SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%করে%' OR titleBn LIKE '%করে%' OR descriptionEn LIKE '%করে%' OR descriptionBn LIKE '%করে%' OR slug LIKE '%করে%' OR metaTag LIKE '%করে%' OR metaDescription LIKE '%করে%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
শরীয়তপুর সংবাদদাতা:
বছরের ছয় মাসই ইলিশ রক্ষার নামে নিষেধাজ্ঞা চলে। কিন্তু বাস্তবে এতে ইলিশের উৎপাদন তো সামান্য বৃদ্ধি পায় নাই, বরং কমে গেছে ইলিশ আহরণ।
পদ্মা ও মেঘনা নদীতে ইলিশের ভরা মৌসুম চললেও জেলের জালে কাক্সিক্ষত মাছ ধরা পড়ছে না। গত পাঁচ বছরের ব্যবধানে এই জেলায় ইলিশের আহরণ ৮২৩ মেট্রিক টন কমে গেছে। এতে চরম লোকসানে পড়েছেন জেলার ২৫ হাজারেরও বেশি জেলে।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, শরীয়তপুরের ওপর দিয়ে প্রবাহিত প্রায় ৮০ কিলোমিটার নদীপথের মধ্যে ৫০ কিলোমিটার পদ্মা এবং ৩০ কিলোমিটার মেঘনা নদীর অংশ। এসব নদীতে ৯ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ফুটবল-ক্রিকেটসহ সমস্ত খেলাধুলাই হারাম। মাঠে গিয়ে হোক আর টিভিতে হোক সর্বাবস্থায়ই খেলা দেখা হারাম ও কবীরাহ গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত কিতাব, মুস্তাদরাকে হাকিম শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ لَعِب বাকি অংশ পড়ুন...
শোনলো এককান দিয়ে আরেক কান দিয়ে বের হয়ে গেল সেতো কোনদিন বুঝতে পারবে না। এটা ফিকির করতে হবে। এটা কঠিন বিষয়। তাহলে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান মুবারকে চূ-চেরা কিল ও কাল করলে তাহলে কি হবে? এখন এটাও ফিকির করতে হবে। কাগজ কলম আছে লিখলেই হয়ে গেল। তাফসীরকারক হ্যাঁ, মুহাদ্দিছ মুফতী ফক্বীহ উমুক ইত্যাদি ইত্যাদি খত্বীব। কিছু লিখলো মুখ দিয়ে বলে ফেললো। নাউযুবিল্লাহ! তাহলে বিষয়টা কিন্তু ফিকির করতে হবে। অনেক ফিকিরের বিষয়। কাজেই খুব সাবধান থাকতে হবে এসব বিষয়গুলি সম্পর্কে। এগুলি আক্বায়িদের মাসয়ালা সূক্ষèাতি সূক্ষè। বাকি অংশ পড়ুন...
ফানা ও বাক্বার বেনযীর দৃষ্টান্ত মুবারক:
সম্মানিত বদর জিহাদ মুবারক-এ বেনযীর দৃষ্টান্ত মুবারক:
এই জিহাদ মুবারকে সম্মানিত মুসলমান সৈন্য সংখ্যা ছিলেন ৩১৩ জন এবং কাফিরদের সৈন্য সংখ্যা ছিলো ১০০০ জন। সম্মানিত মুসলমান উনাদের নিকট ছিলো ৩টি ঘোড়া, ৭০টি উট, ৬টি বর্ম এবং ৮টি তরবারি। আর মুশরিকদের সঙ্গে ছিলো ৩০০ ঘোড়া ও যুদ্ধ সম্ভারে বোঝাই সাতশত বা তার চাইতেও অধিক সংখ্যক উট। তাদের অশ্বারোহী প্রত্যেকটি সৈনিক ছিলো বর্মাচ্ছাদিত; এমনকি পদাতিক সৈন্যগণও বর্মধারী ছিলো। তাদের সঙ্গে আরো ছিলো বাদ্যযন্ত্রসহ জিহাদে উন্মাদনা সৃষ্টিকারী একদল গায়িকা বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لَا تَحْسَبَنَّ الَّذِيْنَ قُتِلَوْا فِىْ سَبِيْلِ اللهِ اَمْوَاتًا بَلْ اَحْيَاءٌ عِنْدَ رَبِّهِمْ يَرْزُقُوْنَ
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় যারা শহীদ হয়েছেন উনাদেরকে মৃত (বলা তো দূরের কথা) ধারণাও তোমরা করো না। বরং উনারা জীবিত এবং উনাদের খ¦লিক মালিক রব তায়ালা উনার তরফ থেকে উনারা রিযিকপ্রাপ্ত। সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১৬৯)
বাকি অংশ পড়ুন...
যারা অনুগত বান্দা, তারা মহান আল্লাহ পাক উনার খালিছ বান্দা। অনুগত কাকে বলে? এ প্রসঙ্গে আমিরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার একটা ওয়াকেয়া উল্লেখ করা হয়।
সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি যখন খলীফা হয়েছেন, উনার মজলিসে শূরার সদস্য ছিলেন- হযরত হোর ইবনে কায়েস রহমতুল্লাহি আলাইহি। হযরত হোর ইবনে কায়েস রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ছিলেন খুব বড় আলেম। উনার এক চাচা ওয়াইন ইবনে হেসেন, যিনি এসেছেন উনার ভাতিজা হোর ইবনে কায়েসের কাছে। এসে বললেন, হে হোর ইবনে কায়েস! তুমি এক কাজ করো, আমাকে তোমাদের যিনি খলীফ বাকি অংশ পড়ুন...












