সম্পাদকীয়
নানা নামে বিভিন্ন কর আরোপকে মহা জুলুম হিসেবেই দেখছেন ব্যবসায়ীরা। আসন্ন বাজেটে নানা কর পরিকল্পনা নিয়ে গভীর দুশ্চিন্তায় ব্যবসায়ীরা। সরকারকে অন্যায্য কর মুক্ত বাজেট দিতে হবে।
, ০৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
দেশের ব্যবসা ও বিনিয়োগ পরিস্থিতি নিয়ে বহুমুখী সংকট সামনে আনছেন ব্যবসায়ীরা। অভ্যন্তরীণ ও বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও একটা নেতিবাচক ধারা দেখা যাচ্ছে। দেশের অর্থনীতির জন্য এগুলোকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী সবাই।
আগামী অর্থবছরের বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। রাজস্ব আহরণের সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণের আলোচনা হয়েছে। এ অবস্থায় কর অব্যাহতি পুনর্মূল্যায়ন, করজাল সম্প্রসারণ এবং উচ্চ আয়ের ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অতিরিক্ত রাজস্ব আহরণের বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে কাজ করছে এনবিআর।
এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) রাজস্ব আহরণ হয়েছে প্রায় ৩ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা। একই সময়ে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ঘাটতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকায়। ফলে টানা দশম বছরের মতো রাজস্ব আহরণ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন না হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন, রাজস্ব আহরণের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তাদের দ্বিমত নেই। কিন্তু করজাল সম্প্রসারণে দৃশ্যমান অগ্রগতি ছাড়া একই করদাতাদের ওপর বারবার নতুন কর বা অতিরিক্ত করের বোঝা চাপানো হলে বিনিয়োগ, সম্প্রসারণ ও কর্মসংস্থান মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
বৃহৎ শিল্প ও করপোরেট খাতের উদ্যোক্তাদের সংগঠনগুলোর মতে, কর-জিডিপি অনুপাত বাড়ানোর লক্ষ্য পূরণের প্রধান উপায় হওয়া উচিত নতুন করদাতা শনাক্তকরণ। বর্তমানে যে অল্পসংখ্যক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান নিয়মিত কর পরিশোধ করছে, তাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করলে দীর্ঘমেয়াদে রাজস্ব আহরণও ক্ষতিগ্রস্থ হবে।
রফতানিমুখী শিল্প খাতের উদ্যোক্তাদের মতে, বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা, উচ্চ উৎপাদন ব্যয় এবং এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতির মধ্যে নতুন করের চাপ রফতানি খাতের সক্ষমতাকে বিশেষভাবে দুর্বল করবে।
ব্যবসায়ীরা মন্তব্য করেছেন ‘৯ লাখ কোটি টাকার বাজেট এবং ৭ লাখ কোটি টাকার রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে আমরা আতঙ্কিত। কারণ রাজস্ব আহরণের আওতা কিন্তু বাড়েনি। আওতা যদি না বাড়ে, তাহলে এ টার্গেট কিছুসংখ্যক করদাতার ওপরই যাবে। এ জায়গাটাতেই আমরা শঙ্কিত।’
ব্যবসায়ীরা হাহাকার অভিব্যক্তি প্রকাশ করে বলেন- ‘কর তো লাভের ওপর হওয়ার কথা। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে বিক্রির ওপর কর নেয়া হচ্ছে। কিন্তু আমরা লোকসান করলেও কর দিতে হচ্ছে। এটা কর ব্যবস্থার মূল চেতনার সঙ্গে যায় না।’
অগ্রিম কর, ন্যূনতম কর, সম্পদভিত্তিক সারচার্জ এবং বিভিন্ন উৎসে করের মধ্যে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যেগুলো ব্যবসায়ীদের কাছে মারাত্মক জুলুম বলে মনে হয়।
অপরদিকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ পর্যায়ে উৎসে কর বাড়ানোর বিষয়েও বিবেচনা করছে রাজস্ব বোর্ড। আলোচনায় থাকা প্রস্তাব অনুযায়ী চাল, ডাল, গম, ভোজ্যতেল, আলু, পেঁয়াজসহ অন্তত ২৮টি কৃষি ও খাদ্যপণ্য সরবরাহে উৎসে কর দশমিক ৫০ শতাংশ থেকে ১ শতাংশে উন্নীত করা হতে পারে। যা মূল্যস্ফীতি চরমভাবে উসকে দেবে। নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের অগ্নিমূল্যে ঘি ঢালবে।
সরকার প্রধান বিভিন্ন কার্ড দিচ্ছেন, উন্নতির কথা বলছেন। প্রসঙ্গত আমরা মনে করি- ‘আমাদের অর্থনীতিকে টেকসই প্রবৃদ্ধির পথে নিতে হলে সবার আগে ব্যবসার পরিবেশকে সহজ ও স্বচ্ছ করতে হবে। ব্যবসার পরিবেশ যদি সত্যিকার অর্থে অনুকূল হয়, তাহলে ব্যবসায়ীদের থেকেই করদাতার সংখ্যা বাড়বে স্বতস্পূর্তভাবে।’
আসন্ন বাজেট ব্যবসায়ীদের জন্য সহনীয় হতে হবে। বাজেট যাতে ব্যবসাবান্ধব হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখেই সরকারকে কাজ করতে হবে।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম সিবতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যা উম্মু আবীহা, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, ত্বাহিরাহ, ত্বইয়িবাহ, বিনতু রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাধারণ মুসলিম শুধু ফিলিস্তিন-কাশ্মীরের প্রতি সহানুভূতিতেই সীমাবদ্ধ
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ভয়াবহ নীরব দুরারোগ কিডনী রোগ একদিকে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা, অপরদিকে বাড়ছে চিকিৎসা ব্যায়
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে সেনাবাহিনীর গৌরবোজ্জল ভূমিকা যেমন জ্বলজ্বল, উন্নয়নে ঝলমল তেমনি সংকটকালেও থাকুক সমুজ্জ্বল
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
যা সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল খ¦মিসাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সুদী মহাজন ও বড় চোর, সমকামীমনা, ১৬৮ মামলার আসামী, দেশ বিক্রিকারী মার্কিন চুক্তিকারী, ক্ষমতার মসনদে বসে অর্থ লুটকারী, অন্যায় সুবিধা গ্রহণকারী, পাহাড় সম অপরাধ মব-সন্ত্রাসের জনক কুখ্যাত ইউনুসের প্রতি ভীষণ বীতশ্রদ্ধ। এই কুলাঙ্গার আবারো ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে, রাষ্টের শীর্ষ পদে তথা প্রেসিডেন্ট পদে আলোচনায় আসে কি করে? নেপথ্যে কি মার্কিন দূত গর? অথচ “ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়”- বিএনপির শ্লোগান
০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
গত ১১ বছরে মানচিত্রের অন্তর্ভূক্তি ছাড়া ছিটমহলবাসীর জীবন জীবিকার কিছুই উন্নয়ন হয়নি।
০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ইসলামের শত্রু, মুসলমানের শত্রু মুসলিম বিশ্বের শত্রু, বাংলাদেশের শত্রু ট্রাম্পের বিরুদ্ধে জনরোষের অনল দাউ দাউ জ্বলছে।
০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
চার বছর ধরে ঝুলে আছে খেলাপী ঋণ কমানের উদ্যোগ। খেলাপী ঋণের প্রভাবে মুদ্রাস্ফীতি, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ঋণ না পাওয়া, কর বৃদ্ধি, অর্থ পাচার সহ জনদুর্ভোগের উত্তাপে উত্তাল হতে পারে দেশ।
০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মাত্র কয়েক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের জন্য বাংলাদেশে বিস্তীর্ণ ভূমি, প্রাকৃতিক বৈচিত্র নষ্ট হবে উত্তরবঙ্গের জনজীবন ও অর্থনীতি বিপর্যস্থ হবে, সর্বোপরি ভারতের হাতে যাবে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের উপর আঘাতের কুঠার।
০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মাত্র কয়েক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের জন্য বাংলাদেশে বিস্তীর্ণ ভূমি, প্রাকৃতিক বৈচিত্র নষ্ট হবে উত্তরবঙ্গের জনজীবন ও অর্থনীতি বিপর্যস্থ হবে, সর্বোপরি ভারতের হাতে যাবে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের উপর আঘাতের কুঠার।
০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












