"" পত্রিকা পর্যালোচনা-খবর প্রতিক্রিয়া"" ফ্যাসিস্ট হাসিনার বিরুদ্ধে কাজ করে ইলিয়াসের যা অর্জন সেটাকে পুঁজি করে ইলিয়াসের বর্তমান যে জবরদস্তি কার্যক্রম তথা ইলিয়াসী ফ্যাসিজম আরো ভয়ংকর, ক্ষতিকর এবং সর্বনাশী।
, ০২ ছফর শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২৯ ছানী, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৮ জুলাই, ২০২৫ খ্রি:, ১৪ শ্রাবণ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) মন্তব্য কলাম
পুলিশ প্রশাসনে একটা কথা প্রচলিত আছে। একজন ওসির পর্যবেক্ষণ, প্রতিক্রিয়া, কর্মকা-, আচার-ব্যবহার একজন ওসির মতই হবে।
আর একজন পুলিশ সুপার তথা ডিআইজি বা তদুর্ধ পুলিশ কর্মকর্তার উপলব্ধি, পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা, দূরদর্শীতা, আচার-আচরণ তদারুপই হবে।
প্রাসঙ্গিকভাবে একজন সাংবাদিক আর সম্পাদকের যোগ্যতা, দক্ষতা, দূরদর্শীতাও কিন্তু অনেক স্তরের তারতম্য বহন করে।
সাংবাদিকতা মূলত ফ্যাক্টস বা সত্যাশ্রয়ী পেশা। এখানে মন্তব্য বা মতামতের চেয়ে ফ্যাক্টের গুরুত্ব অনেক বেশি। ১৯২১ সালে দ্য গার্ডিয়ানের মন্তব্য করা হয়েছিলো- মন্তব্য অবারিত, ফ্যাক্টস পবিত্র।
নৈতিকতা ও মান সাংবাদিকতার অন্তঃপ্রাণ। সাংবাদিকতা ফ্যাক্টস বেইজড, ফিকশন বেইজড নয়।
সাংবাদিকের কাজ মূলত ফ্যাক্টসনির্ভর প্রয়াস।
প্রসঙ্গত সাংবাদিক ইলিয়াসের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞমহল মন্তব্য করেছেন- সাংবাদিক ইলিয়াস ‘অলটারনেটিভ ফ্যাক্টস’ এবং ‘পোস্ট ট্রুথ’-এর কল্পিত এক জগতে বাস করছেন এবং যে পোস্ট ট্রুথ করছেন তাতে আসল ঘটনা বা সত্যের বদলে তাদের আবেগ ও বিশ্বাসের ওপর নির্ভর করে তার নিজস্ব যুক্তিকে মানুষের উপর চাপিয়ে দিচ্ছেন।
পর্যবেক্ষকমহল বলছেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের মতই বর্তমান অর্ন্তবর্তী সরকারের সাংবাদিকতার অন্যতম প্রধান প্রবণতা হয়ে দাঁড়িয়েছে ক্ষমতার সঙ্গে নৈকট্য।
ক্ষমতার সঙ্গে থাকা, ক্ষমতার কাছাকাছি থাকার স্বভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কর্তৃত্ব বা ক্ষমতা চেক করার চেয়ে সুরক্ষা দিতে পারঙ্গম হয়ে উঠেছে সাংবাদিকতা।
উপস্থাপনার পদ্ধতি বস্তুনিষ্ঠ কি না, সেটাই বড় প্রশ্ন। এই যাচাই-বাছাই বা ভেরিফিকেশনকে বিল কোভাচ ও টম রোসেন্টিয়েল বলছেন সাংবাদিকতার ‘এসেন্স’-সারমর্ম। আমেরিকান প্রেস ইনস্টিটিউট বলছে, এটাই সাংবাদিকতাকে প্রোপাগান্ডা, বিজ্ঞাপন, ফিকশন বা বিনোদন থেকে আলাদা করে।
সমালোচক মহল বলছেন অতীতে ফারজানা - শাকিল, নাইমুল ইসলাম, নঈম নিজাম, মুজাম্মেল বাবু, ইকবাল সোবহানের মতই বর্তমানে পিনাকী - ইলিয়াসের মতো সাংবাদিকরা ক্ষমতাসীনদের সুবিধাভোগী হয়ে উঠছেন।
সাংবাদিক ইলিয়াস। সাংবাদিকতার আলোকে আলোচিত হয়েছেন। ফ্যাসিষ্ট সরকার বিরোধী সাংবাদিকতাই তাকে পরিচিতি দিয়েছে। মানুষ তার কথা শুনেছে, শুনতে চেয়েছে।
কিন্তু সাংবাদিক ইলিয়াসের সাংবাদিকতায় যখন ব্যত্যয় হয় তখন পরিচয়ে কেনো পরিবর্তন নয়?
সাংবাদিক ইলিয়াস কি বিদগ্ধ ঐতিহাসিক?
তিনি কি অন্তর্ভেদী রাজনৈতিক বিশ্লেষক?
তিনি কী উপদেষ্টাদের উপদেষ্টা? তিনি কী দেশ - জাতির পিতা?
তিনি কী সর্বজন মান্য নেতা?
তার শিক্ষা কী পরিপূর্ণ?
তার উপলদ্ধি কী ক্রুটিমুক্ত?
তার পর্যবেক্ষন কী পুরোই শুদ্ধ?
সাংবাদিকতার পাশাপাশি রাষ্ট্রবিজ্ঞান, অর্থনীতি, ইতিহাস, দর্শন, অপরাধ, সমাজ বিজ্ঞান এসব বিষয়ে তার জ্ঞান কী সুষমামন্ডিত?
দেশের জনগণের রাজনৈতিক চর্চা, রাজনৈতিক উপলদ্ধি, আনুগত্যতা, ভালোবাসা, কর্মতৎপরতা.. এসব কিছুর উপর সাংবাদিক ইলিয়াসের অন্তরদৃষ্টি কী সুদূর প্রসারিত?
এসব কিছুর উপর সাংবাদিক ইলিয়াসের অন্তর্ভেদী বিশ্লেষন কী সুক্ষèাতিসুক্ষè?
সাংবাদিক ইলিয়াস কী জ্ঞানের পিতা?
সাংবাদিক ইলিয়াস কী জনগণের অবিসংবাদিত নেতা?
স্পর্শকাতর বিষয়ে তার কথা কী দূরদর্শীতা, এজেন্ডা ও অভিজ্ঞতার মোড়কে গাঁথা?
সাংবাদিক ইলিয়াসের কী শুন্যতা নেই?
সাংবাদিক ইলিয়াসের কী অপূর্ণতা নেই? সাংবাদিক ইলিয়াসের কী পর্যবেক্ষনের ব্যর্থতা নেই?
সাংবাদিক ইলিয়াসের কী কোনো বিষয়ে কোনো অযোগ্যতা নেই?
সাংবাদিক ইলিয়াসের মধ্যে কী পক্ষপাতিত্ব নেই?
সাংবাদিক ইলিয়াসের কী ঘোর সমালোচনা নেই?
সাংবাদিক ইলিয়াস কী বিতর্কিত নয়?
ফ্যাসিষ্ট সরকার বিরোধী যারা দূর্বার আন্দোলন করেছে তারাই কী সাংবাদিক ইলিয়াসের দুর্দান্ত সমালোচনা করছেনা?
সাংবাদিক ইলিয়াসের বিরুদ্ধে কী দূর্নীতিসহ বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ নেই? ক্ষমতার সরকার মসনদে বসলে সাংবাদিক ইলিয়াস কী নির্মোহ, নির্লোভ থাকতো? ইলিয়াস কী আতœসংবরন করতে পারতো? এখন কি পারছে?
ফ্যাসিষ্ট সরকারের বিরুদ্ধে বলে আবহ বলয় তৈরী করেছেন সাহসী সাংবাদিকতার অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের।
সেই পরিচিতিকে পুঁজি করে এখন চাপিয়ে দিচ্ছেন নিজস্ব মনগড়া মত, প্রোপাগান্ডা, প্রচারণা, প্রতিষ্ঠিত ইতিহাসের বিকৃতি!
মুসলমানদের বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের অবমাননা, রাজনৈতিক বিশ্লেষণের অজ্ঞতামূলক অপচেষ্টা, জনগণের নির্দেশ দাতার অন্যায় পদচারণা।
ইসলামী মূল্যবোধের ক্ষেত্রে অন্ত:সার শুন্যতা। পক্ষপাতমূলক ভারত বিরোধীতা। ফ্যাসিষ্ট সরকারের ভারতীয় চুক্তি বাতিল না করে ইউনুসের সমালোচনার নিরব চর্চা।
জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন দেয়ার বিরোধীতা না করা।
জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন যে এদেশে সমকামিতা, বাবা-মা’র বিরুদ্ধে সন্তানের বিদ্রোহী মনোভাব তৈরী, অবাধ যৌনশিক্ষার প্রসার এসব অনৈসলামিক কর্মতৎপরতার প্রচারণার ভয়াবহ ষড়যন্ত্রমূলক সহযোগীতা কী সাংবাদিক ইলিয়াসের ধান্দাবাজি নয়?
সাংবাদিক ইলিয়াস নিজস্ব ব্যক্তিবিদ্বেষ চরিতার্থ করছেন; এটা কী অন্যায় নয়?
সাংবাদিক ইলিয়াস প্রতিহিংসা জাহির করছেন, এটা কী অনৈতিক নয়?
সাংবাদিক ইলিয়াস ব্যক্তি অনুভূতি চাপিয়ে দিচ্ছেন, এটা কী বেঠিক নয়?
সাংবাদিক ইলিয়াস তার অদুরদর্শী, প্রজ্ঞাহীন কর্মসূচী দিয়ে বিভক্তি, বিভ্রান্তি তৈরী করছেন এটা কী অপরিণামদর্শিতা ও স্বার্থপ্রনোদিতা নয়?
সাংবাদিক ইলিয়াস শুধুমাত্র সাংবাদিক হয়ে সরকার পরিচালনায় জনগণ পরিচালনার নেপথ্য ভুমিকার স্বাদ নিচ্ছেন, এটা কী চরম অসততা নয়?
সাংবাদিক ইলিয়াস উপদেষ্টাদের ব্লাকমেইলিং, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের ব্লাকমেইনিং করে আতংকের আবহ তৈরী করছেন
হুমকি দিচ্ছেন
অন্যায় আদেশ দিচ্ছেন
এসবই কী চরম দূর্নীতি নয়?
সাংবাদিক ইলিয়াস সেনাবাহিনী প্রধান, সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে নগ্ন বিষোদগার করছেন,
রাষ্ট্রের অলংকারিক পদের কঠোর সমালোচনা করছেন;
এসব কী দেশের সার্বভৌমত্ব, সম্মান বিনষ্টকারী কর্মকান্ড এবং তার ব্যক্তি বিদ্বেষ বাস্তবায়নের ষড়যন্ত্র নয়?
ইলিয়াস নিজেকে কী ভাবেন?
তার কথাতেই দেশ - জানতা উঠবে, বসবে!
তার কথাতেই পদত্যাগ হবে?
তার কথাতেই পদনিযুক্ত হবে?
তার কথাতেই ইতিহাস বিকৃত হবে?
তার কথাতেই ইতিহাস মূল্যয়িত হবে?
তার কথাতেই দেশের মানুষ আবার বৃটিশ-বেনিয়া ভক্ত হবে?
তার কথাতেই আবার বাংলাদেশের মানুষ বৃটিশ উপনিবেশে ফিরে যাবে?
তার কথায় ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমান সমকামী জাতিসংঘ কার্যালয় প্রতিষ্ঠার সম্মতি দিবে?
না দিলে হাসিনা সমর্থনকারী বলে ট্যাগ পাবে?
জাতিসংঘ কার্যালয়ের বিরোধীতা করলে ফ্যাসিষ্ট সরকারের লোক বলে গণ্য হবে?
ইলিয়াস কী বুঝতে পারছেন তিনি তার অজান্তেই নিজেকে হাসিনার চেয়েও অনেক বড় স্বৈরাচারের অধিষ্ঠানে অর্ন্তভূক্ত করে নিচ্ছেন?
যে স্বৈরাচার ২শ বছরের বৃটিশ শোষন-শাসনের ঘটনাকে মুছে ফেলতে চায়!
ইলিয়াস দেশের জাতিসংঘ কার্যালয় স্থাপনের বিরোধীতা কারীদের ধান্দাবাজ বলে তার ধান্দাকে জাতির সামনে তুলে ধরার পথকে নিজেই পরিস্কার ও প্রসারিত করেছেন। পত্রিকান্তরে ইতিমধ্যে তার প্রমানও পত্রস্থ হচ্ছে।
সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেনের বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল
প্রকাশ: ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, খবরের কাগজ
বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকুকে নিয়ে বিভ্রান্তমূলক সংবাদ প্রচারের প্রতিবাদে সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেনের বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল করেছে শামা ওবায়েদ সমর্থিত ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলা বিএনপিসহ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
এ সময় তারা বলেন, বিদেশে বসে সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন মনগড়া কথা বলেছেন। তার এই কথায় দক্ষিণ বঙ্গের জাতীয়তাবাদী নেতা-কর্মীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে। অতি দ্রুত সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেনকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি করেন তারা। আর তিনি যদি এটা না করেন তাহলে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন কর্মসূচি দেওয়ার ঘোষণা দেয়া হয় এ সময়।
সাংবাদিক ইলিয়াস হোসাইনকে সোহেল তাজের চ্যালেঞ্জ
ঋবনৎঁধৎু ২৪, ২০২৫৩ গরহং জবধফ জুমবাংলা
অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ও প্রবাসী সাংবাদিক ইলিয়াস হোসাইন তার অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে একটি স্ট্যাটাস প্রকাশ করেছেন। সেখানে তিনি বিডিআর হত্যাকা-ের সঙ্গে আওয়ামী লীগের তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজের জড়িত থাকার দাবি করে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন। এদিকে তার এই মন্তব্যের পাল্টা জবাবে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন সোহেল তাজ। বললেন, ‘প্রমাণ করতে না পারলে নাকে খত দিতে হবে। ’
একটি স্বার্থান্বেষী মহল থেকে আমার বিরুদ্ধে বিডিআর হত্যাকা-কে ঘিরে জঘন্য মিথ্যা অপপ্রচার করা হচ্ছে। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই এবং এই ধরণের মিথ্যাচার থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
সঠিক সময়ে আমি যথাযথ প্রমাণ সহকারে এই মিথ্যাচারের জবাব দেব। তখন এই সকল মিথ্যাচারীদের নাকে খত দিতে হবে।
সাংবাদিক ইলিয়াসের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে যা বললো জামায়াত
১৬ ডিসেম্বর ২০২৪, ঢাকা পোস্ট
প্রবাসী সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন তার ইউটিউব চ্যানেলে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের সম্পর্কে যে মন্তব্য করেছেন তার প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
তিনি বলেন, প্রবাসী সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন তার ইউটিউব চ্যানেলে ‘আসিফ নজরুল মন্ত্রণালয়ের কাজ বাদ দিয়ে ইউটিউবারদের পেছনে দৌড়াচ্ছেন’ শিরোনামে প্রচারিত ভিডিওর এক জায়গায় ‘জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের ভারতের লবিং মেইনটেইন করেন’ বলে যে মন্তব্য করেছেন তা আদৌ সঠিক নয়।
ইলিয়াস হোসেনের অভিযোগের জবাব দিলেন আসিফ নজরুল
৩০ নভেম্বর ২০২৪, সময় নিউজ
বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল এবং ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে উৎখাতে এক ভয়াবহ ষড়যন্ত্রের তথ্য নিয়ে একটি ডকুমেন্টারি প্রকাশ করেছেন প্রবাসী সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন। সেখানে দাবি করা হয়, গত ৩-৪ আগস্ট ক্যান্টনমেন্টে ভারতের দালালদের সঙ্গে মিটিং করেছেন আসিফ নজরুল। এবার সেই অভিযোগের জবাব দিয়েছেন আইন উপদেষ্টা।
শনিবার (৩০ নভেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) আয়োজিত ‘স্মৃতির মিনার: গণঅভ্যুত্থান ২০২৪’ শীর্ষক সভায় তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের জবাব দেন আসিফ নজরুল।
আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, খুবই দুঃখ ও অবাক লাগে যখন দেখি আজগুবি, ভিত্তিহীন, অকল্পনীয় তথ্য দিয়ে একজন আরেকজনের পেছনে লেগে আছে। একটা ভিডিওতে নাকি দাবি করা হয়েছে, আগস্টের ৩-৪ তারিখ রাতে আমি ক্যান্টনমেন্টে (সেনানিবাসে) ছিলাম। সেখানে আর্মি অফিসারদের নিয়ে ভারতের দালালদের সঙ্গে মিটিং করেছি। আমি অবাক হয়ে যাই। মানুষের কল্পনারও একটা সীমা থাকা উচিত। ’
(ইনশাআল্লাহ চলবে)
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ সম্পোর্কোন্নয়ন কেন শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তিতে? অনন্য উচ্চতায় উঠা এ সম্পর্ক কেন ইসলামী মূল্যবোধ ও মুসলিম ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে উজ্জীবিত হবে না? (১ম পর্ব)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রতিরক্ষা আধুনিকায়ন ও কৌশলগত স্বনির্ভরতা: বাংলাদেশের ৫০ লক্ষ পদাতিক বাহিনীর জন্য ৩য় প্রজন্মের এটিজিএম রোডম্যাপ (পর্ব ৭)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বিশ্বে তৈরী পোশাক রফতানীতে প্রথম বাংলাদেশ কেনো তুলা আমদানীতেও প্রথম? নামে তুলা উন্নয়ন বোর্ড থাকলেও স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত তুলা চাষে কোনো উন্নয়নই নেই অপার সম্ভাবনা থাকলেও দেশে তুলা উৎপাদনে সরকারী কোনো তৎপরতা নেই অথচ ১৬৫০ থেকে ১৭৫০-এই ১০০ বছরে ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোই বাংলা থেকেই ৩ লাখ গজ থেকে ৩ কোটি গজ কাপড় রপ্তানি করেছে। এই বিপুল উৎপাদনে এই বাংলাদেশই কীভাবে তুলার যোগান দিল?
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বিশ্বে তৈরী পোশাক রফতানীতে প্রথম বাংলাদেশ কেনো তুলা আমদানীতেও প্রথম? নামে তুলা উন্নয়ন বোর্ড থাকলেও স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত তুলা চাষে কোনো উন্নয়নই নেই অপার সম্ভাবনা থাকলেও দেশে তুলা উৎপাদনে সরকারী কোনো তৎপরতা নেই
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
দেশের ৪ কোটি মানুষ না খেয়ে থাকে। অথচ বছরে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার শস্য নষ্ট হয় খাদ্য অপচয় রোধ করতে ‘নিশ্চয়ই অপব্যয়কারীরা শয়তানের ভাই’- পবিত্র কুরআন শরীফ উনার এই নির্দেশ সমাজের সর্বাত্মক প্রতিফলন ব্যতীত কোনো বিকল্প নেই।
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
অলস জমিদারের কায়দায় বসে বসে তালুক বিক্রী করে খাওয়ার মতই জ্যামিতিক হারে ঋণ বাড়িয়ে চলছে সরকার ২০২৮-২৯ অর্থবছর ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে ৩৩ লাখ ৭৭ হাজার ৬০০ কোটি টাকায়। দুর্নীতি বন্ধের পাশাপাশি উৎপাদন বাড়ানো রফতানী বৃদ্ধি ও বহুর্মুখীকরণ করার উদ্যম নেই সরকারের দেশ জাতিকে করে যাচ্ছে সুদী মহাজনদের কাছে জিম্মি ও বিক্রী।
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (১৩)
২১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ঋণ নির্ভর বাজেট প্রণয়ন না করে রফতানী বহুর্মুখীকরণের দ্বারা সমৃদ্ধ বাজেট প্রণয়ন খুব সহজেই সম্ভব। কাঁঠাল উৎপাদনে বাংলাদেশ প্রথম হলেও রফতানীতে তলানীতে। কাঁঠাল রফতানী করেও বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় সম্ভব।
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব ৬)
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব- ৫)
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
“বাংলাদেশের ওষুধ রফতানি হচ্ছে ১৪০টির বেশি দেশে”- গত পরশু (৮ই জুন) এই বিবৃতি দেয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী কী ভেবে দেখবেন মার্কিনীদের সাথে করা গোলামী চুক্তিতে তার এই উচ্ছাস পুরোটাই গভীর এবং চরম-পরম উৎকণ্ঠায় পর্যবসিত হয়েছে মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের জন্যও মহা ধ্বংস প্রক্রিয়া বাংলাদেশের ৫১ কোটি নাগরিকের নিরাপত্তা নির্মূলীকরণ প্রক্রিয়া। মহা আত্মঘাতী, সর্বনাশী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিক্রিকারী এ চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে (২য় পর্ব)
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বাংলাদেশের মহাকাশ প্রতিরক্ষা কৌশল: ৫০ লক্ষাধিক বহরের সমন্বিত বাহিনীর জন্য কৃত্রিম উপগ্রহ প্রযুক্তির রূপরেখা (পর্ব-৪)
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












