শনি গ্রহের নতুন ১২৮টি চাঁদ আবিষ্কার!
, ১৪ রমাদ্বান শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ১৬ আশির, ১৩৯২ শামসী সন , ১৫ মার্চ, ২০২৫ খ্রি:, ২৮ ফালগুন, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) পাঁচ মিশালী
ব্রিটিশ দৈনিক গার্ডিয়ানের এক খবরে বলা হয়, এর আগে বৃহস্পতি ‘চাঁদের রাজা’ হিসেবে পরিচিত ছিল। কিন্তু নতুন এই আবিষ্কারের পর শনির মোট চাঁদের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৭৪-এ, যা সৌরজগতের অন্য সব গ্রহের চাঁদের সংখ্যা মিলিয়েও প্রায় দ্বিগুণ।
গবেষকরা এর আগে কানাডা-ফ্রান্স-হাওয়াই টেলিস্কোপ ব্যবহার করে শনির ৬২টি চাঁদ শনাক্ত করেছিলো। তখন তারা আরো কিছু চাঁদের অস্তিত্বের ইঙ্গিত পেয়েছিলো, যা নিশ্চিত করতে ২০২৩ সালে নতুন করে পর্যবেক্ষণ চালায়।
২০২৪ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বৃহস্পতির কক্ষপথে ৯৫টি চাঁদ নিশ্চিত করা হয়েছে।
সম্প্রতি আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিদ্যা ইউনিয়ন (আইএইউ) এই নতুন চাঁদগুলোকে স্বীকৃতি দিয়েছে। আপাতত এগুলোকে সংখ্যা ও অক্ষরের সংমিশ্রণে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে পরবর্তীতে শনির অন্যান্য চাঁদের মতো এগুলোরও নতুন নামকরণ করা হবে।
এই চাঁদগুলো শনাক্ত করতে গবেষকরা ‘শিফট অ্যান্ড স্ট্যাক’ পদ্ধতি ব্যবহার করেছে। যেখানে ক্রমান্বয়ে তোলা একাধিক ছবি একত্রিত করে চাঁদের চলাচলের পথ বিশ্লেষণ করা হয়। এতে দূরবর্তী ও ক্ষুদ্র চাঁদগুলোও শনাক্ত করা সম্ভব হয়।
নতুন ১২৮টি চাঁদই ‘অনিয়মিত চাঁদ’, যা সাধারণত আলু আকৃতির এবং কয়েক কিলোমিটার আয়তনের। এত সংখ্যক ক্ষুদ্র বস্তু আবিষ্কার হওয়ায় এখন আসলে কাকে ‘চাঁদ’ বলা হবে সেই প্রশ্ন উঠেছে।
জ্যোতির্বিদদের মতে, ‘চাঁদের সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা নেই, কিন্তু থাকা উচিত।’ তবে বর্তমান প্রযুক্তি দিয়ে শনির চারপাশে আরো নতুন চাঁদ খুঁজে বের করা সম্ভব নয়।
বিজ্ঞানীদের ধারণা, সৌরজগতের প্রাচীন সময়ে গ্রহগুলো যখন অস্থিতিশীল কক্ষপথে ঘুরছিল, তখন একাধিক সংঘর্ষের ফলে অনেক বড় বস্তু ভেঙে গিয়ে এই চাঁদগুলো তৈরি হয়েছে।
নতুন আবিষ্কৃত চাঁদগুলো একত্রে দলবদ্ধ হয়ে আছে। এটি ইঙ্গিত দেয় যে এগুলো অতীতে একটি বড় আকারের বস্তু ছিল, যা ১০ কোটি বছরের মধ্যে কোনো এক সময়ে সংঘর্ষের ফলে টুকরো টুকরো হয়ে গেছে।
কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন জ্যোতির্বিদ বলেছে, ‘এগুলো সম্ভবত মূলত শনির ধরা পড়া কয়েকটি বড় চাঁদের টুকরো, যা হয় শনির অন্য চাঁদের সাথে, নয়তো কোনো ধাবমান ধূমকেতুর সাথে প্রবল সংঘর্ষের কারণে ভেঙে গেছে।’
এই চাঁদগুলোর গতিবিধি বিশ্লেষণ করলে শনির বিখ্যাত বলয়গুলোর উৎপত্তি সম্পর্কেও নতুন তথ্য পাওয়া যেতে পারে। বিজ্ঞানীরা ধারণা করছে, শনির বলয় কোনো এক সময় গ্রহটির মহাকর্ষীয় শক্তিতে ধ্বংস হওয়া একটি চাঁদের অবশিষ্টাংশ। সূত্র: গার্ডিয়ান/বাসস।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
করমচা খেলে কী হয়? জানুন এর স্বাস্থ্য উপকারিতা
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
কাঁঠালের বীজ খেলে কী হয় জানুন
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ঘরোয়া মসলায় লুকিয়ে থাকা চিকিৎসাগুণ সম্পর্কে জানেন?
১৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
আমে কীটনাশক রয়েছে কিনা? পরীক্ষা করুন পাঁচ পদ্ধতিতে
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মহাবিশ্ব দ্রুত গতিতে সম্প্রসারিত হচ্ছে: নতুন গবেষণা
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
কাচারি ঘরের ইতিকথা
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
কদম মুবারকে কদম রসূল
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ব্রেইন-কম্পিউটার ইন্টারফেস
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ইন্দোনেশিয়ায় আন্তর্জাতিক উদ্ভাবন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশি দুই শিক্ষার্থীর সাফল্য
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
জামের বীজের গোপন গুণ, যা অনেকেরই অজানা
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
এই চার পানীয় শরীর থেকে ক্ষতিকর পদার্থ বের করে দেয়
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ভুট্টায় প্রোটিন বাড়ানোর নতুন জিন আবিষ্কার
১৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












