সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, ক্বয়িদুল মুরসালীন, রউফুর রহীম, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র জীবনী মুবারক (২২৬৭)
, ২১শে রজবুল হারাম শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ২৫ ছামিন, ১৩৯২ শামসী সন , ২২ জানুয়ারী, ২০২৫ খ্রি:, ০৮ মাঘ, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) আইন ও জিহাদ
ঐতিহাসিক সম্মানিত খন্দক জিহাদ:
চির লা’নতপ্রাপ্ত ইহুদীদের এসব মন্তব্য শুনে কুরাইশ কাফির-মুশরিকরা ভীষণ খুশি হলো। ফলে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরুদ্ধে তাদের যুদ্ধ প্রস্তাবও তারা সানন্দে গ্রহণ করলো এবং এতে সকলে একমত হয়ে প্রস্তুতি গ্রহণও শুরু করে দিলো। এরপর এ ইহুদী প্রতিনিধি দলটি কায়েস আয়লানের শাখা গাতফান গোত্রের কাছে গেলো এবং তাদেরকেও নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আহ্বান জানালো। আরও জানালো যে, এ ব্যাপারে তারা তাদের সহযোগিতা করবে এবং কুরাইশ কাফির-মুশরিকদের কাছে এ প্রস্তাব দিলে তারা তা সানন্দে গ্রহণ করে নিয়ে প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছে। ফলে গাতফান গোত্রও তাদের সাথে যোগ দিলো।
সম্মিলিতভাবে সমস্ত কাফির মুশরিক ও মুনাফিকদের যুদ্ধে যাত্রা:
হযরত ইবনে ইসহাক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, কাফির মুশরিকদের সম্মিলিত বাহিনী যুদ্ধে রওয়ানা হলো। কুরাইশ কাফির মুশরিকদের নেতৃত্বে ছিলেন হযরত আবূ সুফিয়ান রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি (তিনি তখনও সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণের বিষয়টি প্রকাশ করেননি। ) বনূ গাতফানের শাখা ফাযারা গোত্রের নেতা ছিলো ইয়ায়না ইবনে হিসন; বনূ মুররা শাখার নেতা ছিলো হারিছ ইবনে আওফ ইবনে আবূ হারিসা মুররী এবং বনূ আশজায়া শাখা হতে যোগানদানকারী সৈন্যদের নেতৃত্বে ছিলো মিসয়ার আবনে রুখাইলা ইবনে নুওয়ায়রা ইবনে তারীফ ইবনে সুহমা ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে হিলাল ইবনে খালাওয়া ইবনে আলজা ইবনে রাব্ছ ইবনে গাতফান।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে নিয়ে পরিখা খনন:
কাফির-মুশরিকদের দুরভিসন্ধি ও তৎ উদ্দেশ্যে তাদের সম্মিলিতভাবে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফে আক্রমণের কথা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারকে পেশ করা হলো। তিনি তাদের প্রতিরোধ কল্পে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র মদীনা শরীফ উনার চতুর্পার্শ্বে পরিখা খনন করতে নির্দেশ মুবারক দিলেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের সাথে পরামর্শ মুবারক ও সম্মানিত জিহাদ মুবারকে অংশগ্রহণ করার জন্য বললেন। অতঃপর তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে নিয়ে পরিখা খনন শুরু করলেন। সুবহানাল্লাহ! হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার রেজামন্দী, সন্তুষ্টি মুবারক অর্জনের লক্ষ্যে খনন কাজ করে যেতে লাগলেন। উনারা কঠোর পরিশ্রম ও কষ্ট করলেন।
-সাইয়্যিদ শাবীব আহমদ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
ঐতিহাসিক সম্মানিত খন্দকের জিহাদ (১৫)
১৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সম্মানিত উহুদ উনার পরিচয়: (১৩তম পর্ব)
১২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
গাযওয়াতুল হুদায়বিয়াহ বা হুদায়বিয়ার জিহাদ (১৪)
১১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সম্মানিত উহুদ উনার পরিচয়: (১২তম পর্ব)
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ঐতিহাসিক সম্মানিত খন্দকের জিহাদ (১৩)
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
গাযওয়াতুল হুদায়বিয়াহ বা হুদায়বিয়ার জিহাদ (১২)
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ঐতিহাসিক সম্মানিত খন্দকের জিহাদ (১২)
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ঐতিহাসিক সম্মানিত খন্দকের জিহাদ (১২)
২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সম্মানিত উহুদ উনার পরিচয়:
২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
গাযওয়াতুল হুদায়বিয়াহ বা হুদায়বিয়ার জিহাদ (১১)
২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সম্মানিত উহুদ উনার পরিচয়: (১০ম পর্ব)
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
গাযওয়াতুল হুদায়বিয়াহ বা হুদায়বিয়ার জিহাদ (১০)
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












