SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%কণা%' OR titleBn LIKE '%কণা%' OR descriptionEn LIKE '%কণা%' OR descriptionBn LIKE '%কণা%' OR slug LIKE '%কণা%' OR metaTag LIKE '%কণা%' OR metaDescription LIKE '%কণা%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
ইন্দোনেশিয়ার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের বন ও পিটভূমির দাবানলের কারণে সৃষ্ট কালো ধোঁয়ায় বায়ুদূষণ ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছে। এর জেরে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) মালয়েশিয়ার সারাওয়াক রাজ্যের সেরিয়ান জেলায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম জানিয়েছেন, মালয়েশিয়ার রাজা সুলতান ইব্রাহিম জরুরি অবস্থা ঘোষণার অনুমোদন দিয়েছেন।
শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রাখবে এবং জনসাধারণের জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ দ্রুত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করব বাকি অংশ পড়ুন...
ঐতিহাসিক স্মৃতির ক্যানভাসে কিছু স্থান কেবল ইট-পাথরের দেওয়াল হয়ে থাকে না; তারা হয়ে ওঠে একটি জাতির আত্মপরিচয় ও চেতনার জন্মভূমি। বাংলাদেশের বিগত ৩০০ বছরের রাজনৈতিক ও সামাজিক ইতিহাসের মোড় ঘোড়ানো স্থানগুলোর পানে তাকালে, একটি নাম সমস্ত নীরবতা ভেদ করে অত্যন্ত স্বমহিমায় ও বিষাদময় আত্মমর্যাদায় ভেসে ওঠে-ইশরাত মঞ্জিল। এটিকে কেবল একটি স্থাপত্য হিসেবে দেখা ইতিহাসের প্রতি চরম অন্যায্যতা। ইশরাত মঞ্জিল ছিল বস্তুত একটি রূপান্তরের যুদ্ধক্ষেত্র, উপমহাদেশের মুসলমানদের নিজেদের হারিয়ে যাওয়া আত্মপরিচয় ও রাজনৈতিক সত্তাকে নতুন করে খুঁজে পা বাকি অংশ পড়ুন...
১৯৯৬ সালে প্রথম জিএম ফসলের চাষ ও বাজারজাত শুরু হয় আমেরিকায়। সে সময় ১.৭ মিলিয়ন হেক্টর জমি চাষ হয়েছিল। বাংলাদেশে জিএম ফসলের চাষ শুরু না হলেও, নানারকম বিদেশি দ্রব্যের আমদানির মাধ্যমে দেশের বাজারে প্রবেশ করেছে জিএম ফসল। এর মধ্যে রয়েছে বিটি বেগুন, গোল্ডেন রাইস, সয়াবিন ইত্যাদি।
বিটি বেগুন হলো- ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা প্রতিরোধী বেগুন, যা জিন প্রকৌশলের মাধ্যমে তৈরি করা এক ধরনের জিএম ফসল। অনেকে মনে করেন বায়োটেকনোলজি শব্দ থেকে বিটি বেগুনের নামকরণ করা হয় যা সঠিক নয়। বিটি হলো- ইধপরষষঁং ঞযঁৎরহমবহংরং (বেসিলাস থুরেনজেনসিস)-এর সংক্ষিপ্ত নাম। বাকি অংশ পড়ুন...
১৯৯৬ সালে প্রথম জিএম ফসলের চাষ ও বাজারজাত শুরু হয় আমেরিকায়। সে সময় ১.৭ মিলিয়ন হেক্টর জমি চাষ হয়েছিল। বাংলাদেশে জিএম ফসলের চাষ শুরু না হলেও, নানারকম বিদেশি দ্রব্যের আমদানির মাধ্যমে দেশের বাজারে প্রবেশ করেছে জিএম ফসল। এর মধ্যে রয়েছে বিটি বেগুন, গোল্ডেন রাইস, সয়াবিন ইত্যাদি।
বিটি বেগুন হলো- ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা প্রতিরোধী বেগুন, যা জিন প্রকৌশলের মাধ্যমে তৈরি করা এক ধরনের জিএম ফসল। অনেকে মনে করেন বায়োটেকনোলজি শব্দ থেকে বিটি বেগুনের নামকরণ করা হয় যা সঠিক নয়। বিটি হলো- ইধপরষষঁং ঞযঁৎরহমবহংরং (বেসিলাস থুরেনজেনসিস)-এর সংক্ষিপ্ত নাম। বাকি অংশ পড়ুন...
মানবদেহের রক্তে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি গুরুতর হৃদরোগ, বিশেষ করে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে বলে নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে।
ইতালিতে পরিচালিত গবেষণার ফলাফল পর্যালোচনা করে জানা যায়, হৃদরোগে আক্রান্ত বেশ কয়েকজন রোগীর রক্তে মাইক্রোপ্লাস্টিক কণার উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে।
গবেষণাটি মাইক্রোপ্লাস্টিক ও হৃদরোগের মধ্যে সম্ভাব্য সম্পর্কের ইঙ্গিত দেয়। তবে এটি সরাসরি কারণ হিসেবে প্রমাণিত হয়নি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে পরিবেশের প্রায় সব জায়গাতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক ছড়িয়ে পড়েছে। ফলে মানুষের জন্য এসব কণার স বাকি অংশ পড়ুন...
দৈনন্দিন জীবনে প্লাস্টিকের ব্যবহার বেড়েছে। এদিকে পাল্লা দিয়ে মানুষের মস্তিষ্কে বাড়ছে অতিক্ষুদ্র প্লাস্টিকের কণা।
গবেষকরা বলছে, মানুষের শরীর প্রয়োজনীয় ফ্যাটি অ্যাসিড তৈরি করতে পারে না। এই উপাদান খাবারের মতো বাহ্যিক উপাদান থেকে গ্রহণ করে। এদিকে প্লাস্টিক ফ্যাট বা লিপিড পছন্দ করে। মানুষ খাবারের মাধ্যমে যে ফ্যাট গ্রহণ করে সেগুলোর সঙ্গে ন্যানো প্লাস্টিক মানুষের শরীরে প্রবেশ করে এবং ধীরে ধীরে তা মস্তিষ্কসহ অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গে পৌঁছে যায়।
সিএনএন-এর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের শুরুর দিকে কয়েকজন মানুষের শরীর বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
খাদ্য, পানি, বাতাস, প্রসাধনী, ইলেকট্রিক পণ্যসহ নানান উৎসের মাধ্যমে মানুষের শরীরে প্রবেশ করছে মাইক্রোপ্লাস্টিক। সাম্প্রতিক গবেষণায় টুথপেস্টেও মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি মিলেছে। এই ক্ষুদ্র কণা মানুষের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে জমা হলেও এর সম্ভাব্য ক্ষতি সম্পর্কে এখনো কোনো বৈজ্ঞানিক তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন গবেষক।
জনস্বাস্থ্যের গুরুত্বপূর্ণ এ বিষয়টি নিয়ে কথা হয় আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর,বি) গবেষক ড. মাহবুবুর রহমানের সঙ্গে।
জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টি বাকি অংশ পড়ুন...
বিশেষ সংবাদদাতা সংবাদদাতা:
আন্তর্জাতিক সব মানদ- অনুসরণ করেই সব ধরনের টুথপেস্টের অনুমোদন দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) প্রকাশনা শাখার সম্পাদক মঈনুদ্দীন মিয়া।
তিনি টুথপেস্টের মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ে জনগণকে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘বৈজ্ঞানিক যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে বিএসটিআই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।’
তিনি জোর দিয়ে বলেন, যে কোনো পরীক্ষায় প্লাস্টিকজাত ক্ষুদ্র কণা পাওয়া গেলেই সেটি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের ইচ্ছাকৃত সংযোজন বা মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশের বাজারে বিক্রি হওয়া ৩৪টি টুথপেস্টের ২৬টিতেই ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্টে সর্বনি¤œ ২০টি থেকে সর্বোচ্চ ৩২০টি পর্যন্ত প্লাস্টিক কণা মিলেছে, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্লাস্টিকের কণা পাওয়া গেছে ‘মেডিপ্লাস ফ্লুরিড জেল’-এ।
এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (এসডো) দীর্ঘ ১ বছর ধরে গবেষণা চালিয়ে গতকাল ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) নিজস্ব কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে।
এসডো জানায়, সারাদেশের ২ হাজার ৭৬০ জন ভোক্ বাকি অংশ পড়ুন...
সংস্থাটির গবেষণায় প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্টে ২০ থেকে ৩২০টি পর্যন্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা শনাক্ত হয়েছে। এ অবস্থায় জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিকের জন্য জাতীয় মানদণ্ড প্রণয়ন এবং কঠোর নজরদারির আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ে আগে কোনো বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা বা নিয়মিত নজরদারি ছিল না। এ প্রেক্ষাপটে ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত দেশব্যাপী গবেষণাটি পরিচালনা করা হয়। এতে ভোক্তা জরিপ, ল্যাবরেটরি পরীক্ষা এবং নিয়ন্ত্র বাকি অংশ পড়ুন...












