মন্তব্য কলাম
প্রধানমন্ত্রীকে সাবধান থাকতে হবে- তার মন্ত্রী বা উপদেষ্টাদের দ্বারা যেনো দেশের ভাবমর্যাদা নষ্ট না হয়! বি.এন.পি ক্ষমতায় আসলেই দেশ, সন্ত্রাসবাদের ঝুকিতে পড়ে এই ধরণের প্রচারণার জন্য তথ্য উপদেষ্টার, ‘দেশে সন্ত্রাসবাদ আছে’- এই মিথ্যা উক্তিই কী যথেষ্ট নয়?
, ২১ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১০ ছানী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ১০ মে, ২০২৬ খ্রি:, ২৮ বৈশাখ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) মন্তব্য কলাম
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিষয়ে তথ্য উপদেষ্টার অনাধিকার চর্চার
গভীর রহস্যের সমাধান সরকার প্রধানকেই করতে হবে ইনশাআল্লাহ
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
নতুন সরকারের কাছে অনেকের অনেক প্রত্যাশা ছিল। উচ্ছৃঙ্খল চাদাবাজ মুক্ত করার পাশাপাশি, রাজনীতিতে, মন্ত্রী বচনেও শৃঙ্খলা কাম্য ছিল। স্বাস্থ্য বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কর্তৃত্ববাদী বিবৃতি দিবেন না অথবা তথ্যমন্ত্রানালয়ের অধিভূক্ত বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী নাক গলাবেন না - এটাই কাম্য ছিল।
কিন্তু না! আফসুস ও দুঃখের বিষয় অতীত অন্তর্বর্তী সরকার অথবা পতিত আওয়ামী শাসনের মতই - নতুন সরকারেও লেজে-গোবরে অবস্থা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে হঠাৎ বনে যাওয়া তথ্য উপদেষ্টা রীতিমত জবরদখলের পরিচয় দিচ্ছেন। দেশে সন্ত্রাসবাদের ঝুকি রয়েছে বলে তিনি বার বার একগুয়েমি করছেন। গত ৫ই মেও তিনি সন্ত্রাসবাদের ঝুকি দেশ রয়েছে বলে তার বক্তব্যের সাফাই গেয়েছেন।
গত ২৮শে এপ্রিল সচিবালয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেছেন দেশে সন্ত্রাসবাদ আছে।
তথ্য উপদেষ্টার এই বক্তব্য নিয়ে ক্ষুব্ধ খোদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। একইদিনে একই বিষয়ে বক্তব্যের এই অমিল সম্পর্কে জানতে চাইলে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আচ্ছা আমি কে?’ জবাবে একজন ‘আপনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী’ বলতেই তিনি বলেন, ‘তা আমি যেটা বক্তব্য দিয়েছি ওইটাই তো আপনারা ছাপিয়েছেন।’ কিন্তু তথ্য উপদেষ্টা তো ভিন্ন কথা বলেছেন- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মন্ত্রী বলেন, ‘সেটা উনি কীভাবে বলেছেন জানি না।
উল্লেখ্য একই সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন দেশে কোনো সন্ত্রাসবাদ নাই। শুধু তাই নয় তিনি আরো বলেন, তিনি ওই শব্দকে জঙ্গীবাদ ও জঙ্গীকেও রিকগনাইজ করেন না। তবে কিছু উগ্রপন্থী গোষ্ঠী রয়েছে, সব দেশে এ ধরণের গোষ্ঠী সক্রিয় থাকে।
উল্লেখ্য এ নিয়ে তথ্য উপদেষ্টা বিস্তর সমালোচনা হলে তিনি আবার একই বক্তব্যের খোড়া যুক্তি দেয়ার চেষ্টা করেন।
গভীর প্রশ্ন হচ্ছে- দেশে আবার সন্ত্রাসবাদের ঘোষণা কেনো দেয়া হচ্ছে?
আশঙ্কা কীসের না থাকে?
দেশে কী ভয়ানক অগ্নিকান্ড, দুর্ঘটনা, হত্যাকান্ড, সম্ভ্রমহরণ ঘটনা, দুর্নীতি, চুরি ডাকাতি রাহাজানি ইত্যাদি আশঙ্কা নেই?
এগুলোর উৎস কী সব নির্মূল করা গেছে?
সব কি মূলোৎপাটন করা সম্ভব?
যদি না হয় তাইলে এগুলো ঘটা কী অসম্ভব?
কিন্তু তাই বলে তথ্য উপদেষ্টার কায়দায় কী ঘোষণা দিয়ে বেড়াতে হবে যে,
দেশ ধর্ষণকান্ডের ঝুঁকিতে আছে।
রহস্যাটা কী?
দেশ হত্যাকান্ডের ঝুকিতে আছে!
দেশে যে অপরাধ ও অপরাধী আছে, জামিনে মুক্ত অথবা জেল পলাতক সন্ত্রাসী আছে তার জন্য র্যাব, ডিবি, পুলিশ, সিটিসি তারা যথেষ্ট যোগ্যতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে। তবে এ ধরণের ঘোষণা দিয়ে তাদের বেকায়দায় ফেলার পেছনে গুরুত্বর রহস্য কী?
যেখানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজেই দেশে সন্ত্রাসবাদের কোনো উপস্থিতি বা ঝুঁকি নেই বলে স্বীকার করছেন, সেখানে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টার পদে থাকা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বশীল ব্যক্তি কোনো বাস্তব তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই জঙ্গীবাদের হুমকির কথা বলায়, জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে এ সময়ে দেশে সন্ত্রাসবাদের উত্থানের কথা প্রচার করলে পতিত ও পলাতক ফ্যাসিস্টের সহযোগীরা জোর গলায় বলতে পারবে, বিএনপি সরকারের আমলেই দেশে সন্ত্রাসবাদের উত্থান ঘটে। সুতরাং সরকার প্রধানকে গুরুত্বের সাথে বিষয়টি সুরাহা করতে হবে। যাতে শর্ষের মধ্যে ভূত না থাকে।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
হাতি সম্পর্কে ১০টি মজার ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
মহান আল্লাহপাক উনার সৃষ্টি কায়িনাত যে কত বৈচিত্রপূর্ণ, তার আরেকটি দৃষ্টান্ত হাতি। প্রাণিজগতের বুদ্ধিমান ও সংবেদনশীল এক প্রাণীর নাম হাতি। দলের কোনো হাতি মরে গেলে তারাও মানুষের মতো শোক প্রকাশ করতে পারে। জানেন? -হাতি কখনও চার পা তুলে লাফ দিতে পারে না। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় স্থলজ স্তন্যপায়ী প্রাণীর নাম হাতি। এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলে এদের দেখা মেলে। শক্তি, দীর্ঘায়ু ও প্রজ্ঞার প্রতীক হিসেবে পরিচিত এই প্রাণী। নিচে হাতি সম্পর্কে ১০টি মজার ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেওয়া হলো-
১. শোক প্রকাশ করে : মানুষের মতো হাতিরাও তাদের দলের কোনো সদস্য মারা গেলে শোক করে। তারা মৃত হাতির চারপাশে জড়ো হয় এবং অনেক সময় দীর্ঘক্ষণ সেখানে থাকে।
২. আয়নায় নিজেকে চিনতে পারে : হাতিরা আয়নায় নিজেদের চিনতে পারে এবং শুঁড় দিয়ে শরীর স্পর্শ করে-যেমন মানুষ হাত দিয়ে করে।
৩. লাফাতে পারে না : হাতির শরীর এমনভাবে গঠিত যে তারা কখনোই চার পা একসঙ্গে মাটি থেকে তুলতে পারে না।
৪. পায়ের মাধ্যমে শোনে : হাতিরা নি¤œ-কম্পাঙ্কের শব্দ তৈরি করে যা মাটির মাধ্যমে অনেক দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে যায়। অন্য হাতিরা তাদের পায়ের বিশেষ কোষ দিয়ে এই কম্পন অনুভব করে।
৫. বিড়ালের মতো ‘গরগর’ শব্দ করে : খুশি হলে বা একে অপরের সঙ্গে বন্ধন তৈরি করতে হাতিরা হালকা গরগর শব্দ করে, যা বিড়ালের মতো শোনায়।
৬. গর্ভকাল সবচেয়ে দীর্ঘ : স্থলজ প্রাণীদের মধ্যে হাতির গর্ভধারণের সময় সবচেয়ে বেশি যা প্রায় ২২ মাস।
৭. বাচ্চারা শুঁড় চোষে : মানব শিশুরা যেমন আঙুল চোষে, তেমনি হাতির বাচ্চারাও শুঁড় চোষে।
৮. মৌমাছির জন্য আলাদা সতর্ক সংকেত আছে : ছোট মৌমাছিও হাতির জন্য বিপজ্জনক! এজন্য তারা মৌমাছির উপস্থিতি টের পেলে বিশেষ ধরনের সতর্ক শব্দ করে।
৯. কিছু হাতি অন্তর্মুখী : মানুষের মতো হাতিদেরও আলাদা ব্যক্তিত্ব থাকে-কেউ বেশি মিশুক, কেউ আবার একা থাকতে পছন্দ করে।
১০. একা থাকলে তারা বিষণœ হয়ে পড়ে : দীর্ঘদিন একা থাকলে হাতিরা মানসিক চাপ ও বিষণœতায় ভুগতে পারে।
প্লুটো কেন গ্রহ নয়
একসময় প্লুটোকে সৌরজগতের একটি গ্রহ হিসেবে ধরা হতো। বলা হতো, প্লুটো সৌরজগতের নবম গ্রহ। তাহলে প্লুটোকে কেন গ্রহের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হলো? এর পেছনে আছে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা।
অনেক আগের কথা, ১৮শ শতকে বিজ্ঞানীরা আকাশে গ্রহগুলোর চলাফেরা ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করছিলেন। তখন তারা লক্ষ্য করেন, একটি গ্রহের (ইউরেনাস) কক্ষপথ ঠিকমতো চলছে না। অর্থাৎ সেটি একটু এদিক-ওদিক সরে যাচ্ছে। এই অস্বাভাবিক অবস্থা দেখে বিজ্ঞানীরা ভাবলেন, নিশ্চয়ই আরও কোনো অজানা ও অচেনা বড় বস্তু সেখানে আছে, যা ইউরেনাসকে টানছে।
এই ভাবনা থেকেই পরে একটি নতুন বস্তু খুঁজে পাওয়া যায়, যার নাম দেওয়া হয় প্লুটো। এই আবিষ্কার আমাদের ‘গ্রহ’ সম্পর্কে আগের ধারণা বদলে দেয়। পাশাপাশি, সৌরজগত কীভাবে তৈরি হয়েছে, তা নিয়েও বিজ্ঞানীরা নতুন করে ভাবতে শুরু করেন।
শুরু থেকেই সন্দেহ ছিল এটি সত্যিই বড় গ্রহ কি না। এতে খুবই ক্ষীণ আলোয় দেখা যেত এবং বড় টেলিস্কোপেও এর আকার স্পষ্ট ছিল না। পরে দেখা যায়, প্লুটো সম্ভবত পৃথিবী বা মঙ্গলের চেয়েও ছোট।
১৯৭৮ সালে জেমস ক্রিস্টি প্লুটোর সবচেয়ে বড় চাঁদ চ্যারন আবিষ্কার করেন। এর মাধ্যমে জানা যায়, প্লুটোর ভর অনেক কম, এমনকি পৃথিবীর চাঁদের চেয়েও ছোট।
১৯৯০ দশকে সিসিডি ক্যামেরা ব্যবহারের ফলে দেখা যায়, নেপচুনের বাইরে প্লুটোর মতো আরও অনেক বস্তু আছে। এগুলোকে বলা হয় কুইপার বেল্ট অবজেক্টস। প্লুটো ছিল এদের মধ্যে সবচেয়ে বড়।
এরপর আবিষ্কৃত হয় কোয়ার, সেডনা, মেকমেক এবং এরিস।
তখন প্রশ্ন ওঠে, যদি প্লুটো গ্রহ হয়, তাহলে এগুলোও কি গ্রহ?
সমস্যা সমাধানে ২০০৬ সালে আইইউ গ্রহের নতুন সংজ্ঞা ঠিক করে। আগে ‘গ্রহ’ বলতে কেবল বড় কোনো মহাজাগতিক বস্তু বোঝানো হতো। কিন্তু তখন থেকে তারা নির্দিষ্ট কিছু শর্ত ঠিক করে দেয়।
এই সংজ্ঞা অনুযায়ী, কোনো বস্তুকে গ্রহ হতে হলে ৩টি শর্ত পূরণ করতে হবে-গ্রহ হতে হলে সৌরজগতের কেন্দ্র সূর্যকে ঘিরে কক্ষপথে ঘুরতে হবে। নিজে থেকে ভাসমান কোনো বস্তু হলে চলবে না।
দ্বিতীয়ত নিজের ভরের কারণে আকার প্রায় গোলাকার হতে হবে। সাধারণত যদি কোনো বস্তু অনেক বড় হয়, তার নিজের মাধ্যাকর্ষণ শক্তির কারণে সেটি গোলাকার আকৃতি নেয়। তাই গ্রহ হতে হলে এই ‘প্রায় গোল’ আকৃতি থাকতে হবে।
তৃতীয়ত নিজের কক্ষপথের আশপাশ পরিষ্কার করতে হবে। এর মানে হলো, গ্রহটি তার কক্ষপথের আশপাশে থাকা ছোট ছোট পাথর, ধূলিকণা বা অন্যান্য বস্তুকে নিজের মাধ্যাকর্ষণের মাধ্যমে সরিয়ে দেবে বা নিয়ন্ত্রণ করবে।
সমস্যা হলো, প্লুটো এই তৃতীয় শর্তটি পূরণ করতে পারে না। কারণ তার কক্ষপথে এখনো অনেক বরফ ও ছোট বস্তু ঘুরে বেড়ায়।
এ কারণেই ২০০৬ সালে প্লুটোকে ‘গ্রহ’ না বলে ‘ডোয়ার্ফ প্ল্যানেট’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
অবাধে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ সন্ত্রাসীগোষ্ঠী সর্বহারা পার্টির তাত্ত্বিকদের বই
১৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
২৫ মার্কিন কোম্পানী, ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর বিশাল বড় অনুলিপি এরা বাংলাদেশের গোটা অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ আম্রিকায় অর্থ পাচার, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব নিয়ে ছিনিমিনি খেলবে। বিশাল মূলধন ও আধুনিক প্রযুক্তি এবং বাংলাদেশ সরকারের দেয়া অতি সুবিধার কারণে এরা বাংলাদেশের শিল্পপতিদের তথা ব্যবসায়ীদের ধ্বসিয়ে দিবে।
১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ভূয়া অস্ত্র বেঁচে টাকা লুট করতে চায় ভূয়া আম্রিকানরা মনে করে আম্রিকা যুদ্ধে সেরা অথচ মেক্সিকো, স্পেন, জার্মানসহ কয়েকটি কাফের রাষ্ট্র ছাড়া কানাডা ভিয়েতনামসহ অনেক কাফের রাষ্ট্রের কাছেও তারা শোচনীয়ভাবে হেরেছে
১২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
বিয়ের প্রলোভনে শারীরিক সম্পর্ক বছরের পর বছর চালু রেখে এক সময় বিয়ে না করলে দন্ডবিধির ৩৭৫ ধারায় ধর্ষক হয় পুরুষ।
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর চারপাশে এখন চাপ আর চাপ এসব চাপকে- জনগণের নিজের মনে করতে হবে।
১০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
২০২৬ থেকে ২০৩৯ সাল পর্যন্ত ১৩ বছর মেয়াদে প্রতি বছর ছয়টি করে কার্গো এলএনজি আমদানি কথা চলছে। যা প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে বা কম মূল্যে নির্ধারণ হয়নি। এবং এমন শর্ত জুড়ে দেয়া হয়েছে যা দেশের স্বার্থবিরোধী।
০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বাংলাদেশের ৫০ হাজার একরের বেশি জমি ভারতের দখলে। উদ্ধারে নেই সরকারের সক্রিয়তা।
০৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
১৯৪৭ সালের বেনিয়া বৃটিশদের দেশবিভক্তির দোহাই দিয়ে এখন পার্বত্য চট্টগ্রামকে ভারতের ভূখন্ড দাবী করছে উপজাতি বিচ্ছিন্নতাবাদীরা।
০৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মার্কিন দূত যে বাংলাদেশকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে গেলো, সরকারকে হুমকী-ধামকি দিলো তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ প্রতিরোধ হলো কৈ? সরকারী দল, বিরোধী দল, তথাকথিত সব ইসলামিক দল থেকে সব সুশীল, চিন্তাশীল, বিশ্লেষক তথা সব মহল কেউই কিন্তু প্রতিবাদ করলো না
০৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সুদী মহাজন ও বড় চোর, সমকামীমনা, ১৬৮ মামলার আসামী, দেশ বিক্রিকারী মার্কিন চুক্তিকারী, ক্ষমতার মসনদে বসে অর্থ লুটকারী, অন্যায় সুবিধা গ্রহণকারী, পাহাড় সম অপরাধ মব-সন্ত্রাসের জনক কুখ্যাত ইউনুসের প্রতি ভীষণ বীতশ্রদ্ধ।
০৪ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সুদী মহাজন ও বড় চোর, সমকামীমনা, ১৬৮ মামলার আসামী, দেশ বিক্রিকারী মার্কিন চুক্তিকারী, ক্ষমতার মসনদে বসে অর্থ লুটকারী, অন্যায় সুবিধা গ্রহণকারী, পাহাড় সম অপরাধ মব-সন্ত্রাসের জনক কুখ্যাত ইউনুসের প্রতি ভীষণ বীতশ্রদ্ধ। এই কুলাঙ্গার আবারো ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে, রাষ্টের শীর্ষ পদে তথা প্রেসিডেন্ট পদে আলোচনায় আসে কি করে? নেপথ্যে কি মার্কিন দূত গর? অথচ “ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়”- বিএনপির শ্লোগান
০৩ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বাংলাদেশের সামরিক কৌশল বাড়ানো উচিত
০২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












