প্রায় ৭০০ বছর আগের ঐতিহাসিক ফতওয়া:
, ১০ রবীউছ ছানী শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ২৪ রবি, ১৩৯৪ শামসী সন , ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রি:, ০৭ আশ্বিন, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) ফতওয়া বিভাগ
মহাসম্মানিত ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ একটি মহান ঈদ এবং এই মুবারক দিবসে রোজা না রেখে খুশি প্রকাশ করার জোর তাকীদ দেয়া হয়েছে যার সিলসিলা ও সনদ হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি পর্যন্ত
المعيار المعرب والجامع المغرب عن فتاوى أهل إفريقية والأندلس والمغرب
আল-মি‘ইয়ার আল-মু‘রিব ওয়াল-জামি‘ আল-মুগরিব আফ্রিকা, আন্দালুস ও মাগরিবের সম্মানিত আলিম উনাদের ফতওয়াসমূহ-
সম্মানিত পাঠকগণ অবশ্যই শুরুর লেখাটা ভালো করে ২ থেকে ৩ বার পড়বেন এখানে সনদের আলোচনা করা হয়েছে লেখক: বিখ্যাত মালিকী ফতওয়া-সংকলক হযরত আবুল আব্বাস আহমদ ইবনু ইয়াহইয়া আল-ওয়ানশারিসী মালিকী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিলাদত: ৮৩৩ হিজরী- বিছাল : ৯১৪ হিজরী)। তিনি যেমনটি ভূমিকা/মুকাদ্দিমায় উল্লেখ করেছেন, আমার এই আল-মি‘ইয়ার আল-মু‘রিব -কিতাবের সম্মানিত ফতওয়া প্রদানকারী উনার হলেন, ইসলামী পশ্চিমের (মরক্কো ও আন্দালুস) বিখ্যাত মালিকী মাযহাবের পূর্বসূরী ও উত্তরসূরী হযরত ফকীহ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের সিলসিলা ও সনদ হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ছাত্রদের থেকে শুরু করে লেখকের উস্তাদ ও সমসাময়িক সহপাঠীদের পর্যন্ত উনাদের মধ্যে প্রায় সকলেই ছিলেন 'ইজতিহাদে মুতলাক' (স্বাধীন গবেষণাশক্তি) এবং 'ইজতিহাদে মাযহাবী (পবিত্র মাযহাবভিত্তিক গবেষণাশক্তির) অধিকারী। আল-মি‘ইয়ার আল-মু‘রিব লেখা শুরুর নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ নাই; তবে লেখক কিতাবের সমাপ্তির তারিখ উল্লেখ করে লিখেছেন: দীর্ঘ ২৫ বছর ব্যস্ততা ও নানা প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্য দিয়েও এই সংকলনটি সম্পন্ন হলো - ৯০১ হিজরী ২৮শে শাওয়াল, ইয়াওমুল আহাদ। আল-মি‘ইয়ার আল-মু‘রিব কিতাবটি মোট ১৩ খ- প্রকাশ সমাপ্তি হয়। এই কিতাবের ১১ খ-, ২৭৮ পৃষ্ঠা আলোচনা করা হবে- عمل المولد النبوي
অর্থ : মহাসম্মানিত মওলিদ শরীফ বা নূরুত তাশরীফ মুবারক দিবস উনার আমল মুবারক
فتوى ابن عباد بإباحة عمل المولد النبوي
মহাসম্মনিত ঈদে বিলাদতে হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন জায়েজ হওয়ার ব্যাপারে হযরত ইবনে আব্বাদ মালিকী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ঐতিহাসিক ফতওয়া ।
وسُئل الولي العارف بالطريقة والحقيقة أبو عبد الله بن عباد، رحمه الله، ونفع به، عما يقع في مولد النبي صلى الله عليه وسلم من وقود الشمع وغير ذلك لأجل الفرح والسرور بمولده عليه السلام.
فأجاب:
الذي يظهر أنه عيد من أعياد المسلمين، وموسم من مواسمهم، وكل ما يقتضيه
الفرح والسرور بذلك المولد المبارك، من إيقاد الشمع وإمتاع البصر، وتنزه السمع والنظر، والتزيُّن بما حسن من الثياب، وركوب فاره الدواب أمر مباح لا ينكر، قياساً على غيره من أوقات الفرح، والتحكم بأن هذه الأشياء لا تسلم من بدعة في هذا الوقت الذي ظهر فيه سر الوجود، وارتفع فيه علم العهود، وتقشع بسببه ظلام الكفر والجحود، ينكر على قائله، لأنه مقت وجحود. وأدعاء أن هذا الزمان ليس من المواسم المشروعة لأهل الإيمان، ومقارنة ذلك بالنيروز والمهرجان، أمر مستثقل تشمئز منه النفوس السليمة وترده الآراء المستقيمة انتهى .
قال بعض الفضلاء:
فكلام هذا الولي يدل علىكمال محبته وحسن طريقته، وما أنكر من أنكر ما يقع في هذا الزمان من الاجتماع في المكاتب للأطفال، إلا خيفة المناكر، واختلاط النساء والرجال، فأما إذا أمن ذلك، فلا شك في حسن ما يفعل من الاجتماع وذكر محاسنه، والصلاة عليه صلى الله عليه وسلم في سائر البقاع. ويُحرم استعمال آلة اللهو عند الاجتماع في هذه الليلة، ولا يجوز تعظيم نبي الله تعالى إلا بما يرضيه ويرضي الله تعالى، بل ينبغي الصدقة في البر بما يعمل في تلك الأيام من الأطعمة، فإن ذلك أسلم من فساد النيات، ومن حضور الجماعات. واختار جماعة من العلماء رضي الله عنهم الفطر في يوم المولد، لأنه يوم سرور، والتوسيع على العيال بما أمكن من الميسور. وذكر ابن عباد رحمه الله ونفع به أنه خرج في يوم ميلاده عليه السلام إلى خارج البلاد، فوجد الولي الصالح الحاج ابن عاشر رحمه الله مع جماعة من أصحابه، فاستدعوه لأكل الطعام، قال فاعتذرت بأني صائم فنظر إليّ الشيخ نظرة منكرة، وقال لي: إن هذا اليوم يوم فرح وسرور، فلا يستقيم فيه الصيام لأنه يوم عيد.
قال رحمه الله:
فتأملت كلامه فوجدته حقاً، وكأني كنت نائماً فأيقظني.
তরিকা ও হাকিকতের আধ্যাত্মিক জ্ঞানে গুণান্বিত মহান আল্লাহ পাক উনার ওলি হযরত আবু আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাদ মালিকী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মনিত ঈদে বিলাদতে হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরুত তাশরীফ বা আগমনে আনন্দে মোমবাতি জ্বালানো ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক আয়োজন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল।
উত্তর : প্রমাণিত হয় যে, এটি মুসলমানদের অন্যতম একটি মহান ঈদের দিন ও আনন্দের দিবস। এই পবিত্র মওলিদ শরীফ বা নূরুত তাশরীফে হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে আনন্দ প্রকাশের জন্য যা কিছু করা হয় যেমন মোমবাতি জ্বালানো, চোখ ও কানকে সৌন্দর্য উপভোগ করানো, সুন্দর পোশাক পরিধান করা এবং চমৎকার সাওয়ারীতে আরোহণ করা, এসবই বৈধ বিষয় এবং এতে আপত্তি জানানোর কিছু নেই; কারণ অন্যান্য আনন্দের দিনের ওপর ভিত্তি করেই এটি কিয়াস করা হয়েছে। এই মুবারক বিশেষ সময়ে যাতে সৃষ্টির মূল মহাসম্মনিত রহস্য মুবারক আত্মপ্রকাশ করেছেন, পবিত্র তাওহীদের পতাকা উন্নত হয়েছে এবং এই কারণে কুফরী ও অস্বীকৃতির অন্ধকার দূর হয়েছে, এসব সম্মানিত কাজ বিদআত মুক্ত নয় বলে দাবি করাটা ব্যক্তির নিজস্ব গোঁড়ামী, যার বিরোধিতা করা উচিত; কারণ তা অসন্তুষ্টি ও সত্য অস্বীকারের শামিল। আর এ যামানাকে ঈমানদারদের শরীয়তসম্মত খুশিপ্রকাশের সময় নয় বলে দাবি করা কিংবা একে নওরোজ ও মেহেরজানের (অন্য ধর্মের আনন্দ-অনুষ্ঠানের) সাথে তুলনা করা অত্যন্ত নিকৃষ্ট বক্তব্য, যা যেকোনো সুস্থ রুচি ও পরিশীলিত চিন্তাধারার কাছে সম্পূর্ণরূপে বর্জনীয়। (ফতওয়া সমাপ্ত)
কতিপয় কিছু আলিম উলাম বলেছেন: আল্লাহ পাক উনার ওলী (হযরত আবু আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাদ মালিকী রহমতুল্লাহি আলাইহি) উনার বক্তব্য পূর্ণ মুহব্বত ও সুন্দর তরিকার পরিচয় দেয়। বর্তমানে কোমলমতি শিশুদের মক্তবে বা জমায়েতে যে আপত্তি তোলা হয়, তা কেবল অনাচার ও নারী-পুরুষের মেলামেশার আশঙ্কার কারণেই তোলা হয়। কিন্তু যদি এসব আশঙ্কা থেকে নিরাপদ থাকা যায়, তবে সমবেত হওয়া, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র গুণাবলী আলোচনা করা এবং উনার উপর মহাসম্মানিত দরূদ পাঠ করা নিঃসন্দেহে একটি ভালো কাজ। তবে এ রাত মুবারকে আনন্দের নামে কোনো বাদ্যযন্ত্র বা বিনোদন উপকরণ ব্যবহার করা হারাম। মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের কেবল সেভাবেই সম্মান জানানো যাবে যা মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা পছন্দ মুবারক করেন। বরং ওই মুবারক দিবসগুলোতে খাদ্য বিতরণের মাধ্যমে দান-সদকা করা উচিত, কারণ তা নিয়তের খরাবী ও অনিচ্ছাকৃত অনাকাক্সিক্ষত জমায়েতের বিশৃঙ্খলা থেকে মুক্ত থাকে। একদল আলিম (আল্লাহ পাক উনাদের ওপর সন্তুষ্ট হন) মহাসম্মানিত মওলিদ শরীফ বা মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফ উনার দিনে রোজা না রেখে ইফতার (খাদ্য গ্রহণ) করাকে উত্তম বলেছেন, কারণ এটি পবিত্র আনন্দের দিন এবং সাধ্যানুযায়ী পরিবার-পরিজনকে ভালো খাবারের ব্যবস্থা করে দেওয়া উচিত।
হযরত আবু আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাদ মালিকী রহমতুল্লাহি আলাইহি আরো বর্ননা করেন যে, আমি মহাসম্মানিত মওলিদ শরীফ বা মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফ (১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ) দিনে লোকালয়ের বাইরে গিয়েছি। সেখানে আমি শায়েখ বুযূর্গ অলী হযরত আল-হাজ্জ ইবনে আশির মালিকী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল : ৭৬৫ হিজরী তিনি হযরত ইবনে আব্বাদ মালিকী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মুর্শিদ ক্বিবলা ছিলেন ) উনাকে একদল ওলী রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের সঙ্গীর সাথে দেখতে পাই। উনারা আমাকে খাবার খাওয়ার দাওয়াত দিলে আমি বলি: "আমি তো রোজা রেখেছি।" এ কথা শুনে শায়খ (মুর্শিদ ক্বিবলা) আমার দিকে অসন্তুষ্ট দৃষ্টিতে তাকালেন এবং বললেন: "আজকের এই মুবারক দিনটি আনন্দ ও খুশির দিন, আজকের দিনে রোজা রাখা গ্রহণযোগ্য নয়, কারণ এটি ঈদের দিন।" তিনি (মহান আল্লাহ পাক উনার উপর রহম করুন) বললেন: আমি উনার বক্তব্য নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করলাম এবং তা সত্য হিসেবে পেলাম; যেন আমি ঘুমে ছিলাম আর তিনি আমাকে জাগিয়ে দিলেন (এই আলোচনা এখানে শেষ) আল-মি‘ইয়ার আল-মু‘রিব- ১১তম খ- ২৭৯ পৃষ্ঠা শুরু হয় প্রখ্যাত মালিকী ফক্বীহ ও মুহাদ্দিছ হাফিজ আবু আব্দুল্লাহ মুহম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মারজুক আত-তিলেমসানী মালিকী রহমাতুল্লাহি আলাইহি ( বিছাল: ৭৮১ হিজরী, ১৩৭৯ ঈসায়ী) কালজয়ী কিতাব
جنى الجنتين في شرف الليلتين: ليلة القدر - ليلة المولد
অর্থ: “দুই রাতের মর্যাদা সম্পর্কে দুই জান্নাতের ফল, পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর শরীফ ও পবিত্র লাইলাতুল মাওলিদ শরীফ (মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফ) রাত মুবারক। সম্মানিত দুই রাত মুবারক উনার শ্রেষ্ঠত্বের পক্ষে দলীল সমূহ, যা দৈনিক আল ইহসান পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হচ্ছে- আলহামদুলিল্লাহ!
দলীদসমূহ:
ফতওয়া মূল নিজের কিতাব- আল-রাসায়িলুল কুবরা- লেখক: হযরত আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনু আবি ইসহাক ইবনু আব্বাদ আন-নাফযী মালিকী রহমতুল্লাহি আলাইহি ( বিলাদত শরীফ-৭৩৩ হিজরী- বিছাল শরীফ- ৭৯২ হিজরী )
২. আল-মি‘ইয়ারুল মু‘রাব ওয়াল-জামি‘উল মুগরিব- কিতাবের ১১ তম খ-, ২৭৮ পৃষ্ঠা লেখক: হযরত আবুল আব্বাস আহমদ ইবনু ইয়াহইয়া আল-ওয়ানশারিসী মালিকী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিলাদত শরীফ- ৮৩৪দ হিজরী- বিছাল শরীফ- ৯১৪ হিজরী)
৩. মাওয়াহিবুল জলীল লি-শারহি মুখতাসারি খলীল- কিতাবের ২য় খ-, ৫৬৮ পৃষ্ঠা - লেখক: হযরত শামসুদ্দীন মুহাম্মদ ইবনু মুহাম্মদ আল-হাত্তাব আর-রু‘য়াইনী মালিকী রহমতুল্লাহি আলাইহি ( বিলাদত শরীফ- ৯০২ হিজরী- বিছাল শরীফ ৯৫৪ হিজরী )
৪. নুহলাতুল লাবীব বি-আখবারির রিহলাতি ইলাল হাবীব- কবিতার কিতাবের ৪০-৪১ পৃষ্ঠায়- লেখক: হযরত আবুল আব্বাস আহমদ ইবনু খালিদ আন-নাসিরী মালিকী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিলাদত শরীফ ১২৫১ হিজরী- বিছাল শরীফ ১৩১৫ হিজরী)
-খন্দকার মুহম্মদ আরিফ হাসান।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মূর্তি নির্মাণ করা এবং নির্মাণে সমর্থন করা ও এর সাথে সশ্লিষ্টতা হারাম ও কুফরী (৯)
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
প্রায় ৭০০ বছর আগের ঐতিহাসিক ফতওয়া:
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- চার মাযহাবের যে কোন একটি মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয (৭৮)
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- চার মাযহাবের যে কোন একটি মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয (৭৭)
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মূর্তি নির্মাণ করা এবং নির্মাণে সমর্থন করা ও এর সাথে সশ্লিষ্টতা হারাম ও কুফরী (৮)
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- চার মাযহাবের যে কোন একটি মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয (৭৬)
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মূর্তি নির্মাণ করা এবং নির্মাণে সমর্থন করা ও এর সাথে সশ্লিষ্টতা হারাম ও কুফরী (৭)
০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মূর্তি নির্মাণ করা এবং নির্মাণে সমর্থন করা ও এর সাথে সশ্লিষ্টতা হারাম ও কুফরী (৬)
০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মূর্তি নির্মাণ করা এবং নির্মাণে সমর্থন করা ও এর সাথে সশ্লিষ্টতা হারাম ও কুফরী (৫)
১৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- চার মাযহাবের যে কোন একটি মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয (৭৫)
১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মূর্তি নির্মাণ করা এবং নির্মাণে সমর্থন করা ও এর সাথে সশ্লিষ্টতা হারাম ও কুফরী (৪)
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- চার মাযহাবের যে কোন একটি মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয (৭৪)
১০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












