SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ইমামে%' OR titleBn LIKE '%ইমামে%' OR descriptionEn LIKE '%ইমামে%' OR descriptionBn LIKE '%ইমামে%' OR slug LIKE '%ইমামে%' OR metaTag LIKE '%ইমামে%' OR metaDescription LIKE '%ইমামে%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
ফজর নামাযে ‘কুনূতে নাযিলা’ পড়া জায়িয নেই
হানাফী মাযহাবের ফতওয়া হলো, একমাত্র বিতর নামায ব্যতীত অন্য কোন নামাযে ‘কুনূত’ পড়া জায়িয নেই। জমহুর উলামায়ে কিরামও এ মতেরই প্রবক্তা। সুতরাং হানাফী মাযহাবের ফতওয়া মুতাবিক ফজরের নামাযে ‘কুনূতে নাযিলা’ পাঠ করা নাজায়িয এবং নামাযের বাইরের জিনিস পাঠ করার কারণে নামায ফাসিদ বা বাতিল হওয়ার কারণ।
যেমন, এ প্রসঙ্গে “শরহে মায়ানিল আছার” (তাহাবী শরীফ) নামক কিতাবে উল্লেখ আছে যে-
لَايَنْبَغِى الْقُنُوْتُ فِى الْفَجْرِ فِىْ حَالِ حَرْبٍ وَلَاغَيْرِهٖ وَهٰذَا قَوْلُ اَبِىْ حَنِيْفَةَ وَاَبِىْ يُوْسُفَ وَمُـحَمَّدٍ رَحِـمَهُمُ اللهُ.
অর্থ : যুদ্ধঠবাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কে, উনার সম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম অর্থাৎ উনার সম্মানিত আব্বা-আম্মা আলাইহিমাস সালাম উনাদের সম্পর্কে, উনার সম্মানিতা আওয়াজে মুত্বহহারাত হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সম্পর্কে এবং উনার সম্মানিত আওলাদ হযরত আবনা আলাইহিমুস সালাম ও হযরত বানাত আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সুমহান শান বা মর্যাদার খিলাফ আচরণ যারা প্রকাশ করবে, উনাদের সম্পর্কে কটুক্তি করবে, সমালোচনা করবে, ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশ করবে, অবমাননাকর বা অসম্মানসূঠবাকি অংশ পড়ুন...
৩৬। কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ কিবলা কোন বিষয়ে তলব করলে তৎক্ষনাৎ উনার ডাকে সাড়া দিবে।
কেউ কেউ বলেন যে, আলোচ্য হাদীছ শরীফের হুকুম আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্য খাছ। অর্থাৎ তিনি কোন বিষয়ে আহবান করলে নামায ভঙ্গ করে উনার ডাকে সাড়া দেয়া ফরজে আইন।
তবে বিশুদ্ধ মতে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ডাকে সাড়া দেয়া তো অবশ্যই ফরজ; সাথে সাথে উনার নায়েব, হক্কানী-রব্বানী আলিম তথা হক্কানী শায়েখ উনাদের ডাকেও সাড়া দেয়া আবশ্ বাকি অংশ পড়ুন...
৩৫। কাছরাতুস্ সুওয়াল বা অধিক জানতে চাওয়া কিংবা অপ্রয়োজনীয় প্রশ্ন করা থেকে বিরত থাকবে।
রঈসুল মুফাসসিরীন, হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি আরো বলেন, “হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা কেবল সেই সব সুওয়াল করতেন যা ছিলো উনাদের জন্য উপকারী।” অর্থাৎ একান্ত জরুরী এবং যা উপকারী সে সকল জরুরী মাসয়ালা-মাসায়েল জিজ্ঞাসা করা উচিত। তার দ্বারা যেমন নিজে উপকৃত হবে তদ্রুপ অন্যান্যরাও ফায়দা হাছিল করবে। আর এটা নিন্দনীয় নয় বরং প্রশংসনীয়।
কেননা, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন-
فَاسْأَلُوا أَهْلَ الذِّكْرِ Ø বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত হানাফী মাযহাব উনার মহাসম্মানিত ইমাম হযরত ইমামে আ’যম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি:
هٰذَا حَضْرَتْ اَلْاِمَامُ الْاَعْظَمُ النُّعْمَانُ بْنُ ثَابِتٍ اَلْكُوْفِىُّ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ اَلْـمُتَوَفّٰى سَنَةَ خَمْسِيْنَ وَمِائَةٍ هِجْرِيَّةً اَقْدَمُ الْاَئِمَّةِ فَضْلًا وَاَحْوَطُهُمْ لِلدِّيْنِ حِفْظًا وَاَبْدَعُهُمْ فِى الشَّرِيْعَةِ وَاَسْرَارِهَا عِلْمًا كَانَ يَحْضُرُ مَجَالِسَ تِلَاوَةِ السِّيْرَةِ النَّبَوِيَّةِ وَيَحْتَفِلُ يَوْمَ وُقُوْعِ مَوْلِدِهٖ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ رَّبِيْعِ الْاَوَّلِ كُلِّ سَنَةٍ وَلَهٗ فِىْ ذٰلِكَ مِنَ الْاَعْطِيَاتِ وَالْبَذْلِ مَا لَمْ يُوْصَفْ وَمِنْ مَدَائِحِهٖ فِى الرَّسُوْلِ الْاَعْظَمِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
অর্ঠবাকি অংশ পড়ুন...
৩৩। নিজ শায়েখ বা মুর্শিদ কিবলা উনার নিকট কখনো কারামত দেখতে চাইবে না। কারণ কোন মু’মিন কোন নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের নিকট মু’জিযা শরীফ দেখতে চাননি। (মাকতুবাতে ইমামে রব্বানী ২/৩০৬)
সাইয়্যিদুত তায়িফা, সুলতানুল মাশায়িখ, হযরত জুনাইদ বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার খাছ ফায়েজ-তাওয়াজ্জুহ পতিত হলো, হযরত আবূ বকর শিবলী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার উপর। অন্তরের যবনিকাগুলো অপসারিত হলো। উনার অন্তর চক্ষু খুলে গেলো। তিনি সাইয়্যিদুত তায়িফা, হযরত জুনাইদ বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করেন। (তাযকিরাতুল আউলিয়া)
সুতরাং ক বাকি অংশ পড়ুন...
৩৩। নিজ শায়েখ বা মুর্শিদ কিবলা উনার নিকট কখনো কারামত দেখতে চাইবে না। কারণ কোন মু’মিন কোন নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের নিকট মু’জিযা শরীফ দেখতে চাননি। (মাকতুবাতে ইমামে রব্বানী ২/৩০৬)
যারা হাকীকী মুরীদ তারা কখনো স্বীয় মুর্শিদ কিবলা উনার নিকট কারামত দেখতে চায় না। আর শায়েখ উনার পক্ষ থেকে কারামত মুবারক প্রকাশিত হওয়ার প্রয়োজনও অনুভব করে না। কারণ তাদের উদ্দেশ্য কারামত বা অলৌকিক ঘটনা নয় বরং তাদের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য হচ্ছে, মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার সম্মানিত হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহঠবাকি অংশ পড়ুন...
পূর্ব প্রকাশিতের পর
পবিত্র সামা শরীফ সম্মানিত শরীয়তসম্মত তো অবশ্যই বরং মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত:
ভারতের আজমীর শরীফ-এ শুয়ে আছেন ৭ম হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, সুলত্বানুল হিন্দ, খাজা গরীবে নেওয়াজ হাবীবুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি (৫৩৬-৬৩৩ হিজরী) এবং দিল্লীতে রয়েছেন ৮ম হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, মাহবূব-ই-ইলাহী হযরত নিযামুদ্দীন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি (৬৩৫-৭২৫ হিজরী) উনারা। এই মহান মুজাদ্দিদদ্বয় রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার অনুসরণে পবিত্র হামদ-নাত শরীফ ও ক্বাছীদা শরীফ শুনতেন এবং পবিত্র বাকি অংশ পড়ুন...
রুকূ-সিজদায় যাওয়ার ও উঠার সময়
হাত উত্তোলন বা রফা’ ইয়াদাইন না করা
নামাযের মধ্যে দুই হাত উঠানোকে রফা’ ইয়াদাইন বলা হয়। সম্মানিত ইসলামের প্রাথমিক যুগে কয়েক স্থানে রফা’ ইয়াদাইন করার নিয়ম ছিল। অতঃপর প্রথম তাকবীরকালীন রফা’ ইয়াদাইন ব্যতীত অন্যান্য সমস্ত স্থানের রফা’ ইয়াদাইন মানসূখ (রহিত) হয়ে গেছে। কাজেই সাধারণভাবে তাকবীরে তাহরীমা কালীন ব্যতীত নামাযের মধ্যে আর কোন স্থলে রফা’ ইয়াদাইন বা দুই হাত উত্তোলন করা যাবে না। তবে বিতির নামাযে দোয়ায়ে কুনুত পাঠের পূর্বে দুই হাত উত্তোলন করা জায়িয।
মীলাদ শরীফ ও ক্বিয়াম শরীফ বিরোধী
ইমামের পিছনে à বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কে, উনার সম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম অর্থাৎ উনার সম্মানিত আব্বা-আম্মা আলাইহিমাস সালাম উনাদের সম্পর্কে, উনার সম্মানিতা আওয়াজে মুত্বহহারাত হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সম্পর্কে এবং উনার সম্মানিত আওলাদ হযরত আবনা আলাইহিমুস সালাম ও হযরত বানাত আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সুমহান শান বা মর্যাদার খিলাফ আচরণ যারা প্রকাশ করবে, উনাদের সম্পর্কে কটুক্তি করবে, সমালোচনা করবে, ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশ করবে, অবমাননাকর বা অসম্মানসূঠবাকি অংশ পড়ুন...
কৃষিজাত পণ্য, ফল ও ফসলের যাকাতকে ইসলামী পরিভাষায় উশর বলে। উশর প্রদান করা যাকাত-এর মতোই ফরয। ইমামে আ’যম হযরত ইমাম আবূ হানীফা রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার মতে যদি বিনা পরিশ্রমে প্রাকৃতিক উপায়ে কোন কৃষিজাত পণ্য, ফল ও ফসল উৎপাদিত হয় তবে ঐ ঊৎপাদিত কৃষিজাত পণ্য, ফল ও ফসল এর দশ ভাগের এক ভাগ উশর হিসেবে দিতে হবে। আর যদি পরিশ্রম করে কোন কৃষিজাত পণ্য, ফল ও ফসল ফলানো হয়, তবে নিছফে উশর অর্থাৎ বিশ ভাগের এক ভাগ দিতে তবে। উশর আদায় না করে নিজে সে ফসল ভোগ করা হারাম হবে, গুনাহ হবে। উশর দিতেই হবে। যাকাত প্রদান করলে যেমন মাল সম্পদ বৃদ্ধি পায় এবং পবিত্রতা হাসিঠবাকি অংশ পড়ুন...












