SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%কুকুরকে%' OR titleBn LIKE '%কুকুরকে%' OR descriptionEn LIKE '%কুকুরকে%' OR descriptionBn LIKE '%কুকুরকে%' OR slug LIKE '%কুকুরকে%' OR metaTag LIKE '%কুকুরকে%' OR metaDescription LIKE '%কুকুরকে%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
আল ইহসান ডেস্ক:
ইসরায়েলি কারাগার ও আটককেন্দ্রগুলোতে ফিলিস্তিনি বন্দীদের ওপর পদ্ধতিগত নির্যাতন এবং অশালীন সহিংসতার ভয়াবহ অভিযোগ উঠে এসেছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক অনুসন্ধানী তথ্যচিত্রে।
‘বডিজ অব এভিডেন্স: ইসরায়েলস ডার্কেস্ট ওয়েপন’ শীর্ষক ওই তথ্যচিত্রে সাবেক বন্দীদের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে দাবি করা হয়েছে, বন্দীদের ভয় দেখানো ছাড়াও অপমান ও অশালীন নির্যাতনের অংশ হিসেবে কুকুর ব্যবহার করা হতো।
গাজার খান ইউনিসের বাসিন্দা মোহাম্মদ জাকি আল-বাকরি প্রায় ২০ মাস বিভিন্ন ইসরায়েলি কারাগারে বন্দী ছিলেন। আল-জাজিরাকে দেও বাকি অংশ পড়ুন...
কুকুরকে পানি পান করানোর কারণে বনি ইসরাঈলের এক মহিলা জান্নাতের সুসংবাদ পেয়েছিলেন -এ ঘটনা অনেকেই জানেন। তাই অনেকে কুকুরের প্রতি আদর-যতœ প্রদর্শন করতে চান। ভালো কথা। তবে একজন মুসলিম হিসেবে কুকুর সম্পর্কে দ্বীন ইসলাম কী শিক্ষা দিয়েছে, তা জানা ও মানা প্রয়োজন।
প্রথমে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার প্রাধান্যক্রম সম্পর্কে জানা দরকার। একটি মৌলিক উসূল (মূলনীতি) হলো- “মহান আল্লাহ পাক তিনি দুনিয়ার সবকিছু মানুষের খিদমতের জন্য সৃষ্টি করেছেন।” (পবিত্র সূরা বাকারা শরীফ : ২৯) এ কারণে দ্বীন ইসলামে মানুষের কল্যাণ ও নিরাপত্তাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দে বাকি অংশ পড়ুন...
গাইবান্ধা সংবাদদাতা:
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে একটি পাগলা কুকুড়ের কামড়ে সুলতানা বেগম নামের আরও এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে একই ঘটনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো তিন নারী ও দুইজন পুরুষসহ ৫ জনে। এ ঘটনায় আহত রয়েছেন নারী ও শিশুসহ আরও ৮ জন। একই ঘটনায় একের পর এক মৃত্যুর কারণে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে আহতদের পরিবারের সদস্যরা। একই সাথে উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছে পুরো গ্রামসহ আশেপাশের এলাকার মানুষ।
গতকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) সর্বশেষ উপজেলার কঞ্চিবাড়ি ইউনিয়নের ধুবনী বাজার এলাকার নিজ বাড়িতে সুলতানা বেগমের মৃত্যু হয়। গত ২২ এপ্রিল তিনি সকালে বেওয়ারিশ এ বাকি অংশ পড়ুন...
কুকুরপূজারীদের কুফরী আক্বীদার দলীলভিত্তিক খ-নমূলক জবাব:
কুকুর পূজারীরা যদি মুসলমান হয়ে থাকে তাহলে তাদেরকে অবশ্যই মহাপবিত্র শরীয়ত উনার হুকুম অনুযায়ী আমল করতে হবে। একটা বিষয় মনে রাখতে হবে যে, মহান আল্লাহ পাক তিনি পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবকিছু সৃষ্টি করেছেন মানুষের উপকারের জন্য। যেমন-
১ম দলীল:
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
هُوَ الَّذِىْ خَلَقَ لَكُمْ مَا فِى الْاَرْضِ جَمِيْعًا
অর্থ : তিনি সেই মহান আল্লাহ পাক যিনি যমীনে যা কিছু আছে সমস্ত কিছু তোমাদের (উপকারের) জন্য সৃষ্টি করেছেন। সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা বাক্বারা : আয়াত শরীফ ২৯)
অথচ ক বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
৪র্থ দলীল:
কিতাবে আরো বর্ণিত রয়েছে-
اِنَّمَا لَا تَدْخُلُ الْمَلَائِكَةُ بَيْتًا فِيْهِ كَلْبٌ اَوْ صُوْرَةٌ مِمَّا يُحَرَّمُ اِقْتِنَاؤُهٗ مِنَ الْكِلَابِ وَالصُّوَرِ وَاَمَّا مَا لَيْسَ بِحَرامٍ مِّنْ كَلْبِ الصَّيْدِ وَالزَّرْعِ وَالْمَاشِيَةِ
অর্থ : (নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,) রহমত উনার ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা ঐ ঘরে প্রবেশ করেন না, যেখানে কুকুর অথবা মূর্তি-ছবি রয়েছে। যা থেকে কুকুর লালন-পালন করা এবং ছবি-মূর্তি রাখা হারাম সাব্যস্ত হয়েছে। আর শিকারের এবং ক্ষেত-খামার, শস্যাদি ও উট, ভেড়া, মেষ-দুম বাকি অংশ পড়ুন...
এ সম্পর্কে বলা হয় একটা ওয়াক্বিয়া, হযরত খলীলুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সময় সেটা প্রকাশ পায়। যে, হযরত ইবরাহীম খলীলুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি অনেক সম্পদশালী ছিলেন। উনার অনেক জায়গা, যমীন, সম্পদ অনেক ছিলো। উনার এই সম্পত্তি পাহারা দেয়ার জন্য, পশুপাল পাহারা দেয়ার জন্য দশ হাজার কুকুর ছিলো। দশ হাজার কুকুর। আর প্রত্যেকটা কুকুর চিহ্নিত করার জন্য স্বর্ণের লকেট পরানো ছিলো। স্বর্ণের লকেট। এটা উনার কুকুরকে চিনার জন্য পাহারাদার হিসেবে, দশ হাজার কুকুর। তিনি প্রায়ই বের হতেন দেখার জন্য উনার জায়গা-যমীন, এই পশুপাল ইত্যাদি।
একদিন হযরত খলীলুল্লাহ বাকি অংশ পড়ুন...
উল্লেখ্য আক্রমণকারী কুকুর সব জায়গায় ও সর্বাবস্থায় নিধন করা জায়েয:
১ম দলীল:
এ সম্পর্কে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ اَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ خَمْسٌ مِّنَ الدَّوَابِّ لَيْسَ عَلَى الْمُحْرِمِ فِىْ قَتْلِهِنَّ جُنَاحٌ اَلْغُرَابُ وَالْحِدَاَةُ وَالْعَقْرَبُ وَالْفَأْرَةُ وَالْكَلْبُ الْعَقُوْرُ
অর্থ : হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। (তিনি বলেন) নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশ বাকি অংশ পড়ুন...
৩য় দলীল:
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ مُغَفَّلٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ اَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَمَرَ بِقَتْلِ الْكِلَابِ ثُمَّ قَالَ مَا لَهُمْ وَلَهَا فَرَخَّصَ فِىْ كَلْبِ الصَّيْدِ وَفِىْ كَلْبِ الْغَنَمِ
অর্থ : হযরত ইবনে মুগাফফাল রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। (তিনি বলেন,) নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নির্দেশ মুবারক দিতেন কুকুরসমূহ হত্যা করার জন্য। অতঃপর ইরশাদ মুবারক করেন, মানুষের এবং কুকুরসমূহের কি হলো? তারপর তিনি শিকারী কু বাকি অংশ পড়ুন...
সে আরো দোয়া করলো, কান্নাকাটি করলো, তারপর সে তার মাথা উত্তোলন করলো এবং সামনে বসা হযরত হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কাছে গিয়ে সালাম দিয়ে বললো, হুযূর! আমাকে আপনি চিনেছেন?
হযরত হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি বললেন, “কে তুমি”?
আপনার কি স্মরণ নেই, বছরার বাজারে একবার এক ইহুদী মহিলা, একটা কুকুরকে রুটি খাওয়াচ্ছিলো, আপনি নিষেধ করেছিলেন। আমি সেই মহিলা। আমি বলেছিলাম, হুযূর! মহান আল্লাহ পাক তিনিতো দিলের খবর রাখেন।
হযরত হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, তুমি কি সেই মহিলা? মহিলা বললো, হুযূর! আমি যে দান করেছিলাম তার বদৌলতে মহান আল্ বাকি অংশ পড়ুন...
ঐ কুলি ছেলেটি আবার মাছটা নিয়ে বাড়ীতে পৌঁছায়ে দিয়ে পারিশ্রমিক নেয়ার পর বললো, আমাকে তাহলে এখন চলে যাওয়ার এজাযত দেন।
কিন্তু বুযুর্গ ব্যক্তির স্ত্রী ঘটনাটা শুনার পর বললেন, তাহলে এক কাজ করেন, এই কুলি ছেলেটাকে দাওয়াত দেন। সেও আমাদের সাথে মাছ খাবে।
কিন্তু সেই কুলি ছেলেটি বললো, আমি একবার যেখানে যাই দ্বিতীয়বার সেখানে যাই না আর আমি আজকে রোযা। তখন সেই বুযুর্গ ব্যক্তি বললেন, তাহলে তুমি এক কাজ করো, আমাদের সাথে ইফতারী করে যাও। সে বললো, তাহলে আমি আপনাদের বাড়ীর নিকটে যে মসজিদ, সেখানে অপেক্ষা করতে থাকি। মাগরিবের ওয়াক্ত হলে ইফতারীর পরে খাওয়া-দ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কা’বা শরীফ উনার গিলাফ মুবারকে ঝুলে থেকেও শেষ রক্ষা হলো না:
ইবনে খ্বাতাল নামক এক ব্যক্তি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকে কটূক্তি করতো। পবিত্র মক্কা শরীফ বিজয়ের দিন এ কারণেই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তাকে হত্যা করার নির্দেশ মুবারক দেন। এ বিষয়ে পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত রয়েছে। হযরত আনাস ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন-
أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دَخَلَ عَامَ الْفَتْحِ وَعَلَى رَأْسِهِ الْمِغْفَرُ فَلَمَّا نَزَع বাকি অংশ পড়ুন...












