ভেতর বাইরে সর্বত্র অপরূপ সৌন্দর্যম-িত এ মসজিদ মুগ্ধ করবে যে কাউকে। মসজিদের একটি দু’টি ছবি দেখে এর সৌন্দর্য রহস্য বোঝার উপায় নেই। কুয়ালালামপুরের পুত্রাজায়া যেমন পটে আঁকা ছবির মতো সাজানো আর সুন্দর; ঠিক তেমন সুন্দর এই মসজিদ। তাই পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর মসজিদের তালিকায় অনায়াসে উপরের দিকে স্থান পায় এ মসজিদের নাম।
নির্মাণগত দিক দিয়ে মসজিদটি যেমন সুন্দর তেমনি একে আলাদা সৌন্দর্য এনে দিয়েছে এর অবস্থানগত কারণ। মসজিদটি পুত্রাজায়া লেকের মধ্যে অবস্থিত। প্রবেশপ্রান্ত স্থলভাগের সাথে যুক্ত। মসজিদটির কয়েক গজ দূরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত বাকি অংশ পড়ুন...
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার রূপসা বাজারে দাঁড়িয়ে আছে নীরব ইতিহাস রূপসা জমিদারবাড়ি জামে মসজিদ। এর প্রকৃত নাম ‘মসজিদে নূর’। নামের অর্থই আলো আর সেই আলোয় যেন দুই শতাব্দী ধরে আলোকিত করে রেখেছে পুরো জনপদকে।
১২৮৪ বঙ্গাব্দে বৃহত্তর মেঘনাপাড়ের প্রভাবশীল জমিদার মোহাম্মদ গাজী চৌধুরী নির্মাণ করেন এই দৃষ্টিনন্দন মসজিদ। তৎকালীন ২০ হাজার টাকা ব্যয়ে গড়ে ওঠা স্থাপনাটি শুধু একটি দ্বীনি প্রতিষ্ঠান নয় বরং ইসলামি স্থাপত্যকলার অনন্য নিদর্শন। মসজিদের প্রবেশপথের পাশে শ্বেতপাথরে ফার্সি ভাষায় খোদাই করা আছে নির্মাণকাল ও নির্মাতার নাম যেন ইতি বাকি অংশ পড়ুন...
মোঘল স্থাপত্য শিল্পের এক ঐতিহাসিক নিদর্শন চট্টগ্রামের কদম মুবারক শাহী জামে মসজিদ। এই মসজিদের গঠন, অবকাঠামো, নির্মাণশৈলী, কারুকার্য আকৃষ্ট করে সকলকেই।
জানা যায়, মোঘল শাসক মুহম্মদ শাহ্র শাসনামলে তার নির্দেশে প্রথম মোতোয়াল্লি মুহম্মদ ইয়াসিন খান ১৭১৯ খ্রিস্টাব্দে এই মসজিদ নির্মাণকাজ শুরু করেন। ১৭২৩ সালে নির্মাণ শেষ হয়।
তিনি পবিত্র মদিনা শরীফ থেকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত কদম মুবারকের ছাপ সম্বলিত পাথর সংগ্রহ করে এনেছিলেন। সেই থেকে মসজিদটির নাম হয়- কদম মুবারক মসজিদ। ন বাকি অংশ পড়ুন...
১৫৬৬ খৃষ্টাব্দে সুলতান প্রথম সুলাইমানের ইন্তিকালের পর তার পুত্র দ্বিতীয় সেলিম মসনদে বসেন। ফলে মিমার সিনান পাশার সামনে আরেকটি সুযোগ আসে। পিতার মত সুলতান দ্বিতীয় সেলিমও চাইছিলেন আরেকটি স্মরণীয় স্থাপনা নির্মিত হোক। এ কাজের দায়িত্ব অবধারিতভাবে মিমার সিনান পাশার উপর ন্যস্ত হয়। তবে এটি নির্মিত হবে ইস্তাম্বুল থেকে ২০০ কিমি দূরের এডিরনে। মিমার সিনান পাশার বয়স তখন মধ্য সত্তর। এই প্রবীণ বয়সে এসেও তার কর্মস্পৃহা এতটুকু কমেনি। ১৫৬৯ খৃ: উনার প্রবল উৎসাহে ‘সেলিমিয়া মসজিদ কমপ্লেক্স’ নির্মাণের কাজে হাত দেন এবং মনের মাধুরী মিশিয়ে বির বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা হাশর শরীফ উনার ১৮, ১৯নং আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন,
يَا أَيُّهَا الَّذِيْنَ آمَنُوا اتَّقُوا اللهَ وَلْتَنْظُرْ نَفْسٌ مَّا قَدَّمَتْ لِغَدٍ ۖ وَاتَّقُوا اللهَ ۚ إِنَّ اللهَ خَبِيْرٌ بِمَا تَعْمَلُوْنَ ﴿١٨﴾ وَلَا تَكُوْنُوْا كَالَّذِيْنَ نَسُوا اللهَ فَأَنْسَاهُمْ أَنْفُسَهُمْ ۚ أُولٰـئِكَ هُمُ الْفَاسِقُوْنَ ﴿١٩﴾
অর্থ: হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো এবং প্রত্যেক ব্যক্তিই যেন লক্ষ্য করে সে আগামী দিনের জন্য কি পাঠাচ্ছে। তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদের আমল সর্ম্পকে জানেন বা খবর রাখেন। তোমরা ঐ সমস্ত লোকদের মতো হ বাকি অংশ পড়ুন...
মোঘল স্থাপত্যশৈলীর অন্যতম এক নিদর্শন যশোরের শেখপুর জামে মসজিদ। নয়নাভিরাম তিন গম্বুজবিশিষ্ট এ জামে মসজিদটি আজও ছড়াচ্ছে শিক্ষার আলো।
মসজিদটির পাঠশালায় ৪০০ বছর ধরে স্থানীয়রা পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছেন। পাশাপাশি ইসলামী বিভিন্ন বিষয়ে চর্চা এবং কুরআন শরীফ শিক্ষার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে এই পাঠশালায়।
এ মসজিদকে ঘিরে মানুষের আগ্রহ রয়েছে। শত শত বছর ধরে ইসলামের প্রচার প্রসারের কেন্দ্রবিন্দু মসজিদটি। এ যাত্রা অব্যাহত রাখতে মসজিদটির সংস্কার প্রয়োজন।
মোঘল স্থাপত্যরীতিতে নির্মিত শেখপুর জামে মসজিদটি যশোরের কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়িত বাকি অংশ পড়ুন...
প্রখ্যাত উসমানীয় ইতিহাসবিদ মুস্তাফা আলী’র মতে, ‘সুলতান সুলাইমান শুধুমাত্র একজন বিখ্যাত শাসকই ছিলেন না, সমভাবে উনার ছিলেন একজন প্রখ্যাত নির্মাতা, যিনি মুসলিম বিশ্বের কিছু চিত্তাকর্ষক, শ্বাসরুদ্ধকর ও অনিন্দ্যসুন্দর স্থাপনা নির্মাণের মাধ্যমে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ইতিহাসে নিজের দীপ্ত চিহ্ন রাখতে দৃঢ়সংকল্পবদ্ধ ছিলেন’। তাই সুলতান ‘সুলাইমানিয়াহ মসজিদ কমপ্লেক্স’কে বিশ্বের সবচেয়ে নয়নমনোহর, অভিজাত ও মার্জিত ভবনগুলির মধ্যে একটি বানাতে চেয়েছিলেন। উনার এই মহান কর্মের শুরু থেকে শেষ অবধি কাজের পরিকল্পনা ও তত্ত্বাবধানে গভীর য বাকি অংশ পড়ুন...
নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার মোজাফরপুর ইউনিয়নের হারুলিয়া গ্রামে ৮শ বছরের প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী গাইনের মসজিদটি জৌলুস হারিয়েছে অনেক আগেই। দ্রুততম সময়ে সংস্কার না করা হলে হারিয়ে যেতে পারে মোঘল আমলের ঐতিহ্যবাহী এ দ্বীনি স্থাপনাটি।
সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা গেলো, মোঘল সাম্রাজ্যকালে ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজীর শাসন আমলে জনৈক শাইখ মোহাম্মদ ইয়ার নামক এক ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি ১২০০ খ্রিষ্টাব্দে এই মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেন।
মসজিদটির ঈমাম আব্দুল্লাহ জানান, মসজিদের ভেতরে দেয়ালের গায়ে ফার্সিতে শাইখ মোহাম্মদ ইয়ারের নাম বাকি অংশ পড়ুন...
(২য় পর্ব)
কর্মজীবন:
শারীরিকভাবে শক্তিশালী, প্রখর বুদ্ধিমত্তা এবং সাংগঠনিক দক্ষতার জন্য অতি অল্প সময়েই তিনি উসমানীয় বাহিনীতে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরী করতে সক্ষম হন। সূক্ষ যন্ত্রচালনা, যুদ্ধ ও সৈন্য পরিচালনায় অসাধারণ দক্ষতা, এবং অস্ত্র-শস্ত্রের নিপুণ কারিগর হিসেবে উনার সেনাবাহিনীতে নিজেকে অপরিহার্য করে তুললেন। সুলতান সেলিম প্রথম এর সাম্রাজ্য কালেই উনার প্রায় ১৫০টির অধিক নৌ যুদ্ধযান তৈরী করেছিলেন যার সাহায্যে উসমানীয়রা তার বহিঃশত্রুর বিপক্ষে নিজেদের শ্রেষ্ঠতর বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছিলেন। ১৫২০ খৃ: সুলতান সেলি বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
রাজধানী রিয়াদে নির্মাণাধীন ‘মুকাব’ নামের বিশাল ঘনকাকৃতির আকাশচুম্বী ভবন নির্মাণের প্রকল্পটি আপাতত স্থগিত করেছে সউদী আরব। এ বিষয়ে অবগত চারটি সূত্রের বরাতে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, প্রকল্পটির অর্থায়ন ও বাস্তবায়নযোগ্যতা নতুন করে পর্যালোচনার অংশ হিসেবেই সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে।
‘মুকাব’ ছিলো রিয়াদের নিউ মুরাব্বা ডাউনটাউন উন্নয়ন প্রকল্পের কেন্দ্রবিন্দু এবং সউদী আরবের ভিশন ২০৩০-এর সঙ্গে যুক্ত সবচেয়ে উচ্চাকাক্সক্ষী ‘গিগা প্রকল্পগুলোর’ একটি।
গত মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, বি বাকি অংশ পড়ুন...
ইউরোপের বুকে সম্মানিত ইসলামের পদচিহ্নের কথা বললেই আমাদের চোখে ভেসে ওঠে স্পেনের আন্দালুস কিংবা উসমানীয় সাম্রাজ্যের বলকান বিজয়ের ছবি। কিন্তু ইতিহাসের পাতায় প্রায়ই অনালোচিত থেকে যায় ভূমধ্যসাগরের তীরে ইতালির দক্ষিণ উপকূলে অবস্থিত সিসিলি দ্বীপের কথা।
দীর্ঘ ২০০ বছরের বেশি সময় এই দ্বীপ মুসলিম শাসনের অধীন ছিলো, যা কেবল সামরিক বিজয় নয়, বরং জ্ঞানবিজ্ঞান ও সংস্কৃতির এক অনন্য মিলনস্থলে পরিণত হয়েছিলো।
সিসিলি বিজয়ের সূচনা:
সিসিলি বিজয়ের ইতিহাস শুরু হয় উত্তর আফ্রিকার আঘলাবি রাজবংশের হাত ধরে। আব্বাসীয় খলীফা হারুনুর রশিদের সময় ইব্র বাকি অংশ পড়ুন...
আঠারো’শ শতকের মুসলিম স্থাপত্যের এক অনন্য নিদর্শন সাতক্ষীরার তালা উপজেলার তেঁতুলিয়া শাহী জামে মসজিদ। প্রায় দুই শতাধিক বছর আগের পুরানো ঐতিহাসিক মসজিদটি স্থানীয়ভাবে মিয়ার মসজিদ হিসেবে পরিচিত। মূল নাম খান বাহাদুর কাজী সালামতউল্লাহ জামে মসজিদ হলেও বর্তমানে এটি তেঁতুলিয়া শাহী জামে মসজিদ নামেই বেশি পরিচিত।
দীর্ঘদিন অযতœ আর অবহেলায় থাকার পর ঐতিহ্যবাহী এ মসজিদটি প্রতœতত্ত্ব বিভাগের অধীনে সম্প্রতি কিছুটা সংস্কার করা হয়েছে। তবে, দ্রুত সম্পূর্ণ সংস্কার করার উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল। তা না হলে ইতিহাস আর ঐতিহ্যের বাকি অংশ পড়ুন...












