মন্তব্য কলাম
সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চলছেই জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, আইজিপি, বিজিবি মহাপরিচালক- সবার কণ্ঠে কেবলই নরম সুর। নেই শক্ত ও কঠোর প্রতিবাদ। নেই বীরোচিত পদক্ষেপ।
, ১৭ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ১৭ ছানী আ’শার, ১৩৯২ শামসী সন , ১৬ মে, ২০২৫ খ্রি:, ৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) মন্তব্য কলাম
যে জাতি ৩০ লাখ শহীদ আর দেড় হাজার শিশু-কিশোরের রক্ত দিয়েছে, সে জাতিকে উপেক্ষা করে সীমান্ত দিয়ে লোক ঢোকানো হবে আর সরকার কিছুই বলবে না?
সীমান্তে লোক হত্যা করলে শেখ হাসিনা একটা প্রতিবাদও করতো না, বর্তমান সরকারও আজ নিরুত্তর।
এই সরকার কী তাহলে ফ্যাসিস্ট হাসিনার পথেই হাঁটছে না?
বাংলাদেশ সীমান্তে নতুন করে অপতৎপরতা শুরু করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। দেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে শত শত ব্যক্তিকে পুশইন (অবৈধ অনুপ্রবেশ) করিয়েছে তারা। এর মধ্যে ভারতীয় নাগরিক যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা।
গত ৭ই মে গণমাধ্যমে সংবাদ শিরোনাম হয়-
পার্বত্যাঞ্চলের সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় মুসলমানদের বাংলাদেশে পুশ ইন করছে বিএসএফ
খবরে জানা যায়, পার্বত্যাঞ্চলের সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় মুসলমানদের বাংলাদেশে পুশ ইন করছে বর্ডার সিকিউরিটি গার্ড (বিএসএফ)। ভারতে বাস করা মুসলমানদের বাংলাদেশী আখ্যা দিয়ে পুশ ইনের চেষ্টা চলমান।
অপরদিকে, একই জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার শান্তিপুর এলাকার ভারত সীমান্ত দিয়ে গুজরাটের ৩টি পরিবারের ২৭ জন মুসলিম ভারতীয় নাগরিককে বিএসএফ বাংলাদেশে পুশ ইন করে। বর্তমানে তারা মাটিরাঙ্গা উপজেলার শান্তিপুর ২নং ওয়ার্ডের আবুল হোসেন মেম্বারের বাড়িতে অবস্থান করছেন ।
গত ৮ই মে গণমাধ্যমে সংবাদ শিরোনাম হয়-
কমলগঞ্জের দলই সীমান্তে নারী, শিশুসহ ১৫ জনকে পুশ ইন করেছে বিএসএফ
খবরে জানা যায়, মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের দলই সীমান্তে নারী ও শিশুসহ ১৫ জনকে ‘পুশ-ইন’ করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। গত বুধবার ভোরে সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে প্রবেশ করার সময় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তাদের আটক করে।
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ৯ জন পুরুষ, ৩ জন নারী ও ৩ জন শিশু রয়েছে। এর আগে ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনার মধ্যে বুধবার খাগড়াছড়ির তিনটি সীমান্ত দিয়ে ৮১ জন এবং কুড়িগ্রামের রৌমারি সীমান্ত দিয়ে গত মঙ্গলবার রাতে ৩০ জনকে পুশ-ইন করা হয়।
৮ই মে আরো সংবাদ শিরোনাম হয়েছে-
মৌলভীবাজার সীমান্ত দিয়ে শতাধিক ব্যক্তিকে ‘পুশ ইন’ ভারতের
খবরে জানা যায়, মৌলভীবাজারের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে শতাধিক ব্যক্তিকে ‘পুশ ইন’ করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। আজ বৃহস্পতিবার অনুপ্রবেশের দায়ে অর্ধশতাধিক ব্যক্তিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
আটক ব্যক্তিরা আরও জানান, তাদের সঙ্গে অনেকে ছিল। এই সংখ্যা তিন শতাধিক হবে। বিএসএফ তাদের কয়েকজনকে ধলই সীমান্ত দিয়ে গেট খুলে বাংলাদেশে ঢুকিয়ে দেয়। অন্যদের কোন সীমান্তে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে তারা কিছু বলতে পারেনি।
৯ই মে সংবাদ শিরোনাম হয়-
নদীপথে ৬২ ভারতীয় নাগরিককে বাংলাদেশে পুশ ইন
খবরে জানা যায়, সুন্দরবনের নদীপথ দিয়ে ৬০-৬২ জন ভারতীয় নাগরিককে বাংলাদেশে পুশ-ইন করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) বলে অভিযোগ উঠেছে।
জুমুয়াবার (৯ মে) বিকেল ৩টার দিকে সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের সীমান্তবর্তী মান্দারবাড়ীয়া এলাকার নদীপথ দিয়ে তাদের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে বনবিভাগ।
কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, ভারতের একটি বিমান সংস্থার অনির্ধারিত ফ্লাইটে বিএসএফের তত্ত্বাবধানে প্রায় ২০০ লোককে গুজরাট থেকে ত্রিপুরায় নেওয়া হয়। এদের একটি অংশকে সীমান্তের বিভিন্ন অংশ দিয়ে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানো হয়।
ভারত থেকে একটি সূত্রে জানা গেছে, গুজরাট থেকে ত্রিপুরায় পৌঁছানো লোকজনের একাংশ এখনো আগরতলায় রয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে তাদের বাংলাদেশে পাঠানো হতে পারে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে অতীতে কর্মরত বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা বলেছেন, ভারত থেকে এভাবে কয়েক দিনে এত পুশ ইনের নজির সাম্প্রতিক নেই।
তা ছাড়া আগে পুশ ইন করলে দ্রুত সময়ের মধ্যে পুশ ব্যাক (ফেরত পাঠানো) করা হতো; কিন্তু এবার এখনো পুশ ব্যাক করা হচ্ছে না।
কূটনৈতিক মহল মন্তব্য করেছেন, গত কয়েক দিনের পুশ ইনের পদক্ষেপগুলো গভীর উদ্বেগের, যা চূড়ান্তভাবে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর প্রভাব ফেলছে এবং জনমনে নেতিবাচক মনোভাবও তৈরি করছে।
পুশ ইনের ওই পদক্ষেপগুলো ১৯৭৫ সালের সীমান্ত কর্তৃপক্ষের জন্য যৌথ ভারত-বাংলাদেশ নির্দেশিকা, সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা (সিবিএমপি)-২০১১ এবং বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের আলোচনায় দুই পক্ষের পারস্পরিক সম্মত সিদ্ধান্তের পরিপন্থী।
২০০৩ সালের জানুয়ারিতে লালমনিরহাট সীমান্তে দুই শর বেশি মানুষকে বাংলাদেশে পুশ ইন করার চেষ্টা করেছিল ভারত। কিন্তু ঢাকার অনমনীয় অবস্থানের কারণে সীমান্তের শূন্যরেখায় তাদের থাকতে হয়েছিল প্রায় দুই মাস। তখনকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোর্শেদ খান এ নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী যশোবন্ত সিনহার সঙ্গে আলোচনার জন্য দিল্লি গিয়েছিলেন। দিল্লির সঙ্গে আলোচনার ঠিক আগেই দেখা যায়, সীমান্তের শূন্যরেখায় প্রায় দুই মাস ধরে থাকা ওই লোকজন আর নেই।
বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার বাংলাদেশের সীমান্তপথে ভারতীয় নাগরিকদের পুশ-ইন চলছে অথচ সরকার এ বিষয়ে শক্ত প্রতিবাদ করছে না । যা করছে তা খুবই নতজানু এবং দুর্বল পর্যায়ের বলে অভিযোগ করেছেন দেশ প্রেমিক জনতা।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী বলেছেন, বাংলাদেশি নাগরিকের নামে সুপরিকল্পিতভাবে ভারত রোহিঙ্গাসহ শত শত মানুষকে বাংলাদেশের বিভিন্ন সীমান্তে পুশ-ইন করছে, যা ন্যক্কারজনক ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল।
জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত জোরপূর্বক প্রবেশের বিষয়ে দিল্লিকে জানানো হয়েছে। এদের মধ্যে কোনো বাংলাদেশি থাকলে তাদের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় মাধ্যমে গ্রহণ করবে ঢাকা। তবে এভাবে নয়। ভারত যেভাবে পুশ ইন করছে তা সঠিক নয়।’ জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার এরকম নিতান্ত নরম বক্তব্যে দেশবাসী চরম হতাশ।
পাশাপাশি সীমান্তে এসপিদের শুধু সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে আইজিপি।
জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা, আইজিপি বিজিবি মহাপরিচালক তথা সরকারের ভারতের প্রতি এহেন নতজানু পররাষ্ট্রনীতিতে রাজনৈতিক সমালোচক মহল গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছে, ‘একজন খুব শক্তিশালী উপদেষ্টা রয়েছেন- খোদা বখস। তিনি নাকি স্বরাষ্ট্র বিষয়ক সব কিছু দেখেন এবং খুবই ক্ষমতাবান। নিজের মতো করে সব গুছিয়ে রাখেন। তাহলে এত ক্ষমতাবান উপদেষ্টা থাকার পরও আজ সীমান্তে ভারতীয় নাগরিকদের পুশ-ইনের মতো ঘটনা ঘটছে কেন? সাতক্ষীরা, কুড়িগ্রাম, খাগড়াছড়ি, মৌলভীবাজার- এসব সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে লোক ঢোকানো হচ্ছে, সরকার কিছু বলছে না। কোথায় খোদা বখস?
কোথায় সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়?
অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচনা করে সমালোচক মহল বলেন, ‘কোথায় সরকার?
তারা তো পুশ-ইন বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেন না।
এগুলো তো বিরাট অন্যায়। কোথা থেকে এই রাষ্ট্রীয় অপরাধগুলো করা হচ্ছে কীভাবে?
বাংলাদেশের জনগণকে কি এত দুর্বল জাতি ভাবছেন? মুক্তিযুদ্ধের দেশ, যে জাতি ৩০ লাখ শহীদ আর দেড় হাজার শিশু-কিশোরের রক্ত দিয়েছে, সে জাতিকে উপেক্ষা করে সীমান্ত দিয়ে লোক ঢুকানো হবে আর সরকার কিছুই বলবে না?
তাহলে তো শেখ হাসিনা যেমন করেছেন আপনারাও তাই করছেন।
আমাদের সীমান্তে লোক হত্যা করলে শেখ হাসিনা একটা প্রতিবাদও করতেন না, বর্তমান সরকারও আজ নিরুত্তর।
বি.এন.পির যুগ্ন মহা সচিব অভিযোগ করে বলেন, ‘সাতক্ষীরা, কুড়িগ্রাম, খাগড়াছড়ি, মৌলভীবাজার এসব সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে লোক ঢোকানো হচ্ছে, সরকার কিছু বলছে না। কোথায় খোদা বখস?
কোথায় সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়?’
অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচনায় তিনি বলেন, ‘এ সরকারকে সব গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল সমর্থন করেছে। তারপরও পাশের দেশ কী সাহসে সীমান্ত দিয়ে জোর করে লোক ঢোকাচ্ছে?
সরকার কেন এ নিয়ে নিশ্চুপ?
সাতক্ষীরা, কুড়িগ্রাম, খাগড়াছড়ি, মৌলভীবাজারসহ বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে লোক পুশ-ইন (ঠেলে পাঠানো) করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, ‘পার্শ্ববর্তী দেশ তার ইচ্ছামত লোক ঢোকাবেন বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে আর আপনারা নিশ্চুপ, আপনারা কেউ সাবধান করছেন না। এর কারণ কি?
তাহলে তো ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা যেমন করেছেন আপনারাও সেই পথেই হাঁটছেন।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
৫০ লক্ষাধিক সেনাবাহিনীর জন্য বাংলাদেশের বাংকার নেটওয়ার্কের রূপরেখা (পর্ব ৯)
২৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ সম্পোর্কোন্নয়ন কেন শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তিতে? অনন্য উচ্চতায় উঠা এ সম্পর্ক কেন ইসলামী মূল্যবোধ ও মুসলিম ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে উজ্জীবিত হবে না? (১ম পর্ব)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রতিরক্ষা আধুনিকায়ন ও কৌশলগত স্বনির্ভরতা: বাংলাদেশের ৫০ লক্ষ পদাতিক বাহিনীর জন্য ৩য় প্রজন্মের এটিজিএম রোডম্যাপ (পর্ব ৭)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বিশ্বে তৈরী পোশাক রফতানীতে প্রথম বাংলাদেশ কেনো তুলা আমদানীতেও প্রথম? নামে তুলা উন্নয়ন বোর্ড থাকলেও স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত তুলা চাষে কোনো উন্নয়নই নেই অপার সম্ভাবনা থাকলেও দেশে তুলা উৎপাদনে সরকারী কোনো তৎপরতা নেই অথচ ১৬৫০ থেকে ১৭৫০-এই ১০০ বছরে ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোই বাংলা থেকেই ৩ লাখ গজ থেকে ৩ কোটি গজ কাপড় রপ্তানি করেছে। এই বিপুল উৎপাদনে এই বাংলাদেশই কীভাবে তুলার যোগান দিল?
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বিশ্বে তৈরী পোশাক রফতানীতে প্রথম বাংলাদেশ কেনো তুলা আমদানীতেও প্রথম? নামে তুলা উন্নয়ন বোর্ড থাকলেও স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত তুলা চাষে কোনো উন্নয়নই নেই অপার সম্ভাবনা থাকলেও দেশে তুলা উৎপাদনে সরকারী কোনো তৎপরতা নেই
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
দেশের ৪ কোটি মানুষ না খেয়ে থাকে। অথচ বছরে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার শস্য নষ্ট হয় খাদ্য অপচয় রোধ করতে ‘নিশ্চয়ই অপব্যয়কারীরা শয়তানের ভাই’- পবিত্র কুরআন শরীফ উনার এই নির্দেশ সমাজের সর্বাত্মক প্রতিফলন ব্যতীত কোনো বিকল্প নেই।
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
অলস জমিদারের কায়দায় বসে বসে তালুক বিক্রী করে খাওয়ার মতই জ্যামিতিক হারে ঋণ বাড়িয়ে চলছে সরকার ২০২৮-২৯ অর্থবছর ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে ৩৩ লাখ ৭৭ হাজার ৬০০ কোটি টাকায়। দুর্নীতি বন্ধের পাশাপাশি উৎপাদন বাড়ানো রফতানী বৃদ্ধি ও বহুর্মুখীকরণ করার উদ্যম নেই সরকারের দেশ জাতিকে করে যাচ্ছে সুদী মহাজনদের কাছে জিম্মি ও বিক্রী।
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (১৩)
২১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ঋণ নির্ভর বাজেট প্রণয়ন না করে রফতানী বহুর্মুখীকরণের দ্বারা সমৃদ্ধ বাজেট প্রণয়ন খুব সহজেই সম্ভব। কাঁঠাল উৎপাদনে বাংলাদেশ প্রথম হলেও রফতানীতে তলানীতে। কাঁঠাল রফতানী করেও বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় সম্ভব।
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব ৬)
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব- ৫)
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
“বাংলাদেশের ওষুধ রফতানি হচ্ছে ১৪০টির বেশি দেশে”- গত পরশু (৮ই জুন) এই বিবৃতি দেয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী কী ভেবে দেখবেন মার্কিনীদের সাথে করা গোলামী চুক্তিতে তার এই উচ্ছাস পুরোটাই গভীর এবং চরম-পরম উৎকণ্ঠায় পর্যবসিত হয়েছে মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের জন্যও মহা ধ্বংস প্রক্রিয়া বাংলাদেশের ৫১ কোটি নাগরিকের নিরাপত্তা নির্মূলীকরণ প্রক্রিয়া। মহা আত্মঘাতী, সর্বনাশী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিক্রিকারী এ চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে (২য় পর্ব)
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












