মহাসম্মানিত সুন্নত তরীক্বায় দোয়ার খাযীনাহ (৫)
, ১৪ মে, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) সুন্নত মুবারক তা’লীম
৬. পবিত্র ঈমানে মুজমাল শরীফ :
اٰمَنْتُ بِاللهِ كَمَا هُوَ بِاَسْمَائِهٖ وَصِفَاتِهٖ وَقَبِلْتُ جَمِيْعَ اَحْكَامِهٖ وَاَرْكَانِهٖ.
অর্থ : আমি মহান আল্লাহ পাক উনার উপর পবিত্র ঈমান আনলাম, যেরূপ তিনি উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নাম মুবারক ও গুণাবলী মুবারকসহ আছেন এবং উনার সমস্ত আহকাম ও আরকান মুবারকসমূহ কবুল করলাম।
৭. পবিত্র ঈমানে মুফাছছল শরীফ :
اٰمَنْتُ بِاللهِ وَمَلٰئِكَتِهٖ وَكُتُبِهٖ وَرُسُلِهٖ وَالْيَوْمِ الْاٰخِرِ وَالْقَدْرِ خَيْرِهٖ وَشَرِّهٖ مِنَ اللّٰهِ تَعَالٰى وَالْبَعْثِ بَعْدَ الْمَوْتِ.
অর্থ : আমি মহান আল্লাহ পাক উনার উপর, উনার হযরত ফেরেশ্তা আলাইহিমুস সালাম উনাদের উপর, উনার সম্মানিত কিতাব মুবারক উনাদের উপর, উনার হযরত রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের উপর, ক্বিয়ামত দিবসের উপর, মহান আল্লাহ তায়ালা উনার পক্ষ হতে নির্ধারিত তাক্বদীরের ভাল-মন্দের উপর এবং মৃত্যুর পর (পুনরায় কবরে ও হাশরে) জীবিত হওয়ার উপর সম্মানিত ঈমান আনলাম।
পবিত্র নামায উনার প্রয়োজনীয় দোয়াসমূহ :
পবিত্র আযানের পূর্বে দোয়া বা পবিত্র ছলাত শরীফ-পবিত্র সালাম শরীফ পাঠ করা অবশ্যই জায়িয বরং মুস্তাহাব-সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত, তবে কখনই আযানের মত উচ্চ আওয়াজে নয়। অর্থাৎ দোয়া বা পবিত্র ছলাত শরীফ-পবিত্র সালাম শরীফ স্বাভাবিক স্বরে বা স্বাভাবিক আওয়াজে পাঠ করে তারপর উচ্চ আওয়াজে আযান দিবে।
পবিত্র আযানের জাওয়াব :
পবিত্র আযানের জাওয়াব দেয়া ওয়াজিব।
আযানের বাক্য আযানের জাওয়াব
اَللهُ اَكْبَرُ اَللهُ اَكْبَرُ - اَللهُ اَكْبَرُ اَللهُ اَكْبَرُ اَللهُ اَكْبَرُ اَللهُ اَكْبَرُ - اَللهُ اَكْبَرُ اَللهُ اَكْبَرُ
اَشْهَدُ اَنْ لَّا اِلٰهَ اِلَّا اللهُ - اَشْهَدُ اَنْ لَّا اِلٰهَ اِلَّا اللهُ اَشْهَدُ اَنْ لَّا اِلٰهَ اِلَّا اللهُ - اَشْهَدُ اَنْ لَّا اِلٰهَ اِلَّا اللهُ
اَشْهَدُ اَنَّ مُحَمَّدًا رَّسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْكَ يَا رَسُوْلَ اللّٰهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
বলে চোখে বুছা দিবে অর্থাৎ বৃদ্ধাঙ্গুলীদ্বয়ের মাথার উপরিভাগ নখ চুম্বন করে উভয় চোখে লাগাবে।
اَشْهَدُ اَنَّ مُحَمَّدًا رَّسُوْلُ اللهِ قُرَّةُ عَيْنِىْ بِكَ يَا رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
বলে অনুরূপ চোখে বুছা দিবে। আর বুছা শেষ করে বলবে-اَللّٰهُمَّ مَتِّعْنِىْ بِالسَّمْعِ وَالْبَصَرِ
حَىَّ عَلَى الصَّلٰوةِ - حَىَّ عَلَى الصَّلٰوةِ لَا حَوْلَ وَلَاقُوَّةَ اِلَّا بِاللهِ الْعَلِىِّ الْعَظِيْمِ
حَىَّ عَلَى الْفَلَاحِ - حَىَّ عَلَى الْفَلَاحِ مَا شَاءَ اللهُ كَانَ مَالَمْ يَشَاءُ لَمْ يَكُنْ
اَلصَّلٰوةُ خَيْرٌ مِّنَ النَّوْمِ - اَلصَّلٰوةُ خَيْرٌ مِّنَ النَّوْمِ صَدَقْتَ وَبَرَرْتَ
اَللهُ اَكْبَرُ اَللهُ اَكْبَرُ اَللهُ اَكْبَرُ اَللهُ اَكْبَرُ
لَا اِلٰهَ اِلَّا اللهُ لَا اِلٰهَ اِلَّا اللهُ
পবিত্র আযানের পর মুনাজাত শরীফ :
اَللّٰهُمَّ ﺭَﺏَّ ﻫٰﺬِﻩِ ﺍﻟﺪَّﻋْﻮَةِ ﺍﻟﺘَّﺎﻣَّﺔِ وَﺍﻟﺼَّلٰوةِ ﺍﻟْﻘَﺎﺋِﻤَﺔِ اٰتِ سَيِّدَنَا مَوْلٰنَا ﻣُﺤَﻤَّﺪَنِ ﺍﻟْﻮَﺳِﻴْﻠَﺔَ ﻭَﺍﻟْﻔَﻀِﻴْﻠَﺔَ وَالدَّرَجَةَ الرَّفِيْعَةَ وَﺍﺑْﻌَﺜْﻪُ ﻣَﻘَﺎﻣًﺎ ﻣَّﺤْﻤُﻮْﺩَنِ ﺍﻟَّﺬِىْ ﻭَﻋَﺪْﺗَّﻪٗ وَارْزُقْنَا شَفَاعَتَهٗ يَوْمَ الْقِيَامَةِ اِﻧَّﻚَ ﻟَﺎ ﺗُﺨْﻠِﻒُ ﺍﻟْﻤِﻴْﻌَﺎدَ. صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ.
অর্থ: আয় মহান আল্লাহ পাক! এই পরিপূর্ণ আহ্বান এবং প্রতিষ্ঠিত ছলাত উনার মহান রব তায়ালা! আপনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মহান উছীলা মুবারক অর্থাৎ সম্মানিত জান্নাত মুবারক উনার একটি স্তর এবং মহান ফযীলত বা শ্রেষ্ঠত্ব মুবারক এবং সুউচ্চ মর্যাদা মুবারক অর্থাৎ সকল সৃষ্টির উপর মর্যাদা মুবারক হাদিয়া করুন। আর উনাকে মাক্বামে মাহমূদে অধিষ্ঠিত করুন, অর্থাৎ আপনিতো উনাকে সমস্ত কিছুর মালিক করেই সৃষ্টি মুবারক করেছেন। যার ওয়াদা মুবারক আপনি উনাকে দিয়েছেন। আর ক্বিয়ামত দিবসে উনার সম্মানিত শাফায়াত মুবারক আমাদেরকে দান করুন। নিশ্চয়ই আপনি ওয়াদা ভঙ্গ করেন না।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছানা-ছিফত মুবারক বর্ণনা করা, খিদমত মুবারক করা, সকল হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্মানিত সুন্নত মুবারক (৫)
১৯ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছানা-ছিফত মুবারক বর্ণনা করা, খিদমত মুবারক করা, সকল হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্মানিত সুন্নত মুবারক (৪)
১৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছানা-ছিফত মুবারক বর্ণনা করা, খিদমত মুবারক করা, সকল হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্মানিত সুন্নত মুবারক (৩)
১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছানা-ছিফত মুবারক বর্ণনা করা, খিদমত মুবারক করা, সকল হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্মানিত সুন্নত মুবারক (২)
১৬ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছানা-ছিফত মুবারক বর্ণনা করা, খিদমত মুবারক করা, সকল হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্মানিত সুন্নত মুবারক (১)
১৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
পবিত্র দ্বীনি মজলিসে বা মাহফিলে বসার মহাসম্মানিত সুন্নতী তরীক্বাহ
১৪ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
আপদ-বিপদ ও অনিষ্টতা থেকে মুক্তির জন্য ঘুমানোর পূর্বে আগুন/বাতি নিভিয়ে রাখতে হবে; যা মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত
১৩ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফের গুরুত্ব-ফযীলত ও মহাসম্মানিত সুন্নতী আমল মুবারক (২)
১২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফের গুরুত্ব-ফযীলত ও মহাসম্মানিত সুন্নতী আমল মুবারক (১)
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
অনিষ্টতা থেকে হিফাযতের জন্য খাবারের পাত্র ঢেকে রাখতে হবে; যা মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত
১০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলার জন্য আবশ্যক হচ্ছে, সর্বক্ষেত্রে মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক অনুযায়ী আমল করা
০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করার গুরুত্ব-ফযীলত ও খাছ সুন্নতী তারতীব
০৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












