মন্তব্য কলাম
“ইসলামী বিশেষজ্ঞ মহল এবং ইসলামী মিডিয়ার মতে- বর্তমান বহুত্ববাদী সরকারের সংস্কৃতি উপদেষ্টা বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের ইসলাম ও মুসলমান বিরোধী মনোভাবই পালন এবং ধারন বাস্তবায়ন করে চলছে
, ২২ শাওওয়াল শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ২২ হাদি আশির, ১৩৯২ শামসী সন , ২১ এপ্রিল, ২০২৫ খ্রি:, ০৮ বৈশাখ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) মন্তব্য কলাম
ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রশংসাকারী, সুবিধা ভোগী এবং সুবিধাবাদী সংস্কৃতি উপদেষ্টা সুযোগ পেয়ে বরং
ফ্যাসিস্ট সরকার যা করতে সাহস পায়নি তার চেয়েও বেশী- ইসলাম বিরোধী কর্মকান্ড ঘটিয়েছে
যে চৈত্র সংক্রান্তি সম্পূর্ণরূপে হিন্দুদের ধর্মবিশ্বাস ও পূজার প্রথা- তাই মাদরাসায় চাপিয়ে দিয়েছে এবং চৈত্র সংক্রান্তিকে জাতীয় দিবস ঘোষণা করেছে
শুধু মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ডিজির বিরুদ্ধে আন্দোলনই যথেষ্ট নয়
বহুত্ববাদী সংস্কৃতির প্রসার এবং ক্ষুদ্র-নৃ-গোষ্ঠীদের লাইম লাইটে এনে
তাদের স্বাধীনতাকামী করার ফিল্ড তৈরী করে দেয়ার ষড়যন্ত্রকারী উপদেষ্টার বিরুদ্ধেও
তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে ইনশাআল্লাহ” (পর্ব-১)
পত্রিকায়ে শিরোনাম হয়েছে অনেক। দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাস পত্রিকায় ১১ নভেম্বর ২০২৪ সালে শিরোনাম হয়- “উপদেষ্টা ফারুকীকে নিয়ে সমালোচনার ঝড়, নেপথ্যে কারণ কী?”
নিবন্ধে বলা হয়-
.....মোস্তফা সরয়ার ফারুকীকে উপদেষ্টা পদ থেকে অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে জড়িত বিভিন্নজনের অভিযোগ, মোস্তফা সরয়ার ফারুকীকে উপদেষ্টা করা গণঅভ্যুত্থানের স্পিরিটের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা হয়েছে। আসলে তাকে নিয়ে মানুষের ক্ষোভের কারণ কী?
অনুসন্ধানে জানা গেছে, মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বিভিন্ন সময় তার লেখায় ও ফেসবুক পোস্টে শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার প্রশংসা করেছেন। যার ফলে গত ১৫ বছর প্রিয়ভাজন ব্যক্তিত্ব ছিলেন পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের। এ সুবাদে সরকারের বিভিন্ন সুবিধাও গ্রহণ করেছেন তিনি। শুধু তিনি নন, তার স্ত্রী অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশাও গ্রহণ করেছেন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের নানা সুবিধা। যার ফলে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
.....ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনাকে নিয়েও অসংখ্যবার বিভিন্ন লেখায়, বক্তব্যে, ফেসবুক পোস্টে প্রশংসা করেছেন ফারুকী। লিখেছেন শেখ হাসিনাকে নিয়েও। শেখ হাসিনার লেখা ‘শেখ ফজিলাতুন নেছা- আমার মা’ শিরোনামে লেখার প্রশংসা করে তিনি রিভিউ পোস্ট করেছেন। সেখানে ফারুকী উল্লেখ করেছেন, ‘ইতিহাস বেশির ভাগ সময় বিজয়ী এবং পুরুষের চোখেই লেখা হয়। শেখ হাসিনার এই লেখাটায় একটা ভিন্ন জানালা দিয়ে আমাদের ইতিহাসটাকে দেখার চেষ্টা করা হয়েছে। খুবই ইন্টারেস্টিং পার্সপেক্টিভ। পড়তে পড়তে অনেক জায়গায় আমার নিজের মাকে দেখতে পেয়েছি, নানাকে দেখতে পেয়েছি, মায়ের সংগ্রাম দেখতে পেয়েছি, বাবাকে দেখতে পেয়েছি। পার্থক্য হইলো, বঙ্গবন্ধু রাজনৈতিক কারণে কয়দিন পরপর জেলে যাইতেন আর আমার বাবা ব্যবসায় ধরা খাইতেন। দুই সময়ই বিরুদ্ধ স্রোতের মুখে সিনা টান করে তরী সামলাইতেন ‘মা’। বাঙলার বধূ এবং মায়েদের ইতিহাস বোধ হয় সবকালেই এক। দল-মত-নির্বিশেষে পড়তে পারেন। ’
ফেসবুকে অসংখ্যবার তিনি আওয়ামী লীগ সকারের প্রশংসা করে পোস্ট করেছেন। পতিত সকারের বিভিন্ন মন্ত্রী ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের প্রশংসা করে ও ছবি দিয়ে পোস্ট দিয়েছেন। এ রকম অসংখ্য পোস্ট এখন ফেসবুকে ঘুরছে, সমালোচনা করছে ফারুকীর।
মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর বিরুদ্ধে পতিত দল আওয়ামী লীগের ভোট চুরির নির্বাচন ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণ করার অভিযোগ রয়েছে অনেক আগে থেকেই। এ সম্পর্কিত একটি পোস্ট ভাইরাল হয় ফেসবুকে। প্রায় ২ হাজার লাইকের এই পোস্টে উল্লেখ আছে যে, সাবেক মেয়র আনিসুল হকের নির্বাচনী ক্যাম্পেইনে ফারুকীর সংশ্লিষ্টতা। পোস্টে ফারুকীকে উপদেষ্টা বানানো জুলাই বিপ্লবের সাথে প্রতারণা বলেও উল্লেখ রয়েছে। পোস্টকারীর পরিচয় অ্যাক্টিভিস্ট সাদিকুর রহমান খান। ফেসবুকে তার প্রায় ১ লক্ষ ফলোয়ার রয়েছে।
সাদিকুর রহমান ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, “ভোট চুরি করে মেয়র হওয়া আনিসুল হকের পক্ষে নির্বাচনী ক্যাম্পেইন করেছিলেন ফারুকী। ‘মুজিব’ সিনেমায় অভিনয় করার জন্য আরেফিন শুভর প্লট বাতিল হলো। অথচ ফারুকীর বউ নিজেও তো প্লট পেয়েছিলেন। তিনিও মুজিব মুভির অভিনেত্রী। তার প্লট তো বাতিল হয়নি কেন?
বিপ্লবের পরেও ফারুকী ৬ আগস্ট ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ড. ইউনূসকে এসে দেখে যেতে বলেছিলেন, এবং বাড়িটি মেরামত ও জাদুঘরও চালু করতে বলেছিলেন ফারুকী। সেই ফারুকীকেই যদি মন্ত্রী করা হয়, তাহলে রাজপথে আওয়ামী লীগ ও মুজিববাদকেও ছেড়ে দেওয়া হোক। হাঁকডাক ডেকে, পোলাপাইনকে রাস্তায় আনবেন, আওয়ামী লীগ আর মুজিববাদকে দমন করার জন্য। পোলাপাইন সারা রাত, সারা দিন আওয়ামী লীগ পাহারা দেবে। আপনাদেরকে রক্ষা করবে। আর আপনারা এসি রুমে বসে মুজিবপূজারী ফারুকীর পুনর্বাসন করবেন। তাকে মন্ত্রী বানাবেন। তাহলে রাজপথেও মুজিববাদ পুনর্বাসন হোক। রাজপথে ‘প্রতিরোধ প্রতিরোধ খেলে’ ভোটচোরের পক্ষে ক্যাম্পেইন করা ফারুকীকে উপদেষ্টা বানানো হিপোক্রেসি এবং বিপ্লবের সঙ্গে প্রতারণা। ”
.....শেখ হাসিনা সরকার টিকতে পারবেন না, ক্ষমতায় থাকতে পারবেন না বুঝে ফারুকী ‘পল্টিবাজী’ করেন অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নেতাকর্মীদের। জুলাই বিপ্লবের অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলম ফারুকীকে উপদেষ্টা করার সমালোচনা করেছেন।
প্রসঙ্গত: উল্লেখ্য বিশ্লেষকগণ মন্তব্য করেছেন যে ফারুকী মূলত: ফ্যাসিষ্ট সরকারের ইসলাম ও মুসলমান বিরোধী চেতনা ধারণ ও লালন করেই বর্তমান সরকারে এসেছে। এবং সুযোগ পেয়ে ফ্যাসিস্ট সরকার যা করতে সাহস করেনি তারচেয়েও অনেক বড় কিছু করে ফেলেছে। ফ্যাসিস্ট সরকার পহেলা বৈশাখের সংস্কৃতি মাদরাসা শিক্ষার্থীদের উপর চাপায় নি। বাধ্য করেনি। কিন্তু অন্তর্বর্তী উপদেষ্টা তাই করেছে। শুধু তাই নয় চৈত্র সংক্রান্তি সম্পূর্ণ হিন্দুদের ধর্মীয় বিশ্বাস ও পূজার বিষয়। কিন্তু সে কট্টর হিন্দুত্ববাদী বিশ্বাস ও পূজা; ফারুকী মাদরাসায় আরোপ করেছে। যা ইসলাম বিদ্বেষী ও ভারতের সেবাদাস সাবেক ফ্যাসিস্ট সরকার চিন্তাও করতে পারেনি।
এ বিষয়ে দৈনিক ইনকিলাবে সংবাদ শিরোনাম হয়েছে-
“ডিজির অপসারণ দাবি
মাদরাসা অধিদপ্তরের ইসলামবিরোধী নির্দেশনায় ক্ষোভে তোলপাড়”
খবরে বলা হয়-
.....বর্ষবরণ উদযাপনের নামে দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের শিরকের পথে ঠেলে দিচ্ছে সরকার। এর অংশ হিসেবে দেশের সব মাদরাসায়ও দুই দিনব্যাপী বাংলা নববর্ষ উদযাপনের নির্দেশ দিয়েছে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। এনিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দিয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
ইসলামবিরোধী এই নির্দেশনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা। মাদরাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ইমানবিধ্বংসী উৎসব পালনের নির্দেশনা দেয়ায় মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককের (ডিজি) অপসারণ দাবি করেছেন সচেতন মহল।
..... বিশ্লেষকরা বলছেন, চৈত্র সংক্রান্তি ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন করা হয় মূলত হিন্দুয়ানী সংস্কৃতিতে। ইসলামের বড় পাপ শিরক মিশ্রিত এই উদযাপন থেকে দূরে থাকা প্রতিটি মুসলিমের জরুরি দায়িত্ব। বর্তমান বহুত্ববাদী সরকার ও এর সংস্কৃতি উপদেষ্টা এ বছর বর্ষবরণ জাতীয়ভাবে পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। কিন্তু এখানেই শেষ নয়, মুসলিমদের ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মাদরাসা ছাত্রদেরও এসব উৎসব সাড়ম্বরে পালনের নির্দেশ দিয়ে চরম ধৃষ্টতা দেখানো হয়েছে। যা কখনও মেনে নেবে না তৌহিদী জনতা।
মাদরাসা অধিদপ্তরের ডিজি বর্ষবরণের উৎসব পালনের নির্দেশ দিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ উসকে দিয়েছেন। ইসলামবিরোধী এই নির্দেশনায় চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দিলে তার দায়ভার কে গ্রহণ করবে?- এমন প্রশ্ন তুলেছেন নেটিজেনরা।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিগত শতাব্দীর শেষ দশকে ছায়ানটি চেতনার সাংস্কৃতিক কর্মীরা পহেলা বৈশাখের উৎসবে ‘বাঙালী’ সমাজে উদযাপিত হওয়া ১২ মাসে ১৩ পার্বনকে উৎযাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। সন্দেহ নেই বাংলাদেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীগণ তাদের ১২ মাসে অনুষ্ঠিত ১৩ পূজাকে ঘিরে ১৩টি পার্বন বা উৎসব পালন করে থাকে। বাঙালী হিন্দুদের এ উৎসবকে ‘বাঙালী সংস্কৃতি’ বলে ব্যাপকভাবে উৎযাপনের ও প্রসারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে মুসলমানের ঘরে জন্ম গ্রহণকারী ও মুসলমান নাম ধারণকারী কিছু রবীন্দ্রপ্রেমী সংস্কৃতি কর্মী। অথচ এদেশের অধিবাসী ৯০% মুসলমানের যেসব উৎসবে সমগ্র বাংলাদেশ জেগে ওঠে সেই ঈদুল ফিতর, ঈদুল আযহা, মুহাররম, ঈদে মিলাদুন্নবী প্রভৃতি উৎসব উদযাপনে ব্যাপারে তারা থাকে সম্পূর্ণ নির্বিকার।
এ বছর এটিএন নিউজের কল্যাণে দেশবাসী গাজীপুরের একটি প্রত্যন্ত গ্রামের চৈত্র সংক্রান্তির অনুষ্ঠান সরাসরি দেখার সুযোগ পেয়েছেন। যারা দেখেছেন তাদের কাছে বিনীত প্রশ্ন, এই অনুষ্ঠান কি বাঙালী সংস্কৃতি বলে বাঙালী মুসলমানদের সমাজে উদযাপন যোগ্য? উল্লিখিত আলোচনায় নিঃশঙ্কভাবে প্রমাণিত হয়, এটি হিন্দুদের একটি বিশেষ ধর্মীয় উৎসব। উৎস, ইতিহাস ও পালন পদ্ধতি সবকিছু প্রমাণ করে এটি হিন্দুদের ধর্মীয় উৎসব। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের তা পালনে মুসলমানদের মনে কোনো দ্বিধা থাকতে পারে না। কিন্তু চৈত্র সংক্রান্তি বা চড়কপূজাকে ‘বাঙালী সংস্কৃতি’ বলে বাংলাদেশী মুসলমানদের ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
(ইনশাআল্লাহ চলবে)
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
৫০ লক্ষাধিক সেনাবাহিনীর জন্য বাংলাদেশের বাংকার নেটওয়ার্কের রূপরেখা (পর্ব ৯)
২৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ সম্পোর্কোন্নয়ন কেন শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তিতে? অনন্য উচ্চতায় উঠা এ সম্পর্ক কেন ইসলামী মূল্যবোধ ও মুসলিম ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে উজ্জীবিত হবে না? (১ম পর্ব)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রতিরক্ষা আধুনিকায়ন ও কৌশলগত স্বনির্ভরতা: বাংলাদেশের ৫০ লক্ষ পদাতিক বাহিনীর জন্য ৩য় প্রজন্মের এটিজিএম রোডম্যাপ (পর্ব ৭)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বিশ্বে তৈরী পোশাক রফতানীতে প্রথম বাংলাদেশ কেনো তুলা আমদানীতেও প্রথম? নামে তুলা উন্নয়ন বোর্ড থাকলেও স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত তুলা চাষে কোনো উন্নয়নই নেই অপার সম্ভাবনা থাকলেও দেশে তুলা উৎপাদনে সরকারী কোনো তৎপরতা নেই অথচ ১৬৫০ থেকে ১৭৫০-এই ১০০ বছরে ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোই বাংলা থেকেই ৩ লাখ গজ থেকে ৩ কোটি গজ কাপড় রপ্তানি করেছে। এই বিপুল উৎপাদনে এই বাংলাদেশই কীভাবে তুলার যোগান দিল?
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বিশ্বে তৈরী পোশাক রফতানীতে প্রথম বাংলাদেশ কেনো তুলা আমদানীতেও প্রথম? নামে তুলা উন্নয়ন বোর্ড থাকলেও স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত তুলা চাষে কোনো উন্নয়নই নেই অপার সম্ভাবনা থাকলেও দেশে তুলা উৎপাদনে সরকারী কোনো তৎপরতা নেই
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
দেশের ৪ কোটি মানুষ না খেয়ে থাকে। অথচ বছরে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার শস্য নষ্ট হয় খাদ্য অপচয় রোধ করতে ‘নিশ্চয়ই অপব্যয়কারীরা শয়তানের ভাই’- পবিত্র কুরআন শরীফ উনার এই নির্দেশ সমাজের সর্বাত্মক প্রতিফলন ব্যতীত কোনো বিকল্প নেই।
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
অলস জমিদারের কায়দায় বসে বসে তালুক বিক্রী করে খাওয়ার মতই জ্যামিতিক হারে ঋণ বাড়িয়ে চলছে সরকার ২০২৮-২৯ অর্থবছর ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে ৩৩ লাখ ৭৭ হাজার ৬০০ কোটি টাকায়। দুর্নীতি বন্ধের পাশাপাশি উৎপাদন বাড়ানো রফতানী বৃদ্ধি ও বহুর্মুখীকরণ করার উদ্যম নেই সরকারের দেশ জাতিকে করে যাচ্ছে সুদী মহাজনদের কাছে জিম্মি ও বিক্রী।
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (১৩)
২১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ঋণ নির্ভর বাজেট প্রণয়ন না করে রফতানী বহুর্মুখীকরণের দ্বারা সমৃদ্ধ বাজেট প্রণয়ন খুব সহজেই সম্ভব। কাঁঠাল উৎপাদনে বাংলাদেশ প্রথম হলেও রফতানীতে তলানীতে। কাঁঠাল রফতানী করেও বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় সম্ভব।
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব ৬)
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব- ৫)
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
“বাংলাদেশের ওষুধ রফতানি হচ্ছে ১৪০টির বেশি দেশে”- গত পরশু (৮ই জুন) এই বিবৃতি দেয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী কী ভেবে দেখবেন মার্কিনীদের সাথে করা গোলামী চুক্তিতে তার এই উচ্ছাস পুরোটাই গভীর এবং চরম-পরম উৎকণ্ঠায় পর্যবসিত হয়েছে মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের জন্যও মহা ধ্বংস প্রক্রিয়া বাংলাদেশের ৫১ কোটি নাগরিকের নিরাপত্তা নির্মূলীকরণ প্রক্রিয়া। মহা আত্মঘাতী, সর্বনাশী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিক্রিকারী এ চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে (২য় পর্ব)
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












