মন্তব্য কলাম
সমালোচক মহলের মতে ‘দেশের বড় বড় সব ব্যবসা’ ‘সম্পদ’, ‘সার্বভৌমত্ব’ বিদেশীদের হাতে বিশেষ করে আমেরিকার হাতে তুলে দেয়ার জন্য বিভিন্ন কূটকৌশলী তৎপরতায় বিভোর অন্তর্বর্তী সরকার।
, ০৬ই রবিউছ ছানী শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ৩১ রবি’, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ খ্রি:, ১৫ আশ্বিন, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) মন্তব্য কলাম
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মন্তব্য করেছেন হিলারীর সখ্যতার বিপরীতে ট্রাম্পকে খুশী করার অতিরিক্ত মাশূল হিসেবেই ট্রাম্পের বন্ধু মাস্কের স্টারলিংক প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে
বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যবসা করতে পারবে না স্টারলিংক। তারপরেও কেন?
নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও সমালোচকরা বলছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে স্বাধীন জুমল্যান্ড, নারিকেল দ্বীপে আমেরিকার ঘাটি এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে দুর্বল করার
বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ষড়যন্ত্র সফল করার জন্যই
বাংলাদেশী জনগণের মাঝে ব্যবসা হবে না জেনেও আসছে আমেরিকার ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী স্টারলিংক
স্টারলিংক কথা না রেখে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে তাদের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও যুদ্ধের ক্ষেত্রে চরম বিশ্বাসঘাতকতা করেছে এও করছে এবং নিজেদের স্বার্থসিদ্ধি করছে।
দেশ রক্ষায় সবাইকে সক্রিয় ও সচেতন হতে হবে ইনশাআল্লাহ।
(৩য় পর্ব)
দরকষাকষি ছাড়াই স্টারলিংক!
স্টারলিংকের সেবার মান ও ইন্টারনেটের গতি নিয়ে দাম দিয়ে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। এ ছাড়া ছোটখাটো কারিগরি সমস্যার পাশাপাশি ভিন্ন ভিন্ন গুরুতর অভিযোগ রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেটের। বাংলাদেশে তাদের নিজেদের অবস্থান আরও দৃঢ় করতে স্টারলিংক সার্ভিসেস বাংলাদেশ লিমিটেড সারা দেশে চারটি স্থানীয় গেটওয়ে স্থাপন করেছে এরই মধ্যে।
বাংলাদেশের ইন্টারনেট অবকাঠামোর সঙ্গে স্টারলিংক তার স্যাটেলাইট নেটওয়ার্ক সংযোগ করার জন্য গাজীপুরের হাইটেক পার্কে দুটি এবং রাজশাহী ও যশোরে একটি করে চারটি স্থানীয় গেটওয়ে স্থাপন করেছে। যা গুরুতর অনিয়ম ও বাংলাদেশ সরকারকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শনের সামিল।
অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর গত ২৯ মার্চ স্টারলিংককে বিনিয়োগের নিবন্ধন দেয় বিডা। এক মাস পর ২৯ এপ্রিল বিটিআরসি ১০ বছরের জন্য তাদের লাইসেন্স দেয়। পরে ৮ মে পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের জন্য অনুমতি দেওয়া হয়, যার মেয়াদ গত ৭ আগস্ট শেষ হয়। লাইসেন্সের শর্ত অনুযায়ী, সেবা শুরু করার আগে কোম্পানিকে অন্তত একটি গেটওয়ে সিস্টেম বাংলাদেশে স্থাপন করতে হবে।
গত ১৩ ফেব্রুয়ারি রাতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র ও স্টারলিংকের মালিক ধনকুবের ইলন মাস্কের ফোনালাপ হয়। বাংলাদেশে স্টারলিংকের কার্যক্রম দ্রুত শুরুর আহ্বান জানানো হয় অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে। ট্রাম্পের সঙ্গে সুসম্পর্ক করতেই ‘ট্রাম্প কার্ড’ হিসেবে ইলন মাস্ককে ব্যবহার করার তথ্য এখন সবারই জানা। শুধু তাই নয় স্টারলিংকে অন্যায় সুযোগ দেয়ার জন্যও সরকার ভীষণ রকম তৎপর।
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেছে, ‘স্টারলিংকের কিট আমদানিতে এইচএস কোড-সংক্রান্ত একটা জটিলতা ছিল। সেটি আমরা সমাধান করে দিয়েছি। আশা করি, সরাসরি কিট আনতে যে সমস্যা ছিল, তা এখন আর হবে না। ’
দাম কমানোর বিষয়ে সে আরো বলেছে, ‘যেহেতু এটি বেসরকারি খাত। সেজন্য আমরা স্টারলিংকে একটা “প্রাইস প্ল্যান” দিয়েছি, যেটি অর্থ মন্ত্রণালয় অনুমোদন করেছে। আর এর বাইরে আমরা বাণিজ্যিকভাবে দাম নিয়ে তাদের সঙ্গে কোনো দর-কষাকষি করছি না।
ট্রানজিট হিসেবে বাংলাদেশকে ব্যবহার করতে চায় স্টারলিংক, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের উপর চরম আঘাত
সম্প্রতি স্টারলিংক বাংলাদেশের মধ্যে গেটওয়ে স্থাপনের পরিকল্পনা জানিয়েছে এবং দেশে গ্রাউন্ড স্টেশন স্থাপনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ট্রানজিট হিসেবে বাংলাদেশকে ব্যবহার করার জন্য বিটিআরসিতে আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের আবেদন করেছে। এর ফলে, তারা বাংলাদেশে স্থাপিত পপ (পয়েন্ট অব প্রেজেন্স) থেকে সিঙ্গাপুর ও ওমানের পপে আন্তর্জাতিক ব্যাকহল সংযোগ স্থাপন করতে চায়।
স্টারলিংকের চিঠি অনুযায়ী, এই আন্তর্জাতিক ট্রানজিট সার্ভিসের জন্য তারা দেশীয় প্রতিষ্ঠান ফাইবার অ্যাট হোম, বিএসসিসিএল ও সামিট থেকে আইপিএলসি (ইন্টারন্যাশনাল প্রাইভেট লিজড সার্কিট) এবং আনফিল্টারড আইপি ক্রয় করবে। তবে এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আনফিল্টারড আইপি দিয়ে তারা শুধুমাত্র বিদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য ডাটা পরিবহন করবে, বাংলাদেশি ব্যবহারকারীরা এর আওতায় পড়বে না।
আইপিএলসি হলো একটি আন্তর্জাতিক ডাটা পরিবহন ব্যবস্থা, যেখানে একটি দেশের নেটওয়ার্ক থেকে সরাসরি অন্য দেশের পপে ডাটা পাঠানো হয়। আনফিল্টারড আইপি হচ্ছে এমন একটি ফিল্টারবিহীন আইপি ব্লক, যার মাধ্যমে ডাটা কোনো ফিল্টারিং, কনটেন্ট ব্লকিং বা নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই আন্তর্জাতিক লিংকে পাঠানো যায়। স্টারলিংকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের নেটওয়ার্কের রেজিলিয়েন্সি ও রিডান্ডেন্সি নিশ্চিত করতে একাধিক পপ যুক্ত থাকবে।
তবে বিটিআরসি এবং দেশের প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মধ্যে স্টারলিংকের এই পরিকল্পনা নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করা হয়েছে। বিশেষ করে নিরাপত্তা, তথ্য সুরক্ষা এবং আইনগত নজরদারির সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিটিআরসির সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, গাইডলাইনে আইপিএলসি শুধু সিগনালিংয়ের জন্য, ট্রাফিকের জন্য নয় এবং এই অনুমোদন দিলে দেশের নজরদারির বাইরে ডাটা প্রবাহিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
দেশের কয়েকজন খ্যাতিমান প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ স্টারলিংকের প্রস্তাব নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছে। ফাইবার অ্যাট হোমের প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা সুমন আহমেদ সাব্বির মনে করে, আন্তর্জাতিক ট্রাফিক পরিবহনের ক্ষেত্রে আনফিল্টারড আইপি ব্যবহারে দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো উপকৃত হবে। অন্যদিকে, এনটিটিএনের প্রধান পরিচালক রাশেদ আমিন বিদ্যুৎ মনে করে, সাইবার নিরাপত্তার কারণে এই আইপির ব্যবহার সীমাবদ্ধ হওয়া উচিত এবং বিশেষ মনিটরিং সেলের প্রয়োজন।
বিটিআরসির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শফিউল আজম পারভেজ জানিয়েছে, স্টারলিংকের আবেদন এখনো যাচাইয়ের পর্যায়ে আছে এবং গাইডলাইনের বাইরে গিয়ে কোনো অনুমোদন দেওয়া হবে না। দেশে স্থাপিত চারটি স্থানীয় গেটওয়ের কার্যকারিতাও বিটিআরসি নিশ্চিত করতে পারেনি, কারণ পরিদর্শনের সময় স্টারলিংকের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলো না।
বাংলাদেশ যদি স্টারলিংকের আন্তর্জাতিক স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ট্রানজিট করিডোর হিসেবে গড়ে ওঠে, তবে তা অর্থনৈতিক দিক থেকে সুযোগ তৈরি করবে। দেশীয় টেলিকম ও আইটি খাত লাভবান হবে, পাশাপাশি বৈশ্বিক নেটওয়ার্কের অংশীদার হওয়ার মাধ্যমে প্রযুক্তিগত অগ্রগতি নিশ্চিত হবে।
তবে একই সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তা, নীতিমালা ও বাজার কাঠামোর ভারসাম্য রক্ষা করাই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। নিরাপত্তা বিধান অপ্রতুল হলে তথ্যের অনাকাক্সিক্ষত প্রবাহ জাতীয় নিরাপত্তায় হুমকি সৃষ্টি করতে পারে।
বাংলাদেশের এই প্রযুক্তিগত রূপান্তরে বিটিআরসি, সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও খাত সংশ্লিষ্টদের সতর্ক এবং সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করাই সময়ের দাবি।
অভিজ্ঞমহল বলছেন ট্রাম্প বাংলাদেশে স্টারলিংক প্রতিষ্ঠার পায়তারার পেছনে রয়েছে নারিকেল দ্বীপ দখল, মার্কিন ঘাটি স্থাপন, পার্বত্য চট্টগ্রামে খৃষ্টানদের স্বাধীন জুমল্যান্ড, এল.জি.বি.টিকিও মুভমেন্ট প্রতিষ্ঠা ইত্যাদি।
ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য এবং জার্মানির মতো ইউরোপীয় দেশগুলিও স্যাটেলাইট-ভিত্তিক ইন্টারনেট পরিষেবাগুলির জন্য বহুস্তরীয় নিয়ন্ত্রক অনুমোদন ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করেছে, স্থাপনের আগে পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে।
বিপরীতে, ভারতের মতো দেশগুলি আরও সতর্ক পথ অবলম্বন করেছে। ২০২১ সালে, ভারত সরকার স্পেসএক্সকে নির্দেশ দেয় যে তারা একটি অপারেশনাল লাইসেন্স না পাওয়া পর্যন্ত স্টারলিংক পরিষেবার জন্য প্রি-অর্ডার গ্রহণ বন্ধ করতে, এই উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে যে এনক্রিপ্ট করা স্যাটেলাইট যোগাযোগ জাতীয় পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থাগুলিকে বাইপাস করতে পারে - বিশেষ করে কাশ্মীর এবং মণিপুরের মতো সংবেদনশীল অঞ্চলে।
বস্তুত স্টারলিংককে নিয়ে ভারতে যাবতীয় সন্দেহ বা অবিশ্বাসের মূলে আছে এই প্রশ্নটাই - এই স্যাটেলইটনির্ভর পরিষেবা জাতীয় নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলবে না তো?
দিল্লিতে তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ওই বিশেষজ্ঞর কথায়, ‘ঠিক যে কারণে টিকটক-সহ অনেকগুলো চীনা অ্যাপকে ভারতে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, বলতে পারে অনেকটা একই কারণে স্টারলিংককে এতদিন এ দেশে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। ’
পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধে হারার পরে ভারত স্টারলিংককে নিয়ন্ত্রক অনুমোদন দিতে রাজী হচ্ছে, এই আশায় যে মাস্কের মালিকানাধীন একটি কোম্পানিকে সমর্থন করলে শুল্ক এড়াতে আলোচনায় সহায়তা হবে এবং মার্কিনি সাহায্য ও অস্ত্র পাওয়া সহজ ও সুলভ হবে। কিন্তু এতদিন পর্যন্ত তাদের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের কর্মকা- নিয়ন্ত্রণে তারা স্টারলিংকের বিরুদ্ধে খুবই কঠোর ছিলো।
প্রসঙ্গত সমালোচক মহল এও বলছেন যে একইভাবে ইউনুস ও ট্রাম্পের সবচেয়ে ঘণিষ্ট বন্ধু মাস্কের স্টারলিংক নিচ্ছে যাতে করে সে ট্রাম্পের নেকভাজন হতে পারে।
(ইনশাআল্লাহ চলবে)
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সরকারের এক মূর্খ মন্ত্রী বলেছে তেলের দাম বৃদ্ধিতে মূল্যস্ফীতি হবে না। অথচ তেলের দাম বৃদ্ধিতে প্রথম দাম বাড়বে খাদ্যের।
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
অপসংস্কৃতি রোধ করতে হলে কথিত ফ্যাশন হাউজগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে হবে
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
উগ্র হিন্দুত্ববাদী ভারত এবং পতিত আওয়ামীলীগ চাচ্ছে বাংলাদেশে তথাকথিত জঙ্গী তৎপরতা প্রমাণ করতে।
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মুসলমানকে ‘মুসলমানিত্ব’ বুঝতে হবে। ‘আশহাদু আন্না মুহম্মাদার রসূলুল্লাহ’ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাক্বীক্বীভাবে বলতে হবে ও আমলে আনতে হবে।
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রতি বছর শুধু অসুস্থতার কারণে প্রায় ৬৪ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের শিকার হচ্ছে।
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
প্রধানমন্ত্রী নিজেই ‘মাননীয়’ শব্দ বাদ দেয়া শুরু করেছেন। বাতিল হয়েছে ‘রাষ্ট্রপতির’ সাথে ‘মহামান্য’ শব্দ ব্যবহারও।
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বাংলাদেশের সামরিক ব্যয় গত দশকগুলোতে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বৃদ্ধি মূলত বেতন, স্থায়ী খরচ এবং চলমান পরিচালনায় ব্যবহৃত হয়েছে। তবে সামরিক আধুনিকায়ন, সমরাস্ত্র ক্রয় এবং নতুন প্রযুক্তি সংযোজনের জন্য মোট বাজেটের মাত্র ২-৪ শতাংশ ব্যয় হয়েছে।
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র পরিক্রমায় চললেই সে প্রজ্ঞা পাওয়া সম্ভব ইনশাআল্লাহ
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক বৈদ্যুতিক সংকটকে আরো ঘণীভূত করেছে, দেশকে টাল-মাটাল করেছে আমেরিকান কোম্পানী এক্সিলারেট এনার্জি। তাদের ২০৪০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ এবং বাংলাদেশ থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা লুটতরাজের টেকসই পরিকল্পনা।
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক বৈদ্যুতিক সংকটকে আরো ঘণীভূত করেছে, দেশকে টাল-মাটাল করেছে আমেরিকান কোম্পানী এক্সিলারেট এনার্জি। তাদের ২০৪০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ এবং বাংলাদেশ থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা লুটতরাজের টেকসই পরিকল্পনা।
০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আর ড্রোন সক্ষমতা বাড়াতে বাজেট মাত্র ৫৭০ কোটি টাকা!!!!!!!!!!!!!!
০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আর ড্রোন সক্ষমতা বাড়াতে বাজেট মাত্র ৫৭০ কোটি টাকা!!!!!!!!!!!
০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












