সম্পাদকীয়
“বাংলাদেশ আমাদের ভাই, তাদের বিবৃতিতে কষ্ট পেয়েছি”- ইরানী রাষ্ট্রদূতের এই বেদনার উপশম করা দরকার। হরমুজ প্রণালী দিয়ে অন্য দেশের জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকলেও বাংলাদেশের অনুমতি পাওয়ার বিষয়টির প্রতি নূন্যতম কৃতজ্ঞতা কী কাঙ্খিত এবং বাঞ্ছিত নয়?
সংযুক্ত আরব-আমিরাত এবং কাতারের প্রতি উষ্ণ সংহতি প্রকাশ আর ইরানের পক্ষে নরম সমর্থন সহ রাষ্ট্রদূতকে এখনো সাক্ষাত না দেয়া- ‘সব মুসলিম রাষ্ট্রের প্রতি সংহতি- এ সাংবিধানিক আদর্শের খেলাফ। ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমান সরকারের সঠিক পদক্ষেপ কামনা করছেন।
, ২৭ শাওওয়াল শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৬ হাদী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৬ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রি:, ০৩ বৈশাখ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) সম্পাদকীয়
(১)
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
২৮ ফেব্রুয়ারির পর থেকে ইরান পারস্য উপসাগরে নিরাপত্তা জোরদার করেছে, যেখানে অনেক দেশের জাহাজ আটকা পড়েছে, কিন্তু বাংলাদেশের ব্যাপারে তারা নমনীয়।
যুদ্ধে অস্থির হয়ে উঠেছে জ্বালানি বাজার। জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে রেখেছে ইরান, তাতে দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশেই তেল ও গ্যাসের সংকট দেখা দিয়েছে।
বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহের ২০ শতাংশই পরিবাহিত হয় হরমুজ প্রণালি দিয়ে। তীব্র বিমান হামলার মধ্যেও অনুমোদন ছাড়া কোনো জাহাজকে পারস্য উপসাগরের এই নৌপথ অতিক্রম করতে দেয়নি তেহরান। কেবল ‘বন্ধুপ্রতীম’ দেশগুলোর তেলবাহী জাহাজকে পার হতে দেওয়ার কথা বলছে তারা।
এমন প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের জাহাজগুলোকে পার করার প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে ইরানী রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের মুসলমান আমাদের বন্ধু, ভ্রাতৃত্বের বন্ধন রয়েছে আমাদের সাথে। আমরা যতদিন আছি, আমরা এটা কোনো দিন হতে দেব না যে এই অঞ্চলে আমাদের মুসলিম ভাইদের বিন্দুমাত্র কষ্ট ভোগ করতে হয়।
মধ্যপ্রাচ্যের চরম উত্তেজনাকার এই পরিস্থিতিতে ইরানের কাছ থেকে এমন ছাড়পত্র পাওয়াটা বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য এক বিশাল পাওয়ার খবর ছিল। কিন্তু সেই পাওয়ার বিনিময়ে কোনো শুকরিয়া বা কৃতজ্ঞতা কেন বাংলাদেশ সরকার প্রকাশ করল না?
(২)
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা বলছেন, পশ্চিমা বিশ্ব বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রকে সন্তুষ্ট রাখার অতিমাত্রায় কূটনৈতিক চেষ্টা করতে গিয়ে বাংলাদেশ আজ যেন সবগুলোই হারাতে বসেছে।
একদিকে ইরান যখন বাংলাদেশকে বিশেষ সুবিধা দিচ্ছে ঠিক তখনই খবর বেরোলো যে রাশিয়ার জ্বালানি কিনতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিশেষ ছাড় চেয়েছে ঢাকা। আর এই খবরটি তেহরানের কাছে যে মোটেই ভালোভাবে পৌঁছায়নি তার প্রমাণ মেলে খোদ ইরানের রাষ্ট্রদূতের একটি বিস্ফোরক মন্তব্যে। তিনি প্রকাশ্যই বলেছেন, সাম্প্রতিক ইরান ইস্যুতে ঢাকার দেওয়া বিবৃতি নিয়ে তেহরান মোটেই সন্তুষ্ট নয়।
ইরান বলেছে, বর্বর যুক্তরাষ্ট্র ও সন্ত্রাসী ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলার পর বাংলাদেশ সরকার যে বিবৃতি দিয়েছে, তাতে তারা কষ্ট পেয়েছে। দেশটি আশা করেছিল, বাংলাদেশ আগ্রাসী শক্তির ভূমিকার স্পষ্ট নিন্দা জানাবে।
ঢাকায় ইরানের দূতাবাসে ১ এপ্রিল এক সংবাদ সম্মেলনে এই মন্তব্য করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত জলিল রহীমি জাহানাবাদী। তিনি বলেন, “বিবৃতিতে আমরা কষ্ট পেয়েছি। এটি আরও স্পষ্ট হওয়া উচিত ছিল। বাংলাদেশ মুসলিম রাষ্ট্র। আমাদের প্রত্যাশা ছিল ভাই হিসেবে আগ্রাসনের বিরুদ্ধে নিন্দা জানানো, যা হয়নি।”
রাষ্ট্রদূত জানান, রাশিয়া মুসলিম দেশ নয়, তবুও আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আছে। চীনও। এই কারণে, আমরা তাদের ভূমিকার প্রতি কৃতজ্ঞ। চীন এবং রাশিয়া এই আগ্রাসনের নিন্দা করেছে। স্পেনের মতো ইউরোপীয় দেশও সরাসরি নিন্দা জানিয়েছে এবং বলেছে, আমরা এই হামলার সমর্থন করি না।
(৩)
বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার বার্তা দেন রাষ্ট্রদূত জলিল রহীমি। তিনি বলেন, বাংলাদেশ আমাদের বন্ধু ও ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ। আমরা চাই, আমাদের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হোক। ইরানে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা আমাদের কাছে নেই। তবে বাংলাদেশ দূতাবাস যদি কোনো তালিকা দেয়, আমরা তাদের নিরাপদে দেশে ফেরাতে সহযোগিতা করব।
ইরানী রাষ্ট্রদূতের ভাষ্যে সতর্কতা ব্যক্ত করা হয়েছে, যদি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে স্পষ্টভাবে অবস্থান না নেওয়া হয়, তাহলে ভবিষ্যতে এই সমস্যা অন্য মুসলিম দেশগুলোর জন্যও হুমকি হয়ে উঠতে পারে। প্রসঙ্গত আমরা মনে করি এ বক্তব্য যথার্থ।
(৪)
দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ইরানী রাষ্ট্রদূত বলেছে, ইরান আরো মন্তব্য করেছে যে তারা কোনো প্রতিবেশী মুসলিম দেশে হামলা করছে না। তারা শুধু সেই দেশগুলোর ভেতরে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করছে।
অনেক মানুষ মারা যাচ্ছে, এ জন্য ইরান কণ্ঠে দুঃখ প্রকাশ করেছে। কিন্তু ইরান মনে করে এর দায় সেই দেশগুলোর, যারা তাদের ভূখ-ে মার্কিন ঘাঁটি স্থাপনের অনুমতি দিয়েছে।
ইসলামের আলোকে আমাদের বড় প্রশ্ন এই অঞ্চলে সংকট থাকা সত্ত্বেও, আরব দেশগুলো কীভাবে আমেরিকাকে ঘাঁটি স্থাপনের অনুমতি দিল, বা ইসরায়েলকে সম্পর্ক স্থাপনের সুযোগ দিল?
অথচ আরব দেশগুলোর উচিত ছিল মুসলিম ভ্রাতৃত্বের আলোকে নিজেদের মধ্যে সামরিক জোট গঠন করা।
ইরানী রাষ্ট্রদূত জানান, ঈদের অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছে এবং সেখানে স্বাভাবিক কথাবার্তাই হয়েছে। সৌজন্যমূলক কথাবার্তা হয়েছে। আমি এখনো প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ পাইনি।
(৫)
প্রসঙ্গত আমরা মনে করি, ইরান ও ইরানী রাষ্ট্রদূতের প্রতি সরকারের এরূপ অবহেলার মনোভাব কাঙ্খিত ও বাঞ্ছিত নয়।
কূটনৈতিক এই ভারসাম্যহীনতার চরম মাশুল বাংলাদেশ পেতে শুরু করেছে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে। যার ফলশ্রুতিতে হরমুজ প্রণালী পেরোতে ইরানের বিশেষ ছাড়পত্র পাওয়া বাংলাদেশের সেই ছয়টি জাহাজের মধ্যে পাঁচটির অনুমতি বাতিল হতে পারেও বলে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকগণ আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।
(৬)
অপরদিকে ইরানের প্রতি নরম দৃষ্টি ভঙ্গি দেখালেও সংযুক্ত আরব আমিরাতের এবং কাতারের প্রতি পূর্ণ উষ্ণ সমর্থন ও সংহতি ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ সরকার।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সংহতি পত্র লিখেছে।
১ এপ্রিল আবুধাবিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের উদ্দেশ্যে লেখা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ব্যক্তিগত চিঠি হস্তান্তর করে। চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আমিরাতের নেতৃত্ব, সরকার এবং জনগণের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।
(৭)
অভিজ্ঞমহল মনে করেন, এ মুহুর্তে সরকারের এরূপ বিভক্তিমূলক আচরণ- ‘সব মুসলিম রাষ্ট্রের সাথে সংহতি’ - সাংবিধানিক এই আদর্শের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
পাশাপাশি বর্তমান বৈশ্বিক তেল সংকটে কূটনৈতিক ভারসাম্যপূর্ণও নয়। বিশ্বে বাংলাদেশ ও মুসলমান এবং ইসলামের শত্রু সন্ত্রাসী ইসরাইল ও বর্বর আ¤্রকিার প্রতি ঘৃণা প্রকাশেরও প্রমাণ নয়।
অথচ বাংলাদেশের ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমান তেমনটাই পছন্দ করেন ইনশাআল্লাহ। এ অনুভূতি সরকার যথার্থ উপলব্ধি করবেন- এবং যথাযথ কাজটি করবেন এমনটাই জনপ্রত্যাশা।
জ্বালানি নিরাপত্তাহীনতার এই চরম মুহূর্তে সরকার যদি দ্রুত তাদের পররাষ্ট্রনীতিতে ভারসাম্য আনতে না পারে তবে অচিরেই দেশের অর্থনীতি এক অভাবনীয় বিপর্যয়ের মুখে পড়বে।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
পূর্ব তুর্কিস্তানে চীনের বর্বরোচিত আগ্রাসন: পূর্ব তুর্কিস্তানের রক্তক্ষরণ ও খতীব কাশগরী রহমতুল্লাহি আলাইহি
১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ মহিমান্বিত ২৫শে শাওওয়াল শরীফ। সাইয়্যিদাতুনা, শাফিয়াতুনা, হাবীবাতুনা, হযরত ওয়ালিদাতু সুলত্বানিন নাছীর আলাইহিস সালাম আমাদের মহাসম্মানিতা হযরত দাদী হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনার সুমহান পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ মহিমান্বিত ২৪শে শাওওয়াল শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, আফদ্বলুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাদিসাহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র নিসবাতুল আযীমাহ শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি সাইয়্যিদাতুনা হযরত সাইয়্যিদাতুল উমাম আস সাদিসাহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
দেশের ২৫ লাখ জেলে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকার দাদনের কশাঘাতে জর্জরিত। কৃষকদের জন্য অনেক সরকারী সহযোগিতা, ঋণ ব্যবস্থা থাকলেও জেলেদের জন্য তা নেই। কৃষকদের পাশাপাশি জেলেদের দুরাবস্থা, দুর্দশা দূরীকরণে সরকারের সদিচ্ছা কবে হবে?
১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুবারক হো ২২ শাওওয়াল শরীফ! সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, উম্মু আবীহা, বিনতে সুলত্বানিন নাছীর, সাইয়্যিদাতুন নিসা, সাইয়্যিদাতুনা হযরত নাক্বীবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার এবং নূরে মদীনা, গুলে মুবীনা, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, আওলাদে রসূল, বিনতে সুলত্বানিন নাছীর, সাইয়্যিদাতুনা হযরত নিবরাসাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার
১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আজ মহিমান্বিত ২১শে শাওওয়াল শরীফ! যা বিশ্ব বাল্যবিবাহ দিবস। সুবহানাল্লাহ! কেননা, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র আক্বদ্ মুবারক ও নিসবাতুল আযীম মুবারক সম্পন্নের বরকতময় সুমহান দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
আজ সুমহান বরকতময় মহাপবিত্র ২০শে শাওওয়াল শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল খ্বামিসাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মুবারক হো ১৯শে শাওওয়াল শরীফ। সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম ও সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম এবং সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম ও সাইয়্যিদাতুনা হযরত মুজীরাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনাদের মহিমান্বিত আযীমুশ শান নিসবতে আযীম শরীফ অর্থাৎ মহাপবিত্র নিকাহিল আযীম শরীফ।
০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আজ সুমহান ও বরকতময় পবিত্র ১৮ই শাওওয়াল শরীফ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম সিবতু রসূল আছ ছালিছ আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ অবস্থায় পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নিজেদের মধ্যে বিভক্তি সৃষ্টিতে শত্রুদের যেন মুসলিম দেশগুলো আশকারা না দেয়; সে আহবান জানিয়েছে: পেজেশকিয়ান বর্তমান পরিস্থিতি শুধু ইরানের বিষয় নয়-এটা পুরো মুসলিম বিশ্বের জন্য একটি ঈমানী পরীক্ষা। কিন্তু এই পরীক্ষায় মুসলিম বিশ্বের নেতৃত্ব ব্যর্থ হচ্ছে।
০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ইসলাম বিরোধী ও বিদ্বেষী, পশ্চিমা এজেন্ট কুখ্যাত অন্তর্বর্তী সরকারের কুপথেই হাটতে চাচ্ছে। নতুন সরকারের অমুসলিম সংস্কৃতিমন্ত্রী। বিগত সময় তীব্র আন্দোলনের মুখে বন্ধ করা সংগীত শিক্ষকের পদ আবার চালু করতে চাইছে সে।
০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বিজাতীয় লানত ও গুঁড়োদুধের মরণছোবল : রূহানী পবিত্রতা রক্ষায় মুসলিম দেশসমূহ হতে আমদানির বিকল্প নেই
০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












