সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার মহিমান্বিত, মহাপবিত্র ১২ তারিখ উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত মহাসম্মানিত ১২ই রবীউছ ছানী শরীফ আজ।
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার শান মান মুবারক অনুভব করা, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক জানা, দয়া-ইহসান মুবারক উপলব্ধি করা সর্বোপরি নেক ছায়াতলে উপনীত হওয়া বর্তমান যামানায় সবার জন্য ফরজ।
, ১২ রবীউছ ছানী শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ২৬ রবি, ১৩৯৪ শামসী সন , ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রি:, ০৯ আশ্বিন, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) মন্তব্য কলাম
এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, এক মুহূর্তের তরেও নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার স্পর্শ মুবারক-এ মাটি, ধূলি-বালি যা কিছুই (পদার্থ-বস্তু যা কিছুই হোক না কেন) এসেছেন তা আসমান-যমীন, সম্মানিত কা’বা শরীফ, সম্মানিত কুরসী শরীফ, মহান আল্লাহ পাক উনার কায়িনাতে যা কিছু রয়েছে; এমনকি সম্মানিত আরশে আযীম মুবারক থেকেও লক্ষ-কোটি গুণ বেশি পবিত্র, ফযীলতপ্রাপ্ত, সম্মানিত এবং সর্বশ্রেষ্ঠ হয় তাহলে সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ তথা মহাপবিত্র ১২ই রবিউল আউয়াল শরীফ উনার সাথে নিসবত মুবারক থাকার কারণে হিজরী মাসের প্রতি ১২ই শরীফই বিশেষভাবে সম্মানিত। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!
বিশেষভাবে উল্লেখ্য, বর্ণিত মহামহিম তাজদীদ মুবারক সৃষ্টির ইতিহাসে অনাদি তথা অনন্তকালের মধ্যে অনন্য। পাশাপাশি উল্লেখ্য, সুমহান এ তাজদীদ মুবারক অনাদিকাল থেকে অনন্তকালের জন্য।
বলার অপেক্ষা রাখেনা, মহিমান্বিত এ তাজদীদ মুবারক করার ক্ষমতা কেবলমাত্র সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনারই। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!
প্রসঙ্গত, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ হাক্বীক্বীভাবে খুশি প্রকাশ করতে পারলে পুরো সাইয়্যিদুশ শুহুর পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস জুড়ে খুশি করা সম্ভব হবে। আর এ মাসে করতে পারলে সারা বছর করতে পারবে। সারা বছর করতে পারলে সারা জীবন করা সম্ভব হবে।
এ ধারাবাহিকতায়ই সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম জারি করেছেন প্রতি মাসে মহাসম্মানিত ১২ই শরীফ উনাকে। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!
কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ৯৮ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানদের মহিমান্বিত মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার চেতনাবোধে উজ্জীবিত করতে সম্পূর্ণ শিক্ষা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে। এতে করে সরকার গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধান লঙ্ঘন করেছে। কারণ সংবিধানের ১৭(খ) অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে, “সমাজের প্রয়োজনের সহিত শিক্ষাকে সঙ্গতিপূর্ণ করিবার জন্য এবং সেই প্রয়োজন সিদ্ধ করিবার উদ্দেশ্যে যথাযথ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও সদিচ্ছাপ্রণোদিত নাগরিক সৃষ্টির জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।”
সমাজ বিজ্ঞানী, রাজনৈতিক বিশ্লেষক, অভিজ্ঞমহল, পর্যবেক্ষক, সুশীল সমাজ এবং ইসলামী চিন্তাবিদ ও সংবিধান বিশেষজ্ঞগণ মনে করেন, এক্ষেত্রে রাষ্ট্রের কী করণীয় তাও রাষ্ট্রের সংবিধানেই বর্ণিত রয়েছে। সংবিধানের ২(ক) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, “প্রজাতন্ত্রের দ্বীন (ধর্ম) হচ্ছে পবিত্র দ্বীন ইসলাম।”
আর এই পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার শিক্ষা প্রসারে যদি রাষ্ট্র প্রয়োজনীয়, যথাযথ ও সক্রিয় পৃষ্ঠপোষকতা এবং কর্মসূচি গ্রহণ করতো তাহলে নগরিকের মধ্যে সম্মানিত ইসলামী শিক্ষা, আদর্শ, চেতনা উজ্জীবিত থাকতো। দেশ থেকে অভাব, অরাজকতা, অনিয়ম, অসততা, অনিরাপত্তা ইত্যাদি নির্বাসিত হতো। সোনার বাংলা শুধু সম্পদ ও সমৃদ্ধিতেই নয় আদর্শ ও নৈতিকতায়ও সোনার মানুষে ভরপুর হয়ে বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ দেশে পরিণত হতো। কিন্তু রাষ্ট্রদ্বীন পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার শিক্ষা থেকে দেশের নাগরিকদের বঞ্চিত করে, সরকার সংবিধানের ২(ক), ১৭(খ), ১৮(ক) ৩২ ইত্যাদি অনুচ্ছেদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন করে রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক কাজ করছে।
উল্লেখ্য, সরকার তার দৃষ্টিতে অপরাধ তথাকথিত বাল্যবিবাহ হলেই শক্তভাবে পাকড়িয়ে ধরে। তাহলে নিজেই যে সংবিধানের অনেক অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করছে এসবের বিচার করবে কে? অপরদিকে সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদ মতে জনগণই দেশের মালিক। কিন্তু জনগণ তার মালিকানা ভোগ করতে জানেনা, চায়না, বুঝেনা, পারেনা। মূলত সরকার ও জনগণ উভয়েই তাদের দায়িত্ব পালন করতে পাবে যখন তারা শান-মান জানবে। জওক, শওক সহকারে পালন করবে যথাযথ মূল্যায়ন করবে।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সরকারের এক মূর্খ মন্ত্রী বলেছে তেলের দাম বৃদ্ধিতে মূল্যস্ফীতি হবে না। অথচ তেলের দাম বৃদ্ধিতে প্রথম দাম বাড়বে খাদ্যের।
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
অপসংস্কৃতি রোধ করতে হলে কথিত ফ্যাশন হাউজগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে হবে
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
উগ্র হিন্দুত্ববাদী ভারত এবং পতিত আওয়ামীলীগ চাচ্ছে বাংলাদেশে তথাকথিত জঙ্গী তৎপরতা প্রমাণ করতে।
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মুসলমানকে ‘মুসলমানিত্ব’ বুঝতে হবে। ‘আশহাদু আন্না মুহম্মাদার রসূলুল্লাহ’ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাক্বীক্বীভাবে বলতে হবে ও আমলে আনতে হবে।
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রতি বছর শুধু অসুস্থতার কারণে প্রায় ৬৪ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের শিকার হচ্ছে।
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
প্রধানমন্ত্রী নিজেই ‘মাননীয়’ শব্দ বাদ দেয়া শুরু করেছেন। বাতিল হয়েছে ‘রাষ্ট্রপতির’ সাথে ‘মহামান্য’ শব্দ ব্যবহারও।
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বাংলাদেশের সামরিক ব্যয় গত দশকগুলোতে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বৃদ্ধি মূলত বেতন, স্থায়ী খরচ এবং চলমান পরিচালনায় ব্যবহৃত হয়েছে। তবে সামরিক আধুনিকায়ন, সমরাস্ত্র ক্রয় এবং নতুন প্রযুক্তি সংযোজনের জন্য মোট বাজেটের মাত্র ২-৪ শতাংশ ব্যয় হয়েছে।
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র পরিক্রমায় চললেই সে প্রজ্ঞা পাওয়া সম্ভব ইনশাআল্লাহ
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক বৈদ্যুতিক সংকটকে আরো ঘণীভূত করেছে, দেশকে টাল-মাটাল করেছে আমেরিকান কোম্পানী এক্সিলারেট এনার্জি। তাদের ২০৪০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ এবং বাংলাদেশ থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা লুটতরাজের টেকসই পরিকল্পনা।
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক বৈদ্যুতিক সংকটকে আরো ঘণীভূত করেছে, দেশকে টাল-মাটাল করেছে আমেরিকান কোম্পানী এক্সিলারেট এনার্জি। তাদের ২০৪০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ এবং বাংলাদেশ থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা লুটতরাজের টেকসই পরিকল্পনা।
০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আর ড্রোন সক্ষমতা বাড়াতে বাজেট মাত্র ৫৭০ কোটি টাকা!!!!!!!!!!!!!!
০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আর ড্রোন সক্ষমতা বাড়াতে বাজেট মাত্র ৫৭০ কোটি টাকা!!!!!!!!!!!
০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












