পানিবায়ু তহবিল: জাতিসংঘ ও বিশ্বব্যাংকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগই শেষ কথা না বরং আই.এম.এফ এবং চীনা ঋণের ফাঁদের মতই এটা এক মহা প্রতারণাযুক্ত ফাঁদ এ সম্পর্কে চাই জোরদার সচেতনতা
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান।
, ২২ রবিউছ ছানী শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৬ খমীছ, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৫ অক্টোবর, ২০২৫ খ্রি:, ৩০ আশ্বিন, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) মন্তব্য কলাম
গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড থিম্যাটিক ফান্ডিং উইন্ডোজ ব্যবহার করে উন্নয়নশীল দেশে প্রকল্প এবং অন্যান্য কার্যক্রম সমর্থন করে। এটির উদ্দেশ্য যে গ্রীন ক্লাইমেট ফান্ড ইউএনএফসিসিসির অধীনে পানিবায়ু অর্থায়নের প্রচেষ্টার কেন্দ্রবিন্দু হতে পারে। পানিবায়ু অর্থায়নে অর্থ প্রদানের জন্য আরও চারটি, ছোট বহুপাক্ষিক পানিবায়ু তহবিল রয়েছে যা টঘঋঈঈঈ দ্বারা সমন্বিত। এর মধ্যে রয়েছে অভিযোজন তহবিল (অঋ), স্বল্পোন্নত দেশ তহবিল (খউঈঋ), বিশেষ পানিবায়ু পরিবর্তন তহবিল (ঝঈঈঋ) এবং গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট ফ্যাসিলিটি (এঊঋ)। এঋঈ এই পাঁচটি তহবিলের মধ্যে সবচেয়ে বড়।
কথিত, শিল্পোন্নত দেশগুলি সবচেয়ে বেশি গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের জন্য দায়ী।
ফলস্বরূপ, এটি যুক্তি দেওয়া হয়েছে যে এই দেশগুলি স্বল্পোন্নত এবং স্বল্পোন্নত দেশগুলির উত্তরণের খরচ সহ বিশ্বব্যাপী পানিবায়ু প্রশমনের ব্যয়ের সিংহভাগের জন্য নৈতিকভাবে দায়বদ্ধ। কথিত সিভিল সোসাইটি গ্রুপের একটি সংখ্যা নির্ধারণ করেছে যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন গ্লোবাল সাউথের পানিবায়ু পরিবর্তন-চালিত দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমানোর খরচের অন্তত ৫৪% জন্য নৈতিকভাবে দায়ী। অন্যরা যুক্তি দিয়েছে যে ধনী দেশগুলিকে স্বল্পোন্নত এবং স্বল্পোন্নত দেশগুলির রূপান্তরকে অর্থায়নে সহায়তা করা উচিত কারণ পূর্ববর্তী দেশগুলি এখন উত্তরণের জন্য জরুরিভাবে প্রয়োজনীয় উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগের সামর্থ্য আরও বাস্তবসম্মতভাবে বহন করতে পারে।
কোপেনহেগেনে ২০০৯ সালের জাতিসংঘ পানিবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (ঈঙচ-১৫) এর সময় প্রতিষ্ঠিত কোপেনহেগেন চুক্তি “কোপেনহেগেন সবুজ পানিবায়ু তহবিল” উল্লেখ করেছে। তহবিলটি আনুষ্ঠানিকভাবে টঘঋঈঈঈ কাঠামোর মধ্যে একটি তহবিল হিসাবে কানকুনে ২০১০ সালের জাতিসংঘের পানিবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনের সময় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানে ২০১১ সালের জাতিসংঘ পানিবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনে (ঈঙচ ১৭) এর পরিচালনার উপকরণ গৃহীত হয়েছিল।
ক্যানকুনে ঈঙচ-১৬ চলাকালীন, এঈঋ পরিচালনার বিষয়টি নতুন প্রতিষ্ঠিত গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড বোর্ডের কাছে ন্যস্ত করা হয়েছিল এবং বিশ্বব্যাংককে অস্থায়ী ট্রাস্টি হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছিল। এঈঋ-এর কার্যকারিতার জন্য একটি নকশা তৈরি করার জন্য, কানকুনেও “সবুজ পানিবায়ু তহবিলের জন্য ট্রানজিশনাল কমিটি” প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
প্রসঙ্গত পানিবায়ু পরিবর্তন আমরা সমর্থন করি না। কারণ এটা একটা ভ্রান্ত ধারণা। অপরদিকে এটা আসলে একটা দুর্নীতির আখরা। বাংলাদেশে বিপর্যয়, নারীদের আরো বেপর্দা করা এবং বাংলাদেশকে শোষণই এর পায়তারা। এখন কার্যত দেখা যাচ্ছে তথাকথিত এই পানিবায়ু তহবিল নিয়ে বাংলাদেশে দুর্নীতির জট আরো বাড়ছে।
এ তহবিল বাংলাদেশের ওপর ঋণের বোঝা বাড়াচ্ছে বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি)।
তাদের মতে, গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ডের (জিসিএফ) ভূমিকা হতাশাব্যঞ্জক ও বৈষম্যমূলক। আমলাতান্ত্রিক ও প্রক্রিয়াগত জটিলতার কারণে বাংলাদেশ পানিবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সত্ত্বেও কোনো সুফল পাচ্ছে না। কান্ট্রি ওনারশিপ নিশ্চিতে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর স্বীকৃতিপ্রাপ্ত জাতীয় প্রতিষ্ঠানে অর্থায়নকে অগ্রাধিকার দেয়া জিসিএফ’র মূলনীতি হলেও তা অগ্রাহ্য করে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে অর্থায়নকে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। এই বৈষম্যমূলক আচরণের জন্য আন্তর্জাতিক অংশীজনদের সঙ্গে দেন-দরবারের প্রয়োজন রয়েছে।
তারা জানায়, পানিবায়ু পরিবর্তনের কারণে যারা ক্ষতিগ্রস্ত, সুফল যাদের পাওয়ার কথা, তারা পাচ্ছে না। আমাদের জাতীয় সংস্থাগুলোর জন্য ঋণ বেশি দিচ্ছে। ফলে ঋণের বোঝা বাড়ছে। আর আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোতে অনুদান বেশি দিচ্ছে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর যেটি পাওয়ার যোগ্যতা নেই। জিসিএফ অভিযোজনে কম অর্থায়ন করছে, অন্যদিকে প্রশমনে বেশি নজর দিচ্ছে উল্লেখ করে টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক বলেন, ফলে ঝুঁকিপূর্ণ দেশের পানিবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত কার্যক্রম অগ্রাধিকার পাচ্ছে না।
অন্যদিকে, জিসিএফে তহবিল স্বল্পতা রয়েছে। উন্নত দেশের প্রতিশ্রুত পানিবায়ু অর্থ সংগ্রহ করে তা ঝুঁকিপূর্ণ দেশে সরবরাহে অনুঘটকের ভূমিকা পালনসহ কার্যকর কৌশল ও পদক্ষেপ গ্রহণে জিসিএফ’র ঘাটতি বিদ্যমান। এক্ষেত্রে কাক্সিক্ষত দায়িত্ব পালন ও সমন্বয় সাধনেও জিসিএফ’র ঘাটতি রয়েছে। অনুদানভিত্তিক কার্যক্রম থেকে জিসিএফ মুনাফাভিত্তিক কার্যক্রম বেশি করছে। কারণ নিজেদের ব্যর্থতার কারণে তারা তহবিল সংগ্রহে ব্যর্থ হচ্ছে।
গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে পানিবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় অনুদানভিত্তিক তহবিল বিতরণে জোর দেয়া হলেও জিসিএফ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত দেশে ঋণ দেয়া হচ্ছে বেশি। দর কষাকষিতে সক্ষমতা কম থাকায় এবং ক্ষেত্রবিশেষে বেশি অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলো ঋণ প্রস্তাবে সম্মত হয়। ফলে অনুদানের চেয়ে ঋণপ্রাপ্তির হার বেশি। জিসিএফ অর্থায়নের ক্ষেত্রে জাতীয় এবং আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠানের ঋণের হার যথাক্রমে ৪৪ দশমিক ৫ শতাংশ এবং ৬৯ দশমিক ৭ শতাংশ। আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের ঋণের হার ৩৫ দশমিক ৮ শতাংশ, যা জাতীয় এবং আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠানের তুলনায় কম। এক্ষেত্রে অনুদানের পরিমাণ জাতীয় প্রতিষ্ঠানের জন্য ৪৪ দশমিক ১ শতাংশ, আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠানের জন্য ২৮ দশমিক ৫ শতাংশ এবং আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের জন্য ৪৩ দশমিক ৪ শতাংশ।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০১৫ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত জিসিএফ অনুমোদিত সাড়ে ১৩ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে জাতীয় প্রতিষ্ঠানের জন্য দেয়া হয়েছে মাত্র ১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার। আর আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠানের জন্য অনুমোদন করা হয়েছে ১ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার। ১০ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের জন্য অনুমোদন করা হয়েছে। টিআইবি জানিয়েছে, মাত্র পাঁচটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের (ইউএনডিপি, বিশ্বব্যাংক, ইবিআরডি, এডিবি এবং আইডিবি) জন্য জিসিএফ’র মোট অনুমোদিত অর্থের ৩৯ দশমিক ৪ শতাংশ বরাদ্দ করা হয়েছে, বাকি ২২টি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান পেয়েছে ৪০ দশমিক ৪ শতাংশ।
প্রসঙ্গত, আই.এম.এফ ও চীনা ঋণের ফাঁদ সম্পর্কে অনেকেই শুনেছেন, জেনেছেন। কিন্তু পানিবায়ু তহবিলও যে দুর্নীতির আখড়ার পাশাপাশি আরেক বড় প্রতারণাযুক্ত বড় ঋণফাঁদ। সে সম্পর্কে জনগণ সচেতন হবেন কী?
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (৮)
০৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
১৯৯০ সালে কাঁচা চামড়া রফতানীর নিষিদ্ধ করণের প্রেক্ষাপট বর্তমানে নেই। এ মুহুর্তে কাঁচা চামড়া রফতানীর অনুমোদন বর্তমান সংকটকে অনেকটাই কমাতে পারে।
০৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
কুরবানী আসে-যায় মৌসুমী কসাইরা অরক্ষা আর অবহেলাতেই থেকে যায়। তাদের অনেকে আহত হয়, পঙ্গু হয়, আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যায়- মৌসুমী কসাইদের প্রশিক্ষণ ও পৃষ্টপোষকতার পাশাপাশি ঈদুল আদ্বহায় বিশেষ স্বাস্থসেবা চালু করা দরকার।
০৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
‘দ্যা গ্রেট রিসেট’ ও নমরুদী মশার প্রতিশোধের এক চরম ইহুদী-নাসারায়ী নীলনকশা!
২৬ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বিদ্যুতের বিল বার বার বাড়ানো শোষক জমিদারি কায়দায় চক্র বৃদ্ধি হারে খাজনার চাবুক মারা অথচ বিদ্যুতে শুধু চুরি নয়, সব দিক থেকে সাগর চুরি হচ্ছে। সে চুরির ক্ষত পোষাতে জনগণের উপর খাজনা বৃদ্ধি করে চোরদের উৎসাহ ও প্রনোদনা এবং নিরাপত্তা দেয়া হচ্ছে।
২৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সে যুগেও হুসাইন আহমদকে ইহুদীদের দালাল, হিন্দুদের কংগ্রেসের পা চাটা- গোলাম প্রচারণা করা হলেও থানভী গংরা তা বুঝতে পারলো কৈ? আজকে পশ্চিমবঙ্গে হাজার হাজার মসজিদ ভাঙ্গা ও লাখ লাখ মুসলমানদের বাড়ী-ঘর ধ্বংস, হিন্দুত্ববাদ গ্রহণে বাধ্য করার মত মহা জুলুমের মূলে হোসেন আহমদের সর্ব ভারতীয় জাতীয়বাদ।
২৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আকাশের অতন্দ্র প্রহরী: বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ও আবহাওয়া রাডার অবকাঠামোর মহাপরিকল্পনা কেন জরুরি? (১ম পর্ব)
২৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর ২০২৫) ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহাম্মদ জসীম উদ্দিনের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
২২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
কিন্তু গতকাল গুগল, ফেইসবুকে অসংখ্য আইডি থেকে প্রচারিত- ‘তারেক রমমান নারিকেল দ্বীপ (সেন্টমার্টিন দ্বীপ) আমেরিকাকে দিয়ে দিয়েছেন নারিকেল দ্বীপ এখন মার্কিন ঘাটি হবে’- ইত্যকার প্রচারণা দেশবাসীকে হতভম্ব করছে। সর্বপোরি সরকারের দলীয় বা প্রশাসনের তরফ থেকে এটাকে গুজব না বলায়- হতাশা চরম আকার ধারণ করেছে।
২২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বর্বর আম্রিকা আর সন্ত্রাসী ইসরাইলের সাথে সু-সম্পর্ক বজায় রাখছে সংযুক্ত আরব আমিরাত কিন্তু মুসলিম দেশ ইয়েমেন থেকে শুরু করে সোমালিয়া-লিবিয়া হতে সুদানে ভয়াবহ গৃহযুদ্ধ চালিয়ে রাখছে আরব-আমিরাত ভয়াবহ মানবেতর সংকটে সুদান, সহিংসতা-রোগ-দুর্ভিক্ষে দিশাহারা মানুষ সুদানের রক্তপাত বন্ধে মুসলিম বিশ্বকে সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসতে হবে এক্ষুনি
২১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সার্বভৌমত্বের বিনিময়ে এক শতাংশ ছাড়! এ কেমন কালোচুক্তি? প্রকৃতপক্ষে গোলামীর চুক্তি
২০ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
৭১ এ তারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিলো ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরোধীতার নামে। তবে তারা ২০২৬- এ আমেরিকার আধিপত্যবাদী বাণিজ্য চুক্তির বিরোধিতায় নামছে না কেন? ভারত বাংলাদেশ চুক্তিকে তারা গোলামীর চুক্তি বলে কঠিন আওয়াজ তুলেছিলো!
১৯ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












