SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%খাবার%' OR titleBn LIKE '%খাবার%' OR descriptionEn LIKE '%খাবার%' OR descriptionBn LIKE '%খাবার%' OR slug LIKE '%খাবার%' OR metaTag LIKE '%খাবার%' OR metaDescription LIKE '%খাবার%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
قَالَ حَضْرَت الْهَيْثَمُ رحمة الله عليه حَدَّثَنِىْ حَضْرَت مَعْنُ بْنُ بَشِيْرٍ رحمة الله عليه عَنْ اَبِيْهِ اَنَّ حَضْرَتْ سَعْدَ بْنَ عُبَادَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ اَتَى النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِصَحْفَةٍ اَوْ جَفْنَةٍ مَمْلُوءَةً مُخًّا فَقَالَ يَا حَضْرَتْ اَبَا ثَابِتٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ! مَا هٰذَا؟ فَقَالَ وَالَّذِىْ بَعَثَكَ بِالْحَقِّ لَقَدْ نَحَرْتُ اَوْ ذَبَحْتُ اَرْبَعِيْنَ ذَاتَ كَبِدٍ فَاَحْبَبْتُ اَنْ اُشْبِعَكَ مِنَ الْمُخِّ. قَالَ فَأَكَلَ وَدَعَا لَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِخَيْرٍ.
অর্থ: হযরত হাইছাম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বর্ণনা করেন, আমার বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ একটি মহান ঈদ এবং এই মুবারক দিবসে রোজা না রেখে খুশি প্রকাশ করার জোর তাকীদ দেয়া হয়েছে যার সিলসিলা ও সনদ হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি পর্যন্ত
المعيار المعرب والجامع المغرب عن فتاوى أهل إفريقية والأندلس والمغرب
আল-মি‘ইয়ার আল-মু‘রিব ওয়াল-জামি‘ আল-মুগরিব আফ্রিকা, আন্দালুস ও মাগরিবের সম্মানিত আলিম উনাদের ফতওয়াসমূহ-
সম্মানিত পাঠকগণ অবশ্যই শুরুর লেখাটা ভালো করে ২ থেকে ৩ বার পড়বেন এখানে সনদের আলোচনা করা হয়েছে লেখক: বিখ্যাত মালিকী ফতওয়া-সংকলক হযরত আবুল আব্বাস আহমদ ইবনু ইয়াহইয়া আল-ওয়ানশারিসী মালিকী রহমতুল্লাহি বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ একটি মহান ঈদ এবং এই মুবারক দিবসে রোজা না রেখে খুশি প্রকাশ করার জোর তাকীদ দেয়া হয়েছে যার সিলসিলা ও সনদ হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি পর্যন্ত
المعيار المعرب والجامع المغرب عن فتاوى أهل إفريقية والأندلس والمغرب
আল-মি‘ইয়ার আল-মু‘রিব ওয়াল-জামি‘ আল-মুগরিব আফ্রিকা, আন্দালুস ও মাগরিবের সম্মানিত আলিম উনাদের ফতওয়াসমূহ-
সম্মানিত পাঠকগণ অবশ্যই শুরুর লেখাটা ভালো করে ২ থেকে ৩ বার পড়বেন এখানে সনদের আলোচনা করা হয়েছে লেখক: বিখ্যাত মালিকী ফতওয়া-সংকলক হযরত আবুল আব্বাস আহমদ ইবনু ইয়াহইয়া আল-ওয়ানশারিসী মালিকী রহমতুল্লাহি বাকি অংশ পড়ুন...
বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে কালোজিরার আরো কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা:
কালোজিরাকে সব রোগের ওষুধ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। অন্যান্য সব ভেষজের মতো কালোজিরা নিয়েও গবেষণা কম হয়নি। ১৯৬০ সালে মিসরের গবেষকরা নিশ্চিত হন যে, কালোজিরায় বিদ্যমান নাইজেল-এর কারণে হাঁপানী উপশম হয়। জার্মানী গবেষকরা বলেছে, কালো জিরার অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-মাইকোটিক প্রভাব রয়েছে। এটি বোনম্যারো ও প্রতিরক্ষা কোষগুলোকে উত্তেজিত করে এবং ইন্টারফেরন তৈরী বাড়িয়ে দেয়।
আমেরিকার গবেষকরা কালোজিরার টিউমারবিরোধী প্রভাব সম্পর্কে মতামত দেয়। শরীরে ক্যান্সার উৎপাদনক বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
একসময় ভাতের সঙ্গে ডিম, ব্রয়লার মুরগি কিংবা পাঙাশ-তেলাপিয়াই ছিল নিম্ন আয়ের মানুষের আমিষের ভরসা। এখন সেই সস্তা আমিষও নাগালের বাইরে। কেননা খুচরা পর্যায়ে ব্রয়লার মুরগির কেজি সর্বোচ্চ ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাঙাশ ও তেলাপিয়া কিনতে কেজিপ্রতি ২৪০ টাকা খরচ করতে হচ্ছে।
এক ডজন ডিমের দাম গিয়ে ঠেকেছে সর্বোচ্চ ১৬০ টাকায়। এতে আয় না বাড়লেও একের পর এক বাড়ছে এসব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। ফলে সংসারের খরচ মেলাতে গিয়ে খাবারের তালিকা থেকে আমিষ বাদ দিচ্ছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। সন্তানদের পাতে ডিম-গোশত কমছে, মাছের পরিমাণও কমে বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে কালোজিরার অনেক উপকারিতা বর্ণিত রয়েছে । এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَا من داء إلا في الحبَّةِ السَّوْدَاء مِنْهُ شِفَاء إِلَّا السَّامَ
অর্থ: “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মৃত্যু ছাড়া এমন কোন রোগ নেই কালোজিরায় যার আরোগ্য নেই।” (মুসলিম শরীফ : কিতাবুস সালাম : পবিত্র হাদীছ শরীফ বাকি অংশ পড়ুন...
(গত পর্বের পর)
হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার উক্ত কিতাবের ৬০৪নং বাব যার নাম হচ্ছে-
بَابُ الدُّعَاءِ فِي الْوِلَادَةِ- (সদ্য ভূমিষ্ঠ শিশুর জন্য দোয়া করা) এখানে আরো একটি ছহীহ হাদীছ শরীফ বর্ণনা করেছেন।
আর এই পবিত্র হাদীছ শরীফ হতে জানা যায় যে, এক দুইজন নয়, বরং একদল হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা বিলাদত বা জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত দাওয়াতে এসে খাওয়া দাওয়া করেছেন এবং শিশুর জন্য দোয়া করেছেন-
عَنْ حَضْرَتْ مُعَاوِيَةَ بْنَ قُرَّةَ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ يَقُوْلُ لَمَّا وُلِدَ لِـي اِيَاسٌ دَعَوْتُ نَفَرًا مِنْ اَصْحَابِ النَّبِيّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ف বাকি অংশ পড়ুন...
শরীরের সার্বিক সুস্থতায় কিডনি জটিল ও কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে। শারীরিক কর্মক্ষমতার জন্য কিডনির গুরুত্ব অপরিহার্য। তাই কিডনি সুস্থ রাখতে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনতে হবে। সবাইকেই জানতে হবে কিডনি ভালো রাখার উপায়।
মানবদেহের কোমরের কিছুটা ওপরে দুই পাশে দুটি কিডনি থাকে। পরিণত বয়সে একটি কিডনি ১১-১৩ সেমি লম্বা, ৫-৬ সেমি চওড়া এবং ৩ সেমি পুরু হয়। একটি কিডনির ওজন প্রায় ১৫০ গ্রাম। তবে বাম কিডনিটি ডান কিডনি অপেক্ষা একটু বড় ও কিছুটা ওপরে থাকে। প্রতিটি কিডনি প্রায় ১২ লাখ নেফ্রন দিয়ে তৈরি। নেফ্রন হলো কিডনির কার্যকর ও গাঠনিক একক। কোনো কার বাকি অংশ পড়ুন...
বরগুনা সংবাদদাতা:
দেশের অন্যতম ইলিশের ভা-ার হিসেবে পরিচিত বরগুনার নদ-নদী ও উপকূলীয় এলাকায় দেখা দিয়েছে ইলিশের তীব্র সংকট। জেলেদের জালে আশানুরূপ মাছ ধরা পড়ছে না।
এভাবে দেশজুড়ে ইলিশ সংকট আরও তীব্র থেকে তীব্রতর হওয়ায় কথিত ইলিশ রক্ষার নিষেধাজ্ঞা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা। এই নিষেধাজ্ঞাগুলো যখন ছিলো না, যখন বছরজুড়ে জেলেরা ইলিশ ধরতেন তখন ইলিশের সরবরাহও ছিলো ব্যাপক, দামও ছিলো সহনশীল।
আর এখণ দিনভর সাগর-নদীতে জাল ফেলেও অনেকের নৌকার জ্বালানি ও খাবারের খরচই উঠছে না। ফলে দাদন ও ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন মৎস্যজীবী বাকি অংশ পড়ুন...
দৈহিক ওজন বৃদ্ধির মূল কারণ হলো গৃহীত শক্তি ও তার ব্যবহারের মধ্যে অসঙ্গতি। আমাদের গ্রহণ করা প্রায় প্রতিটি খাবারেই শক্তি ক্যালরি হিসাবে থাকে। মানুষের বয়স, ওজন আর দৈনন্দিন কাজের ওপর শরীরে ক্যালরির চাহিদা নির্ভর করে। প্রকৃতপক্ষে কেউ যদি তার প্রাত্যহিক চাহিদার চেয়ে বেশি ক্যালরি প্রতিদিন বা প্রায়শই খাবারের মাধ্যমে গ্রহণ করে তবে তার বাড়তি অংশ শরীরে মেদ হিসাবে জমতে থাকবে অর্থাৎ দেহের ওজন বাড়তে থাকবে। বেশি পরিমাণে খাদ্য গ্রহণই যদিও দৈহিক ওজন বৃদ্ধির প্রধানতম কারণ। তাই শরীর সুস্থ রাখতে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাকি অংশ পড়ুন...
সরেজমিনে প্রায় এক মাস আগে উত্তর কলকাতার এই বস্তিতে যা দেখা গেছে এক মাস পরও পরিস্থিতি একই রকম। জ্যোতি কলোনির দৈনন্দিন জীবনের অন্যতম বড় সমস্যা এখনা পানীয় জল। ২৯ জুলাই রাত থেকে পানি, আলো সবই বন্ধ হয়েছিল বস্তিবাসীর জন্য। নেতাদের দরবারে কড়া নাড়ায় বিদ্যুৎ সংযোগ ফিরেছে, তবে খাবার পানির সরবরাহ এখনও বন্ধ।
পানির জন্য নির্ভর করতে হচ্ছে বিকল্প উৎসের উপর। রান্না থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজ—সবকিছুর জন্যই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে বাসিন্দাদের। স্বল্প আয়ের এই বাসিন্দাদের হয় খাবার পানি কিনতে হচ্ছে, নয়তো বিকল্প উৎস হিসেবে ভরস বাকি অংশ পড়ুন...












