পার্বত্য চট্টগ্রামে দেশবিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠীকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে এবং নিয়ন্ত্রণ করছে ভারত। বাংলাদেশের পার্বত্য সীমান্তকেও তারা সহিংসতায় বিপর্যস্থ রাখতে চায়।
কোনো সমালোচনা আলোচনা অথবা আন্দোলনের প্রশয় না দিয়ে সরকারের উচিৎ জিয়ার নীতি অনুসরণ করে পাহাড়ে কমপক্ষে ১ হাজার সেনা ছাউনি তৈরী করা।
সন্ত্রাসী সশ্বস্ত্র গোষ্ঠীকে সমূলে বিনাশ করা।
, ১৪ জুমাদাল ঊলা শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ২৭ খ্বমিছ, ১৩৯৪ শামসী সন , ২৬ অক্টোবর, ২০২৬ খ্রি:, ১০ কার্তিক, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) মন্তব্য কলাম
গত (২২ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানান আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের দেওয়া (আইএসপিআর)। তথ্যে একথা বলা হয়। প্রসঙ্গিক প্রশ্ন জোরদার হচ্ছে।
সাজেকের এই সংকট কি বিচ্ছিন্ন ঘটনা? নাকি দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতার বহিঃপ্রকাশ?
সাজেক রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন এলাকা। কিন্তু এর সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ, প্রশাসনিক সমন্বয়, স্থানীয় রাজনৈতিক সম্পর্ক এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার প্রশ্ন গভীরভাবে জড়িত। পাহাড়ের বিভিন্ন আঞ্চলিক সংগঠনের মধ্যে প্রভাব বিস্তার, সাংগঠনিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা, চাঁদাবাজির অভিযোগ, ভূমি-অধিকারসংক্রান্ত বিরোধ এবং রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের প্রশ্ন দীর্ঘদিন ধরে অস্থিরতার পরিবেশ তৈরি করেছে।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি সই হওয়ার পর অঞ্চলটি থেকে অস্থায়ী সেনাক্যাম্প প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরু হয়। চুক্তির ১৭ নম্বর ধারায় কিছু স্থায়ী সেনা স্থাপনা ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীর অবস্থান বাদে অস্থায়ী ক্যাম্প পর্যায়ক্রমে প্রত্যাহারের সুযোগ আছে। আবার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি বা জরুরি প্রয়োজনে বেসামরিক প্রশাসনের অধীন নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েনের সুযোগও রাখা হয়েছে।
২০০৯ সালের ২৯ জুলাই শেখ হাসিনা সরকার পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে এক ব্রিগেড সেনাসদস্য এবং তিনটি পদাতিক ব্যাটালিয়নসহ ৩৫টি অস্থায়ী ক্যাম্প প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়। আইএসপিআরের বিজ্ঞপ্তির বরাতে তখনকার গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, এর আগে শান্তিচুক্তির পর বিভিন্ন পর্যায়ে ২০০টি ক্যাম্প প্রত্যাহার করা হয়েছিল।
সাজেকের সাম্প্রতিক গুলিবর্ষণ ও অবরোধের পর আলোচনায় এসেছে ইউপিডিএফ। সেনাবাহিনী, পুলিশ ও গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, গত দেড় দশকের বেশি সময় ধরে সংগঠনটির বিরুদ্ধে অপহরণ, চাঁদাবাজি, হত্যা ও সশস্ত্র তৎপরতার অভিযোগ রয়েছে। তারা নিজেদের স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে আন্দোলনরত রাজনৈতিক দল হিসেবে পরিচয় দেয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের একটি চিঠির আলোকে জানা যায় তিন জেলায় প্রতি বছরে বিভিন্ন সশ্বস্ত্র সন্ত্রাসীগোষ্ঠী কর্তৃক ২ হাজার কোটি টাকা চাঁদাবাজি হয় বলে জানা যায়।
আর এই চাঁদার টাকা ভাগাভাগি করতে গিয়ে পাহাড়ের স্বশস্ত্র সন্ত্রাসীগোষ্ঠীগুলো সর্বদা সশ্বস্ত্র সংঘাতে জড়িয়ে পড়ছে।
২০২৪ সালে থানচিতে থানায় হামলা, ব্যাংক লুট, অস্ত্র ছিনতাই এবং চলতি মাসে সাজেকে অবরোধ ও গোলাগুলির ঘটনা দেখিয়ে দিয়েছে যে পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা আর কেবল উন্নয়ন-ঘাটতি বা প্রশাসনিক অবহেলার বিষয় নয়। এটি এখন একটি রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সংকটের রূপ নিচ্ছে।
গত বছরের সেপ্টেম্বরে খাগড়াছড়িতে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে সহিংসতা ছড়ায়। এর পর আইএসপিআর দাবি করে, ২৮ সেপ্টেম্বর ইউপিডিএফের সশস্ত্র ক্যাডাররা বর্মাছড়ির বিভিন্ন পাড়া থেকে রামসু বাজারে এসেছিল। অক্টোবরের শেষে আর্য কল্যাণ বিহারে নাশকতার পরিকল্পনার কথাও তাদের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।
সেনাক্যাম্প স্থাপন নিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বর্মাছড়ির সংশ্লিষ্ট জায়গা রাষ্ট্রের খাস বনভূমি। তাদের অভিযোগ, ইউপিডিএফ সেটিকে মন্দিরের জায়গা বলে বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করছে। জায়গার মালিকানা ও চরিত্র নিয়ে ইউপিডিএফের ভিন্ন অবস্থান রয়েছে। আইএসপিআর ও গোয়েন্দা বিশ্লেষণের এসব দাবি স্বাধীন সূত্রে যাচাই হয়েছে, এমন তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি।
গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভাষ্য, ইউপিডিএফ (মূল) সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে শিক্ষা ব্যবস্থায় আধিপত্য কায়েমের চেষ্টা করছে এবং প্রাথমিক থেকে কলেজ পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের ‘বাংলাদেশ বিরোধী’ চিন্তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। প্রসঙ্গত আমরা মনে করি সংগঠনটি নিরাপত্তার জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠলেও এ নিয়ে সরকারের মাথাব্যথা কম।
গোয়েন্দারা জানান, ইউপিডিএফকে নিয়ন্ত্রণ করছে ভারত। এদের সংখ্যা পাঁচ সহস্রাধিক। সবাই ভারতে প্রশিক্ষিত। তারা পার্বত্য চট্টগ্রামের নিয়ন্ত্রণ নিতে চায়।
পাহাড়ে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক উপস্থিতি জোরদারে জিয়ার আমলে যে কৌশল নেওয়া হয়েছিল, বর্তমান পরিস্থিতিতে তা থেকে শিক্ষা নেওয়া প্রয়োজন। জিয়ার ছেলে তারেক রহমান এখন রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে। তাই পার্বত্য চট্টগ্রামের নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ তার রয়েছে।
কোনো সশস্ত্র গোষ্ঠী অস্ত্রের জোরে নিজস্ব কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করলে রাষ্ট্রকে কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে। কোথায় সেনাক্যাম্প দরকার, কোথায় সীমান্ত নজরদারি বাড়াতে হবে, কোন এলাকায় সশস্ত্র তৎপরতার ঝুঁকি বেশি- এসব নিয়ে সমালোচনা আর আন্দোলনকে পাত্তা না দিয়ে দেশের স্বার্থ ও সার্বভৌম্ব বিবেচনায় নিয়ে সরকারকে ১ হাজার স্থায়ী সেনাক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মুসলমানদের উপর নিপীড়ন, নির্যাতন, উচ্ছেদ, বৈষম্য আর মসজিদ-মাদ্রাসা ধ্বংসের উৎসব করে রাষ্ট্রয়ী সন্ত্রাস করে ব্যার্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয়। তাহলে তারা ‘আসাম’ বাংলাদেশের কাছে প্রত্যার্পন করুক। আর আসামের মুসলমান তো সব মরছেই। তাহলে তারা বিদায় হজ্জের ভাষণ অনুযায়ী তাদের জান-মাল রক্ষায় জিহাদে অবতীর্ন হোক।
২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুসলমান হিন্দু সংঘাত হয়। এ থেকে বাঁচাতে সব মুসলমানকে লালনবাদ গ্রহণ করে অমুসলমান হতে বলেছে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই ও তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ। লালনবাদে কোন ধর্মীয় সংঘাত নেই- এজন্য নাকি খোদ প্রধানমন্ত্রী স্কুল শিক্ষায় লালন বাদ ঢোকানোর পরামর্শ দিয়েছে- এটাই জাহেদের ভাষ্য।
২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মুসলমান হিন্দু সংঘাত হয়। এ থেকে বাঁচাতে সব মুসলমানকে লালনবাদ গ্রহণ করে অমুসলমান হতে বলেছে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই ও তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ। লালনবাদে কোন ধর্মীয় সংঘাত নেই- এজন্য নাকি খোদ প্রধানমন্ত্রী স্কুল শিক্ষায় লালন বাদ ঢোকানোর পরামর্শ দিয়েছে- এটাই জাহেদের ভাষ্য।
২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
শুধু ভারতেই আধিপত্যবাদী হিন্দুত্ববাদী নয়। বাংলাদেশে অবস্থানকারী ভারতীয় হাইকমিশনার সহ হিন্দুত্ববাদীরা সবাই আধিপত্যবাদী। এদেশের হিন্দুত্ববাদীরা তাদের আধিপত্য বৃদ্ধি জন্য সরকারকে গভীর চাপ তৈরী করছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের মুখপাত্র, ভারতে- মুসলমানদের উপর সহিংসতাও গণহত্যার অভিযোগ মিথ্যা অভিহিত করে তার বিপরীতে বাংলাদেশে হিন্দু স্বার্থ রক্ষায় নিবেদিত হতে বলেছে।
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
লালনবাদে কোন ধর্মীয় সংঘাত নেই- এজন্য নাকি খোদ প্রধানমন্ত্রী স্কুল শিক্ষায় লালন বাদ ঢোকানোর পরামর্শ দিয়েছে- এটাই জাহেদের ভাষ্য।
২২ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
জামাতের গুরু মওদুদী, গো’আযম, সাইদীর ফতওয়া মোতাবেক যদি তাদের আমীর, সেক্রেটারী, এমপি মুসলমান থেকে খারিজ হয়ে কাফের সাব্যস্ত হয় তবে অন্যদের কী করার আছে?
২১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মুসলমান হিন্দু সংঘাত হয়। এ থেকে বাঁচাতে সব মুসলমানকে লালনবাদ গ্রহণ করে অমুসলমান হতে বলেছে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই ও তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ।
২০ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
শরাব ও পতিতালয়ের পয়সায় লালিত-পালিত রবীন্দ্র কখনো ভারত তথা বাংলার স্বাধীনতা চায়নি, সে বাংলা ভাষাকেও রাষ্ট্রভাষা চায়নি। তার লেখা ‘সোনার বাংলা’ কবিতায় রয়েছে পূজার আরতি। কবিতার শেষ অংশে রয়েছে- ও মা, তোর চরণেতে দিলেম এই মাথা পেতে- / দে গো তোর পায়ের ধুলা, সে যে আমার মাথার মানিক হবে। / ও মা, গরিবের ধন যা আছে তাই দিব চরণতলে-
১৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মদ সংশ্লিষ্ট ১০ জনের প্রতি লা’নতের কথা হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে।একইভাবে মূর্তি পূজা স্থলে অবস্থানকারী, সহযোগিতাকারী, পৃষ্ঠপোষকতাকারী, উৎসাহ দানকারী, প্রসাদ গ্রহণকারী সবাই মূর্তি পূজার সাথে সংশ্লিষ্টতার কারণে মুশরিক হবে
১৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সব নবী রসূল আলাইহিমুস সালামগণ উনাদের প্রধান কঠোরতা ছিলো মূর্তি ও পূজার বিরুদ্ধে। মূর্তি পূজা তথা শিরকের গুনাহ মহান আল্লাহ পাক কিছুতেই ক্ষমা করবেন না। মদ সংশ্লিষ্ট ১০ জনের প্রতি লা’নতের কথা হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে।
১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ইসলাম ও মুসলমান প্রিয় দাবীদার- সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস জ্ঞাপনকারী- বিএনপি সরকার কেন মুসলিম বিদ্বেষ, বাঙ্গালী বিদ্বেষ, মুসলমানদের শিক্ষার প্রতি বিদ্বেষের অভিযোগে অভিযুক্ত এবং পতিতালয়ের টাকায় বিত্ত-বৈভব করা রবী ঠগের বন্দনায় পতিত আওয়ামী সরকারের পথেই হাঁটছে!
১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ইসলাম ও মুসলমান প্রিয় দাবীদার- সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস জ্ঞাপনকারী- বিএনপি সরকার কেন মুসলিম বিদ্বেষ, বাঙ্গালী বিদ্বেষ, মুসলমানদের শিক্ষার প্রতি বিদ্বেষের অভিযোগে অভিযুক্ত এবং পতিতালয়ের টাকায় বিত্ত-বৈভব করা রবী ঠগের বন্দনায় পতিত আওয়ামী সরকারের পথেই হাঁটছে!
১৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












