ভস্থ শিশুরা তাদের মায়ের হৃদস্পন্দন শুনতে পায়। মায়ের হৃদস্পন্দন শিশুর অস্তিত্বের জন্য অপরিহার্য। মাতৃগর্ভস্থ শিশুদের কাছে মায়ের হৃদস্পন্দন মানে হলো তার জন্য অবিরত খাদ্যের যোগান আর হৃদস্পন্দন বন্ধ হয়ে যাওয়ার অর্থ হলো মৃত্যু। একজন নবজাতক যখন তার মায়ের বাম পার্শ্বে ঘুমায় যেখান থেকে সে তার মায়ের হৃদস্পন্দন স্পষ্টভাবে শুনতে পায়। ফলে সে শান্তিপূর্ণভাবে আরামদায়ক ঘুমে আচ্ছন্ন থাকে।
এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাদিস আলাইহিস সালাম তিনি অবলীলায় বলে দিলেন অথচ মুসলমানদের তথ্য-উপাত্ত চোর, জালিয়াত, মিথ্যা বিজ্ঞানী দাবিদাররা উনার বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব মুবারক উনার মর্মার্থ উপলব্ধি করতে সময় লেগেছে প্রায় ১১০০ বছর। তাহলে এটি সুস্পষ্ট যে ওই সকল বিজ্ঞানী দাবিদারদের আসলে বিজ্ঞানের কোনো বিষয়েই দখল নেই। বরং এই জালিয়াতগুলো মুসলমানদের তথ্য-উপাত্ত চুরি করে কিছু সরাসরি নিজেদের নামে চালিয়ে দিয়েছে নতুবা মুসলমান বিজ্ঞানীদের আসল নাম বিকৃত করে প্রচার করেছে।
-০-
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
ছহিবে নিসাব প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য পবিত্র কুরবানী দেয়া ওয়াজিব (৪)
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পর্দা পালন করা নারী-পুরুষ সকলের জন্যই শান্তি ও পবিত্রতা হাছিলের কারণ
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ইমামুল আউওয়াল, হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার নছীহত মুবারক
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র নামাযের মাসয়ালা-মাসায়িল
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ছবি তোলা হারাম, যা জাহান্নামী হওয়ার কারণ
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের তিনটি বিশেষ খুছূছিয়ত মুবারক-
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
‘গরুর গোশতে রোগ আছে’ এই সংক্রান্ত বাতিল হাদীছ ও তার খন্ডনমূলক জবাব
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু (৪)
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












