সম্পাদকীয়
আম্রিকা শকুনীরা চাচ্ছে বাংলাদেশে দুর্ভিক্ষ তৈরী করতে। ডিপস্টেট আমলাদের দ্বারা প্রণীত হচ্ছে- রফতানী বাধাগ্রস্থ করার নীল নকশা। চা রফতানীর বাধাসমূহ অবিলম্বে দূর করতে হবে।
, ২০ যিলহজ্জ শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০৮ আউওয়াল, ১৩৯৪ শামসী সন , ০৭ জুন, ২০২৬ খ্রি:, ২৪ জৈষ্ঠ্য, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
পানির পর চা হলো বিশ্বের সর্বাধিক ব্যবহৃত পানীয়। প্রতিদিন সারা বিশ্বে গড়ে দুই বিলিয়ন কাপ চা পান করা হয়। বাংলাদেশে চা উৎপাদনের বিপরীতে চা পানের হার অন্য দেশগুলোর তুলনায় বেশি। দেশে চায়ের বাজারের আকার সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি।
দুই দশক আগেও দেশে উৎপাদিত চায়ের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ রফতানী হতো। সময়ের ব্যবধানে উৎপাদন বেড়ে হয়েছে প্রায় দ্বিগুণ।
তবে পণ্যটি রফতানী নেমে এসেছে উৎপাদনের মাত্র ১ শতাংশে। খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, রফতানী প্রণোদনা নীতির কিছু শর্ত এবং কাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের চায়ের অবস্থান ক্রমেই দুর্বল হচ্ছে। এর ফলে অভ্যন্তরীণ বাজারে অতিরিক্ত সরবরাহ সামাল দিতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিতে হচ্ছে সরকারকে। তার মধ্যে অন্যতম কৃত্রিম বাজার তৈরি করা।
চা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ২০২০-২১ অর্থবছরে চা রফতানীতে ৪ শতাংশ প্রণোদনা চালু করে সরকার। পরে তা কমিয়ে ৩ শতাংশ করা হয় এবং চলতি অর্থবছরে আরো কমিয়ে ২ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে। আবার প্রণোদনা সুবিধা পেতেও রয়েছে নানা শর্ত। বর্তমান নীতিমালায় বলা আছে, চা রফতানীতে প্রণোদনা পেতে হলে রফতানীকারককে অবশ্যই বাগান মালিক হতে হবে। এ শর্তের কারণে দেশের বেশির ভাগ সম্ভাব্য রফতানীকারক প্রতিষ্ঠান প্রণোদনার বাইরে থেকে যাচ্ছে।
বাস্তবতা হলো দেশের অধিকাংশ চা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ব্র্যান্ড নেই। বিভিন্ন করপোরেট ও ট্রেডিং প্রতিষ্ঠান মূলত নিলাম থেকে চা কিনে বাজারজাত করে। আর বাগান মালিকদের মধ্যে সীমিত কয়েকটি প্রতিষ্ঠানেরই কেবল নিজস্ব ব্র্যান্ড ও বিপণন ব্যবস্থা রয়েছে। ফলে রফতানী সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও বৃহৎ একটি অংশ প্রণোদনা সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
খাতসংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা মনে করছেন, নীতিগত এ সীমাবদ্ধতার কারণে চা রফতানীর সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগানো যাচ্ছে না। বরং রফতানী কমতে থাকায় দেশে উৎপাদিত অতিরিক্ত চা বাজারজাত করতে সরকারকে অভ্যন্তরীণ বাজার সম্প্রসারণে কৃত্রিমভাবে উদ্যোগ নিতে হচ্ছে, যা পরিণতি ভালো নয়।
বর্তমানে চা খাত অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। খাতটিকে বাঁচিয়ে রাখতে আমদানি বন্ধ হলেও সংকট কাটেনি। বাধ্য হয়ে নিলামে চা বিক্রিতে ফ্লোর প্রাইস বসানো হয়েছে। তাদের মতে, রফতানী বাড়াতে হলে প্রণোদনা পাওয়ার ক্ষেত্রে ‘শুধু বাগান মালিক’ হওয়ার শর্ত প্রত্যাহার করা জরুরি।
‘বাংলাদেশের চা উৎপাদন ব্যয় প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় বেশি। নিয়মিত শ্রমিক মজুরি বৃদ্ধি, আবাসিক শ্রমিকদের সার্বিক দায়িত্ব বহন এবং পানিবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাবের কারণে উৎপাদন ব্যয় কমানো কঠিন হয়ে পড়েছে। এ কারণে চা খাতের উদ্যোক্তারা নানা সংকটের মধ্যে পড়েছেন। প্রণোদনা প্রাপ্তির সুযোগ থাকলেও রফতানীর মতো বাণিজ্য পরিচালনার জন্য নগদ অর্থপ্রবাহের অভাবে বাগান মালিকদের অনেকেই নিরুৎসাহিত হচ্ছেন।’
‘দেশে চায়ের গ্রহণ-যোগ্যতা অর্থাৎ চা পান করা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। উৎপাদন বাড়লেও তার বড় অংশ অভ্যন্তরীণ বাজারেই ব্যবহৃত হচ্ছে। পাশাপাশি কেনিয়া, শ্রীলংকা ও ভারতের মতো দেশগুলো বাংলাদেশের তুলনায় কম খরচে চা উৎপাদনে সক্ষম হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ পিছিয়ে যাচ্ছে। এর পরও গতানুগতিক চায়ের পাশাপাশি বৈচিত্র্যময় চা রফতানীর ক্ষেত্রে সরকারের উদ্যোগের অভাব বিশেষভাবে সমালোচনার।’
বিশেষ করে রফতানী ক্ষেত্রে প্রণোদনা কমিয়ে চা রফতানী বাধাগ্রাস্থ করা আত্মঘাতী পদক্ষেপ।
প্রসঙ্গত শকুনী আম্রিকা চাচ্ছে বাংলাদেশে দুর্ভিক্ষ তৈরী করতে। আম্রিকান আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মানুষ যাতে সোচ্চার না হয়- ক্ষুধার জ্বালায় শুধু খাবারটুকুর জন্য ব্যস্ত থাকে সে দুরাবস্থা তৈরী করতে।
সরকারের নীতি পরিকল্পনাগুলো আম্রিকার উদ্দেশ্যকেই যেন বাস্তবায়নের জন্য সহায়ক হচ্ছে। চা রফতানীতে সহায়তা কমিয়ে আনা এবং ভূল শর্ত আরোপ করা তার সাক্ষাত প্রমাণ। সরকার এ ষড়যন্ত্রমূলক পদক্ষেপ থেকে তওবা করতে হবে।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
শীতের সবজি, গ্রীষ্মের ফল, ফসল এখন বর্ষায় অকল্পনীয় বাম্পার ফলন হয়
২৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আখাছছুল খাছ আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ উনার সম্মানিত আ’দাদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!
২২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
তেরো হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, মুজাহিদে মিল্লাত, শহীদে বালাকোট, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাধারণ প্রসব প্রক্রিয়ায় সরকারের শুভবুদ্ধি তখন শুদ্ধ হবে যখন সিজার সিন্ডিকেটকে সরকার শক্ত হাতে নির্মূল করতে পারবে
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
৬০ হাজার কোটিতেও ঢুকছে বন্যার পানি বছরে ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা
১৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের রফতানির সম্ভাবনার সব বাধা দূর করে সোনালী সমৃদ্ধি এনে সর্বনাশা ঋণের খপ্পর থেকে দেশকে বাচাতে সরকারকে সক্রিয় হতে হবে।
১৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সব সরকারের আমলেই নেয়া পানিবদ্ধতা নিরসনের সব টাকা পানিতেই যায়।
১৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়ার হালাল পণ্যের বাণিজ্য সম্প্রসারণে সর্বোচ্চ সাড়া দিতে হবে
১৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
চায়ের কাঙ্খিত উৎপাদন বৃদ্ধিতে অন্য সব ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সমতলেও চায়ের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে।
১৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
কিন্তু বর্তমান সরকার জনগণের মালিকানা থেকে অন্যায্যভাবে সেবককে বাড়তি অর্থ দিচ্ছে। বেতন-ভাতা বাড়াচ্ছে ১৪০%। এই বৈষম্য ও অন্যায় সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বিরোধী।
১৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদু শাবাবী আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম সিবতু রসূল আছ ছানী আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












