SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%আযানে%' OR titleBn LIKE '%আযানে%' OR descriptionEn LIKE '%আযানে%' OR descriptionBn LIKE '%আযানে%' OR slug LIKE '%আযানে%' OR metaTag LIKE '%আযানে%' OR metaDescription LIKE '%আযানে%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মহান আল্লাহ পাক তিনি খ¦ইরে কাছীর বা সর্বপ্রকার খায়ের ও বরকত ভালাইয়ের মালিক ও বন্টনকারী মনোনীত করেছেন। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বিভিন্ন উছীলায় উম্মতকে খ¦ইরে কাছীর হাদিয়া করেন। যার বিশেষ উদাহরণ হলেন- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র নাম মুবারক আযানে শুনে অঙ্গুলি চুম্বন করা ও চোখে বুছা দেয়া।
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া বাকি অংশ পড়ুন...
“মুয়াত্তা ইমাম মালিক” কিতাবের ২৩ পৃষ্ঠার ৪ নং হাশিয়ায় উল্লেখ আছে,
قوله صلى الله عليه وسلم فقولوا مثل ما يقول اى وجوبا عند حَضْرَتْ ابى حنيفة رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ وندبا عند الشافعى.
অর্থাৎ, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, যখন তোমরা আযান শুনবে, তখন মুয়াজ্জিন যেরূপ বলে তোমরাও অনুরূপ বল। অর্থাৎ এই পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ভিত্তিতে আমাদের হানাফী মাযহাবের ইমাম, ইমামে আ’যম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট মৌখিকভাবে আযানের জাওয়াব দেয়া ওয়াজিব। আর শাফিয়ী মাযহাবে মুস্তাহাব।
পবিত্র আযান উনার জা বাকি অংশ পড়ুন...
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
قُلْ إِنْ كُنْتُمْ تُحِبُّوْنَ اللهَ فَاتَّبِعُوْنِي يُحْبِبْكُمُ اللهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوْبَكُمْ وَاللهُ غَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ.
অর্থ: “আয় আমার মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, যদি তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে মুহব্বত করো বা মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত হাছিল করতে চাও, তবে তোমরা আমার অনুসরণ করো। তাহলে মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদেরকে মুহব্বত করবেন এবং তোমাদের গুনাহখাতা ক্ষমা করে দিবেন। আর মহান আল্লাহ পাক তিনি অত্যধিক ক্ষমাশীল ও দয়ালু।” (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ: বাকি অংশ পড়ুন...
সনটি ছিলো ১৩৪৪ খ্রিষ্টাব্দ। সিলেটের তৎকালীন হিন্দু শাসক গৌর গোবিন্দের রাজ্যের এক মহল্লায় ১৩টি মুসলিম পরিবার বাস করতেন। উনাদেরই একজন ছিলেন শেখ বুরহান উদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি। তিনি হিন্দু জালিম শাসক গৌর গোবিন্দের কারণে গোপনে সম্মানিত ইবাদত-বন্দেগী করতেন। কারণ, সেখানে প্রকাশ্যে মুসলমানদের জন্য সম্মানিত ইবাদত-বন্দেগী করা নিষিদ্ধ ছিলো। কেউই গরু জবেহ ও পবিত্র কুরবানী করতে পারতো না।
শেখ বুরহান উদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কোনো আওলাদ ছিলেন না। সন্তানের জন্য মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট দোয়া করে তিনি নিয়ত করলেন, যদি উনার একট বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত ইসলামী ইতিহাসের একটি বড় স্থান জুড়ে আছে ন্যায়বিচার, ইনসাফ এবং ক্ষমার দৃষ্টান্ত। মুসলমানদের ইনসাফপূর্ণ আচরণের মাধ্যমেই পথহারা বিধর্মীরা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করে সম্মানিত হয়েছিলো। এমনই একটি ইনসাফ, ন্যায়পরায়ণতা এবং ক্ষমার ঘটনা ঘটেছিলো আমিরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত খিলাফত মুবারককালে।
একদিন দু’জন সহোদর ভাই এক বালককে টেনে ধরে নিয়ে আসলো হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার কাছে। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, কেন ওই বালককে এভাবে ধরে নিয়ে আসা হয়েছে। উত্তরে তারা বললো, এই বালক বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ইমামুছ ছানী আলাইহিস সালাম তিনি প্রশ্নের জাওয়াব দিয়েছেন সেগুলো হলো-
সম্মান কাকে বলে?
জবাব মুবারক: বিপদের সময় ধৈর্য ধারণ করা এবং ন্যায় প্রতিষ্ঠাকরণের সময় ন্যায়ের পক্ষে ইস্তিকামত থাকা।
কুতুবুল আলম, আমীরুশ শরীয়ত, মাহতাবে তরীকত, মাহিউল বিদয়াহ, মুহ্ইস সুন্নাহ, মুজাদ্দিদুয যামান, হুজ্জাতুল ইসলাম, রঈসুল মুহাদ্দিছীন, ফখরুল ফুক্বাহা, তাজুল মুফাসসিরীন, সুলতানুল আরিফীন,
হযরত মাওলানা শাহ ছুফী আবুল খায়ের মুহম্মদ ওয়াজীহুল্লাহ নানুপূরী যাত্রাবাড়ীর হযরত মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম উনার সংক্ষিপ্ত সাওয়ানেহ উমরী মুবারক (২য় পর্ব)
তা’ বাকি অংশ পড়ুন...
জার্মানিতে পবিত্র মাহে রমাদ্বানের আমেজ আমাদের পরিচিত ইসলামী রাষ্ট্রগুলোর চেয়ে ভিন্ন। জার্মান মুসলমানদের বেশিরভাগ তুর্কি কিংবা তুরস্কের বংশোদ্ভূত। বাকিদের অধিকাংশই আরব বিশ্ব অথবা আফ্রিকার দেশগুলো থেকে আসা অভিবাসী। তাই এখানে রোযা পালনে থাকে বৈচিত্রের ছোঁয়া।
ইউরোপের অন্যান্য দেশের মুসলমানদের মতোই জাকজমক হয়ে থাকে জার্মান মুসলমানদের ইফতার। পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসে স্থানীয় মসজিদ অথবা মুসলিম কমিউনিটি হলগুলো হয়ে ওঠে জার্মানিতে বসবাসরত মুসলমানদের মিলন মেলা। এখানে খুবই কম মসজিদের সংখ্যা। সেই সাথে বিধর্মীদের রাষ্ট্রী বাকি অংশ পড়ুন...
সৌন্দর্যের অন্যতম নিদর্শন আল-আমান বাহেলা খাতুন জামে মসজিদ। যা রূপ নিয়েছে যমুনাপাড়ের সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার ঐতিহ্যে। মসজিদটির সৌন্দর্য উপভোগ করতে ছুটে আসেন দূর-দূরান্তের মুসল্লি ও দর্শনার্থীরা। এটি সিরাজগঞ্জ-এনায়েতপুর সড়কের মুকন্দগাঁতী নামক স্থানে অবস্থিত।
মসজিদটির আধুনিক নির্মাণশৈলী এক অনন্য দৃষ্টান্ত। কেবল নির্মাণ কৌশল আর দৃষ্টিনন্দন সৌন্দর্যের কারণে মসজিদটি এখন পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
জানা যায়, ২০২১ সালের ২ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হওয়া মসজিদটি গড়ে উঠেছে আড়াই বিঘা জমির ওপর। রহমত গ্রুপের চেয়ারম বাকি অংশ পড়ুন...
মাহে রমাদ্বানী চাঁদ ঐ গগনে
সাজবো নতুন করে এ মাস ক্ষনে
রহমত,মাগফিরাত আর নাজাতে
হাসবো নবায়নে আলোক বানে ।
সাহরী ক্ষণে খোদায়ী রিযিক গ্রহণ
প্রতি লোকমাতে জান্নাতী সাধ আস্বাদন
খুরমা দানায় পূর্ণতা পায় সুন্নাহ বাধন
অপার নেয়ামতে বান্দার নছীব জাগরণ
রোযার নিয়তে বরকতে ঐ জনে জনে
মাহে রমাদ্বানী চাঁদ ঐ গগনে
গুনাহ থেকে পরহিজ রাখেন রমাদ্বানে
প্রতি পলক জুড়ে যেন নববীসোপান
নফছ কে শেকল পরিয়ে ইছলাহতে সাজান
রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে যায় হক্বের আযান।
ইলাহা সাথে বান্দার নিছবত গোপনে
মাহে রমাদ্বানী চাঁদ ঐ গগনে
প্রতি নফলের বদলাতে ফরজের সওয়াব
ন বাকি অংশ পড়ুন...












