মন্তব্য কলাম
সংস্কারের দাবিদার বর্তমান সরকারও প্রচলিত রপ্তানির বৃত্তের মধ্যেই আবদ্ধ। আম রপ্তানির ২৬টি বাধা দূরীকরণে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নয়। বাংলাদেশে বৎসরে ১ কোটি টন আম উৎপাদন সম্ভব ইনশাল্লাহ। হাজার হাজার কোটি টাকা রপ্তানিও সম্ভব ইনশাল্লাহ।
সেদিকে নজর না দিয়ে সংস্কারের নামে কুসংস্কারের প্রতি যেন সরকারের দৃষ্টি আবদ্ধ।
, ২৯ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ২৯ ছানী আ’শার, ১৩৯২ শামসী সন , ২৮ মে, ২০২৫ খ্রি:, ১৫ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) মন্তব্য কলাম
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বছরে প্রায় ১৫ লাখ টন আম উৎপাদিত হয়, যার বাজারমূল্য প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা। চলতি মৌসুমে প্রায় ২ লাখ ৫ হাজার ৩৪ হেক্টর জমিতে ২৭ লাখ টন আমের উৎপাদন হয়েছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন জেলায় আম পাড়া শুরু হয়েছে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ২১ লাখ ৪৩ হাজার টন আম উৎপাদন হয়েছিল। এর মধ্যে রপ্তানি হয়েছিল মাত্র ৩০৯ টন। ২০১৯-২০ সালে দেশে প্রায় ২৫ লাখ টন আম উৎপাদন হলেও রপ্তানি হয়েছে ২৮৩ টন। ২০২০-২১ অর্থবছরে আমের ফলন হয়েছিল ২৩ লাখ ৫০ হাজার ৪৯৯ টন; রপ্তানি হয় ১ হাজার ৭৫৭ টন। ২০২২-২৩ অর্থবছরে উৎপাদন ছিল ২৭ লাখ ৭ হাজার ৪৫৯ টন; রপ্তানি হয়েছে ৩ হাজার ১০০ টন। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে উৎপাদন হয় ২৫ লাখ ৮ হাজার ৯৭৩ টন; রপ্তানি হয় ১ হাজার ৩২১ টন আম।
আম উৎপাদনকারী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান সপ্তম। শুধু পরিমাণের দিক থেকে দেশে ফলের রাজা হয়েছে, তা নয়। অন্তত ছয়টি জেলার প্রধান বাণিজ্যিক কৃষিপণ্য এই আম। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) হিসাবে, দেশে ২ লাখ ৩৫ হাজার একর জমিতে আমবাগান রয়েছে। প্রতিটি গাছে গড়ে ৭৭ কেজি করে আম উৎপাদিত হয়।
বাংলাদেশ হতে রপ্তানিকৃত আমের জাতের মধ্যে হিমসাগর, গোপালভোগ, ল্যাংড়া, হাড়িভাংগা, আম্রপালী, ফজলি, সুরমা ফজলি আম উল্লেখযাগ্যে। ২২টি জেলায় এখন বাণিজ্যিক ভিত্তিতে আমের চাষ হচ্ছে। এত উৎপাদনের পরও রপ্তানির তলানিতে বাংলাদেশ। রপ্তানিকারকরা বলছেন, উড়োজাহাজের ভাড়া অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ার কারণে রপ্তানি কমেছে। এত বেশি দামে আম কিনতে চাচ্ছেন না বাইরের ক্রেতারা।
ঢাকা-লন্ডন রুটে গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে ভাড়া ছিল কেজিতে ১৮৪ থেকে ২৪৩ টাকা, যা বেড়ে বর্তমানে ৪৮৬ টাকা। একইভাবে কানাডায় আম পরিবহনে প্রতি কেজিতে ৩৩৩ থেকে বেড়ে ভাড়া দাঁড়িয়েছে ৬২৫ টাকায়। বর্তমানে প্রতি কেজি ফল পাঠাতে ইউরোপে ৩৫০-৩৮০ টাকা এবং মধ্যপ্রাচ্যে ২০০-২২০ টাকা ভাড়া দিতে হয়।
আম রপ্তানিকারক ও গ্লোবাল ট্রেড লিঙ্কের স্বত্বাধিকারী বলে, ভারত, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ডের মতো দেশগুলো আম রপ্তানিতে আলাদা কার্গো ফ্লাইট ব্যবহার করে, অথচ বাংলাদেশ নির্ভর করে যাত্রীবাহী বিমানের ওপর। প্যাকিং হাউস করা হয়েছে শ্যামপুরে, পণ্য পাঠাতে হয় বিমানবন্দর থেকে। অথচ দুটো একই জায়গায় হওয়া প্রয়োজন ছিল। এতে খরচ কমত।
আম রপ্তানি বাড়ানোর লক্ষ্যে কৃষি মন্ত্রণালয় বিভিন্ন উদ্যোগ নিলেও প্রায় ২৬টি বড় কারণে রপ্তানি বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। এ অবস্থায় আম রপ্তানিতে সকল সমস্যা ও চ্যালেঞ্জসমূহ দূর করে রপ্তানি বাড়াতে করণীয় নির্ধারণে আবারো সংশ্লিষ্টদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে।
দেশভিত্তিক আম উৎপাদনের দিক দিয়ে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে একটি পার্শ্ববর্তী দেশ। ২০১৯ সালে দেশটিতে আম উৎপাদন হয়েছে ২৫০ লাখ মেট্রিক টন। যা বিশ্ব উৎপাদনের প্রায় ৪৬ ভাগ। আম উৎপাদনে এর পরেই রয়েছে ইন্দোনেশিয়া, চীন, মেক্সিকো, পাকিস্তান ও মালয়।
সুস্বাদু এই ফলের উৎপাদনে সপ্তম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। সরকারি হিসেবে বাংলাদেশের উৎপাদন ছিল ১৪ লাখ মেট্রিক টন। যা বিশ্ব উৎপাদনের দুই দশমিক ছয় ভাগ। যদিও বেসরকারি হিসেবে আমের উৎপাদন প্রায় ২৫ লাখ মেট্রিক টন। সপ্তম উৎপাদনকারী দেশ হয়েও বাংলাদেশ মাত্র পাঁচ লাখ মার্কিন ডলারের আম রপ্তানির সুযোগ পেয়েছে।
সরকার আম রপ্তানিতে সবচেয়ে বড় বাধা হিসেবে ২৬টি কারণকে চিহ্নিত করেছে। এগুলো হচ্ছে- আম উৎপাদনে কৃষির উত্তম চর্চার অভাব, রপ্তানিযোগ্য উচ্চমূল্যের জাতের অপর্যাপ্ততা, নিরাপদ ও আন্তর্জাতিক গুণগত মানসম্পন্ন আমের জাত নির্বাচন ও উৎপাদনে ঘাটতি, নতুন বাজার যাচাই ও সৃষ্টিতে উদ্যোগ গ্রহণে সমন্বয়ের অভাব, প্রান্তিক বা মাইক্রো লেভেলে ইনফ্রাস্ট্রাকচার ও লজিস্টিক প্রাপ্তিতে সমস্যা, উৎপাদিত আমের সেলফ লাইফ কম।
সংগ্রহাত্তের পর্যায়ে উৎপাদিত আমের ট্রেসিবিলিটির অভাব, সটিং এবং গ্রেডিংসহ সংগ্রহাত্তের পর্যায়ে কুলিং ব্যবস্থার অপ্রতুলতা, পরিবেশ বান্ধব ও ভারসাম্যপূর্ণ মাটির উর্বরতা ব্যবস্থাপনার অভাব, কর্মী শ্রমিকের নিরাপত্তা ও অসচেতনতা, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি আমের ব্র্যান্ডিং ইমেজ সৃষ্টি না হওয়া, আন্তর্জাতিক মানের প্যাকেজিংয়ের অভাব ইত্যাদি।
আম একটি বহুবিধ ব্যবহারযোগ্য গাছ। টাটকা ফল হিসেবে আম কাঁচা ও পাকা উভয় অবস্থায় বিভিন্নভাবে খাওয়া যায়। কাঁচা ও পাকা আম থেকে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে আচার, আমচুর, চাটনি, মোরব্বা, জুস, জ্যাম, জেলি, স্কোয়াশ, আমসত্ত্ব, লিকার, পাল্প, টফি, মধু, বরফি, পাউডারসহ নানাবিধ খাবার এবং পানীয় প্রস্তুত করা হয়।
এই গাছের শিকড়, বাকল, কাঠ, পাতা, ফলসহ প্রতিটি অঙ্গ মানুষ বিভিন্ন কাজে যেমন-খাদ্য, জ্বালানি, আসবাবপত্র, বাসস্থান তৈরি, পশুখাদ্য, ওষুধপত্র তৈরিসহ নানানভাবে ব্যবহার করে।
এছাড়া আম বৃক্ষজাতীয় বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ বিধায় এর কার্বন সংরক্ষণক্ষমতা বেশি হওয়ায় পানিবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
এই গাছের পরিচিতি, ফলের জনপ্রিয়তা, দেশের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তায় গুরুতপূর্ণ ভূমিকা ইত্যাদি বিষয়কে বিবেচনায় নিয়ে ২০১০ সালে সরকার আমগাছকে জাতীয় বৃক্ষ হিসেবে ঘোষণা করে।
আম উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে সপ্তম, কাঁঠাল উৎপাদনে দ্বিতীয় ও পেয়ারা উৎপাদনে অষ্টম স্থানে অবস্থান করছে। মৌসুমি ফল উৎপাদনে দেশের বর্তমান অবস্থান দশম। আয়তনে ছোট হলেও প্রতিবছর ১০ শতাংশ হারে ফল চাষের ক্ষেত্র বৃদ্ধি পেয়েছে এবং গত ১০ বছরে দেশে আমের উৎপাদন দ্বিগুণ হয়েছে।
নাতিশীতোষ্ণ আবহাওয়া ও ভূপ্রাকৃতিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ ফল উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। দেশে ও বিদেশে ফলের ব্যাপক চাহিদা। বাংলাদেশ প্রায় ৭০ প্রজাতির ফল উৎপাদিত হলেও এর ক্ষুদ্র একটি অংশ বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ হয়। ফলে কাক্সিক্ষত পরিমাণ রপ্তানিযোগ্য ফলের উৎপাদন এখনো সম্ভব হয়নি।
বাংলাদেশের কৃষি বর্তমানে চিরাচরিত কৃষিব্যবস্থা থেকে বাণিজ্যিক কৃষিব্যবস্থায় রূপান্তরের পর্যায়ে রয়েছে।
রপ্তানিকারকরা বলছেন, তৈরি পোশাককে প্রাধান্য দিতে গিয়ে পচনশীল রপ্তানি পণ্যকে উপেক্ষা করা হচ্ছে। বিদেশি উড়োজাহাজগুলোকে পচনশীল রপ্তানি পণ্যের জন্য নির্দিষ্ট স্থান বরাদ্দের শর্ত সরকারই আরোপ করতে পারে। এটি করা হলে এসব পণ্য নেওয়ার ক্ষেত্রে এক ধরনের বাধ্যবাধকতা থাকত।
আম রপ্তানির ক্ষেত্রে অন্যতম সমস্যা হচ্ছে রপ্তানিযোগ্য উন্নতজাতের আমের অভাব। স্থানীয় আমের জাতগুলোর জীবনকাল কম, দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। মানসম্মত কৃষি পদ্ধতির চর্চা, আন্তর্জাতিক মানের প্যাকেজিংয়ের অভাব, নতুন বাজার সৃষ্টিতে সমন্বয়হীনতা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি আমের ব্র্যান্ডিং সংকটের কারণে রপ্তানিতে সুফল আসেনি। এ অবস্থায় সরকার আম রপ্তানি বাড়াতে নানা উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি নতুন বাজার খুঁজছে। গুণগত মান ঠিক রেখে আম উৎপাদন করে রপ্তানিতে এবার রেকর্ড গড়তে চায় কৃষি মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি চীনের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর হয়েছে। আগামী সপ্তাহে চীনে ৫০ হাজার টন আম রপ্তানি হবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অন্য দেশের চেয়ে চীনে পরিবহন ব্যয় কম। ফলে গুণগত মান ঠিক রেখে আম উৎপাদন করতে পারলে কম পরিবহন ব্যয়ে বিশাল সম্ভাবনাময় বাজার হয়ে উঠতে পারে দেশটি।
আম রপ্তানি বাড়ানোর ক্ষেত্রে সম্ভাবনা দেখাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ। সেই লক্ষ্যে আগামী ২৫ জুন সপ্তাহব্যাপী কাতারের রাজধানী দোহারের বাণিজ্য এলাকা খ্যাত সুক ওয়াকিফে ফলমেলার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস। এতে বাংলাদেশি আম, লিচু ও কাঁঠাল নিয়ে হাজির হবে ৬০টি স্টল। বলাবাহুল্য এ ধরনের উদ্যোগ আরো জোরদার এবং আরো ব্যাপক হওয়া প্রয়োজন।
কৃষিসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানের নানামুখী উদ্যোগে বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বে আম উৎপাদনে ৭ম স্থান অধিকার করেছে। কিন্তু রপ্তানির ক্ষেত্রে নানা চ্যালেঞ্জ থাকায় এবং পৃষ্ঠপোষকতার ঘাটতি থাকায় আম রপ্তানিতে এখনো তলানিতে বাংলাদেশ।
এক্ষেত্রে সরকারী ও বেসরকারী সকলকে যুগপৎভাবে এগিয়ে আসা উচিৎ। বিগত সরকারগুলো শুধু প্রচলিত খাত গামেন্ট রপ্তানির বৃত্তেই আবদ্ধ থাকতো।
সংস্কারের দাবিদার অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে এক্ষেত্রে সংস্কারের আশা প্রাসঙ্গিক ছিলো।
কিন্তু সে আশাকে হতাশায় পরিণত করছে তারা। সংস্কারের নামে কুসংস্কারেই ধাবমান তারা।
জনগণকে তাই নিজেদেরই উদ্যোগী হতে হবে। আম উৎপাদন ও রপ্তানির সুফল দেশবাসীকে দিতে হবে ইনশাআল্লাহ।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
৫০ লক্ষাধিক সেনাবাহিনীর জন্য বাংলাদেশের বাংকার নেটওয়ার্কের রূপরেখা (পর্ব ৯)
২৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ সম্পোর্কোন্নয়ন কেন শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তিতে? অনন্য উচ্চতায় উঠা এ সম্পর্ক কেন ইসলামী মূল্যবোধ ও মুসলিম ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে উজ্জীবিত হবে না? (১ম পর্ব)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রতিরক্ষা আধুনিকায়ন ও কৌশলগত স্বনির্ভরতা: বাংলাদেশের ৫০ লক্ষ পদাতিক বাহিনীর জন্য ৩য় প্রজন্মের এটিজিএম রোডম্যাপ (পর্ব ৭)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বিশ্বে তৈরী পোশাক রফতানীতে প্রথম বাংলাদেশ কেনো তুলা আমদানীতেও প্রথম? নামে তুলা উন্নয়ন বোর্ড থাকলেও স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত তুলা চাষে কোনো উন্নয়নই নেই অপার সম্ভাবনা থাকলেও দেশে তুলা উৎপাদনে সরকারী কোনো তৎপরতা নেই অথচ ১৬৫০ থেকে ১৭৫০-এই ১০০ বছরে ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোই বাংলা থেকেই ৩ লাখ গজ থেকে ৩ কোটি গজ কাপড় রপ্তানি করেছে। এই বিপুল উৎপাদনে এই বাংলাদেশই কীভাবে তুলার যোগান দিল?
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বিশ্বে তৈরী পোশাক রফতানীতে প্রথম বাংলাদেশ কেনো তুলা আমদানীতেও প্রথম? নামে তুলা উন্নয়ন বোর্ড থাকলেও স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত তুলা চাষে কোনো উন্নয়নই নেই অপার সম্ভাবনা থাকলেও দেশে তুলা উৎপাদনে সরকারী কোনো তৎপরতা নেই
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
দেশের ৪ কোটি মানুষ না খেয়ে থাকে। অথচ বছরে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার শস্য নষ্ট হয় খাদ্য অপচয় রোধ করতে ‘নিশ্চয়ই অপব্যয়কারীরা শয়তানের ভাই’- পবিত্র কুরআন শরীফ উনার এই নির্দেশ সমাজের সর্বাত্মক প্রতিফলন ব্যতীত কোনো বিকল্প নেই।
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
অলস জমিদারের কায়দায় বসে বসে তালুক বিক্রী করে খাওয়ার মতই জ্যামিতিক হারে ঋণ বাড়িয়ে চলছে সরকার ২০২৮-২৯ অর্থবছর ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে ৩৩ লাখ ৭৭ হাজার ৬০০ কোটি টাকায়। দুর্নীতি বন্ধের পাশাপাশি উৎপাদন বাড়ানো রফতানী বৃদ্ধি ও বহুর্মুখীকরণ করার উদ্যম নেই সরকারের দেশ জাতিকে করে যাচ্ছে সুদী মহাজনদের কাছে জিম্মি ও বিক্রী।
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (১৩)
২১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ঋণ নির্ভর বাজেট প্রণয়ন না করে রফতানী বহুর্মুখীকরণের দ্বারা সমৃদ্ধ বাজেট প্রণয়ন খুব সহজেই সম্ভব। কাঁঠাল উৎপাদনে বাংলাদেশ প্রথম হলেও রফতানীতে তলানীতে। কাঁঠাল রফতানী করেও বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় সম্ভব।
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব ৬)
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব- ৫)
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
“বাংলাদেশের ওষুধ রফতানি হচ্ছে ১৪০টির বেশি দেশে”- গত পরশু (৮ই জুন) এই বিবৃতি দেয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী কী ভেবে দেখবেন মার্কিনীদের সাথে করা গোলামী চুক্তিতে তার এই উচ্ছাস পুরোটাই গভীর এবং চরম-পরম উৎকণ্ঠায় পর্যবসিত হয়েছে মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের জন্যও মহা ধ্বংস প্রক্রিয়া বাংলাদেশের ৫১ কোটি নাগরিকের নিরাপত্তা নির্মূলীকরণ প্রক্রিয়া। মহা আত্মঘাতী, সর্বনাশী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিক্রিকারী এ চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে (২য় পর্ব)
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












