যুদ্ধবন্দীদের সাথে ছাহিবু হুসনিল খুলুক্ব, আফদ্বালুল কায়িনাত, উসওয়ায়ে হাসানাহ, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সদাচরণ (২)
, ১২ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ১২ ছানী আ’শার, ১৩৯২ শামসী সন , ১১ মে, ২০২৫ খ্রি:, ২৮ বৈশাখ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) আইন ও জিহাদ
তাই মক্কা শরীফ বিজয়ের দিন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উদাত্ত ঘোষণা-
لَا تَثْرِيبَ عَلَيْكُمُ الْيَوْمَ يَغْفِرُ اللهُ لَكُمْ وَهُوَ أَرْحَمُ الرَّاحِمِينَ
“আজ তোমাদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নেই। মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদের ক্ষমা করুন। আর তিনিই দয়া প্রদর্শনকারীদের মধ্যে সর্বাধিক দয়ালু। ”
اَلْيَوْمُ يَوْمُ الْمَلْحَمَةِ আজ প্রচন্ড লড়াইয়ের দিন, আজ রক্তপাতের দিন। ”
সেখানে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اَلْيَوْمُ يَوْمُ الْمَرْحَمَةِ
‘আজ তো দয়া ও ক্ষমা প্রদর্শনের দিন। ”
আর এভাবেই একটি হরফের পরিবর্তনে (اَلْمَلْحَمَةُ -র পরিবর্তে اَلْمَرْحَمَةُ) নাযাত পেলো এক কওম। আদর্শ স্থাপিত হলো সহনশীলতার, অন্তরের প্রশস্ততার। সে পথ ধরেই এগিয়ে গেছে মুসলিম বিজয় অভিযান। যতটা না দেশ বিজয় হয়েছে তার চেয়ে অধিক বিজয় হয়েছে, মানুষের মন। উনারা যেখানেই গেছেন সকলকেই দান করেছেন নিরাপত্তা, অভয়। বিজয়ী হয়ে ঘোষণা করেছেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কালজয়ী শিক্ষা- “আজ উত্তম আচরণ প্রদর্শনের দিন। ” এসব ঘটনা থেকে আমরা মুসলমানদের উদারতা ও সহনশীলতা কোন পর্যায়ের ছিলো তা খানিকটা অনুধাবন করতে পারি। এর বিপরীতে ঈর্ষাকাতর কাফির জালিমরা যে জুলুম ও নির্যাতন চালিয়েছে এবং এখনো চালাচ্ছে তা সহজেই পরিমাপযোগ্য। ক্রুসেডের নামে একাদশ শতাব্দীতে বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফে মুসলমানদের অন্যায়ভাবে উৎখাত ও নির্মূলের জন্য নিরস্ত্র অসহায় নারী-পুরুষ, বৃদ্ধ এবং শিশুদের উপর যে সংঘবদ্ধ, কুপরিকল্পিত, বর্বর হত্যাকান্ড চালানো হয়েছিলো সেই ধারাবাহিকতায় আজ গাজার সাধারণ নিরস্ত্র মুসলমান, মুখ ফুটে কথা বলতে না পারা শিশুরা কুচক্রী ইহুদীদের ও মার্কিন সন্ত্রাসীদের বোমার আঘাতে ক্ষতবিক্ষত হচ্ছে। দু:খজনকভাবে ইতিহাসের সে কালো অধ্যায়ের সমাপ্তি আজো হয়নি। বলা হয়, সেদিন ঘোড়ার পেট পর্যন্ত রক্ত প্রবাহিত হয়েছিলো। তাই ঐসব বিজয়ী এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ও উনার অনুসারীদের মধ্যে বিরাট পার্থক্য সূচিত হয়েছে। (সমাপ্ত)
-০-
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
ঐতিহাসিক সম্মানিত খন্দকের জিহাদ (২১)
০১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সম্মানিত উহুদ উনার পরিচয়: (১৮তম পর্ব)
৩০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ঐতিহাসিক সম্মানিত খন্দকের জিহাদ (২০)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত উহুদ উনার পরিচয়: (১৭তম পর্ব)
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ঐতিহাসিক সম্মানিত খন্দকের জিহাদ (১৯)
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সম্মানিত উহুদ উনার পরিচয়: (১৬তম পর্ব)
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ঐতিহাসিক সম্মানিত খন্দকের জিহাদ (১৮)
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
গাযওয়াতুল হুদায়বিয়াহ বা হুদায়বিয়ার জিহাদ (১৭)
০৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ঐতিহাসিক সম্মানিত খন্দকের জিহাদ (১৭)
০৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সম্মানিত উহুদ উনার পরিচয়:(১৫তম পর্ব)
০২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
গাযওয়াতুল হুদায়বিয়াহ বা হুদায়বিয়ার জিহাদ (১৬)
২৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ঐতিহাসিক সম্মানিত খন্দকের জিহাদ (১৬)
২০ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












