সম্পাদকীয়
আজ সুমহান ও বরকতময় ১৫ই যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আশির মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
এ দিবস উনার তাৎপর্য অনুধাবন গোটা মুসলিম উম্মাহর জন্য ফরয-ওয়াজিব।
, ১৬ যিলহজ্জ শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০৪ আউওয়াল, ১৩৯৪ শামসী সন , ০৩ জুন, ২০২৬ খ্রি:, ২০ জৈষ্ঠ্য, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্যে অনন্য ফাযায়িল-ফযীলত, অকল্পনীয় শান মান মুবারক উনাদের অধিকারী হচ্ছেন পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নির্দেশিত মহাসম্মানিত হযরত বারো ইমাম আলাইহিমুস সালাম উনারা। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! আর তাই মুসলমানদের জন্য ‘মহাসম্মানিত বারো ইমাম আলাইহিমুস সালাম অভিধায়, আখাছ্ছুল খাছ রহমত, বরকত, মাগফিরাত, নাযাত এবং অবর্ণনীয় ফজিলতের বিষয় রয়েছে; অথচ সাধারণ মুসলমান তো বটেই নামধারী মালানারাও তা জানে না। নাঊযুবিল্লাহ!
(২)
প্রসঙ্গত, আজ মহাপবিত্র ১৫ই যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! আজকের দিবস মুবারকে পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন ইমামুম মিন আইম্মাতিল মুসলিমীন, যিকরান, কাশিফু ইসরারিল ইমতিনাহী, মাহবুবে তরীন, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আশির মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। তিনি আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্যে দশম ইমাম। উনার মূল নাম মুবারক ইমাম হযরত আলী নাক্বী আলাইহিস সালাম। তবে উনার মুবারক নাম এবং কুনিয়াত বা উপনাম মুবারক আমিরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিম, বাবুল ইলমে ওয়াল হিকাম, ইমামুল কাওনাইন, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম এবং ইমামুল আউলিয়া, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সাথে মুশাবাহ বা সদৃশ্যপূর্ণ। সেই কারণে উনাকে আবুল হাসান ছালিছ বা আবুল হাসান তৃতীয় বলা হয়। এছাড়া উনাকে হযরত আলী হাদী আলাইহিস সালামও বলা হয়। তবে উনাকে ইমামুল আশির মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম লক্বব মুবারকে সম্বোধন করাই আদব।
(৩)
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছ থেকে হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা যে খাছ ইলিম হাছিল করেছিলেন, ইমামুম মিন আইম্মাতিল মুসলিমীন, যিকরান, কাশিফু ইসরারিল ইমতিনাহী, মাহবুবে তরীন, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আশির মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অল্প বয়স মুবারক থেকে তার প্রকাশ ঘটতে থাকে। তখন থেকে উনার এতো অধিক সংখ্যক কারামত প্রকাশ পেতে থাকে যে, সমসাময়িক সকল ইমাম-মুজতাহিদ, আউলিয়ায়ে কিরাম উনারা আশ্চর্যান্বিত হতেন এবং সবাই উনার দিকে রুজু হতেন। উনার খাছ ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ লাভ করার জন্য উনার হাত মুবারক-এ বাইয়াত হতেন। ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করতেন। উনার নির্দেশ মত যিকির-ফিকির করতেন। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!
(৪)
উল্লেখ্য, এমন অতীব গুরুত্বপূর্ণ, ফযীলতপূর্ণ দিবস মুবারক সম্পর্কে রাষ্ট্রদ্বীন সম্মানিত পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার দেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে কোনো আলোকপাত করা হচ্ছে না। দেশের শিক্ষা সিলেবাসে হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিষয়সমূহ সংযুক্ত নেই। নাউযুবিল্লাহ! ফলে নৈতিকতা বিবর্জিত ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তৈরী হচ্ছে। অন্যদিকে, দেশে সামাজিক অস্থিরতাও প্রকট হচ্ছে। খুন, হানাহানি, মারামারি, প্রতারণা, লোপাট-লুটপাট, সম্ভ্রমহরণ বেড়েই চলেছে। অথচ, হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম বিশেষ করে সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আশির মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস যদি রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করে উনার মহাসম্মানিত জীবনী মুবারক ব্যাপকভাবে জনসাধারণের মধ্যে প্রচার-প্রসার করা হতো তাহলে উনাদের ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ মুবারকে দেশ থেকে সকল প্রকার অনাচার দূর হয়ে যেতো।
সঙ্গতকারণেই আমরা মনে করি, দেশের সরকার ও জনগণ অর্থাৎ কায়িনাতবাসী সবার জন্য ফরজ ওয়াজিব হচ্ছে সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আশির মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মা’রিফত মুবারক অর্জন করা। উনাকে অকৃত্রিম মুহব্বত করা। তা’যীম-তাকরীম করা। উনার শান-মান আলোচনা করা। উনার সম্মানার্থে নিজের ইহকালীন, পরকালীন ফায়দার জন্য সর্বোচ্চ আর্থিক আঞ্জাম দেয়া এবং সমূহ হক্ব মুবারক আদায়ের কোশেষ করা।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ঈমানি ও নৈতিক বিপ্লব ঘটতে হবে:
বিজাতীয় সংস্কৃতি নির্মূল করতে হবে এবং সমস্ত কাফির মুশরিক শিক্ষকদের বহিষ্কার করতে হবে
কথায় বলে, শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। কিন্তু এই মেরুদন্ড যদি হয় ভাঙা বা রোগাক্রান্ত তবে সেই জাতি কখনই মাথা উঁচু করে দাড়াতে পারে না। অশিক্ষা, অপশিক্ষা আর কুশিক্ষা যদি কোন জাতিতে ছড়িয়ে যায়, তাহলে সেই জাতি আপসেআপ কাফির মুশরিকদের দাসে পরিণত হয়। কুশিক্ষা, অপশিক্ষা আর শিক্ষার নামে চরিত্র হননের শিক্ষা কাফির মুশরিকদের অস্ত্র যা দিয়ে তারা মুসলমানদের পদানত করার ষড়যন্ত্র করে। নাউযুবিল্লাহ।
আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো আজকাল পাপাচারের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় থেকে শুরু করে গ্রামের স্কুল-কলেজ পর্যন্ত আমাদের মা-বোনদের ইজ্জত আজ নিরাপদ নয়। সুদীপ আর বরুণেল মত হিন্দু শিক্ষকরা আমাদের মুসলিম ছাত্রীদের বোরকা ও নেকাব খুলতে বাধ্য করার ধৃষ্টতা দেখাচ্ছে। শুধু তাই নয়, প্রলোভন ও প্ররোচনার মাধ্যমে তারা আমাদের বোনদের সম্ভ্রমহানী করছে। তারা শিক্ষক সেজে বা ঘনিষ্ঠ বন্ধু সেজে মুসলমান মেয়েদের ফাঁদে ফেলে সম্ভ্রমহানি করছে। ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের ছাত্রী মাহজাবিন মিমো তার লম্পট হিন্দু শিক্ষক সুদীপের ফাঁদে পড়ে সম্ভ্রম ঈমান সব হারিয়ে অবশেষে আত্মহত্যা করেছে।
তাই মুসলমানদের হুঁশিয়ার হওয়া আবশ্যক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনো হিন্দু লম্পটের ঠাঁই হবে না। অবিলম্বে মুসলিম ছাত্রীদের সম্ভ্রম রক্ষায় কঠোর আইন করতে হবে এবং লম্পট শিক্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। আর কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হিন্দু বা বিধর্মী শিক্ষক রাখা যাবে না।
একই সাথে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নাচ, গান, বাজনা, সিনেমা এবং নাটকের নামে যে অপসংস্কৃতি ও অশ্লীলতা চলছে, তা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। এখন মাদরাসাগুলোতেও কাট্টা মুসলিম বিদ্বেষী রবীন্দ্র ঠগের গান শেখানো হচ্ছে, গাওয়ানো হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ। এগুলো আমাদের সন্তানদের চরিত্র ধ্বংস করার ইহুদি-নাসারাদের সুগভীর চক্রান্ত। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতে হবে জ্ঞান ও নৈতিকতা অর্জনের পবিত্র স্থান, নগ্নতার মহড়া নয়।
‘সহশিক্ষা’র নামে বেহায়াপনা মেনে নেয়া যায় না। নারী ও পুরুষের জন্য পৃথক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করতে হবে। ছাত্রদের জন্য পুরুষ শিক্ষক এবং ছাত্রীদের জন্য মহিলা শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে। তবেই আমাদের সন্তানদের চরিত্র রক্ষা পাবে এবং দেশ প্রকৃত মানুষ খুঁজে পাবে।
বিশ^বিদ্যালয়গুলো থেকে নাটক, নাট্যতত্ত্ব, নাট্যকলা, নৃত্য, নৃত্যকলা, সংগীত, থিয়েটার, ফিল্ম এন্ড মিডিয়া, চারু ও কারুকলা এই সব অনুষদ বন্ধ করে দিতে হবে। এর বিপরীতে কুরআন শরীফ, হাদীস শরীফ, ইসলামি ওয়াকেয়া, হামদ, নাত, সামা, ইসলামিক আর্টস, ক্যালিগ্রাফি ইত্যাদি চালু করতে হবে। তবেই প্রকৃত মুল্যবোধ সমৃদ্ধ সুশিক্ষিত জাতি গঠন করা সম্ভব হবে।
-মুহম্মদ খবীরুদ্দীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সালাফী ধর্মপ্রতিমন্ত্রী, ধর্মমন্ত্রী, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ সংশ্লিষ্টরা। দায় এড়াতে পারেনা জুলাই সনদের এল.জি.বি.টি.কিউর সমর্থনকারী ধারা এবং সমর্থনকারী জামাতীরা।
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম সিবতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যা উম্মু আবীহা, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, ত্বাহিরাহ, ত্বইয়িবাহ, বিনতু রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাধারণ মুসলিম শুধু ফিলিস্তিন-কাশ্মীরের প্রতি সহানুভূতিতেই সীমাবদ্ধ
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ভয়াবহ নীরব দুরারোগ কিডনী রোগ একদিকে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা, অপরদিকে বাড়ছে চিকিৎসা ব্যায়
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে সেনাবাহিনীর গৌরবোজ্জল ভূমিকা যেমন জ্বলজ্বল, উন্নয়নে ঝলমল তেমনি সংকটকালেও থাকুক সমুজ্জ্বল
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
যা সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল খ¦মিসাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সুদী মহাজন ও বড় চোর, সমকামীমনা, ১৬৮ মামলার আসামী, দেশ বিক্রিকারী মার্কিন চুক্তিকারী, ক্ষমতার মসনদে বসে অর্থ লুটকারী, অন্যায় সুবিধা গ্রহণকারী, পাহাড় সম অপরাধ মব-সন্ত্রাসের জনক কুখ্যাত ইউনুসের প্রতি ভীষণ বীতশ্রদ্ধ। এই কুলাঙ্গার আবারো ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে, রাষ্টের শীর্ষ পদে তথা প্রেসিডেন্ট পদে আলোচনায় আসে কি করে? নেপথ্যে কি মার্কিন দূত গর? অথচ “ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়”- বিএনপির শ্লোগান
০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
গত ১১ বছরে মানচিত্রের অন্তর্ভূক্তি ছাড়া ছিটমহলবাসীর জীবন জীবিকার কিছুই উন্নয়ন হয়নি।
০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ইসলামের শত্রু, মুসলমানের শত্রু মুসলিম বিশ্বের শত্রু, বাংলাদেশের শত্রু ট্রাম্পের বিরুদ্ধে জনরোষের অনল দাউ দাউ জ্বলছে।
০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
চার বছর ধরে ঝুলে আছে খেলাপী ঋণ কমানের উদ্যোগ। খেলাপী ঋণের প্রভাবে মুদ্রাস্ফীতি, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ঋণ না পাওয়া, কর বৃদ্ধি, অর্থ পাচার সহ জনদুর্ভোগের উত্তাপে উত্তাল হতে পারে দেশ।
০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মাত্র কয়েক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের জন্য বাংলাদেশে বিস্তীর্ণ ভূমি, প্রাকৃতিক বৈচিত্র নষ্ট হবে উত্তরবঙ্গের জনজীবন ও অর্থনীতি বিপর্যস্থ হবে, সর্বোপরি ভারতের হাতে যাবে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের উপর আঘাতের কুঠার।
০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












