SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%মস্তক%' OR titleBn LIKE '%মস্তক%' OR descriptionEn LIKE '%মস্তক%' OR descriptionBn LIKE '%মস্তক%' OR slug LIKE '%মস্তক%' OR metaTag LIKE '%মস্তক%' OR metaDescription LIKE '%মস্তক%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা মায়িদাহ্ শরীফ মংনভা ১৫নং পবিত্র আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই তোমাদের নিকট মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূর মুবারক এবং সুস্পষ্ট কিত বাকি অংশ পড়ুন...
ছাহাবী, মদীনা শরীফে বনু মাযিন গোত্রে বিলাদত শরীফ গ্রহণ করেন, উপনাম আবু বুসর অথবা আবু ছাফওয়ান, দুই ক্বিবলার দিকে নামায আদায় করেন অর্থাৎ বায়তুল মুকাদ্দাস ও বায়তুল্লাহ শরীফ। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার পবিত্র নূরুল মাগফিরাহ মুবারক বা হাত মুবারক উনার মস্তকে স্থাপন করে দোয়া মুবারক করেছিলেন। তিনি, উনার পিতা-মাতা, ভ্রাতা হযরত আতিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এবং ভগ্নী হযরত আছ-ছাম্মা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা সকলেই ছাহাবী ছিলেন। তিনি একশত বছর বয়সে হিজরী ৯৬ সনে বিছাল শরীফ গ্রহণ করেন বাকি অংশ পড়ুন...
মুক্বদ্দিমাহ্: মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল ফাত্হ মুবারক কী? মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল ফাত্হ মুবারক হচ্ছেন- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র চুল মুবারক। যেহেতু নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সৃষ্টির অন্য কারো মতো সম্বোধন মুবারক করতে নিষেধ করা হয়েছে। তাই আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলতানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু à বাকি অংশ পড়ুন...
বিখ্যাত ও প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিছ আল্লামা হাকীম তিরমিযী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার “নাওয়াদিরুল উছূল” কিতাবে পবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণনা করেছেন, হযরত হাকীম তিরমিযী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি “নাওয়াদিরুল উছূল” কিতাবে হযরত যাকওয়ান রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণনা করেন, “নিশ্চয়ই সূর্য ও চাঁদের আলোতেও সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছায়া দেখা যেতো না।”
ইমামুল মুহাদ্দিছীন, সুলতানুল আরিফীন, হযরত ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ূতী রহমতুল্লাহি আলাà বাকি অংশ পড়ুন...
কুরাইশ কাফির মুশরিকরা মধ্যস্ততাকারী প্রেরণ:
আলোচনায় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তাকেও সে সব কথাই বললেন, যা তিনি হযরত বুদাইল বিন ওয়ারাকা খুযায়ী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে এবং পরবর্তীতে কুরাইশ কাফির-মুশরিকদের পক্ষ থেকে প্রেরিত মিকরায বিন হাফেস্কে বলেছিলেন। প্রত্যুত্তরে উরওয়া বললো, ইয়া রসূলাল্লাহ! ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! যদি আপনি নিজ জাতিকে নিশ্চিহ্ন করে দেন, তবে কি আপনার পূর্বের কোন আরব সম্পর্কে শুনেছেন যে, সে নিজ জাতিকে সমূলে নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছà§ বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা মায়িদাহ্ শরীফ ১৫নং পবিত্র আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই তোমাদের নিকট মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূর মুবারক এবং সুস্পষ্ট কিতাব এসে বাকি অংশ পড়ুন...
এসো হে এসো সুফীয়ে কিরাম মুহম্মদী খানকাতে,
সুলতানুন নাছীর মু’মিনী আমির আছেন মুহব্বতে।
তিনি মুহব্বতের অমীয় শিরনি বিলান দুই হাতে,
কাল-বিলম্ব না করে মোরা লই যে হৃদয় পেতে ॥
ওই মুহব্বতেই সৃষ্টি বিকাশ শুনো হে মুসলমান,
সেই মুহব্বতেই রব ও রসূল রহেন বিরাজমান।
ফানায় যোগায় সে নজরানা বুঝে লও আশিকান,
তবেই হাকীকী যাচ্ছে পাওয়া মুবারক ছোহবতে ॥
সেই মুহব্বতেই মিলে যোগ্যতা আমলের ব্যাকুলতা,
উহাই যে রয় শায়েখী ফায়িজে নসীবে বাস্তবতা।
জীবন থেকে ঝেড়ে ফেলি মোরা দুনিয়াবী ব্যস্ততা,
মুর্শিদী দিদার রহম অপার রিক্ততা নেই এতে ॥
অবুঝ নাদান, ছেড়ে অভিমান, আ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র নামায ভঙ্গের কারণসমূহ
১. নামাযের মধ্যে স্বেচ্ছায় বা ভুলবশতঃ কিংবা নিদ্রাবস্থায় কোনো কথা বললে।
২. ইচ্ছাপূর্বক সালাম দিলে (ভুলে নয়)।
৩. স্বেচ্ছায় বা ভুলে সালামের জবাব দিলে।
৪. বিনা ওজরে গলা খাকারি দিলে। তবে আওয়াজকে পরিষ্কার করার উদ্দেশ্যে অথবা ইমামের ভুল সংশোধনের উদ্দেশ্যে বা সে নিজে নামাযের মধ্যে আছে, তা অবগত করানোর উদ্দেশ্যে গলা খাকরালে নামায ফাসিদ হবে না।
৫. নামাযের মধ্যে যেকোনো কারণে (পীড়িত ব্যক্তির অসহ্যের কারণ ব্যতীত) আহ! উহ! ইস! ইত্যাদি বললে অথবা উচ্চস্বরে কাঁদলে নামায ভঙ্গ হবে। অবশ্য জান্নাত, জাহান্নামের কথা মনে ঠবাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা মায়িদাহ্ শরীফ মংনভা ১৫নং পবিত্র আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই তোমাদের নিকট মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূর মুবারক এবং সুস্পষ্ট কিত বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র নামাযের মাকরূহসমূহ
যেসব কাজ করলে গুনাহ হয়, ছওয়াব (নেকী) কমে যায়, অবশ্য নামায নষ্ট হয় না, তাকে মাকরূহ বলা হয়। এইসব কাজ পরিহার করার চেষ্টা করা উচিত।
১. নামাযের মধ্যে শরীর বা পরিধানের কাপড় নিয়ে খেলা করা।
২. সিজদায় যাওয়াকালে সম্মুখের বা পিছনের দিক হতে কাপড় গুটিয়ে নেয়া।
৩. সদলে ছাওব করলে অর্থাৎ কাপড় বা রুমালকে মাথা বা কাঁধে রেখে পেঁচানো ব্যতীত তার দু’মাথা দু’দিকে ঝুলিয়ে দিলে।
৪. আস্তিন উপরে উঠিয়ে নামায পড়া।
৫. ইস্তিঞ্জা ও বায়ুর বেগ থাকা সত্ত্বে¡ও নামায পড়া।
৬. কঙ্কর সরিয়ে দেয়া। কিন্তু সুন্নত অনুসারে সিজদা আদায় না হলে, একবার তা ঠবাকি অংশ পড়ুন...












