SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%আদব%' OR titleBn LIKE '%আদব%' OR descriptionEn LIKE '%আদব%' OR descriptionBn LIKE '%আদব%' OR slug LIKE '%আদব%' OR metaTag LIKE '%আদব%' OR metaDescription LIKE '%আদব%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
প্রত্যেক পুরুষের জন্য যে ৬ ধরনের পোশাক পরিধান করা হারামঃ
পোশাক মানুষের সভ্যতার প্রথম নিদর্শন। মানুষের লজ্জা নিবারণের ভূষণ। কালের পরিবর্তনে পোশাকের রকম-ধরনেও নানা পরিবর্তন এসেছে। পবিত্র ওহী মুবারক উনার মাধ্যমে হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা মানুষকে তার পোশাক ও তা পরিধানের নিয়ম-কানুন বলে দিয়েছেন।
পুরুষের সতর হলো, নাভি থেকে নিয়ে হাঁটুর নীচ পর্যন্ত। তবে মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক হলো, এমন পোশাক পরিধান করা, যাতে তার প্রায় সমস্ত দেহ আবৃত হয়ে যায়।
তবে পুরুষের জন্যে ৬ ধরনের পোশাক পরিধান করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।-
১. পুরুষ বাকি অংশ পড়ুন...
সকলের জিন্দেগীর সমস্ত ইবাদত-বন্দেগী থেকেও সর্বশ্রেষ্ঠ এবং সর্বোত্তম ইবাদত মুবারক:
ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ছাহিবে নেয়ামত, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৩৫ হিজরী শরীফ উনার সম্মানিত রমাদ্বান শরীফ মাস উনার একবারে শেষের দিকে ই’তিকাফের সময় রাত্রে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ছোহবত মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “আমরা যখন অনন্তকাল বাকি অংশ পড়ুন...
খাবার খাওয়ার আদব সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
أَنَّهُ سَمِعَ حَضْرَتْ عُمَرَ بْنَ أَبِي سَلَمَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالٰي عَنْهُ يَقُولُ كُنْتُ غُلاَمًا فِي حَجْرِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَكَانَتْ يَدِي تَطِيشُ فِي الصَّحْفَةِ فَقَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَا غُلاَمُ، سَمِّ اللَّهَ وَكُلْ بِيَمِينِكَ وَكُلْ مِمَّا يَلِيكَ فَمَا زَالَتْ تِلْكَ طِعْمَتِي بَعْدُ
অর্থ: হযরত উমর ইবনে আবূ সালামা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি ছোট হিসাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ত বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠ করার নির্দেশ স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اِنَّ اللهَ وَمَلَائِكَتَه يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ ۚ يَا اَيُّهَا الَّذِينَ امَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا
অর্থ: “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে পবিত্র ছলাত বা পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠ করেন। হে ঈমানদার ব বাকি অংশ পড়ুন...
তুরস্কের উসমানীয় সালতানাত মুসলিম জাহানের ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের একটি কেন্দ্র ছিলো। সমগ্র মুসলিম জাহান তুর্কি সালতানাতকে কেন্দ্র করেই পরস্পরের প্রতি এক ভ্রাতৃত্বের বন্ধন অনুভব করতো তৎকালীন সময়ে। ইংরেজ ও ইহুদী ষড়যন্ত্রের ফলে তুরস্কের উসমানীয় সালতানাতের পতন হয় এবং মুসলিম জাহানের ঐক্য সূত্র ছিন্ন-ভিন্ন হয়ে যায়। তারপর থেকে মুসলমান দেশগুলো পরস্পরের সাথে বহুমুখী বিবাদে জড়িয়ে পড়ে। যার ভেতর কলকাঠি নেড়েছিলো কুখ্যাত ইহুদীরা।
তুরস্কের উসমানীয় সালতানাতের পতন ঘটানোর পর ইহুদীদের ক্রিড়নক কুখ্যাত কামাল পাশা তুরস্কের ২৫০০০ মুসলমানকে বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَرَفَعْنَا لَكَ ذِكْرَكَ
অর্থ: আমার মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি আপনার শান-মান, মর্যাদা, আলোচনা মুবারক বুলন্দ করেছি, উঁচু করেছি।
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান-মান মুবারক বহিঃপ্রকাশের লক্ষ কোটি মেছাল রয়েছে।
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান-মান মুবারক উপলব্ধি করার জন্য পবিত্র সূরা আল হুজু বাকি অংশ পড়ুন...
(৬ষ্ঠ পর্ব)
মানে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে তো সম্মান করতেনই। উনার নূরুল বারাকাত মুবারকও সম্মান করতেন। ওটাও নিয়ে নিতেন এবং ওইটা নিয়ে উনারা উনাদের চেহারা এবং শরীর মুবারকে মাখতেন। এবং উনাদেরকে যখন কোনো আদেশ মুবারক করতেন উনারা সঙ্গে সঙ্গে তা পালন করতেন। কোনো দেরী নেই। হ্যা; এবং তিনি যখন সম্মানিত ওযূ মুবারক করতেন তখন উনার ওযূ মুবারকের পানির জন্য ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা, উনি আরবীতে যে শব্দটা ব্যবহার করছিলেন كاد يبتدئ মানে হচ্ছে যুদ্ধ শুরু করে দিতেন। ওটা কে নিবেন এজন্য। তো, তিনি যখন এবং এর বাকি অংশ পড়ুন...
(৫ম পর্ব)
৫
আর এরপরে যেটা আলোচনা করা হইছে সেটা হলো- সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফে খরচ করা, এখন অনেক আলোচনা করা হয়েছে। এখন এটাতো অনেক ফযীলত; অনেক হাদীছ শরীফে আছে, যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তো বলেছেন,
مَنْ عَظَّمَ مَوْلِدِىْ وَهُوَ لَيْلَةُ اثْنَـىْ عَشَرَ مِنْ الشهر رَّبِيْع الْاَوَّلِ الشريف بِاتِّـخَاذِهٖ فِيْهَا طَعَامًا كُنْتُ لَهٗ شَفِيْعًا يَّوْمَ الْقِيَامَةِ
একটা হাদীছ শরীফে উনি বলছেন যে আমার বিলাদত শরীফ এই তারিখকে যে সম্মান করলো, যেটা এই সাইয়্যিদুশ শুহূর, শাহরুল আ’যম শরীফে উনার ১২ই শরীফ; কিভাবে? মেহমানদারি করার মাধ্ বাকি অংশ পড়ুন...
ফানা-বাক্বার বেনযীর দৃষ্টান্ত মুবারক
কাট্টা কাফির কা’ব বিন আশরাফকে হত্যা:
এই ঘটনাটি বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ, আবূ দাঊদ শরীফসহ বিভিন্ন হাদীছ শরীফ, সীরাত, তারীখ ও তাফসীরগ্রন্থে উল্লেখ রয়েছে।
কাট্টা কাফির কা’ব বিন আশরাফ ছিলো বনী নাযীর গোত্রের কুখ্যাত এক কবি। সে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শান মুবারক উনার খিলাফ কবিতা রচনা করতো। বিশেষ করে সম্মানিত বদর জিহাদ মুবারক উনার পর সে আরো বেশি করে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনা বাকি অংশ পড়ুন...












